বিএসসিআই এর ট্রেনিং ।

জীবনে কিছু কিছু দিনের স্মৃতি সত্যিই ভোলা যায়না ।

Firmgate

Badhon

শুভ জন্মদিন

তোমার জীবনের ছোট্ট ছোট্ট সময়গুলোকে আনন্দের রং লাগিয়ে স্বরনীয় করে রাখতে চেষ্টা করছি । যা সেদিন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে, এই আমি তোমাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম । যেইদিন আমি তোমার জায়গায়..আর তুমি আমার জায়গায় থাকবে।

সোনার গাঁও

কোন কোন মানুষ জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে যায় । কোন কোন দিনও সারাজীবন মনে থেকে যায় । সেরকম একটি দিন ছিল যেদিন এই ছবিটা তুলেছিলাম ।

ঋতু পরিবর্তনে স্বাস্থ্য সচেতনতা


বাংলাদেশের ঋতুভেদে আবহাওয়ারও কিছুটা ভিন্নতা আসে বা উপলব্ধি করা যায়। বাংলাদেশের ছয় ঋতুই আমরা ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখতে পাই। হেমন্তের এই নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ায় জানান দিচ্ছে শীত আসি আসি করছে।

আর এই আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে আমরা বিভিন্ন রকম অসুখ-বিসুখ ও চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। আর এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে স্বাস্থ্য ও ত্বকের যত্মের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র কনসালটেন্ট, কসমেটিক সার্জারি ও লেজার ইউনিটের প্রধান ডা. দীপক কুমার দাস।

ঋতু পরিবর্তনের এ সময়টায় এখন দিনে গরম আর ধুলা, রাতে কুয়াশা পড়তে দেখা যাচ্ছে। মাঝরাত থেকে বেশ ভালো ঠান্ডা অনুভব করি। দিন ও রাতের একেকটা সময় একেক রকম তাপ-উত্তাপের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এরকম বৈরী আবহাওয়ায় বিভিন্ন রকম অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত হচ্ছে সব বয়সের নারী-পুরুষ।

এ আবহাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ময়েশ্চারাইজার কমে যায়। ভাইরাস, এলার্জিভাব ও সর্দি-জ্বর দেখা দিতে পারে। এ আবহাওয়ায় বিশেষ করে সাবধানতা অবলম্বন করে চললে এ সমস্যা থেকে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

রাতে কুয়াশায় মাথায় যেন ঠান্ডা না লাগে তার জন্য মাথায় স্কার্ফ বা টুপি ব্যবহার করা উচিত। এটা সব বয়সীরাই করতে পারেন।

ধূলাবালি এড়িয়ে চলা, মুখে মাস্ক ব্যবহার করা, এলার্জি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা, পানি ও পানিজাতীয় খাবার ও শরবত খাওয়া উচিত। সর্দি, কাশি বা যে কোনো ভাইরাস জাতীয় রোগ হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা নেয়া উচিত।

তৃপ্তিতে বাধা হাই হিল


নারীরা বিভিন্ন কারণে হাই হিলস জুতা স্যান্ডেল পরে থাকেন। এটি ফ্যাশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে অনেকের অজানা যে নারীদের দৈহিক সম্পর্কে চরম সুখে বাধা সৃষ্টি করে হাই হিলস।একটি গবেষণায় এমনটিই উঠে এসেছে।

ড. ইডেন ফ্রমবার্গ ও নাওমি উল্ফ এর লেখা সম্প্রতি এক বইয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই বইতে নারীদের গোপন অনেক বিষয় নিয়ে খোলাখুলি বৈজ্ঞানিক সম্মতভাবে আলোচনা করা হয়।

এক আলোচনায় উঠে আসে, হাই হিল দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে শরীরের এক ধরনের ক্রিয়া তৈরি হয় যেটা তাদের চূড়ান্ত সুখে বাধা সৃষ্টি করে।

নারীদের প্রয়োজন যে জিনিস!


ঢাকা: মেয়েরা অনেক ভুল ধারণায় ভোগে। প্রেমের সম্পর্ক তো বটেই, বন্ধুত্বও একসময় হয়ে ওঠে তিক্ত, অনেক সময় ভেঙ্গেও যায়। তাই অনাকাঙ্খিত ‘ব্রেক আপ’ এড়াতে নারীদের বেশ কয়েকটি জিনিস জানা থাকা প্রয়োজন।ফোনে কল করার অর্থ এই নয়- আপনি প্রেমের প্রস্তাব পেতে যাচ্ছেন

হঠাৎ করেই আপনার কাছে এলো একটি অপরিচিত কল। কিংবা পরিচিতও হতে পারে। তবে, অপ্রত্যাশিত আপনার কাছে। ভাবতে পারেন হয়তো ছেলেটি তার মেয়েবন্ধুর শূন্য পদে আপনাকে রাখতে চায়। আপনার এ ধারণা ভুলও হতে পারে। হতে পারে সে আপনার সঙ্গে শুধু কথা বলতেই আগ্রহী। সুতরাং এ রকম ক্ষেত্রে বিষয়টি ভালো করে ভাবুন।

মেকআপ ছাড়াই আপনি সুন্দর

আপনার সাজ-সজ্জা সবই ঠিক আছে। কিন্তু আপনার পুরু মেকআপ হয়তো বন্ধুর ভালো নাও লাগতে পারে। সুতরাং নিজেকে সাধারণ ও স্বাভাবিক মেকাপে রাখুন। এ আপনার অকৃত্রিমতা ফুটে উঠবে।

শিশুসুলভ আচরণ ছাড়ুন

হয়তো আপনার ছেলেবন্ধুর সঙ্গে কোথাও গেলেন। সেখানে দেখা হলো আপনার অন্য মেয়েবন্ধুদের সঙ্গে। আর এতে আপনি মুখ চেপে রহস্যজনক হাসি হাসলেন কিংবা লাফাতে শুরু করলেন। এ ধরনের আচরণকে আপনার সঙ্গী শিশুসুলভ বলে ভাবতে পারে, যা তার পছন্দ নাও হতে পারে।

ক্লাস রুমের আচরণ বাইরে করবেন না

আপনার ছেলেবন্ধুটি হয়তো আপনার সাহচর্য চায়। আপনারা একসঙ্গেই রয়েছেন। অথচ এই সময়ে আপনি বন্ধুর কাছ থেকে নোট নিচ্ছেন কিংবা ফিসফিসানি করছেন। আপনার অন্য বন্ধুরা তখন টেবিলে অন্যদের সঙ্গে গল্প করছে। এরকম পরিস্থিতিতে আপনার ছেলেবন্ধুটি ভাবতে পারে আপনি এখনও ক্লাসরুমেই আছেন। সুতরাং এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন না। অবশ্য আপনি না চাইলে ভিন্ন কথা।

প্রশংসাযোগ্য হলে ছেলেবন্ধুকে প্রশংসা করুন

বন্ধুত্বের সম্পর্ক আছে এমন কোন ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে থাকলে নিজের ব্যাপারে একটু বেশিই ইতস্তত করে ছেলেটি। মনে করে, মেয়েরা তাদের চুল, ত্বক, ওজন আর কাপড়ের ব্যাপারে মনোযোগী বেশি। তার এই ইতস্তত ভাব দূর করতে আপনি তাকে বলতে পারেন তার চুলের কাটিং কেমন হয়েছে কিংবা কেমন লাগছে তাকে নতুন টি-শার্টে। তবে এর মধ্যেও আপনার পছন্দ অনুযায়ী পরামর্শ দিতে ভুলবেন না।

গুরুতর বিষয়ে আন্তরিক থাকুন

হ্যাঁ, ছেলেরা ভালো করেই জানে, আপনার মধ্যে একটু পাগলাটে ভাব আছে। কিন্তু ভাববেন না, এতে আপনি গুরুতর অপরাধ থেকে পার পেয়ে যাবেন। তাই, আপনি যেমনই হোন না কেন, গুরুতর বিষয়ে আন্তরিক থাকুন।

কেবল নিজের কথা অন্যকে শোনাবেন না

এটা সবারই জানা যে কোনো ছেলেবন্ধুই- যে অন্তত ছিটকে পড়তে চায় না- কখনও বলতে চায় না যে তার মেয়েবন্ধুটি মোটা হয়ে যাচ্ছে। তাই আপনার ছেলেবন্ধুর সঙ্গে আলাপে শরীরের ওজনের প্রসঙ্গটি এড়িয়ে চলুন। কেননা এতে বিব্রত হতে পারে সে।

এড়িয়ে চলুন আঁটসাঁট পোশাক

আপনার পছন্দ হতে পারে, কিন্তু আপনার আঁটসাঁট পোশাক আপনার ছেলেবন্ধুর পছন্দ নাও হতে পারে। কারণ অধিকাংশের কাছেই এটি মার্জিত নয়। তা ছাড়া এমন পোশাকে বেপরোয়া আর নিরাপত্তাহীন মনে হবে আপনাকে। তাই এটা করতে গিয়ে আপনাকে সত্যিই বেপরোয়া মনে হচ্ছে কি-না, তা ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

অধিকাংশ ছেলেই উপযুক্ত মেয়েটিকেই চায়

মেয়েরাই যে কেবল উপযুক্ত ছেলেটিকে বেছে নিতে চায়, তা নয়, ছেলেরাও চায় তার মেয়ে সঙ্গীটি উপযুক্ত হোক। সুতরাং ভালোবাসার খেলায় সব ধরনের কাঁচুমাচু ভাব ত্যাগ করুন, সিরিয়াস হোন।

যদি পছন্দ করেন, বলে ফেলুন

অনেকে ভালো লাগা- না লাগার বিষয়ে রহস্যময়তা পছন্দ করেন। এটা ঠিক নয়। যদি আপনার কাউকে ভালো লাগে তবে এমন ভান করবেন না যে আপনি তাকে অবহেলা করেন। যদি সে আপনার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায় এবং আপনারও অবস্থা থাকে একই রকম- তবে প্রকাশ করুন তা। যাচাই করার অধিকার আপনার নিশ্চয়ই আছে। তবে কাউকে কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় অপেক্ষমান রাখবেন না।

জেনে নিন বয়স লুকানোর কিছু উপায়


ঢাকা: অনেকেই আছেন চেহারায় বয়স লুকাতে চান। নিজেকে সদা তরুণ ও সদা প্রফুল্ল রাখতে চান। অন্যের সামনে নিজেকে কম বয়সী হিসেবে হাজির করতে চান। তাদের জন্য কিছু উপায় বাতলে দেয়া গেল

১. সপ্তাহে তিন দিন রাতে ভালো মানের মধু খান ও চেহারায় মেখে ধুয়ে ফেলুন।



২. অবশ্যই নিয়মমাফিক পানি পান করুন।


৩. অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন।



৪. পছন্দের বা বিনোদনমূলক স্থানগুলো ভ্রমণ করুন।


৫. ছলনা করবেন না। ভালোবাসায় ছলনা আপনাকে অচিরেই বুড়িয়ে দেবে।



৬. জীবনসঙ্গীর সাথে বেশি সময় কাটান।



৭. নিজের চেয়ে বয়স বেশি, এমন মানুষের সঙ্গে সময় কাটান বেশি বেশি।



৮. ইতিবাচক চিন্তা করুন। নেতিবাচক চিন্তা চেহারায় বসয়ের ছাপ ফেলে।


৯. চোয়াল খানিক এলিয়ে থাকতে দিন। মুখের ভারিক্কি ভাব দূর হয়ে যাবে।



১০. শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন।



১১. সুযোগ পেলে নাচুন।



১২. বেশি বেশি মন খুলে হাসুন।


১৩. মন থেকে ভালোবাসুন বই, গাছ, আকাশ।


১৪. সবসময় উদ্যমী ও প্রাণবন্ত থাকুন।


১৫. নিয়ম করে ঘুমান।


১৬. বৃক্ষজাত খাবার বেশি খান।


১৭. মুটিয়ে যাবেন না কখনই। মুটিয়ে যাওয়া মানেই নিজেকে বয়সী করে তোলা।

পরকিয়া প্রেমের রোমান্স

rongdhonu007_1290097676_1-prova.jpg 
এ বিষয়ের ইতিবাচক দিক নিয়েই পরকিয়া প্রেমের রোমান্স জগতের কথা। আজকের সমাজে নানাবিধ সমস্যার ভীরে বিবাহ বহির্ভুত সেক্স একটি গুরুত্বপুর্ন সমস্যা। যে ছেলেটার হোমওয়ার্ক নিয়ে ভাবার কথা সে, ভাবছে তার না পাওয়া বান্ধবীটিকে নিয়ে। যে মেয়েটার জীবন গড়ার জন্য কাজ করার কথা, সে জড়িয়ে যাচ্ছে অযাচিত স্ক্যণ্ডালে। আবার যে পুরুষ কিংবা নারীটির সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে পড়ে থাকছে পরকিয়া নামক নিষিদ্ধ রোমান্সের জগতে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে এসবের পেছনে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্কটি।

একটা গ্রাম্য প্রবাদ আছে ” পেট আর চেট (শিশ্ন) এর জন্যই দুনিয়ার যত কাজকারবার।” কিন্তু আমরা পেটের কথা ভুলে অধিকাংশ সময় ব্যয় করছি চেটের পেছনে। একটু কি ভাবনার বিষয় নয়? আমাদের সমাজে বিভিন্ন নিয়ম-কানুনের দ্বারা বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ককে অবৈধ করা হয়ছে। এটি শুধুই সামান্য একটি ছোটখাট অপরাধ নয়, রীতিমত জঘন্য একটি পাপ। এমন কাজে কারো জড়িয়ে পরাকে তার জীবনের চরম অধপতন হিসেবে গন্য করা হয়। তদোপরি আছে ধর্মের বাধা ও নরকবাসের ভয়। এতকিছু দিয়ে এহেন অবৈধ কাজটিকে থামিয়ে রাখা যাচ্ছে কি? কে কি বলবেন জানি না, কিন্তু এটা অস্বীকার করার উপায় নাই যে, সমাজের একটা বিরাট অংশ এ কাজে এখনো জড়িত আছে। পেপার পত্রিকায় আসা খবর, কিংবা মোবাইলে স্ক্যন্ডালগুলোকে রেফারেন্স ধরলেও সংখ্যাটা কম না। আর অপ্রকাশিত ও না জানা ঘটনাগুলোর কথা না হয় বাদই দেয়া গেলো।

যে বয়সে একটা ছেলের স্কুলের পড়া আর হোমওয়ার্ক নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকার কথা, তাকে আমর দেখতে পাই পাড়ার চায়ের স্টলে কোন মেয়ের অপেক্ষায় বসে আছে। এক সময় জড়িয়ে যাচ্ছে ইভটিজিং নামক অপরাধে। এই ছেলেটি যার জন্য বসে আছে, সেই মেয়েটিকে যদি তার সাথে মিলিয়ে দেয়া যায়, দেয়া যায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ, তাহলে ছেলেটি কয়বার, কতদিন স্টলে আর পাড়ায় আড্ডায় জড়াবে? জড়াবে কি ইভটিজিং-এর মত সামাজিক অপরাধে? ধর্ষনের ক্ষেত্রেও কি এই কথাটা প্রয়োগ করা যায় না?

সেক্সকে এমন ফ্রি করে দিলে সতীত্বের প্রশ্নটা চলে আসে। সতীত্ব কি শারীরিক? না কি মানসিক? মানসিক না হলে ধর্ষিতাকে অসতী আখ্যা দেয়াটাও যুক্তিযুক্ত নয় কি? আবার, সতীত্ব যদি মানসিক ব্যপার হয়, তাহলেও প্রশ্ন থেকে যায়। সমাজে এমন কোন নারী কিংবা পুরুষ কি পাওয়া যাবে যারা জীবনে একবারো স্বপ্নদোষ নামক ব্যধিতে আক্রান্ত হননি? স্বপ্নদোষের সঙ্গমে কেউ কি তার বিবাহিত স্বামী কিংবা স্ত্রীর সাথেই মিলিত হন? স্বপ্নদোষে সতীত্ব নষ্ট না হলে মানসিক সতীত্বের ধারনা কতটুকু গ্রহনযোগ্য?

এবার আসা যাক বিভিন্ন বিধি নিষধের ব্যপারগুলোতে। বিভিন্ন ধর্ম ও শাস্ত্রে বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ককে মারাত্নক একটি পাপ বলে গন্য করা হয়েছে। কোন কোন ধর্মে এর শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে, তদোপরি নরকবাস তো আছেই। অন্যদিকে রাষ্ট্র এমন কাজকে অসামাজিক হিসেবে গন্য করেছে, শাস্তির বিধানও রেখেছে। কথা হলো এমন বিধি নিষেধ ও শাস্তির ভয় কি আদতেই মানুষকে এহেন অবৈধ কর্ম থেকে বিরত রাখতে পারছে? পারছে যে না তার ভুরি ভুরি উদাহরন আমাদের সমাজে বিদ্যমান। মানুষ যদি এসব নিয়ম বিধান না’ই মানে অথবা মানতে না পারে তাহলে এমন বিধি ঘাড়ে চাপিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু? এতে বরং অপরাধবোধে ভোগার মাধ্যমে মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুকিই বাড়ছে দিন দিন।

দেশের অধিকাংশ পরিবারই তো পরকিয়া সমস্যায় জড়িত। বিশেষ করে, প্রবাসী স্বামীর স্ত্রীদের প্রায় ৯০% পরকিয়ায় জড়িত। ধরাপরা পরিবারগুলো কি খুব শান্তিতে আছে? স্বামী বিদেশে থাকায় শশুরবাড়ির লোকজন স্ত্রীটিকে তেমন কিছু বলতেও পারেনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্ত্রী থাকেন বাবার বাড়িতে, অনেক পরিবারে বাবারা বাড়ির লোকেরা শারীরিক সম্পর্কের জন্য সাহায্যও করে থাকে। এমনও ঘটনা আছে যে, বাবা-মা নিজে মেয়েটিকে এমন সঙ্গমের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বেচারা স্বামীর কানে এসব কথা গেলেও, স্ত্রীর কথাই বিশ্বাস করে, কিন্তু ভোগে অন্তর্দহনে।
" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!