Essential Tips for you !

KISS


Never kiss a lady police, She will say hands up.
Never kiss a lady doctor, She will say next please.
Always kiss a lady teacher, She will say repeat it 10 times... 



LOVE


If you love her then
Don't Say Sorry, Don't Say thank you.



JOKES




sele tader dorja khule dekhte pelo pasher barir uncle asese.

Uncle: tomer baba ase babu?
Sele: baba to toilet e ?
Uncle: tumi 50 ber kan dhore uth bosh korle ami tomake 500 tk. dibo.
Sele tokhon khushir chote 50 ber kan dhore uth bosh korlo..
Uncle: ai nao 500tk.
sele khushi hoye 500tk niye door lagiye dilo ai somoy ter baba toilet theke ask korlo ke asesilo baba.
Sele: baba pasher barir uncle asesilo..
Baba: amar 500tk dia gese to?
Sele: Mane?


(02)

জন তার বন্ধু ক্রিস এর বাসায় গেল। দরজা খুলে দিল ক্রিস এর সুন্দরী বউ লিলি।
জন, “ক্রিস কি আছে?”
লিলি, “ও তো নেই।“
জন, “আমি কি ভেতরে ওর জন্য একটু বসতে পারি?”
লিলি, “আসুন।“
কিছু সময় বসে গল্প করার পর জন বললো, 

“আপনি যদি আমাকে আপনার একটা breast দেখান তবে আমি আপনাকে ৫০০ ডলার দেব!”
প্রথমে রেগে গেলেও লিলি ভাবলো, শুধু মাত্র তো দেখবে। ছোঁবেও না বা আর কিছু করবেনা। 

এর জন্য ৫০০ ডলার মন্দ কি?
লিলি ১ মিনিটের জন্য জন কে তার ১টি breast দেখালো!
জন ৫০০ ডলার দিয়ে একটু পরে আবার বললো,

“এবার আপনি যদি ২টি breast-ই এক সাথে দেখান তবে আমি আপনাকে আরো ৫০০ ডলার দেবো!”
লিলি এতেও রাজি হলো এবং ২টি breast-ই দেখালো। জন কথামত আরো ৫০০ ডলার দিয়ে চলে গেল।
রাতে যখন ক্রিস ফিরল তখন লিলি তাকে জানালো যে জন এসেছিলো।
তখন ক্রিস বললো, “তাহলে ও নিশ্চয়ই আমার পাওনা ১০০০ ডলার দিয়ে গেছে?”


(03)

প্রচণ্ড অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
পাশ দিয়ে একজনকে যেতে দেখে কোমল স্বরে বললেন, ভাই মাছটা একটু খুলে দেবেন?
একটু বিরক্ত হয়েও মাছটা খুলে দিলেন লোকটি। তারপর বললেন, এত অলস আপনি! এক কাজ করেন- একটা বিয়ে করেন। ছেলেপেলে হলে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারবে।
উত্তর এলোঃ ভাই, আপনার জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে আছে?


নকল


স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কী রে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হলো ?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধুঃ কীভাবে ?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর ! 
তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি ! তাই ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।

১ম বন্ধু :- হায়! সর্বনাশ হয়েছে- 
আমি ও তো তোর মতো পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি ! 
আমাদের দুই জনের খাতাই একই রকম দেখলে- 
টিচার মনে করবে না যে আমরা দুজনে নকল করেছি!

 

CHOTTO EKTA JOKE (15+)


A BOY AND A GIRL TALKING
GIRL: WHAT DO U LIKE ME MOST?
BOY: THE WHITE BALL WHICH HAV TWO BLACK DOTS ON ITS MIDDLE
GIRL: WHAT?


BOY: UR 2 EYES!!!! :)


স্বামী স্ত্রী কথোপকথন


স্বামী- তোমার জন্য আমি নদীতেও ঝাঁপ দিতে পারি।
পাশের ঘর থেকে বাবা বলেন
------- বাপজান, তুমিতো সাঁতার জানো না। কোমরে একটা দড়ি বেঁধে নিও।


.....................................................................................................

এক সিনেমা হলে স্বামী স্ত্রী বসে সারাক্কখন বকে যাচ্ছে। পিছনের সারির এক ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে বললেন আপনারা একটু চুপ করুন। আমি কিছুই বুঝতে পাচ্ছিনা।
স্বামী- আমাদের দাম্পত্য জীবনের কথা আপনাকে কে শুনতে বলেছে।


.....................................................................................................

এক ভদ্রলোক চুল কাটাতে গিয়েছিল।
নাপিত- স্যার আপনার চুল তো সব অকালে পড়ে যাচ্ছে
কিছু ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন?
ভদ্রলোক- ব্যবস্থা তো নিচ্ছি। আগামী মাসেই আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হবে


.....................................................................................................

অফিস থেকে ফিরেঃ-
স্বামীঃ একটা মজার ব্যাপার শুনে যাও।
স্ত্রীঃ কি হয়েছে?
স্বামীঃ আজ আফিস থেকে যেই বের হয়েছি দেখি শেষ বাসটা বেরিয়ে গেলো। আমিও বাসটা ধরার জন্য ওটার পিছনে ছুটতে ছুটতে দেখি বাড়ি এসে গেলাম। আজকের বাস ভাড়ার একটা টাকা তো বেঁচে গেল।
স্ত্রীঃ এ জন্যই বলি তোমার মত বোকা আর নাই।
স্বামীঃ কেন কেন?
স্ত্রীঃ কেন, ট্যক্সির পিছনে ছুটতে পারিলেনা।

-----------------------------------------

গুরুত্বপূর্ন জিনিস শেখা......


রনের সব কিছুই ঠিক ছিল। জুলির সাথে অনেক দিন প্রেম করার পর ও তাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। জুলির পরিবারও ওকে মেনে নিয়েছে। বিয়ের দিন তারিখও মুটামুটি ঠিক। কিন্তু সমস্যা এক জায়গাতেই। তা হলো জুলির ছোট বোন টিশা। টিশা ভীষণ সুন্দরী আর সেক্সি!
যদিও জুলিও কম সুন্দরী না। কিন্তু টিশা রনকে দেখলেই কেমন যেন করে বলে রনের মনে হয়!
যেমন ইচ্ছা করে বুক, পা বের করা, ইংগিত দেয়া এসব আর কি!
টিশা কিন্তু আর কারো সামনে এমন করে না।
যাই হোক, এটা নিয়ে রন একটু অস্বস্তিতেই ছিল। রনের অস্বস্তি আরো বেড়ে গেলো যখন ও একদিন জুলিদের বাসায় গিয়ে দেখলো যে ওখানে টিশা ছাড়া আর কেউ নেই।
এবার টিশা সরাসরি ওকে বলেই ফেললো, "তোমাকে আমার ভালো লাগে! যেহেতু আপুর সাথে তোমার বিয়ে হতে যাচ্ছে তাই তোমাকে চিরদিনের মতো করে পাবার উপায় নেই। কিন্তু তোমার বিয়ে হবার আগে আমি তোমাকে একবারের জন্য কাছে পেতে চাই! আমি উপরের তলায় অপেক্ষা করছি।"
এই বলে টিশা উপরে চলে গেলো এবং উপর থেকে নিজের প্যান্টি খুলে ছুড়ে ফেললো!
রনের মাথা ঘুরতে লাগলো! সে কোন দিকে না তাকিয়ে মূল দরজা খুলে বের হয়ে গাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলো। একটু এগোবার পর সে দেখলো তার হবু শ্বশ্বুর ও জুলি দাঁড়িয়ে আছে!
তারা দু জনেই রনকে জড়িয়ে ধরলো! রনের হবু শ্বশ্বুর বলতে লাগলো, "আমি আজ খুব খুশি! তোমার সততা পরীক্ষা করার জন্য আমরা টিশাকে দিয়ে এই নাটকটি করিয়েছিলাম! তুমিই জুলির উপযুক্ত পাত্র!"
রন একটু হতভম্ব হয়ে ভাবতে লাগলো, "যাক আজকের ঘটনা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখলাম। ভুলেও কনডম কখনও মানিব্যাগে রাখা যাবেনা! কনডম রাখার জন্য গাড়ির গ্লভস্ই উপযুক্ত জায়গা!!"


বিরক্ত

বাবা-ছেলের মধ্যে কথা হচ্ছে—
ছেলে: আমাকে একটা হারমোনিয়াম কিনে দাও না, বাবা।
বাবা: দিতে পারি, তবে এক শর্তে।
ছেলে: কী শর্ত।
বাবা: তোমাকে ওয়াদা করতে হবে যে তুমি হারমোনিয়াম নিয়ে আমাকে কোনো রকম বিরক্ত করতে পারবে না।
ছেলে: একদম বিরক্ত করব না, বাবা। সারা দিন আমি বাজাবই না। তুমি ঘুমিয়ে গেলেই আমি হারমোনিয়াম বাজাব।


বউর সাথে ঝগড়া


সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে
সাইফ: বলিস কী! তারপর?
রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’



আমার কি কোনো বন্ধু থাকতে পারে না 18+

Montake Valo korun! haahhhhhhhhhhhhhaaaaaaaa
বিদেশ থেকে দুবছর পর বাড়ি ফিরে হাসান দেখল তার বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা।
হাসান বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?
: কার আবার, আমার।
: কী! বল, তার নাম বল! কে আমার এত সর্বনাশ করেছে!
বউ চুপ।
: বল, কে সে? নিশ্চয়ই শয়তান জামাল!
: না
: তা হলে নিশ্চয়ই শয়তান জাফর!
: না, তাও না।
: তা হলে কে?
: তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ আমার কি কোনো বন্ধু থাকতে পারে না।



কয়েকটি ১৮+ কৌতুক


১.
ক্লাসে টিচার সকল ছেলেকে এসাইনমেন্ট দিলেন, তোমার বাড়ির আশেপাশে কি তৈরি হচ্ছে তা নিয়ে লিখবে। তারপর তিনি সকল ছেলেকে বেরিয়ে যেতে বললেন। এবার তিনি মেয়েদেরকে বললেন, ছোট্ট জনি কালকে নিশ্চয়ই বিশ্রী কোন কথা লিখে আনবে। আমি চাই ওর এসাইনমেন্ট পড়ার সাথে সাথে তোমরা ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাবে যাতে ও বুঝতে পারে ওর কথা তোমরা পছন্দ করো না। তাহলে হয়তো ওর একটা শিক্ষা হবে।

পরদিন সব ছেলে এসাইনমেন্ট করে এনেছে।

জিম পড়ছে- আমাদের বাসার কাছে একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর তৈরি হচ্ছে। আমাদের দৈনন্দিন জিনিস কেনাকাটায় অনেক সুবিধা হবে।

বিল পড়ছে- আমাদের বাসার কাছে একটা মার্কেট তৈরি হচ্ছে। আমার মায়ের কেনাকাটায় সুবিধা হবে।

জনি এগিয়ে এলো তার এসাইনমেন্ট পড়ার জন্য। টিচার সব মেয়েদের গোপনে ইশারা করে দিলেন।

জনি পড়লো- আমাদের বাসার কাছে একটা বেশ্যাপাড়া তৈরি হচ্ছে। এ পর্যন্ত পড়ে সে দেখলো মেয়েরা দরজার দিকে লাইন দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই দেখে সে বললো- আরে আরে, তোমরা কোথায় যাও? এখনও তো বিল্ডিংটা বানানো শেষ হয়নি।


২.
ট্যাক্সিতে উঠে নান খেয়াল করলো ট্যাক্সি ড্রাইভার তাকে আয়নায় দেখছে।

- তুমি কিছু বলবে? নান জানতে চাইলো।

- আমার অনেক দিনের শখ আমি একজন নানের চুমু খাবো।

- খেতে পারো এক শর্তে, যদি তুমি অবিবাহিত ক্যাথলিক হও। বললো নান।

- আমি অবিবাহিত আর আমি ক্যাথলিক।

নান এবার তাকে সুন্দর একটি কিস করার সুযোগ দিলো।

কিস শেষে লজ্জিত ভঙ্গিতে ড্রাইভার বললো, আমি আপনাকে মিথ্যা কথা বলেছি। আমি বিবাহিত আর আমি ক্যাথলিক নই। আমাকে মাফ করে দিন।

নান বললো, চিন্তা কোরো না। আমার নাম গ্যারি। একটা যেমন খুশি তেমন সাজো পার্টিতে যাচ্ছি।



৩.
ক্লাস সিক্সে অল্পবয়স্ক এক ম্যাডাম এ্যাসাইনমেন্ট দিচ্ছিলেন। এ্যাসাইনমেন্টের টাইটেলটা অনেক বড় হওয়ায় তিনি বোর্ডের অনেক উপর থেকে লেখা শুরু করলেন। এমন সময় পেছন থেকে এক ছেলের খিখি হাসি শোনা গেল। ফিরে তিনি দেখলেন রিক হাসছে।

- তুমি কেন হাসলে?

- ম্যাডাম, আপনার অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছিলো তাই।

- ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ দিন আমার সামনে আসবে না।

রিক বেরিয়ে গেলো মাথা নিচু করে।

ম্যাডাম আবার লেখা শুরু করলেন। এবার বিলের কণ্ঠে আরো জোরে হাসি শোনা গেলো। ম্যাডাম রেগেমেগে জানতে চাইলেন, কেন হাসলে?

- ম্যাডাম আপনার অন্তর্বাস পুরোটাই দেখা যাচ্ছিলো তাই।

- ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ সপ্তাহ আমার সামনে আসবে না।

বিল মাথা নিচু করে ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলো।

ম্যাডাম এবার লিখতে গিয়ে হাত থেকে মার্কার পড়ে গেলো। সেটা তুলতেই এক ছাত্রের হাসি শুনতে পেলেন। ফিরে তিনি দেখলেন ছোট্ট জনি ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

- তুমি কোথাও যাচ্ছো?

- ম্যাডাম, আমি যা দেখেছি তা যদি বলি তাহলে বাকি জীবন আমার আর ক্লাস করা হবে বলে মনে হয় না।




৪.
এক লোক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে বললো, ডাক্তার, আমার স্ত্রী আমাকে লুকিয়ে অন্যদের সাথে মেশে। প্রতিদিন সে ল্যারির বারে যায়। যেই তাকে ডাকে তার সাথেই সে শোয়। এসব ভেবে আমার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আপনিই বলুন আমি কি করতে পারি?

ডাক্তার বললো, শান্ত হও, আমি দেখছি কি করা যায়। তার আগে বলো তো, ল্যারির বারটা কোথায়?
  


স্প্রে

বাগানে দাদা নাতি খেলছিলো। একটা গর্ত থেকে একটা কেঁচোকে বেরোতে দেখে নাতি বললো, দাদু, আমি
এটাকে গর্তে ঢোকাতে পারবো।
দাদা তার সাথে ৫ ডলার বাজি রাখলো যে সে পারবে না কারণ কেঁচোটা খুব পিচ্ছিল আর নরম ছিলো। ধরাই কঠিন তার ওপর আবার অতটুকু গর্তে ঢোকানো!

নাতি বাজি ধরার পর বাড়ির ভিতর গিয়ে একটা স্প্রে নিয়ে এলো। কেঁচোটার সারা গায়ে ছিটিয়ে এক মিনিট অপেক্ষা করলো। ততক্ষণে কেঁচোটা স্প্রের প্রভাবে শক্ত ও সোজা হয়ে গেলো। তখন সে সেটাকে গর্তে ঢুকিয়ে দিলো। দাদা তার কথামতো ৫ ডলার দিয়ে দিলো।


একটু পর দাদা আবার নাতির সাথে দেখা করলো। এবারও তার হাতে একটা পাঁচ ডলারের নোট দিলো।
- দাদু, তুমি তো একবার টাকা দিয়েইছো। আবার কেন? নাতি অবাক!
- এটা তোর দাদির পক্ষ থেকে।


 

বুকের সাইজ

 

ছেলে বাবাকে জিজ্ঞেস করছে, বাবা, মেয়েদের কত রকমের বুক আছে?

বাবা একটু বিব্রত হলেও ছেলেকে শেখানোর স্বার্থে বললো, তিন রকমের বুক আছে।
 
২০ - ৩০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে লেবুর মতো, গোল আর মজবুত।  
৩০ - ৪০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে নাশপাতির মতো, তখনও সুন্দর দেখায় কিন্তু একটু ঝুলে যায়। ৪০ -৫০ বছর বয়সে তাদের বুক হয় পেঁয়াজের মতো।  
- পেঁয়াজের মতো? ছেলে অবাক।  
- হ্যাঁ, যদি সেগুলো দেখো, তোমার কান্না পাবে।

----------------------- More

0 comments:

Post a Comment

" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!

Follow me