বিএসসিআই এর ট্রেনিং ।

জীবনে কিছু কিছু দিনের স্মৃতি সত্যিই ভোলা যায়না ।

Firmgate

Badhon

শুভ জন্মদিন

তোমার জীবনের ছোট্ট ছোট্ট সময়গুলোকে আনন্দের রং লাগিয়ে স্বরনীয় করে রাখতে চেষ্টা করছি । যা সেদিন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে, এই আমি তোমাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম । যেইদিন আমি তোমার জায়গায়..আর তুমি আমার জায়গায় থাকবে।

সোনার গাঁও

কোন কোন মানুষ জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে যায় । কোন কোন দিনও সারাজীবন মনে থেকে যায় । সেরকম একটি দিন ছিল যেদিন এই ছবিটা তুলেছিলাম ।

Showing posts with label AA. Onuvuti / Aavegh. Show all posts
Showing posts with label AA. Onuvuti / Aavegh. Show all posts

সুখ!

একটি অদ্ভুত শব্দ । কেউ কেউ সারা জীবন চেষ্টা করেও এর অর্থ খুঁজে পায়না । আবার যাদের কাছে জীবনেরই কোন অর্থ বহন করেনা, তারা এ শব্দটার অর্থ খোঁজার চেষ্টাও করেনা । বরং এ শব্দটা তখন অসহনীয় আর অসহ্যকর হয়ে দাঁড়ায় ।

কারন, জীবনে এমন কিছু কিছু মুহূর্ত আসে, যখন দুজনের যুক্তিতর্ক সঠিক হওয়া সত্বেও, সন্ধিটা ভেঙে দিয়ে সারাজীবনের মতো আলাদা হয়ে যেতে হয় । আর বাকিটা জীবন অসহনীয় দগ্ধ ক্ষত আর যন্ত্রণাকে বুকের মধ্যে চাপা দিয়ে, হাসিমুখে সুখে থাকার অভিনয় করে বেঁচে থাকতে হয় । তাদের কাছে সুখের কি ব্যাখ্যা হতে পারে? শত চেষ্টা করেও এর কি মানে তারা খুঁজে পাবেন?

প্রত্যেক মানুষের জীবনে এমন একটা সময় আসে, যখন কিছু কিছু শব্দ বড্ড অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়, আর কিছু শব্দ অসহনীয় । সুখ তার মধ্যে সর্বাধিক উপরে । তাই অনেকেই এর অর্থ খোঁজার চেষ্টাও করেনা, আর পায়ওনা ।

ভয়ংকর চল্লিশ ।

প্রতিটা মানুষের জীবনে চল্লিশ একটা অতি গুরুত্বপূর্ন সংখ্যা । আমরা সবাই জানি শিক্ষার কোন বয়স নেই, কিন্তু জীবনে উন্নতি করতে হলে, নিজেকে মূল্যবান হিসাবে তৈরি করতে হলে, তোমাকে চল্লিশের আগেই করতে হবে ।

বিশ্বাস হচ্ছেনা, এতক্ষনে তোমার মনে হাজার প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে । একটা কথা চিন্তা করে দেখো, পৃথিবীর কত শতাংশ মানুষ চল্লিশের কম বয়সে সফলতা পেয়েছেন, আর কত শতাংশ চল্লিশের বেশী বয়সে । টমাস আলভা এডিসনের নামতো শুনেছো, মাত্র বাইশ বছর বয়সে প্রথম আবিষ্কার করলেন ভোল্ট গননা করার যন্ত্র । ভাবা যায়, যে ছেলে তের বছর বয়সে খবরের কাগজ বিক্রি করতো, আর উনত্রিশ বছর বয়সে কোম্পানী ও গবেষণাগারের মালিক ।

যার মৃত্যুর পর নিউইয়র্ক পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল মানুষের ইতিহাসে এডিসনের মাথার দাম সবচেয়ে বেশি। কারণ এমন সৃজনীশক্তি অন্য কোনো মানুষের মধ্যে দেখা যায় নি। তাই তার শেষ নিঃশ্বাসটুকু একটি টেস্টটিউবে সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে হেনরি ফোর্ড জাদুঘরে।

ভাবুন একবার, মাত্র ২৯ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের পাশে জায়গা করে নিল, স্যার আইজাক নিউটন। মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে প্রকাশিত হয় মহান বিজ্ঞানী স্যার আলবার্ট আইনস্টাইন, চারটি বিখ্যাত রচনা-প্রথমটি আলোর গঠন ও শক্তি সম্পর্কে।

তাই অপেক্ষা করার মতো আপনার হাতে আর বেশী সময় নেই । এটা ভাববেন না যে, মানুষের এক জীবন অভাবে কাটলে, অন্যজীবন ধনী হতে পারবেন, সেই আশায় বসে থাকলে ভুল করবেন । কারণ চেষ্টা আর লক্ষ্যমাত্র অনুযায়ী পরিশ্রম করার সাহস না থাকলে রুটির দোকানে কাজ করে কেউ জাতীয় কবি হতে পারেনা, অনেকেতো সারাজীবন রুটি বানিয়েই কাটিয়ে দেয় । আপনাকে নিজেকে নিয়ে একটা লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করতে হবে, তারপর কঠোর পরিশ্রম ও ঝুঁকি নিয়ে, সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে, সফলতা আসবেই ।

আজই শুরু করে দাও, এখনই । মাইকেল ব্লুমবার্গের এই কথাটা পড়োনি, “সাফল্যের সূত্র হলো কখনোই শেখা বন্ধ না করা। সব সময়েই নিত্যনতুন বিষয় শিখতে হবে এবং শেখার এ আগ্রহ কখনোই বাদ দেওয়া যাবে না ।” কারণ শিক্ষাই পারে, আমাদের ভেতরের শক্তিটাকে আরো মজবুত করে গড়ে তোলতে, যা বাস্তবতার মুখোমুখি দাড়াতে তোমাকে সাহায্য করবে । আর একবার যদি সাহস করে সমস্যার মুখোমুখি দাড়াতে পারো, তুমি সফল হবেই । কার্লোস স্লিম হেলু বলেছেন, “‘আমরা যখন সমস্যার মুখোমুখি হই, তারা চলে যায়। এ কারণে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিন এবং সাফল্যকে গোপনে ডেকে আনুন।”

জব করছো? কে তোমার বস?

জীবনে মানুষ হয়ে তৈরি হওয়ার জন্য একজন ভাল শিক্ষকের আশ্রয়ে থাকা যেমন জুরুরী, তেমনি কর্মজীবনে সাফল্য, যোগ্যতার সীলমোহর অংকনের জন্য একজন ভাল বসের অধীনে চাকরী করা খুবই জরুরী । যার সমাজে অন্তত মানুষ হিসাবে বলার মতো একটা পরিচিতি আছে, যার গুনাবলী আমাদের এক্সট্রা ওভার টাইমের খাতার মতো, দুটো রেজিষ্টারে লেখা নাই ।

তাই চাকরী পরিবর্তন করতে চাইলে, বেতন আর পদবীর চেয়ে যে বিষয়গুলোতে আমাদের বেশী নজর দেওয়া উচিত, তা হলো, কে হবে আমার বস, শ্রমিক/কর্মচারী কতজন, আর মার্কেটে উক্ত কোম্পানীর অবস্থা (সুনাম) কেমন? শুধু বেতন আর পদবী দিয়ে এই প্রতিযোগিতার মার্কেটে সুনামের সাথে টিকে থাকতে পারবেন না । বেতনের কথাই যখন উঠলো, একটা কথা বলি বেতন দিয়ে মানুষের যোগ্যতা বিচার করা যায়না, কারণ কিছু কিছু স্পেশাল গাড়ীর ড্রাইভারের বেতন কিংবা প্লেনের ড্রাইভারের বেতন আপনার চেয়ে অনেক বেশী, তাহলে? আর পদবী? সাবকন্ট্রাক্ট ফ্যাক্টরীর জি.এম, আর দেশের প্রথম শ্রেণীর দশ হাজার শ্রমিক/কর্মচারীর একটা কোম্পানীর একজন ম্যানেজার বোধহয়, বেশী সাহসী আর ট্যালেন্ট হয় । কারণ পুকুরের রাঘব-বোয়ালের চেয়ে সমুদ্রের চুনোপুটিও বেশী দুরন্ত আর সাহসী হয় ।

কেন তোমার মনে নেই, কে যেন বলেছিল, গ্রামের কলেজ থেকে বিয়ে পাস করার চেয়ে, ঢাকা শহরে চিকা (দেয়াল লিখন) মারলেও বেশী শেখা যায় । আমার আজকের লেখা এ বিষয় নিয়ে নয়, তাই মুল প্রসঙ্গে আসি ।

নিচের প্যারাটা একটু বেশী মনোযোগ দিয়ে পড়ো-
যদি তোমার বসের পরিচিতি, সুনাম, চরিত্র, কন্ট্রোল করার ক্ষমতা, তোমার অভিজ্ঞতা আর যোগ্যতার উপরে কোন প্রভাব ফেলতে না পারে, যদি তোমার কাছে পদটাই একমাত্র অবলম্বন কিংবা যোগ্যতার মাপকাঠী হয়, তাহলে আমরা ভাল স্কুল/কলেজ থেকে কেন পাস করার চেষ্টা করি, বই’তো সব একই? নর্থ সাউথ থেকে কেন মানুষ এমবিএ করে, কেন ইস্ট-ওয়েষ্ট কিংবা অতীশ দিপঙ্কর থেকে করেনা? কারণ সনদপত্রটাই বড় কথা নয়, বরং সেটা কার কাছ থেকে পেয়েছো, কার তত্বাবধানে থেকে পেয়েছো, এটাই বড় আর মুল বিষয় । তাই জীবনে উন্নতি কিংবা যোগ্যতার ওজনটা বাড়ানোর জন্য একজন ভালো বসের অধীনে কাজ করা খুবই জরুরী ।

একটা কথা ভেবে দেখুন, ছাত্র জীবনে একজন শিক্ষক যেমন, কর্মক্ষেত্রে একজন বস তার চেয়েও বেশী । পিএইচডি করার পর, যেমন জানতে চাওয়া হয়, কার তত্বাবধানে করেছো, ঠিক আজকাল ভাইভাতেও জানতে চাওয়া হয়, তুমি কার অধীনে জব করছো? কারণ একজন ধান চাষী কখনও আপেল চাষ করার শিক্ষা দিতে পারেনা । তোমাকে যদি জানতে চাওয়া হয়, তুমি আপেল চাষ করা কার কাছে শিখেছো? তুমি যদি বলো, আমাদের গ্রামের ধান চাষী করিম চাচার কাছে । তখন বোঝা যাবে, তুমি কতটুকু শিখেছো ।
তাই চাকরী পরিবর্তনের সময়, অবশ্যই বসের সম্পর্কেও খোঁজখবর নিন । এটাই আপনার পরবর্তী জীবনের বেশী প্রভাব ফেলবে । আপনার যোগ্যতার ওজন নির্ভর করবে, আপনার বসের যোগ্যতা, সুনাম আর সেক্টরে পরিচিতির উপরে । কথাটা ভেবে দেখবেন…..।

পৃথিবী অনেক ছোট আর গোল

বিভিন্ন সময় জ্যামে অলস বসে থাকতে থাকতে চলতি পথে কিছু কিছু মানুষ আমাদের নজরে পরে, অনেক সময় ভালও লেগে যায় হয়ত গাড়ী ছেড়ে দিল কিংবা সাহস না হওয়ার কারণে আমাদের ভাললাগাগুলো বলতে পারিনা হতাশ হই

পৃথিবী অনেক ছোট আর গোল, হতাশ হওয়ার কিছু নেই শুধু চেহারাটা মনে রাখুন কিংবা তার মাঝে যদি কোন পরিচিতি চিহ্ন থাকে সেটা মনে রাখুন, যাতে দ্বিতীয় বার দেখা হলে যেনো মনে রাখা যায় আর মনে মনে ভাবুন সেদিন দেখা হলে কি বলবেন? কিভাবে জানাবেন আপনার মনের গোপন কথাগুলো ! যদি সেও বুঝতে পারে আপনার মনের কথা আর কোন একদিন কুয়াশার শিশির ভেজা পায়ে আপনার সামনে এসে হাজির হয়, তখন কি বলবেন তাকে, আজই তা ভেবে রাখুন কারণ সময়মতো বলতে না পারার কারণে জীবনে অনেক কিছু হারিয়ে যায়

যদি কখনো দ্বিতীয়বার দেখা হয় সেই মানুষটার সাথে, সেদিন চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। চোখের ভাষা অনেক কিছু বলে দেয় চোখের ভাষাই বলে দিবে আপনি তাকে কতটা ভালোবাসেন, আর সে আপনার প্রতি দুর্বল কিনা। আন্তরিকতার সাথে মিথ্যা আর অপ্রসাঙ্গকি বিষয়গুলো এড়িয়ে নিজিস্ব স্টাইলে বোঝান আপনার মনে কথাগুলো তবে খবরদার, অন্য কোনো দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন না আপনার প্রতি তার আগ্রহ জন্মাবে এমনভাবে যতটা সম্ভব হেসে কথা বলার চেষ্টা করুন। যাতে সে আপনাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে এবং আপনার সঙ্গে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করে। পছন্দের মানুষটি কথা বলার সময় পূর্ণ মনোযোগ দিন তার দিকে সে যাতে বুঝতে পারে যে, আপনি তাকে সত্যিই খুব গুরুত্ব দিচ্ছেন এটা তার মনে দাগ কাটবে, তার পরিবার বা অন্যরা যখন তাকে অবহেলা করবে, সে তখন আপনাকে নিয়ে আলাদাভাবে ভাবতে শুরু করবে তার মস্তিস্ক মনের কাছে আপনার সম্পর্কে ভাল বার্তা পাঠাবে, যা তাকে আপনার প্রতি ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেবে

কথার মধ্যে প্রাণখোলা মনের পরিচয় দিন। কারণ মনে রাখবেন প্রাণখোলা মানুষদের সবাই পছন্দ করে। পছন্দের মানুষটিকে আপনার ভবিষ্যতের পরিকল্পনা খুলে বলুন। তাকে বোঝান, “অন্যরা হয়ত তোমাকে সাথে নিয়ে তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছাইতে চায়, আর আমার একমাত্র লক্ষই তুমি।তার ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলো গুরুত্বসহকারে শুনুন আনুষ্ঠানিকতা বাদ দিয়ে তার সঙ্গে ঘন ঘন ফোনে কথা বলুন, তাকেও বলতে শুনতে দিন দেখা করুন। তার ভালোলাগা মন্দলাগা বিষয়গুলো জানুন জানুন তার জন্মদিন, প্রথম স্কুলে পা রাখার দিন, প্রথম শাড়ী পরার দিন এবং হটাত করে সেই দিনগুলিতে তাকে শুভেচ্ছা জানান যদি তার বয়স বিশের নিচে হয় তাহলে- ফুল, কার্ড, চকলেট, আইসক্রিম, কলম, ডায়রী, প্যাড, উপহার দিন, আর সারাদিন ঘুরে বাইরে লাঞ্চ করুন আর যদি তার বয়স বিশের উপরে হয় তাহলে- ফুল, দামী একটা জামা, শাড়ী, মোবাইল, হ্যান্ড ব্যাগ, কিছু বই আর সারাদিন ঘুরে বাইরে তার পছন্দের মেন্যু দিয়ে লাঞ্চ করুন

আর এভাবেই- না বলে, বরং বুঝিয়ে দিন আপনার মনে কথাগুলো কারণ অনেক সময় অনেক কথা বলা যায়না, আবার বললে হয়ত উত্তর দেওয়া যায়না, সেটা লজ্জা কিংবা জড়তার কারণেই হোক কিন্তু বোঝানো যায় নিজের মতো করে কিংবা না বললেও বোঝা যায় অনেক কিছু ধরুন, কেউ যদি আপনাকে বলেআমি তোমাকে ভালবাসিআপনি অনায়াসে হাসতে হাসতেনাবলে দিতে পারবেন কিন্তু কেউ যদি তার আচার-আচরন, কথাবার্তা, চলাফেরা, কিংবা গুরুত্ব দিয়ে আপনাকে বোঝায়আমি তোমাকে ভালবাসিআপনি তাকে ফেরাতে পারবেন না কারণ কাউকে একদিনে বোঝানো যায়না, আর এই আস্তে আস্তে বোঝানোটাই মানুষকে দুর্বল করে তোলে আর সেই বোঝানোটা যেদিন বুঝতে পারা যায়, সেদিন আর ফেরানো যায়না সেদিন বাধ্য হয়েই আগুনে ঝাফ দিতে হয়, দেওয়া উচিতও কারণ - পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে, যাদের কথা বা অনুরোধ উপেক্ষা করা যায়না কারণ তারা হয়ত উপেক্ষা না করার মতো পরিবেশ তৈরি করেই উপস্থাপন করে কিংবা মানুষের মনকে পরিচালনা করার মতো ক্ষমতা নিয়েই তারা জন্মেছে

" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!