Jokes-1

 

বুকের সাইজ

ছেলে বাবাকে জিজ্ঞেস করছে, বাবা, মেয়েদের কত রকমের বুক আছে?
বাবা একটু বিব্রত হলেও ছেলেকে শেখানোর স্বার্থে বললো, তিন রকমের বুক আছে।
২০ - ৩০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে লেবুর মতো, গোল আর মজবুত।
৩০ - ৪০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে নাশপাতির মতো, তখনও সুন্দর দেখায় কিন্তু একটু ঝুলে যায়।
৪০ -৫০ বছর বয়সে তাদের বুক হয় পেঁয়াজের মতো।
- পেঁয়াজের মতো? ছেলে অবাক।
- হ্যাঁ, যদি সেগুলো দেখো, তোমার কান্না পাবে।


~` Vodrota!!!


Mother: Baba Rimon, bus a kono briddho othoba kono mohila darie thakle shobshomoy taar jonne seat chere diba, thik ache??
 
Rimon: Thik ache ammu.

Tarpor 1 din Rimon taar baba'r shathe bus a kore school a jachchilo.Then Rimon 1 jon mohila k dekhe uthe darie bollo" Aunty boshen". Ei kaaj korar por baba taake ekta chor dilo.

Then bashay........

Rimon: Ammu jano bus a ami ek aunty'r jonne amar seat chere debar por abbu amake chor mereche.

Mother:Keno keno ??tumi amar chele k marle keno? O to thik kaaj e korechilo!!!!!!

Father:Tomar fazil chele ki koreche jano? ? ? fazil ta amar kool a theke uthe darie oi mohila k bole , aunty boshen.



পোস্টমাস্টার ভিতরে ছিলো নাকি বাইরে


এক পোস্টমাস্টার গেছে দাওয়াত খাইতে, কিন্তু ভুলে বেচারা প্যান্টের চেইন লাগায় নাই
পার্টিতে এক লোকের তা দেইখা তো আক্কেল গুড়ুম। সরাসরি তো আর বলা যায়না যে চেইন খোলা। তাই সে কায়দা কইরা বলল, ভাই, আপনার পোস্টঅফিস তো খোলা।
কিন্তু পোস্টমাস্টার ইংগিতটা বুঝলো না, সে কয়- না না , পোস্টঅফিসে আমি নিজের হাতে তালা মাইরা আইছি। খোলা না, বন্ধই আছে।
তো ঐ লোক যতই বোঝায়, পোস্টমাস্টার বুঝে না, কয় বন্ধ, বন্ধ, নিশ্চয়ই বন্ধ।
তো লোকটা হাল ছাইড়া দিয়া চইলা গেলো। পরে পোস্টমাস্টার বাসায় ফিরা দেখে তার চেইন খোলা। সাথে সাথে সে সব বুঝলো, বুইঝা তো পাইলো ব্যাপক শরম। কিছুক্ষণ ঝিম মাইরা থাইকা ফোন করলো ঐ লোকটারে।
ফোন কইরা কয়- ভাই, এইবার আমি বুঝছি আপনি কি বুঝাইতে চাইছিলেন। তা ভাই যখন খোলা আছিলো, তখন কি পোস্টমাস্টার ভিতরে ছিলো নাকি বাইরে?
 
 

এক হাসপাতালের ওয়েটিং রুমে তিনজন লোক তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম নেয়ার অপেক্ষা করছিলো ।
নার্স বেরিয়ে এসে প্রথমজনকে বললো, অভিনন্দন, আপনার যমজ বাচ্চা হয়েছে।
লোকটি খুশি হয়ে বললো, আরে, আমি তো মিনোসেটা টুইনস (মিনোসেটা যমজ)- প্রতিষ্ঠানে কাজ করি।
একটু পর নার্স বেরিয়ে এসে দ্বিতীয়জনকে বললো, অভিনন্দন, আপনার ৩টি বাচ্চা একসাথে হয়েছে।
লোকটি খুশি হয়ে বললো, আরে আমি তো থ্রি-এম -এ কাজ করি।
এ কথা শুনে তৃতীয়জন খোলা জানালা দিয়ে বাইরে লাফ দিলো। নার্স বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলো বাচ্চার বাবা কোথায়। অন্য দু'জন উত্তর দিলো, জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে গেছে।
- কেন? নার্স অবাক।
- ও সেভেন-আপে কাজ করে। একজনের উত্তর।

  

শামুক

 

স্ত্রীর দেয়া ডিনার পার্টি উপলক্ষে স্বামী স্ত্রী খুব ব্যস্ত। সন্ধ্যায় স্ত্রীর খেয়াল হলো পার্টির জন্য শামুক আনা হয়নি। কেউ কেউ শামুক খেতে পছন্দ করে। তাই সে স্বামীকে বললো সমুদ্রতীরে গিয়ে কিছু শামুক কুড়িয়ে আনতে।
 
শামুক আনতে গিয়ে স্বামীটি খেয়াল করলো এক অপূর্ব সুন্দরী মেয়ে বিচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সে শামুক কুড়াতে কুড়াতে ভাবছিলো যদি মেয়েটি আমার সাথে এসে কথা বলতো তাহলে কতো ভালো হতো!

একটু পর মেয়েটি তার দিকে এগিয়ে এলো। দু'জনে কথাবার্তা বলতে বলতে খুব অন্তরঙ্গ হয়ে গেলো। মেয়েটি তাকে তার এপার্টমেন্টে নিমন্ত্রণ জানালো। দু'জনে রাতটা সেখানেই কাটালো।

সকালে ঘুম ভাঙতেই স্বামীর মনে পড়লো তার স্ত্রীর ডিনার পার্টির কথা। 'সর্বনাশ!' বলে সে দ্রুত কাপড় পরে নিলো। তারপর শামুকের বালতিটা হাতে নিয়ে ছুটলো নিজের বাসার দিকে।

সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে তার হাত থেকে বালতিটা পড়ে গেলো। শামুকগুলো সব সিঁড়িতে ছড়িয়ে পড়লো। তার আওয়াজ পেয়ে স্ত্রী দরজা খুলে রাগের স্বরে জানতে চাইলো সে কোথায় ছিলো গত রাতে।

স্বামী তার কথার উত্তর না দিয়ে শামুকগুলো দিকে তাকিয়ে বললো, এই তো, তোমরা তো প্রায় পৌঁছে গেছো। আর কয়েক কদম মাত্র।

মারিয়ানা ঠিক করলো এবারের ছুটিটা সে হোটেলের ছাদে সানবাথ করেই কাটাবে। প্রথমদিন সে বিকিনি পরে ছাদে শুয়ে রইলো। সে খেয়াল করলো সারাদিনে কেউ ছাদে এলো না। তাই পরেরদিন সে গায়ে অবশিষ্ট কাপড়টুকুও রাখলো না যাতে পুরো শরীরে সূর্যের তাপ লাগে।


কিছুক্ষণ পর সে ছাদের সিঁড়িতে কারো পায়ের শব্দ শুনে উপুড় হয়ে শুলো আর নিচের দিকে একটা তয়লা টেনে নিলো। একটু পর ম্যানেজারের মুখ দেখা গেলো।
- ম্যাডাম, আপনি সান বাথ করেন আপত্তি নেই, কিন্তু দয়া করে গতকাল যতটুকু কাপড় পরেছিলেন, পরে নিন। ম্যানেজার বললো।
- কেন? ছাদে তো কেউ আসছে না। পাশের বিল্ডিংগুলোও সব নিচু। তাহলে সমস্যা কি?
- আসলে ম্যাডাম, আপনি রোদ আসার জন্য বানানো ছাদের কাঁচের অংশটুকুতে শুয়ে আছেন।

মৃত্যুর মুহূর্ত

এক মহিলা তার স্বামীর মৃত্যুর আগ মুহূর্তে কাছে দাঁড়িয়ে ছিলো। স্বামীর মুখে নাকে অনেক পাইপ লাগিয়ে তার শ্বাসপ্রশ্বাস চালু রাখা হয়েছিলো। এ কারণে সে কথা বলতে পারছিলো না। যা কথাবার্তা তা শুধু ইশারায় হচ্ছিলো।
হঠাৎ স্বামীটি দম নেবার জন্য হাঁসফাঁস করতে লাগলো আর তার চোখগুলো উপর নিচ করতে লাগলো।তার অস্থিরতা দেখে ডাক্তার পরামর্শ দিলো, আপনি ওকে একটা কাগজ কলম দিন যাতে ও ওর মনের কথা লিখতে পারে।

এক নার্স কাগজ কলম এগিয়ে দিলো। এর কিছুক্ষণ পর লোকটা মারা গেলো।

দীর্ঘক্ষণ কেঁদে কেটে মহিলার খেয়াল হলো তার স্বামী তাকে একটা নোট লিখে দিয়ে গিয়েছে। সে খুলে সেটা পড়লো আর সাথে সাথে ডাক্তারকে কষে একটা চড় লাগালো।
ডাক্তার তো হতভম্ব। তখন তাকে স্বামীর লেখাটা দেখানা হলো যাতে লেখা ছিলো- হতচ্ছাড়া ডাক্তার, আমার অক্সিজেন পাইপ থেকে সরে দাঁড়া।

মেয়েদের জন্য পাঁচটি জরুরি বিষয়

১. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে বাড়ির কাজে সাহায্য করে এবং কোন একটা জব করে।
২. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে হাসাতে পারে।
৩. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি নির্ভরযোগ্য এবং তোমাকে মিথ্যা বলে না।
৪. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে ভালোবাসে এবং তোমাকে আদর করে।
৫. সবচেয়ে জরুরি হলো, এই চারজন ব্যক্তি যেন একজন আরেকজনকে না চেনে।



 

স্ত্রী না অন্য কেউ?

আমেরিকান এয়ারলাইন বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের স্ত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়ার নিয়ম চালু করলো যদি তারা তাদের স্বামীদের সাথে ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করে।
নিয়মটি চালু করার এক মাস ফিডব্যাক নেবার জন্য তারা বিভিন্ন ব্যবসায়ীর স্ত্রীদের কাছে চিঠি পাঠালো এই লিখে যে আপনাদের বিজনেস ট্রিপ কেমন চলছে? 
চারদিক থেকে পাল্টা চিঠি আসা শুরু হলো- কোন ট্রিপ?



ম্যানেজারকে চাই

এক উদ্ভিন্ন যৌবনা তরুণী বারটেন্ডারের সামনে এসে ইশারায় তাকে ডাকলো। বারটেন্ডার এগিয়ে এলে লাস্যময়ী ভঙ্গিতে তার থুতনি আর গালে হাত বুলিয়ে তরুণী জিজ্ঞেস করলো- তুমিই কি ম্যানেজার?
 
বারটেন্ডার একটু কেঁপে নিজেকে সামলে বললো- জ্বী না।
তরুণী এবার বারটেন্ডারের মাথার চুল আর কানে হাত বুলিয়ে বললো- ওকে একটু ডেকে দেবে? একটা সমস্যা হয়েছে?
বারটেন্ডার জানতে চাইলো- কি সমস্যা আমাকে বলুন।
তরুণী বারটেন্ডার মুখে তার তর্জনী আর মধ্যমা ঢুকিয়ে সেগুলো বারটেন্ডারকে চুষতে দিলো। খুশিতে বারটেন্ডারের পাগলপ্রায় দশা।
- ম্যানেজারকে বলো লেডিস টয়লেটে টিসু পেপার নেই। তরুণীর জবাব।


 
কোটি বারে একবার

এক মহিলার আত্মীয় স্বজন পুরো আমেরিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো। ভাতিজা, ভাতিজী, ভাগ্নে, ভাগ্নীদের দেখার জন্য সে প্রায়ই প্লেনে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ভ্রমণ করতো। বাচ্চাদের সঙ্গ তার যতই ভালো লাগুক না কেন, প্লেন সম্পর্কে তার একটা ভয় সবসময় কাজ করতো- যদি কেউ প্লেনে বোমা ফাটিয়ে দেয়?

তার ভয়ের কথা জানতে পেরে আত্মীয় স্বজনরা ঠিক করলো তাকে এক স্ট্যাটিসটিক্স অভিজ্ঞ ব্যক্তির কাছে নিয়ে যাবে যাতে তাকে এটা বোঝানো যায় যে প্লেনে বোমা নিয়ে ওঠার সম্ভাবনা শতকরা কতো ভাগ।

স্ট্যাটিসটিক্স অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে মহিলা প্রশ্ন করলো, বোমা নিয়ে প্লেনে কোন খারাপ লোক ওঠার সম্ভাবনা কতটুকু।

লোকটি তাকে জানালো- খুব কম। পঞ্চাশ হাজার বারে একবার।

মহিলা জানতে চাইলো- একই প্লেনে দুইজন বোমা নিয়ে ওঠার সম্ভাবনা কতদূর?
লোকটি বললো- এটার সম্ভাবনা আরো কম, এক কোটি বারে একবার। কোন ভয় নেই।
মহিলা খুশি হয়ে চলে এলো।
এরপর থেকে সে যতবার প্লেনে চলাফেরা করতো, প্রতিবার সাথে একটা বোম রাখতো।


বিয়ের আগে ও পরে


বিয়ের আগে-


মেয়ে: আহ, অবশেষে। আর অপেক্ষা করতে পারছিলাম না।
ছেলে: তুমি কি চাও আমি এখান থেকে চলে যাই?
মেয়ে: একদম না! এমনটা চিন্তাও করো না।
ছেলে: তুমি কি আমাকে ভালোবাসো? 
মেয়ে: অবশ্যই! সবসময়।
ছেলে: তুমি কি আমাকে কখনো ধোঁকা দিয়েছো?
মেয়ে: কক্ষনো না! এটা জিজ্ঞেস করছো কেন? 
ছেলে: তুমি কি আমাকে কিস দেবে?
মেয়ে: যখনই সুযোগ পাবো। 
ছেলে: তুমি কি আমাকে আঘাত করবে?
মেয়ে: তুমি কি পাগল? আমি সেরকম মেয়ে নই।
ছেলে: আমি কি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি?
মেয়ে: হ্যাঁ।
ছেলে: ডার্লিং!


বিয়ের পরে-
উপরের ডায়লগগুলো নিচ থেকে উপরে পড়ুন।





চাইনিজ শাস্তি

এক লোক বনে পথ হারিয়ে ঘুরতে ঘুরতে এক টিলার উপরে বাড়িতে এসে হাজির হলো। সেখানে থুথ্থুরে বুড়ো এক চাইনিজ বসেছিলো।
-আমাকে রাতটা এখানে থাকতে দিন। আমি পথ হারিয়ে ফেলেছি।
বুড়ো বললো- থাকতে দিতে পারি এক শর্তে। আমার মেয়ের দিকে নজর দিলে তোমাকে তিনটি চাইনিজ শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
লোকটি ভাবলো, লোকটি যেমন বুড়ো তার মেয়েও তেমন বুড়ো হবে। সে রাজি হলো।
ডিনারের সময় দেখা গেলো খুব সুন্দরী এক মেয়ে তাদের সাথে যোগ দিলো। মেয়েটা তার দিকে বারবার ফিরে তাকালো কিন্তু লোকটি শাস্তির ভয়ে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করলো না।
রাতে শোয়ার পর তার বারবার মেয়েটার কথা মনে পড়তে লাগলো যে তার পাশের রুমে শুয়েছিলো। সে ভাবলো, বুড়ো তো ঘুমিয়েই গেছে। এই ভেবে সে পা টিপে টিপে মেয়ের রুমে গিয়ে যা করার করলো।

সকালে তৃপ্ত মনে ঘুম থেকে উঠে সে দেখলো তার বুকের উপর একটা মিডিয়াম সাইজের পাথর। আর একটা কাগজে লেখা, প্রথম চাইনিজ শাস্তি।

সে মনে মনে হেসে বললো এই শাস্তিতে আমার কি হবে। বলে সে পাথরটা জানালা দিয়ে নিচে ছুঁড়ে দিলো। এই সময় তার নজরে পড়লো জানালার পাশে একটা কাগজে লেখা- দ্বিতীয় শাস্তি- তোমার বাম অন্ডকোষের সাথে পাথরটা বাঁধা। ভয়ের সাথে লোকটি খেয়াল করলো পাথরের সাথে বাঁধা বাম অন্ডকোষের দড়িটা টান টান হতে যাচ্ছে। নিচে পাথরে পড়ে নাহয় এক আধটা হাড় ভাঙবে কিন্তু অন্ডকোষ গেলে তো..... এই ভেবে সে জানালা দিয়ে নিচের উপত্যকায় লাফ দিলো।
পাথরের সাথে গড়াতে গড়াতে সে এবার বড় একটা সাইনবোর্ড দেখতে পেলো- তৃতীয় শাস্তি, তোমার ডান অন্ডকোষ বিছানার পায়ার সাথে বাঁধা।



জামাই

দ্রুত গাড়ি চালিয়ে যাবার সময় এক পুলিশ কনস্টেবল তরুণ মোটর আরোহীকে আটক করলো। বললো, এতো তাড়াহুড়া করে কোথায় যাওয়া হচ্ছে শুনি? চলো থানায়।
তরুণ বলার চেষ্টা করলো, কিন্তু অফিসার....
পুলিশ বললো, কোন কিন্ত কিন্তু নয়। ইন্সপেক্টর না আসা পর্যন্ত তোমাকে আটক থাকতে হবে।
তরুণ আবার বলার চেষ্টা করলো, কিন্তু অফিসার, আমি.....
পুলিশ তাকে চুপ করে দিলো আর লকআপে পুরে দিলো।

দু'তিন ঘন্টা পর লকআপে তরুণকে চেক করতে গিয়ে সে জানালো ইন্সপেক্টর তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে গেছেন। সুতরাং যখন তিনি আসবেন তখন ভালো মুডেই থাকবেন। তরুণকে হয়তো তখন ছেড়ে দিবেন।

তরুণ উত্তর দিলো, আমার মনে হয় না। কারণ আমিই তার মেয়ের হবু জামাই


কোমা

 

দীর্ঘদিন কোমায় থাকা এক বিবাহিত মহিলাকে যখন নার্স গোসল করাচ্ছিলো তখন তার দুই পায়ের ফাঁকে প্রাইভেট জায়গায় সাবান ঘষতেই যেন একটু সাড়া পাওয়া গেলো। নার্স তৎক্ষনাৎ ব্যাপারটা ডাক্তারকে জানালো। ডাক্তার মহিলার স্বামীকে ফোন দিলো।
স্বামী আসার পর ডাক্তার ঘটনা খুলে বললো। তারপর বললো, আমার মনে হয় তাকে যদি সেক্সুয়ালি উত্তেজিত করা যায় তাহলে তিনি কোমা থেকে ফিরে আসবেন। আপনি ওকে ওরাল সেক্স দিন।
স্বামী মহিলার সাথে একা রইলো। ডাক্তার ও নার্স বেরিয়ে গেলো।
পনের মিনিট পর স্বামী বেরিয়ে এলো- 'ডাক্তার, ও মারা গেছে।'
- কিভাবে?
- তা তো জানি না, তবে মনে হয় দম বন্ধ হয়ে।



মাতালের কাণ্ড

এক লোক বারে মদ খেতে ঢুকলো। দীর্ঘক্ষণ ধরে মদ খেলো সে। সেই সাথে অনেকক্ষণ ধরে সে খেয়াল করলো পুরো বারে একটা মাত্র মেয়ে তার দিকে পিছন ফিরে একটা টেবিলে বসে আছে। সে উঠে গিয়ে মেয়েটাকে ধরে দিলো এক চুমু।
মেয়েটা তো রাগে চেঁচিয়ে উঠলো- এসব কি হচ্ছে?
মাতাল লোকটি বললো, মাফ করবেন, আপনাকে পেছন থেকে দেখে আমার স্ত্রী মনে করেছিলাম।
মেয়েটা এতে শান্ত তো হলোই না বরং আরো জোরে চেঁচিয়ে উঠলো, হারামজাদা, ইতর, লম্পট, বদমাশ.....
মাতালটি বললো, আরে, আপনি তো আমার স্ত্রীর মতোই চেঁচান।

তিনটি খাম

বিদায়ের মুহূর্তে পুরাতন সিইও নতুন সিইওকে তিনটি খাম দিয়ে বললো, এই খাম তিনটা রাখুন। কোম্পানিতে সমস্যা দেখা দিলে ১,২ তারপর ৩ নম্বর খাম খুলবেন। আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
দায়িত্ব নেবার ছয়মাস পর্যন্ত নতুন সিইও খামগুলো ব্যবহারের কথা ভাবলোই না। তারপর একদিন শেয়ার মার্কেটে ব্যাপক দরপতন হলো। পেরেশান হয়ে নতুন সিইও প্রথম খামটা খুললো। তাতে লেখা ছিলো, আগের সিইওর ওপর সব দোষ চাপিয়ে দাও।
পরামর্শমতো নতুন সিইও এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে আগের সিইওর খুব বদনাম করলো। এতে কাজ হলো। মার্কেট আবার চাঙ্গা হয়ে উঠলো।
এর এক বছর পর আবার কোম্পানির বিক্রিতে ধ্বস নামলো। এবার সিইও দ্বিতীয় খামটা খুললো। তাতে লেখা ছিলো, পুরাতনদের ছাঁটাই করে নতুন কর্মী নাও।
এবার পরামর্শ মতো কাজ করার ফলে সমস্যা থেকে কোম্পানি বেরিয়ে এলো।
এর এক বছর পর কোম্পানিতে আবার সমস্যা দেখা দিলো। এবার সিইও তিন নম্বর খাম খুললো। তাতে লেখা ছিলো, তিনটা খাম তৈরি করো।


স্ত্রী

 

মার্কেটে এক লোক হন্তদন্ত হয়ে হাঁঠতে গিয়ে ধাক্কা খেলো আরেক জনের সাথে।
প্রথম জন বললো, আমি দু:খিত, আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর চিন্তায় কোথায় যাচ্ছি খেয়াল করতে পারিনি।
দ্বিতীয় জন বললো, আমিও তো আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি।
প্রথম জন বললো, তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন? তাহলে হয়তো আমি খুঁজতে সাহায্য করতে পারবো।
দ্বিতীয় জন বললো, আমার স্ত্রী লাল চুলের, সবুজ চোখ, লম্বা সুগঠিত পা আর শর্ট স্কার্ট পরে আছে। তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন?
প্রথম জন বললো, আমারটার কথা বাদ দাও। চলো তোমার স্ত্রীকে খুঁজি।

 ---------------------------


0 comments:

Post a Comment

" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!

Follow me