Jokes-2


লিপস্টক....!! 

স্বামী : তোমার এক মাসে এতো লিপস্টক লাগে আমি ভাবতে পারি না, আর কারো এতো লাগে কিনা? 
স্ত্রী : আরে লিপস্টকের অর্ধেকতো তোমার পেটেই যায় | 

যেমন স্বামী তেমন স্ত্রী 18+


প্রবাসী স্বামী তার স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে লিখেছে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
আমি এই মাসের বেতনের টাকা পাঠাতে পারছিনা, তাই তোমাকে ১০০ Kiss পাঠালাম।
ইতি তোমার স্বামী (অমুক)।

তার বউ কিছুদিন পর সে চিঠির উত্তর দিল এভাবে,
প্রিয় সুইট হার্ট,
তোমার পাঠানো Kiss গুলোর বিস্তারিত জানাচ্ছি।
১। দুধ ওয়ালা ২টা Kiss বিনিময়ে এক মাসের জন্য দুধ দিতে রাজি হয়েছে।
২। বিদ্যুত বিলওয়ালা ৭টা Kiss এর বিনিময়ে শান্ত হয়েছে।
৩। বাড়ি এয়ালাকে প্রতিদিন দুইটা কিংবা তিনটা Kiss দিতে হচ্ছে।
৪। সুপার মার্কেট মালিক শুধু Kiss তেই মানি রাজি নয়, তাই…........
৫। আর অন্যান্য খাতে ব্যায় হয়েছে ৪০ টি Kiss।

আমার জন্য কোন চিন্তা করোনা। বাকি রয়েছে ৩৫ টি Kiss। আমি আশা করছি সেগুলোও এই মাসেই ব্যাবহার করতে পারবো।

একটা ১৩টন ওজনের জোক ............


সিঙ্গাপুরের নাম করা কোন এক ব্যাংক এর ব্রান্চ অফিসে কর্মরত আছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের ভিতর আমাদের বাংলাদেশী একজন আছেন, যার নাম ফয়েজউদ্দিন (কাল্পনিক)। তো ফয়েজ সাহেব খুবই বুদ্ধিমান ব্যক্তি। তবে উনার একটা বদ অভ্যাস আছে। আফিসে মাসের প্রথমে যেদিন স্যলারী দেওয়া হয়, ঠিক সেদিন উনি বাজী ধরেন যে কোন বিষয়ে উনার কলিগদের সাথে এবং অবশ্যই মোটা অংকের টাকা। সবচেয়ে বড় কথা উনি কখনো বাজীতে হারতেন না।
তো একবার বেতন হাতে পাওয়ার সাথে সাথেই বাজী ধরে বসলেন কলিগ দের সাথে।
কলিগ রা : বাজীর বিষয় বলেন।
ফয়েজ : আপনারা কেউ কি দেখেছেন যে, ঘোড়ার লেজের সাথে মাকড়োশা জাল বুনে আছে.....? আমি দেখেছি।
কলিগ রা : নাহ!!!! এ হতেই পারেনা।
ফয়েজ : তাহলে বাজী হয়ে যাক।
কলিগ রা : কত.....??
ফয়েজ : ১০হাজার ডলার। আমি যদি হেরে যাই তবে আমি একা ১০ হাজার দিব, আর আপনারা হেরে গেলে সবাই মিলে দেবেন।
সবাই খুশি মনে রাজি হয়ে গেল। এবার প্রমান করার পালা..........
ফয়েজ সাহেব সবাইকে নিয়ে শহর থেকে একটু দূরে একটা চার রাস্তার মোড়ে নিয়ে আসলেন। সেখানে একটা ঘোড়ার মূর্তী দেখা গেল এবং লেজের সাথে মাকড়শা জাল বুনে আছে।


ফয়েজ : এইযে ঘোড়া আর এই যে মাকড়শার জাল, সাথে মাড়শা।
কলিগ রা : ধুর!!!!! এটা তো মূর্তী।
ফয়েজ : মূর্তী হোক আর যাই হোক ঘোড়া কিনা?
কলিগ রা : হ্যঁ ঘোড়া।
ফয়েজ : তাহলে আমি ই জয়ী। আমার পাওনা বুঝিয়ে দেন।
সবাই ১০০০০ ডলার দিতে বাধ্য হল।
গত এক বছর যাবৎ ফয়েজ সাহেব এমনটাই করে আসছেন। এবার সবাই তার উপর ক্ষিপ্ত। তারা সিদ্ধান্ত নিল, চেয়ারম্যনের কাছে তার বিরুদ্ধে বাজী ধরার অভিযোগ করবে এবং এখান থেকে হেড আফিসে বদলী করবে।

যেই কথা সেই কাজ। ৭ দিনের মধ্যে তার বদলীর আদেশ ১০ দিনের মাথায় হেড অফিসে জয়েন।

হেড অফিসে ফয়েজ সাহেবের মত ভাল মানুষ আর একটা হয়না। ব্যংকের যে কোন কাজে তিনি সিদ্ধ হস্ত। আর বাজী ধরার কোন প্রশ্নই ওঠেনা। এভাবে গোটা ২ মাস কেটে গেল। চেয়ারম্যন চিন্তা কররেন ফয়েজ তো খুব ভাল ছেলে, তাহলে ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসল কেন?
এই ভেবে ব্রান্চ অফিসে ফোন করলেন।
চেয়ারম্যন : ফয়েজের বিরুদ্দে আনা অভিযোগ মিথ্যা। সে গত ২ মাস যাবৎ কোন বাজী ধরেনি আর সমস্ত কাজ সুষ্ঠ ভাবে করে চলেছে।
কলিগ : স্যার ও বাজী ধরায় এক্সপার্ট।
চে : নাহ । আমার তা মনে হয় না।
ক : স্যার আপনি ওকে জোর করে বাজী ধরাবেন, দেখবেন হেরে যাবেন।
চে : আচ্ছা আমি দেখছি।
চেয়ারম্যন ফয়েজকে তার চেম্বারে ডেকে পাঠালেন।

চে : আপনি নাকি আনেক বড় বাজীকর?
ফ : কই না তো স্যার!!! কে বলেছে???
চে: আমার সাথে আপনাকে বাজী ধরতে হবে।
ফ: আমি বাজী ধরতে পারিনা, স্যার।
চে : বাজী ধরতেই হবে।
ফ : এত করে যখন বলছেন তাহলে আমি রাজী। তবে আমি হেরে যাব।
চে : বাজীর বিষয় বলেন।
ফ : জি স্যার, কিছু মনে করবেন না........আপনার পশ্চাৎদেশে নাকি লাল সুতা ঝুলছে

চে : যাহ!!!! তাই হয় নাকি।
ফ: তাহলে বাজী হয়ে যাক।
চে : হোয়ে যাক।
যথারীতি চেয়ারম্যন স্যারের প্যন্ট খোলা হল। আনেক খোঁজা খুঁজির পর .........

চে : কি ? লাল সুতা পেয়েছেন?
ফ : পাচ্ছিনা তো স্যার, একটা কাঠি দিয়ে চেষ্টা করি? .
চে: হ্যাঁ করেন।
কাঠি দিয়ে অনেক নাড়াচাড়ার পরও কিছুই পাওয়া গেল না।
ফ : পেলাম না তো স্যার।
চে: আপনি তো হেরে গেলেন আপনার তো কোন বুদ্ধিই নেই।
ফ : কোনদিনই তো জিততে পারিনি স্যার।
চে: ঠিকাছে আপনি আপনার কাজে যান।
এই বলে আবার ব্রান্চে ফোন.........

চে : ফয়েজ তো আসলেই ভাল ছেলে। ও হেরে গেছে। আপনারা ওর নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। এই অপরাধে আমি আপনাদের সবাইকে হেড অফিসে বদলী করছি আর ফয়েজকে তার আগের জয়গাতে ফিরিয়ে দিচ্ছি।
আপনারা প্রস্তুত হন।
ক: স্যার , তার আগে একটা কথা আছে ।
চে : বলুন।
ক : ও কি কোন কারনে আপনার পিছনে কাঠি দিয়েছে?
চে : হ্যঁা দিয়েছে!!!!
ক ঃ স্যার, ও এখান থেকে যাওয়ার সময় আমাদের সাথে লিখিত বাজী ধরে গেছে যে, "আমি চেয়ার ম্যনের পিছনে কাঠি দিয়ে ফিরে আসব আর আপনাদের সবাইকে হেড অফিসে বদলী করাব"
স্যার আবার তো ১০ হাজার ডলার....................................!!!!!!
 চাবি গিলে ফেলেছি


মন্টু ও চিকিৎসকের মধ্যে কথা হচ্ছে—
মন্টু: স্যার, আমি বাসার চাবি গিলে ফেলেছি।
ডাক্তার: বলেন কী! কখন এ ঘটনা ঘটালেন?
মন্টু: তা প্রায় মাস দুয়েক হবে।
ডাক্তার: এত দিন আসেননি কেন?
মন্টু: স্যার, তখন একটি নকল চাবি বানিয়ে নিয়েছিলাম। আজকে সেটাও হারিয়ে গেছে, তাই বাধ্য হয়ে আপনার শরণাপন্ন হয়েছি। 

আস্তাগফিরুলাহ্ (18+) 


ক সুন্দরী তরুণী পঞ্চাশ তলা উঁচু এক ভবনের ছাদে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গেল
পড়তে পড়তে দশ তলা পার হয়ে সে যখন ঠিক চল্লিশ তলা পর্যন্ত আসল তখন এক বৃটিশ ভদ্রলোক (!) বারান্দা থেকে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। এভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় মেয়েটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে অগ্র-পশ্চাত্ বিবেচনা না করেই সিনেমার ডায়লগের মতো গড় গড় করে বলল - আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন; কাজেই আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনার ঋণ শোধ করার জন্য আপনি যা চাইবেন আমি তাই দিব। বলুন আপনি কি চান? বৃটিশ দেখল এ যেন না চাইতেই একেবারে বৃশটি। কাজেই সে সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে বলল, আমি বেশি কিছু চাই না - শুধু তোমাকে চাই। তোমার এই সুন্দর শরীরটা চাই। চল, আমার সাথে বিছানায় চল।
বৃটিশের এ অন্যায় আবদার শুনে বিন্দুমাত্র চিন্তা-ভাবনা না করে তরুণী বলল - ইতর, বদমাশ, জানোয়ার! ভেবেছিস এত সহজ? আমার জীবন বাঁচিয়ে এখন তার বিনিময়ে এই চাইছিস? দরকার নেই আমার এ জীবনের। তোর মতো পাপিষ্ঠের সাথে বিছানায় যাওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো। ছেড়ে দে আমাকে। ছেড়ে দে …

কাজেই বৃটিশ লোকটা তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল। পড়তে পড়তে আরো দশ তলা পেরিয়ে সে যখন ত্রিশ তলা পর্যন্ত এল তখন এক আমেরিকান ভদ্রলোক (!) হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। আগেরবারের ঘটনা থেকে তরুণীর যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে। কাজেই সে বেশি কিছু না বলে আমেরিকানকে শুধু তার জীবন বাঁচানোর জন্য একটা ধন্যবাদ দিল। কিন্তু আমেরিকানটা বৃটিশটার চেয়েও এক ডিগ্রী বেশি অসভ্য। সে নিজে থেকেই বলল, দেখ মেয়ে আমি এখনও তোমাকে বারান্দা থেকে সরিয়ে নেই নি। তুমি যদি আমার সাথে বিছানায় যেতে রাজি থাক, তাহলেই কেবল তোমাকে আমি সরিয়ে নিব। নইলে কিন্তু দিলাম ছেড়ে।
আমেরিকানের কথা শেষ হওয়ার আগেই তরুণী বলল, পেয়েছিস কি তোরা? মেয়ে দেখলেই ভোগ করতে ইচ্ছে করে? তোদের ঘরে কি মা-বোন নেই? দরকার নেই তোর দয়ার। ছেড়ে দে আমাকে। তোর হাতে যাওয়ার চেয়ে মাটিতে পড়ে মরাও অনেক ভালো। ছেড়ে দে …

কাজেই আমেরিকান লোকটাও তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল।
পড়তে পড়তে তরুণীটি আরো দশতলা পেরিয়ে গেল - কিন্তু এবার আর কেউ তাকে হাত বাড়িয়ে ধরল না। এই সময় তার একটু আফসোস হতে লাগল। তার মনে হল, ঐ দুজনের কথামতো তাদের সাথে বিছানায় গেলে কি এমন ক্ষতি হতো! অন্তত মারা যাওয়ার চেয়ে সেটাতো খারাপ হতো না! ইস, কেন যে সে ওদের কথায় রাজি হল না! তা হলে তো আর জীবনের আসল আনন্দগুলো উপভোগ করার আগেই বিদায় নিতে হতো না … হায় আর কেউ কি নেই তাকে বাঁচানোর? বিনিময়ে সে এবার সব দিতে রাজি আছে …

এসব ভাবতে ভাবতে সে যখন আরো দশতলা অর্থাত্ মোট চল্লিশ তলা পেরিয়ে ঠিক দশতলা উচুঁতে আসল, ঠিক তখন আরবীয় হুজুর তাকে হাত বাড়িয়ে ধরে ফেললেন। মেয়েটি এবার খুশিতে গদগদ হয়ে বলল - আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন! চলুন আমি আপনার সাথে বিছানায় যাব!

মেয়েটির মুখে এরকম নির্লজ্জ কথা শুনে হুজুর হতভম্ব হয়ে গেলেন। নিজের অজান্তেই “আসতাগফিরুল্লাহ” শব্দটা উচ্চারণ করে তিনি মেয়েটিকে হাত থেকে ছেড়ে দিলেন ।


চার তরুণী নান 18+

চার তরুণী নান এক কনভেন্টে যোগ দিতে চাইছে।

মাদার সুপিরিয়র বললেন, ‘তার আগে তোমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সবাই এক লাইনে দাঁড়াও।’

সবাই লাইনে দাঁড়ানোর পর তিনি প্রথম নানকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘বাছা, তুমি কি কখনও কোনও পুরুষের সেই প্রত্যঙ্গ স্পর্শ করেছ? করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে প্রথম নান বলল, ‘আঙুল দিয়ে, মাদার।’

মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির একটি বাটি এগিয়ে দিলেন। ‘তোমার আঙুল এ পানিতে ডোবাও, সব পাপ ধুয়ে ফেল, পবিত্র হয়ে এসো আমাদের কনভেন্টে।’

প্রথম নান আঙুল পানিতে ডুবিয়ে কনভেন্টে ঢুকে গেল।

এবার মাদার সুপিরিয়র দ্বিতীয় নানকে বললেন, ‘কি বাছা, তুমিও স্পর্শ করেছ নাকি? স্পর্শ করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে দ্বিতীয় নান বললো, ‘হাত দিয়ে, মাদার।’

যথারীতি মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির বাটি এগিয়ে দিলেন, হাত ধুয়ে পাপমুক্ত হয়ে দ্বিতীয় নান কনভেন্টে প্রবেশ করল।

এমন সময় চতুর্থ নান তৃতীয় নানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে সামনে এগিয়ে এল। মাদার অবাক হয়ে বললেন, ‘ও কি, বাছা, ঈশ্বরের পথে অত তাড়া কিসের?’

চতুর্থ নান বলল, ‘উঁহু, মাদার, ও এই পানিতে বসে পড়ার আগেই আমি কুলি করতে চাই।’
 

জোকস ৪৫+

পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যবসায়ী সুন্দরী এক কল গার্লের সেবা গ্রহণ করলেন এবং
তাকে নগদ টাকা না দিয়ে তার অফিসে একটি বিল পাঠাতে বললেন। বিলতো আর গৃহিত
সেবার নামে করা যাবে না তাই ব্যবসায়ী গার্লকে পরামর্শ দিলেন তুমি এমন
একটা বিল আমার অফিসে পাঠাবে যেন আমি তোমার কাছ থেকে একটি এ্যাপার্টমেন্ট
ভাড়া নিয়েছিলাম।
যথারীতি গার্ল পরের সপ্তাহে ব্যবসায়ীর অফিসে একটি বিল পাঠালেন।
এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ৫০০০ টাকা ।
ব্যবসায়ী সভাব সুলভ কারনে সেই বিলও কাটলেন ২৫০০ হাজার টাকা কেটে বাকী
আড়াই হাজার টাকা পাঠালেন গার্ল এর কাছে। বিল কাটার কারন হিসেবে তিনি
লিখলেন :
১) আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) একদম নতুন আগে কেউ ব্যবহার
করেনি, কিন্তু ভাড়া নেয়ার পর দেখলাম এটি আগেও ভাড়া হয়েছে।
২) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) অনেক ছোট এবং
সুন্দর, কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম অনেকে এই এ্যাপার্টমেন্ট ব্যবহার
করায় এর আকার অনেক বড়। এত বড় এ্যাপার্টমেন্ট আমার পছন্দ নয়।
৩) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) অনেক গরম হবে ,
কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম এটি একেবারেই ঠান্ডা ।
কলগার্ল ব্যবসায়ীর এই কারন সহ অর্ধেক পেমেন্ট পেয়ে রেগে গেলেন এবং আড়াই
হাজার টাকা ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে পুরো ৫০০০ টাকা দেবার অনুরোধ করলেন এবং
ব্যবসায়ীর কারন গুলোর বিপরীতে লিখলেন:
১) তুমি কি করে ভাবলে এত সুন্দর এ্যাপার্টমেন্টটি (??) ভাড়া না হয়ে এতদিন
পরে থাকবে?
২) এ্যাপার্টমেন্টটি (??) আসলে সুন্দর এবং ছোটই ছিল, কিন্তু তোমার যদি
এই এ্যাপার্টমেন্টটি (??) ভর্তি করার মত ফার্নিচার (??) না থাকে তাহলে
আমার কি করার আছে?
৩) এ্যাপার্টমেন্টটিতে (??) আসলে অনেক গরমই ছিল কিন্তু তুমিতো জানই না
এটা কি ভাবে অন করতে হয়।
তাই আমার পুরো পাওনা ৫০০০ টাকাই দিতে হবে।
 
আরও একটু হাঁ করুন

 
রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা।
ডাক্তার: হাঁ করুন।
রোগী: হাঁ…।
ডাক্তার: আরও একটু হাঁ করুন।
রোগী: করছি তো।
ডাক্তার: আরও একটু।
রোগী: কী ব্যাপার, ডাক্তার সাহেব! আমার মুখের ভেতর বসে দাঁত খুলবেন নাকি!
হাফ বাস ভাড়া


বাসের হেলপার এক যাত্রীর কাছে ভাড়া চাইল, সে একটি টাকা দিয়ে বলল, আমার হাফ, আমি ছাত্র।
পাশের সিটেই বসে ছিলেন তার শিক্ষক। তিনি বললেন, আমার তা হলে মাপ, আমি ওর শিক্ষক।
গাধাকে মানুষ


একটা গাধার বাচ্চা নিয়ে পল্টু ক্লাসে ঢুকেছে। শিক্ষক ক্লাসে গাধা দেখে রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে বললেন, ‘কিরে পল্টু, ক্লাসে গাধা নিয়ে এসেছিস কেন?’
পল্টু মুখ কাঁচুমাঁচু করে বলল, ‘স্যার, আপনিই তো ক্লাসে গাধার কথা বলেছেন।’
শিক্ষক রেগে বললেন, ‘কী বেয়াদবের মতো কথা বলছিস! আমি কেন ক্লাসে গাধার কথা বলতে যাব?’
‘আপনিই তো বলেছিলেন, আপনি এ জীবনে অনেক গাধাকে মানুষ করেছেন! তাই তো আমার এই গাধাটাকে মানুষ বানাতে আপনার কাছে নিয়ে এসেছি, স্যার।’
  
ফুলের তোড়া



অপারেশনের আগে চিকিৎসক রোগীর বিছানার পাশে ফুলের তোড়া এনে রেখেছেন।
রোগী: ফুল কীসের জন্য?
চিকিৎসক: এটা আমার জীবনের প্রথম অপারেশন। যদি সফল হই, তাহলে এই ফুল আমার জন্য আর না হলে তোমার।
নতুন আরেকটি বিয়ে


রাতেরবেলায় হাবলু বেশ উত্তেজিত হয়ে চিকিৎসককে ফোন করেছে।
হাবলু: স্যার, দয়া করে তাড়াতাড়ি একটু আমাদের বাসায় আসুন। আমার স্ত্রী ব্যথায় উঠতে পারছে না। মনে হচ্ছে এটা অ্যাপেনডিসাইটিসের ব্যথা।’
চিকিৎসক: ভয়ের কোনো কারণ নেই। আমি সকাল হলেই আপনার বাসায় পৌঁছে যাব।’
হাবলু: কিন্তু স্যার, আমার স্ত্রীর অবস্থা যে খুবই খারাপ।
চিকিৎসক: (এবার একটু উত্তেজিত) কী বলছেন যা-তা! দুই বছর আগেই তো আপনার স্ত্রীর অ্যাপেনডিসাইটিস অপারেশন করে ফেলেদিয়েছি। তার তো আর অ্যাপেনডিসাইটিসের ব্যথা হতে পারে না। এটা অন্য কোনো ব্যথা।’
হাবলু: সবই ঠিক আছে। কিন্তু স্যার, আমি যে নতুন আরেকটি বিয়ে করেছি।


জোক ১৮+ (আমার পোস্ট করা জোকস গুলো বাচ্চারা দয়া করে পরবেন না

 

একলোক অসুস্থ্য হওয়ায় তার ওয়াইফ তাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেছে। ডাক্তার
রোগীর ভাষ্য শুনে বললো কোন সমস্যা নেই শরীর একটু দূর্বল কোন অষুধ দিলাম
না, শুধু এই ভিটামিন তিনবার খাওয়ার পরে খাবেন আর রাতে ঘুমবার আগে দুধ
খাবেন। এ কথা শুনে রোগীর ওয়াইফ বলল, “কি আর বলবো ডাক্তার সহেব, আমিতো
রোজই খাইতে কই কিন্তু সেতো খায়না; নেড়ে চেড়ে রেখে দেয়।”


Nothing is Impossible


শিক্ষক: পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।
ছাত্র: জেব্রার একটা রঙিন ছবি তুলে দেখান তো!
সারা দিনের জন্য ছুটি


এক বৃদ্ধ রেস্টুরেন্টের ভেতর ঢুকে ম্যানেজারকে বলল, ‘আজ বিশ্বকাপের ফাইনাল, আমার নাতিটা ফুটবল খেলা খুব ভালোবাসে। ওকে যদি আজ বিকেলটা ছুটি দিতেন, তাহলে খুব ভালো হতো। আমরা দুজন একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারতাম।’
ম্যানেজার বলল, ‘দুঃখিত, সেটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ও তো আপনাকে কবর দিতে সারা দিনের জন্য ছুটি নিয়ে গেছে।’
 
সারা রাত কেউ আসেনি

ট্রেন থেকে নেমে পল্টু তাঁর বন্ধু রাজনের সঙ্গে কথা বলছে—
পল্টু: জানিস, সারা রাত ট্রেনে ঘুমোতে পারিনি।
রাজন: কেন, সমস্যা কী ছিল?
পল্টু: আর বলিস না। আমার সিট ছিল ওপরের বাংকারে।
রাজন: তা কারও সঙ্গে তো বদল করে নিচের বাংকারে আসতে পারতি!
পল্টু: আরে বোকা, কেবিনে তো আমি একাই ছিলাম। অনেকক্ষণ অপেক্ষায় ছিলাম যে কেউ এলে তার সঙ্গে বাংকার বদলাব। কিন্তু সারা রাত আর কেউ আসেনি।
 Joke 
বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রির স্ত্রী একবার স্বগ ভ্রমণের সুযোগ পেলেন।যথাসময়ে তিনি স্বগ পৌছুলেন।দেখলেন পুরো স্বগ জুড়ে শুধুই ঘড়ি আর ঘড়ি।কিন্তু একেক ঘড়িতে একেক সময়।অনেক চিন্তা ভাবনা করেও তিনি এর কারন বের করতে পারলেন না।

তিনি এক দেবতার কাছে জানতে চাইলেন,"আচ্ছা পুরো স্বগ জুড়ে শুধুই ঘড়ি আর ঘড়ি কেন?আর একেক ঘড়িতে একেক সময়। সময় দেখার জন্য তো একটা ঘড়িই যথেস্ট।বাকি ঘড়িগুলোর কাজ কি?"
দেবতা মুচকি হেসে বল্লেন,"এই ঘড়িগুলো পৃথিবীর একেক দেশের তথ্যমন্ত্রির জন্য বরাদ্দ।যিনি যত বেশি মিথ্যা কথা বলেন তার ঘড়ির সময় তত এগিয়ে যায়।প্রতিটি মিথ্যা কথার জন্য সময় ১৫ মিনিট এগিয়ে যায়। X( "
"হুমম" মাথা নাড়লেন তথ্যমন্ত্রির স্ত্রী।"আমি কি একবার ঘড়িগুলো দেখতে পারি?"
"নিশ্চয়ই।"
ঘুরে ঘুরে ঘড়িগুলো দেখতে লাগলেন তিনি। প্রতিটি ঘড়ির ওপর তথ্যমন্ত্রির নাম আর দেশ লেখা।তিনি অবাক হয়ে দেখলেন সব দেশের
তথ্যমন্ত্রির নামে ঘড়ি আছে আর তার সময়ও এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রির নামে কোন ঘড়ি নাই।একই সাথে তিনি বিস্মিত আর আনন্দিত হলেন।আর যাই হোক তার স্বামী মিথ্যাবাদী নয়।
তবুও কৌতুহল মেটাতে না পেরে তিনি দেবতাকে জিজ্ঞেস করলেন,"আমার স্বামীর জন্য কোন ঘড়ি নেই?"
দেবতা মুচকি হেসে বল্লেন,"আছে।"
"কোথায় সেটা?"
"জিউসের ঘরে।"
"কেন?"
"আপনার স্বামীর ঘড়ির কাঁটা এতই দ্রুত ঘোড়ে যে জিউস ওটাকে টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করেন ।
---------0------------

0 comments:

Post a Comment

" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!

Follow me