Jokes-3



ভেজিটেরিয়ান জোকস

একটা মেয়ে বাঁধাকপির সাথে একটা ছেলে গাজরের বিয়ে হয়েছে।তো রাতে গাজর আর বাঁধাকপি একসাথে থেকেছে। সকালবেলা গাজরের দুষ্টু বন্ধু ঢ্যাঁড়স জানালা দিয়ে উকি দিয়ে দেখে গাজর কে বলছে কিরে এতক্ষনে বউ এর জামা ঠিক করে দিচ্ছিস।গাজর বল্ল আর বলিস না সারারাত ধরে খুলে শেষ করতে পারিনি।

 

Dui bondhu golpo korche...

1st bondhu: Janis, amar bouer khub kom boyose amar sathe biye hoyeche.To ami biyer porei ok SSC pass koriyechi,HSC pass koriyechi, Degree r Masters o pass koriyechi.Akhon ekta valo chakriteo dhukiye diyechi.Khub valo korechi nare??

2nd bondhu: Ha, khub valoi to korechis. Abar tor bouke valo ekta chele dekhe biye tao diye de...!!

  

চোখে জল আসে না


সর্দারজি আর তাঁর বন্ধু বান্তার মধ্যে কথা হচ্ছে—
বান্তা: কি রে, মন খারাপ করে বসে আছিস কেন?
সর্দারজি: জানিস, আমার স্ত্রী গতকাল মারা গেছে।
বান্তা: বলিস কী রে!
সর্দারজি: এ জন্য অনেক কান্নাকাটি করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কিছুতেই চোখে জল আসে না। কী করি বল তো?
বান্তা: আরে, এটা কোনো ব্যাপার হলো! তুই মনে মনে কল্পনা কর যে সে আবারও ফিরে এসেছে, তাহলেই তো হয়।



মৌমাছি ও অরিন্দম (১৮+)

অরিন্দমের একটা বদ স্বভাব আছে। সেটা হলো, যেখানে সেখানে বসেই জল ত্যাগ করা।
সামনে কে আছে না আছে তা খেয়াল করে না। সময়-অসময় বুঝে না। মন চাইলে জল ত্যাগ করে...

তো বিধি বোধহয় ব্যাপারটা সহ্য করতে পারলেন না। তাই একদিন এক ঘটনা ঘটলো
অরিন্দমের জীবনে।

ঘটনা এইঃ
অরিন্দম জল ত্যাগ করতে বসেছে এমন এক জায়গায় যেখানে ছিলো মৌমাছির চাক।
মনের সুখে অরিন্দম যেই জল ত্যাগ করেছে, জলের ছিটা পেয়ে মৌমাছিগণ নিজ
মূর্তি ধারণ করে আক্রমণ করে বসলো অরিন্দমের সেনসেটিভ পজিশনে।

আর যায় কোথায়?
বেচারার তো ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা।
বউ বেচারী অরিন্দমকে সহ্য করতে না পারলেও অরিন্দমকে ভালোবাসতো। তাছাড়া সে
দেখলো অরিন্দমের কষ্ট হলেও তার নিজের সম্পদই নষ্ট হচ্ছে।
তাই তাড়াতাড়ি অরিন্দমকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলো।

ততক্ষণে সেনসেটিভ বস্তু ফুলে ফেপে একাকার।

কী আর করা! ডাক্তার দ্রুত ওষুধ দিলেন।
অরিন্দমের অবস্থা তখন যায় যায়... ।
তাই তার স্ত্রীকেই ডাক্তার বললেনঃ এই ওষুধটা খাওয়ান, অল্প সময়ের মধ্যেই
ব্যথা এবং ফোলা দুই-ই চলে যাবে।

ডাক্তারের রুম থেকে বের হয়ে স্বামীকে ওয়েটিং রুমে বসিয়ে অরিন্দমের বউ
ডাক্তারের রুমে আবার ঢুকলো।

ডাক্তার : কী ব্যাপার?
অরিন্দমের বউ : ডাক্তার সাহেব, এমন কোনো ওষুধ কি নেই, যা আমার স্বামীকে
খাওয়ালে ব্যথা কমবে ঠিকই তবে ফোলা কমবে না?

 

কী করে ওজন কমাই


দারুণ সৌন্দর্যসচেতন এক মেয়ে এল জিম ইনস্ট্রাক্টরের কাছে। বলল, ‘আমার ওজন ৪৪ কেজি। কী করে ৪ কেজি কমাই, বলুন তো?’
জিম ইনস্ট্রাক্টর: মাস তিনেক ব্যায়াম করুন, তাহলেই হবে।
মেয়ে: আরেকটু কম সময়ে হয় না?
জিম ইনস্ট্রাক্টর: যায়, মাথাটা কেটে ফেলুন, কালকেই ৪ কেজি কমে যাবে।

জুতা নিয়েই এসো

ছেলে ও মেয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে—
ছেলে: ওগো, তুমি আমার হূদয়ের মাঝে চলে এসো।
মেয়ে: জুতা খুলে আসব?
ছেলে: আরে বুদ্ধু, এটা তোমার মায়ের পরিষ্কার করা ঘর নয়। জুতা নিয়েই এসো।

 

Father,Bishop and Nun (18+)

  

একজন ফাদার চার্চের জন্য কিছু টাকা তুলতে চান। তিনি বিশপকে জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে কিছু টাকা আয় করা যায় বলুন ত! চার্চে কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। কিন্তু ফান্ডে যথেষ্ট টাকা নাই।
বিশপ বুদ্ধি দিলেন, শহরে ঘোড়ার রেস হয় প্রতি সপ্তাহে। একটা ঘোড়া কিনে সেখানে অংশ নাও।
পরের সপ্তাহেই ফাদার গেলেন ঘোড়া কিনতে। কিন্তু ঘোড়ার দাম শুনে তার চক্ষু চড়ক গাছে। বেচারা আর কিছু কিনতে না পেরে একটা গাধা কিনে নিয়ে চলে এলেন।
শহরে এসে ভাবলেন, কিনছি যখন গাধা, সেটাকেই রেসে লাগাই। কি আর এমন হবে যদি হেরে যাই।
রেসের ময়দানের সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাধাটা ঘোড়ার রেসেই তৃতীয় হয়ে বসল। শহর জুড়ে গাধার প্রশংসা আর তার কীর্তির আলাপ হচ্ছে। পত্রিকাগুলাও পরদিন ফলাও করে খবর ছাপাল, Father'S ASS SHOWS!!!

ফাদার গাধাটাকে খুব ভালো ভালো খাবার দেয়া শুরু করলেন। পরের সপ্তাহেও রেসে অংশ নিলেন গাধা নিয়েই। এইবার তার গাধা রেসের প্রথমেই। পরদিন বিশাল ছবি সহ সংবাদপত্রের শিরোনাম- FATHER'S ASS OUT IN FRONT!!!

ফাদার আগ্রহ নিয়ে বিশপের সাথে দেখা করতে গেলেন। ফান্ডে বেশ ভালো টাকা জমা হচ্ছে গাধাটার কারনে। এদিকে গাধাটা আবার শহরের হিরো হয়ে গেছে। কিন্তু বিশপ পেপারের হেড লাইনগুলো পছন্দই করেন নাই। তিনি ফাদারকে হুকুম দিলেন, বদমাশ গাধাকে আর রেসে দিবেন না। ফাদার তাই করলেন।রেসে কভার করতে আসা সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করল গাধাটা রেসে নাই কেনো? সহজ-সরল ফাদার বলে দিলেন বিশপের নির্দেশেই এই কাজ করা হয়েছে। রেসিং ডে এর পরের দিন পেপারে আসল- BISHOP SCRATCHES FATHER'S ASS

বিশপ ত এইবার পুরা ক্ষেপা। তার কড়া নির্দেশ এলো ফাদারের কাছে। গাধাকে সরাও। ফাদার আর কি করবেন? এত শখের গাধা তার। কাছের এক সন্ন্যাসী আশ্রমে তার পরিচিত এক নান থাকেন। তিনি গাধাটা নানকে দিয়ে দিলেন। পরের দিনে পেপারে আসল, NUN HAS BEST ASS IN TOWN!!! এইবার পেপারের হেডিং দেখে বিশপ ফিট হয়ে পড়ে গেলেন। জ্ঞান ফিরে আসার পর নানকে খবর পাঠালেন, দয়া করে গাধাটা বিক্রি করে দেন।
নান তাই করলেন। নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিলেন গাধাটা। পেপারে খবর চলে আসল, NUN SELLS ASS FOR 1000 Taka.

বিশপের মাথা এইবার আউলিয়ে গেছে। পেপারগুলা যা শুরু করছে!!!! গাধাটার হাত থেকে যেভাবেই হোক মুক্তি পেতে হবে। তিনি নানকে নির্দেশ দিলেন, আপনি গাধাটা আবার কিনে নেন। এরপর সেটাকে জঙ্গলে ছেড়ে দেন। এরসাথে আমাদের চার্চের যেন কোনরূপ সম্পর্ক না থাকে। নান গাধাটা কিনে ফেরত নিলেন। তারপর বনে নিয়ে ছেড়ে দিলেন। সংবাদ সম্মেলন করে জানালেন, আমার গাধাটার সাথে চার্চের কোনরূপ সম্পর্ক আর নাই। সেটাকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। কেউই আর গাধাটার মালিক নয়। পরেরদিন পেপারের হেডিং- NUN ANNOUNCES HER ASS IS WILD AND FREE.
সেইদিন সকালে হার্ট এটাকে বিশপ মারা গেলেন।  

আপনারা যদি কেউ গাধা কেনার চিন্তা ভাবনা করেন তাহলে একটু বেপার টা মাথায় রাইখেন।



ছেলে এবং মেয়েদের এটিএম মেশিনের ব্যবহারগত পার্থক্য

 

ছেলেঃ
১। গাড়ী নিয়ে সরাসরি ব্যাংক এ যাওয়া
২। নির্দিষ্ট স্থানে গাড়ী পার্ক করা
৩। বুথে ঢুকে মেশিনে কার্ড ইনসার্ট করা
৪। পিনকোড চাপা, ৫। ক্যাশ এবং স্লিপ বুঝে নেয়া
৬। পরবর্তী গন্তব্যে রওনা হয়ে যাওয়া। :D

মেয়েঃ
১। গাড়ী চালিয়ে ব্যাংক এর সামনে যাওয়া ,
২। ইন্জিন বন্ধ করা
৩। আয়নায় মেক-আপ পরীক্ষা করা,
৪। পারফিউম স্প্রে করা
৫। চুলের স্টাইল ঠিক করা,
৬। গাড়ী পার্ক করা (ব্যার্থ) :(
৭। গাড়ী পার্ক করা (ব্যার্থ), X(
৮। গাড়ী পার্ক করা (সফলতার সাথে) :)
৯। হ্যান্ড ব্যাগে কার্ড খোঁজা,
১০। বুথে ঢুকে কার্ড ইনসার্ট করা
১১। এটিএম র্কতৃক কার্ড রিজেক্ট করা (কারণ এটা ফোন কার্ড)
১২। রাগের সাথে গজ-গজ করতে করতে কার্ডটি ব্যাগে ছুড়ে ফেলা X(
১৩। সঠিক কার্ড খুঁজে বের করে পুনরায় ইনসার্ট করা
১৪। সিক্রেট পিন এর জন্য হ্যান্ড ব্যাগের চিপা-চাপা খুঁজা (কারণ কোডটি চিপায় লেখা থাকার কথা)
১৫। পিন নাম্বার চাপা
১৬। খুব মনোযোগের সাথে ২ মিনিট ধরে ইনসট্রাকশন পড়া (পিছনে ধীরে ধীরে লাইন লম্বা হচ্ছে) :-B
১৭। ক্যানসেল,
১৮। আবার পিন নাম্বার চাপা
১৯। বয়ফ্রেন্ড/স্বামীকে কল করে পিন নাম্বার কনফার্ম হওয়া
২০। একটা এমাউন্ট চাপা,
২১। এরর
২২। হ্যাভি একখান এমাউন্ট চাপা,
২৩। এরর
২৪। ম্যাক্সিমাম এমাউন্ট চাপা
২৫। অস্থিরভাবে আঙ্গুলি সঞ্চালন করা,
২৬। ক্যাশ কালেকশন করা
২৭। বুথ থেকে বের হয়ে কয়েকজোড়া রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বিজয়ীর ভাব নিয়ে গাড়ীতে ফিরে আসা
২৮। ব্যাগ থেকে গাড়ীর চারি বের করে গাড়ী স্টার্ট দেয়া,
২৯। ৫০ গজ যাওয়ার পর কার্ড এবং স্লিপ এর কথা মনে পড়া এবং ব্যাংক এ ফিরে আসা,
৩০। বুথ থেকে কার্ড ও স্লিপ সংগ্রহ করা
৩১। গাড়ীতে উঠে ব্যাগ পেছনের সিটে স্লিপ ফ্লোরে ছুড়ে ফেলা
৩২। পুনরায় আয়নায় মেক-আপ পরীক্ষা করা, চুলের স্টাইল ঠিক করা,
৩৩। রং ওয়ে দিয়ে গাড়ী বের করা
৩৪। ৫ কিঃমিঃ যাওয়ার পর হ্যান্ড ব্রেক নামানোর কথা মনে হওয়া
৩৫। এরপর বয়ফ্রেন্ড অথবা হাজবেন্ডকে ফোন দিয়ে বলা যে তার জন্য তাকে কতটা দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।



হেই লোকডারে আমি কহনো দেখি নাই...

  

পুলিশ রেইডে সন্দেহের বশে ধরে আনা হল একজন লোককে।

পুলিশ :-
(একজন দাগী আসামীর ছবি দেখিয়ে) তুমি এই লোকটাকে আগে কোথাও দেথেছ ?

লোকটা :-
স্যার, এই থানা থেইক্যা প্রখম গলিডা ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয় গলিতে যাইবেন ।
উইখানে দেখবেন ৩টা বাস.. প্রখমডা ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয় বাসটাত বইসেন।
প্রথম স্টপ ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয় টাত নাইমা পইড়েন।
তারপর হাইট্যা প্রখম গলিডা ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয় গলিতে বামদিক ছাইড়া, ডানদিক ছাইড়া, সোজা গেটটতে যাইয়েন।
তারপর প্রথম সিড়িটা ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয় সিড়ি দিয়া উইঠেন।
তারপর প্রথম বাসাটা ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয় বাসায় যাইয়েন।
বাসাত দেখবেন তিনডা আলমারী। প্রথমডা ছাইড়া, দ্বিতীয়টডা ছাইড়া, তৃতীয় টাত দেথবেন তিনডা খানা।
প্রথম খানাডা ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয় খানাডা খুইলেন।
খানাটাত তিনডা এলবাম.. প্রথম এলবাম ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয়ডা খুইলেন।
প্রখম পাতা ছাইড়া, দ্বিতীয়টা ছাইড়া, তৃতীয়ডাত দেথবেন একখান ফটক (ফটো)।
ফটোতাত প্রথমজন ছাইড়া, দ্বিতীয়জন ছাইড়া, তৃতীয়ডা হইল আমার মায়ে।
হেই মায়ের কসম কাইট্টা কইতাছি ... হেই লোকডারে আমি কহনো দেখি নাই স্যার...



I LOVE YOU...!!! [No Joke]

 

When U Were Only 5 Yrs Old, I Said I Love U..
U Asked Me:
"What Is It?"

When U Were 15 Yrs Old, I Said I Love U..
U Blushed.. U Look Down And Smile..

When U Were 20 Yrs Old, I Said I Love U..
U Put Ur Head On My Shoulder And
Hold My Hand..
Afraid That I Might Dissapear..

When U Were 25 Yrs Old, I Said I Love U..
U Prepare Breakfast And Serve It In
Front Of Me, And Kiss My Forhead N
Said :
"U Better Be Quick, It's Gonna Be Late.."

When U Were 30 Yrs Old, I Said I Love U..
U Said:
"If U Really Love Me, Please
Come Back Early After Work.."


When U Were 40 Yrs Old, I Said I Love U..
U Were Cleaning The Dining Table And
Said:
"Ok Dear, But It's Time For U To Help Our Child With His/Her
Revision.."


When U Were 50 Yrs Old, I Said I Love U..
U Were Knitting And U Laugh At Me..

When U Were 60 Yrs Old, I Said I Love U..
U Smile At Me..

When U Were 70 Yrs Old. I Said I Love U..
We Sitting On The Rocking Chair With Our Glasses On.. I'm Reading Your
Love Letter That U Sent To Me 50 Yrs Ago..

With Our Hand Crossing Together..

When U Were 80 Yrs Old, U Said U Love Me!
I Didn't Say Anything But Cried..

That Day Must Be The Happiest Day Of My Life! Because U Said U Love
Me!!!


Please Appreciate Your Loved Ones.. Say "I Love You" To Them When U
Have The Chance Now!!!

জোক্ (১৮+)

  

একটি ফলের দোকানে একটি লোক ফল কিনছিল; এমন সময় আর একটি লোক এসে তার পাশে দাঁড়ালো এবং কোমর দুলাতে দুলাতে বিভিন্ন ফলের দর দাম জিজ্ঞেস করতে থাকলো। দ্বিতীয় লোকটি ডানে-বাঁয়ে এমন ভাবে দুলছিল যে প্রথম লোকটির গায়ে বার বার ধাক্কা লাগছিল। এতে প্রথম ক্রেতা বিরক্ত হয়ে দ্বিতীয় ক্রেতাকে প্রশ্ন করলোঃ কি ব্যাপার ভাই আপনি এরকম ডানে-বাঁয়ে দুলছেন কেন? দ্বিতীয় ক্রেতা উত্তরে বলল: ভাই কিছু মনে করবেন না, পাঁচ বছর ধরে জাহাজে চাকরী করছিতো, সাগরের ঢেউয়ের তালে দুলতে দুলতে বদ অভ্যাস হয়ে গেছে, তাই মাটিতে থাকলেও ডানে-বাঁয়ে মাজা দুলতে থাকে।
একথা শুনে প্রথম ক্রেতা একটু উত্তেজিত হয়ে বললঃ এইডা কোন কথা হইলো; আমিতো মিঞা বিয়া করছি ২০ বছর হইলো; আমিকি সারাদিন সামনে পিছনে মাজা দুলাইনাকি?

 

জর্জ আর জেনী

 

জর্জ আর জেনী খুব ভাল বন্ধু। এরা দুই জন দুই শহরে কাজ করে। একজনের ছুটি শনিবার আরেকজনের রবিবার। ফলে দুই জনের এক সাথে দেখা হওয়া খুব দুস্কর। এবার পহেলা মে তে দুই জনের এক সাথে ছুটি। জর্জ তার গাড়ী নিয়ে জেনীকে আনতে চলে গেল। গাড়ীতে দুইজনের মনে ভালবাসার উদয় হল। যেহেতু মাত্র একদিনের ছুটি তাই তারা ঠিক করল এক মুহূর্তও নষ্ট করা ঠিক হবে না। কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটানো যাক। কিন্তু গাড়ীটা ছিল খুবই ছোট। দুই জনে মিলে ঠিক করল গাড়ীর নীচের ফাঁকা জায়গায় ঢুকে পড়া যাক। নীচে বেশ জায়গা আছে আর কেউ বিরক্ত ও করবে না।

অনেকক্ষণ পর জর্জের খেয়াল হল কে যেন তাকে ডাকছে। লোকটি ছিল ট্রাফিক সার্জেন্ট।
লোকটি বলছে- ভাই আপনি কি করছেন।
জর্জ তার দিকে না তাকিয়েই উত্তর দেয়-গাড়ী ঠিক করছি।

সার্জেন্ট কিছুক্ষণ কি যেন চিন্তা করেন। তারপর গম্ভীর মুখে বলে উঠেন-দুই টা কারণে আমি আপনার কথা বিশ্বাস করতে পারছি না। প্রথমত গাড়ী ঠিক করতে হলে আপনাকে চিৎ হযে থাকতে হবে। কিন্তু আপনি উপুর হয়ে আছেন।
দ্বিতীয়ত আমি এখানে কোন গাড়ী দেখতে পাচ্ছি না। খুব সম্ভবত আপনাদের গাড়ীটি চুরি হয়ে গেছে।

 

নোয়াখাইল্লা মাইয়া

 

ওগো জানের জান নোয়াখাইল্লা মাইয়া
আরে কিল্লাই ডাকস তুই ‘ভাইয়া’?
কিল্লাই দেস আঁর হাকা ধানে ছংগা,
হাঁচাহাঁচা তোরে কইরতে ছাই হাঙ্গা।
তোর লাই খাইলাম হুজুরের হড়া হানি,
কুদ্দুইচ্চারে তুই পিরীতির চিডি দেস, জানি।
কুদ্দুইচ্চার কোয়ালে মারি হিছার বাড়ি,
তোর লাই কিনচি বেনারসি শাড়ী। 

Baba Ami Gaan Gabo!!

 

Akta Picchi baccha taar mayer shathe beraite gese...
akhon oikhan jaowar por Chele shobar shamne boltese
"ammu ami shishi korbo"
Ma oke pore shishi shesh koraye bollo "baba..next tym aibhabe bolba na...bolba je ammu ami gaan gabo..."
So akdin rate Cheletar abaro Prokritir daak ashlo...she taar baba ke bollo..
"Baba! ami gaan gabo"
baba bole
"ay hay cheele ki pagol hoye gelo naki??ato rate ki gaan gabe??"
Baba bollo
"Accha tui ki gaan gabi amar kane kane aste kore ga dekhi.."
Chele ki ar korbe...gaan gailo...:-"

 

একটি প্রাপ্তবয়স্কদের জোক.... (ভদ্র ভাষায় লেখা )

 

একজন ব্যাক্তি সেক্স এ ব্যাস্ত, সাথে পরে আছেন প্রোটেকশন (ক**ম)।
বহুক্ষন পরে সুক্রানুরা হাজির হ্ল, হাজির হয়েই মহা বিরক্ত। সুক্রানুদের নেতা বল্লো, দেখো বন্ধুরা, "আমাদের বস কিভাবে মজা পাচ্ছে, আর আমাদের বেলুনে আটকে রেখেছে, আমাদের ডিম্বানুর সাথে মিলিত হতে দিচ্ছেনা, এইটা কি ঠিক? এসো আমরাও ডিম্বানুর কাছে যাই।"
সব সুক্রানুরা চিৎকার করে বল্লো, "চল যাই, চল যাই."
তারা সবাই মিলে কন্ডমের গায়ে জোরে ধাক্কা দিতে শুরু করলো, কয়েকবার ধাক্কা দিতেই, ফুটো হয়ে গেলো, নেতা চিৎকার করে বল্লো, "আগাও আগাও"
সবাই, হুড়োহুড়ি করে এগুতে লাগ্লো।
হটাৎ দেখলো, তাদের নেতা উলটো পালাচ্ছে বলছে, "পিছাও, পিছাও"।
সবাই শুধালো, কেনো, কেনো,
নেতা, "সামনে হাগু, সামনে হাগু"


ইনটারভিউ


একটি মেয়ে রিসিপশনিষ্ট পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেলেন এবং তাকে প্রশ্ন করা হল তিনি কত বেতন চান। এর উত্তরে তিনি উত্তর দিলেনঃ "১,০০,০০০ (একলক্ষ টাকা) দিলেই চলবে। " সাথে সাথে প্রশ্নকর্ত তাকে বললেনঃ "আচ্ছা তাই কথা থাকল, ১,০০,০০০ টাকা সাথে ধানমন্ডিতে এবং গুলশানে একটা করে ফ্লাট, ২টা গাড়ী যার সকল খরচ আমাদের, ১০,০০০ টাকার মোবাইল বিল, সপ্তাহে মাত্র ১দিন ৪ ঘন্টা ডিউটি করলেই হবে।" এই শুনে তো ঐ মেয়ে মহা খুশি। বললঃ "স্যার আমিতো বিশ্বাসই করতে পারছিনা। এত কিছু? আচ্ছা স্যার বলেনতো আপনি মজা করছেন নাতো?" প্রশ্নকর্তা বললেনঃ "হ্যাঁ আমি মজাই করছিলাম, কিন্তু এই মজা করাটা আপনিই প্রথম শুরু করেছেন।" 



আম্পায়ারগুলো সব আমাদের

 

একবার স্বর্গের দেবতারা আর নরকের শয়তানেরা মিলে ক্রিকেট খেলবে বলে ঠিক করল। স্বর্গের দেবতারা খেলায় জিত নিয়ে খুবই আত্মবিশ্বাসী, কারণ সব ভালো ভালো ক্রিকেটাররা স্বর্গে তাদের সঙ্গেই আছেন। কিন্তু শয়তানদের এই নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত দেখা গেল না। তাদের নিশ্চিন্ত ভাবভঙ্গি দেখে এক দেবতা এক শয়তানকে ডেকে বলল, কী ব্যাপার, ভালো ভালো ব্যাটসম্যান তো সব আমাদের এখানে, কিন্তু তোমাদেরকে বিশেষ চিন্তিত মনে হচ্ছে না! শয়তান সঙ্গে সঙ্গে দাঁত বের করে শয়তানি হাসি দিয়ে বলল, তোমাদের যতই ব্যাটসম্যান থাকুক, আম্পায়ারগুলো তো সব আমাদের এখানে!


মাদ্রিদে ষাঁড়ের লড়াই

 

মাদ্রিদে ষাঁড়ের লড়াই দেখে পাশের রেস্তারাঁয় ঢুকেছে এক ট্যুরিস্ট। স্পেশাল ডিশ অর্ডার দেয়ায় বেয়ারা এক অদ্ভুত জিনিশ এনে হাজির করলো। আলু আর লেটুসের সাথে গোল গোল দুটো মাংসের টুকরোমত।

“কী এটা?” জানতে চাইলো ট্যুরিস্ট।

‘কহোনেস, সেনর। ‘ বুক পুলিয়ে জবাব দিলো বেয়ারা। ‘আজকে অ্যারেনাতে যে ষাঁড়টা লড়াইয়ে হারলো, তার অন্ডকোষ। ‘

নাক সিঁটকে খাওয়া শুরু করলো ট্যুরিস্ট। কিন্তু মুখে দিয়েই চমকে গেলো সে, না যা ভেবেছিলো তা নয়, বরং বেশ সুস্বাদু জিনিসটা। চেটেপুটে খেয়ে সে ঠিক করলো, আগামীকালও এই কহোনেসই খেতে হবে।

পরদিন আবার একই রেস্তোরাঁয় এসে অর্ডার দিলো সে চটপট। যথারীতি বেয়ারা এনে হাজির করলো খাবার। আলু, লেটুস, কিন্তু আজকের মাংসের টুকুরো দুটো খুবই ছোট। ঘটনাটি কী, জানতে চাইলো ট্যুরিস্ট।

‘আসলে ব্যাপারটা হয়েছে কি …,’ খানিক মাথা চুলকে বললো বেয়ারা, ‘ষাঁড়ের লড়াইতে কিন্তু সবসময় ষাঁড়ই হারে না।’

 

আরও একটি ভদ্রগোছের এ্যাডাল্ট জোক ১৮+

 

আর একটু ভাল হলে 

স্ত্রীর রান্না ভাল না, তাই স্বামী স্ত্রী কে খোটা দিচ্ছে:

স্বামী: তোমার পারফর্মেন্স ভাল হলে আমি বাবুর্চি কে ছাড়িয়ে দিতাম।

স্বামীর খোটা শুনে স্ত্রী রেগে গেছে, মুখ ঝামটা দিয়ে বলছে:

স্ত্রী: আর তোমার পারফর্মেন্স একরত্তিও ভাল হলে আমি বাবুর্চি, মালী, ড্রাইভার, দারোয়ান এদের সবাইকে ছাড়িয়ে দিতাম


ছোট্ট বাবু

  

ছোট্ট বাবুকে প্রশ্ন করলেন মিস, ‘ছোট্ট বাবু, বলো তো দেখি, তোমার বাড়ির পাশের পুকুরে তিনটা হাঁস ভাসছে। যদি তুমি একটাকে শটগান দিয়ে গুলি করো, কয়টা থাকবে?’

বাবু খানিকটা ভেবে বললো, ‘উমম, তাহলে গুলির শব্দ শুনে সব উড়ে চলে যাবে, একটাও থাকবে না।’

মিস হেসে বললেন, ‘উঁহু, ছোট্ট বাবু, তিনটার মধ্যে একটাকে গুলি করলে বাকি থাকবে দুটো। কিন্তু তোমার চিন্তাধারা আমার পছন্দ হয়েছে।’

বাবু মুচকি হেসে বললো, ‘তাহলে মিস, আমি একটা প্রশ্ন করি। বলুন তো, আইসক্রীম পার্লার থেকে তিন মহিলা বের হয়েছে কোওন আইসক্রীম কিনে। একজন আইসক্রীম কামড়ে খাচ্ছে, একজন চেটে খাচ্ছে, আরেকজন চুষে খাচ্ছে। এদের মধ্যে কে বিবাহিত?’

মিস খানিকটা ভেবে বললেন, ‘ইয়ে, মানে বাবু, আমার মনে হয় শেষের জন।’

বাবু বললো, ‘উঁহু মিস, এদের মধ্যে যার হাতে বিয়ের আঙটি আছে, সে-ই বিবাহিত, কিন্তু আপনার চিন্তাধারা আমার পছন্দ হয়েছে।’ 

 

মরুভূমিতে পথ হারিয়ে....

 

মরুভূমিতে পথ হারিয়ে দিন তিনেক ঘোরাঘুরি পর একদিন এক মরূদ্যানের সামনে হাজির হলো তারা। সেখানে শুধু মেয়ে আর মেয়ে, সবাই স্বল্পবসনা এবং সুন্দরী। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই গোবদাগাবদা চেহারার কয়েকজন মহিলা এসে তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেলো আলিশান এক প্রাসাদের ভেতর। সেখানে জোব্বাপরা এক আরব শেখ বসে গড়গড়ায় তামাক খাচ্ছে, তাকে ঘিরে আছে অপরূপ সুন্দরী কিছু যুবতী।

গড়গড়া নামিয়ে শেখ বললো, 'আমি শেখ অমুক। এটা আমার মুল্লুক, এখানে যারা ভুল করে ঢুকে পড়ে, তাদের আমি কঠিন শাস্তি দিই।' প্রথমজনকে জিজ্ঞেস করলো সে, 'বলো, কী করো তুমি?'

প্রথম ট্যুরিস্ট জবাব দিলো, 'আমি একজন পুলিশ।'

শেখ হাততালি দিলো। দুই রূপসী সামনে এসে দাঁড়ালো। শেখ হুকুম করলো, 'যাও, এর যন্ত্রটাকে ;) গুলি করে ঝাঁঝরা করে দাও।' তারপর দ্বিতীয়জনকে জিজ্ঞেস করলো সে, 'বলো, তুমি কী করো?'

দ্বিতীয় ট্যুরিস্ট জবাব দিলো, 'আমি একজন দমকলকর্মী।'

শেখ হাততালি দিলো। আরো দুই রূপসী সামনে এসে দাঁড়ালো। শেখ হুকুম করলো, 'যাও, এর যন্ত্রটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দাও।' তারপর শেষজনকে জিজ্ঞেস করলো সে, 'বলো, কী করো তুমি?'

শেষ ট্যুরিস্ট দাঁত বের করে জবাব দিলো, 'আমি একজন ললিপপ বিক্রেতা।'  

 

কলম্বাস খাইতো বাস

 

কলম্বাস যদি বিবাহিত হতেন, তিনি কখনওই আমেরিকা আবিষ্কার করতে পারতেন না।কারণ তাকে আগে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হতো:

১. তুমি কোথায় যাচ্ছ?

২. কার সাথে যাচ্ছ?

৩. কেন যাচ্ছ?

৪. কিভাবে যাচ্ছ?

৫. কী আবিষ্কার করতে যাচ্ছ?

৬. এত লোক থাকতে তোমাকে কেন যেতে হবে?

৭. তুমি যখন এখানে থাকবে না, আমি কিভাবে থাকব?

৮. আমি কি তোমার সাথে যেতে পারি?

৯. তুমি ফিরবে কখন তাই বলো।

১০. রাতে বাসায় ফিরে খাবে তো?

১১. আমার জন্য কী আনবে বলো?

১২. তুমি আমাকে ছাড়া একা একা নিশ্চয় কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এই পরিকল্পনা করেছ।

১৩. পরবর্তীতে তুমি এরকম প্রোগ্রাম আরো করতে যাচ্ছ...

১৪. উত্তর দাও কেন?

১৫. আমি আমার বাপের বাড়ি চললাম।

১৬. তুমি আমাকে আগে সেখানে পৌঁছে দাও।

১৭. আমি আর কোন দিন ফিরে আসব না।

১৮. আচ্ছা? আচ্ছা বলতে তুমি কী বুঝাতে চাচ্ছ?

১৯. তুমি আমাকে ঠেকাচ্ছও না... কেন?

২০. আমি বুঝতে পারছি না, এই আবিষ্কারটা আসলে কিসের আবিষ্কার।

২১. তুমি সব সময় এরকম কর।

২২. গতবারও তুমি একই কাজ করেছিলে।

২৩. এখন থেকে তুমি এ ধরনের ছন্নছাড়া কাজ করতেই থাকবে।

২৪. আমি এখনও বুঝতে পারছি না, এখনও এমন কি আছে যে, আবিষ্কার করা হয়নি।

 

 


0 comments:

Post a Comment

" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!

Follow me