প্রথম পাতা |
ফটো স্টুডিও |
আমার প্রতিদিন |
অনুভুতি |
উপদেশ |
স্বাস্থ্য |
তোমাদের ছবি |
শাড়ীতেই নারী |
আজকের বার্ত |
তোমার রুপ |
বাবা তোমায় ছালাম |
কবিতা |
সাহিত্য |
Showing posts with label Advice. Show all posts
Showing posts with label Advice. Show all posts
তোমার ৪ টি ফ্যাশন অভ্যাস
আমরা প্রায়ই জুতা, কাপড় কিংবা অন্তর্বাস নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ি, যদি সেগুলো আমাদের স্বাভাবিক আরাম দিতে না পারে। অস্বস্তিকর পোশাকে দীর্ঘসময় থাকার মতো যন্ত্রণার আর কিছু থাকতে পারে না। এই রকম কিছু ফ্যাশনের বিষয় আছে যা হয়তো এখন আমাদের অস্বস্তি দিচ্ছে না কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব রাখছে। আসুন জেনে নেই এমন চারটি অস্বাস্থ্যকর ফ্যাশন চর্চা সম্পর্কে।
১। খুব আঁটশাট পোশাক পরিধান: হয়তো আঁটশাট পোশাক আপনার লুকে এক ধরণের আবেদন আনে। তবে এটি আপনার রক্ত সঞ্চালন এবং হজমকার্যক্রমে বাধার সৃষ্টির করছে। আঁটশাট পোশাক হয়তো আপনাকে জিরো ফিগার দেখাতে সাহায্য করবে, তবে আর একটু ঢোলা পোশাক কোন মতেই আপনার সৌন্দর্যকে কম প্রকাশ করবে না। সাথে থাকছে স্বাস্থ্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি।

২। হাই হিল প্রতিদিন, সারাক্ষণ: হাই হিলে আপনাকে খুবি আবেদনময়ী দেখায় এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এর মূল্য দিতে হচ্ছে আপনার পায়ের পাতাকে। না, বলছি না আপনাকে হাই হিল পরা বাদ দিয়ে দিতে। তবে অফিসে আপনার বসবার ঘরে, বাসায় কিংবা গাড়িতে আরাম দায়ক ফ্ল্যাট সোলের জুতা পরতে পারেন। আর খুবি ভালো হয় কয়েক মাস অন্তর অন্তর যদি ফুট ম্যাসেজ করিয়ে নেন।
৩। ভারী ব্যাগ বহন: অনেকেই বিশাল ব্যাগ নিয়ে তাতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ান। এটাও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে আপনার ঘাড়ে ও কাঁধে। তাই যতটা পারা যায় কম বোঝা বহন করুন। আপনার কাঁধ ও ঘাড়কে একটু স্বস্তি দিন।
৪। অতিরিক্ত ক্যামিকেল যুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার: অনেকেই না জেনে নিম্নমানের নানা রঙের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। এইগুলো আপনার ত্বক ও শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আপনার ত্বক বা শরীরের কোন ক্ষতি করবে না এমনটা নিশ্চিত হয়েই ভালো মানের পন্য ব্যবহার করুন।
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন ফ্যাশন চর্চাগুলো বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন। স্বাস্থ্যের কথা আগে ভাবতে হবে। আর সুস্থ থাকুন।
খারাপ প্রেমিকের পক্ষে মেয়েদের ৬টি বিচিত্র বাহানা!
মানুষ যখন প্রেমে পড়ে তখন মনে মনে একটি ফ্যান্টাসি তৈরি করে নেয়। প্রেমের মোহে তখন অনেক অপরাধই এড়িয়ে চলেন, দেখেও দেখেন না। বিশেষ করে মেয়েরা। প্রেমিক যতই উগ্র মেজাজের হোক কিংবা অত্যাচারী হোক, নিজের মনকে এটা-সেটা বুঝিয়ে প্রেমিকের দোষগুলো এড়িয়ে চলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন প্রেমিকারা। আর তাই নিজেকে নানান রকমের বাহানা দিয়ে, এটা-সেটা বুঝিয়ে সম্পর্কটি ধরে রাখেন তারা। জেনে নিন তেমনই কিছু বাহানা সম্পর্কে যেগুলো প্রেমিকারা নিজেকে বুঝিয়ে থাকেন খারাপ প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক ধরে রাখার জন্য।

‘ও বদলে যাবে’
প্রেমিকের আপত্তিকর স্বভাব, প্রতারণা ও খারাপ ব্যবহার স্বত্ত্বেও অনেকেই মনে মনে ভাবেন যে একটা সময়ে প্রেমিক বদলে যাবে। নিজের ভালোবাসা দিয়ে প্রেমিকের স্বভাব বদলে ফেলা যায় বলেই মনে করেন অনেকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয় না। এমন ভ্রান্ত আশায় কেবল নিজেরই সময় নষ্ট করা হয়।
‘এখনও তো বিয়ে করিনি’
প্রেমিকের আপত্তিকর স্বভাবকে অনেকেই খুব বেশি গুরুত্ব দেন না এটা ভেবে যে এখনও তো বিয়ে হয়নি। কিন্তু যেই মানুষটির সাথে আপনি সময় কাটাচ্ছেন তার আপত্তিকর স্বভাবগুলোর প্রভাব আপনার মনেও পড়ছে। তাই নিজেকে এমন বাহানা দিয়ে প্রেমিকের বড় বড় প্রতারণা ও ভুলত্রুটি গুলো এড়িয়ে না যাওয়াই ভালো। বরং একে বিয়ের আগে খুব ভালো করে ভেবে দেখুন।
‘আমি জানি ও পরোয়া করে আমার’
অনেকেই ভাবেন যে প্রেমিক যেমনই হোক, যত খারাপই হোক না কেন, আপনার প্রেমিক আপনাকে অনেক ভালোবাসেন এবং আপনার প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল। কিন্তু আপনার প্রেমিক যদি আপনার সাথে নিয়মিত প্রতারণা করে তাহলে নিজেকে এমন বাহানা দেয়াটা একদমই অর্থহীন। ভালোবাসা আর প্রতারণা কখনো পাশাপাশি চলতে পারে না।
‘ও এমন কাজ আর করবে না’
অধিকাংশ প্রেমিকাই প্রেমিকের বড় ধরণের প্রতারণাও ক্ষমা করেন দেন এই ধারণার ফলে। প্রেমিক যদি প্রতিজ্ঞা করে যে এমন ভুল আর করবে্ন না, তাহলে অনেক প্রেমিকাই সেটা বিশ্বাস করে ফেলেন। ফলে আবারও প্রতারককে বিশ্বাস করার মতো ভুল করেন অধিকাংশ প্রেমিকা। আর প্রেমিক সেটার পূর্ণ ফায়দা তোলেন।

‘ও ব্যস্ত থাকে’
প্রেমিক যখন প্রেমিকাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে, দীর্ঘ সময় কোনো যোগাযোগ না করে, সহজে দেখা না করে, রাতের বেলা ফোন ব্যস্ত থাকে তখন অনেক প্রেমিকাই নিজেকে বোঝায় যে তার প্রেমিক অনেক ব্যস্ত মানুষ। তাই প্রেমিকাকে দেয়ার মতো যথেষ্ট সময় তার নেই। কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝেও প্রেমিক তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন প্রেমিকাকে সময় দেয়ার এমনটাই মনে করেন প্রেমিকা।
সম্পর্কের জন্য ও এখনো প্রস্তুত না
সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রেমিকের অবহেলা ও অনাগ্রহ দেখে অনেক প্রেমিকাই মনে করেন সম্পর্কের জন্য প্রেমিক এখনও প্রস্তুত না। কিছুদিন সময় গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে কিংবা ধীরে ধীরে সম্পর্কের প্রতি মায়া বাড়বে ভেবে অনেকেই জোর করে টিকিয়ে রাখেন একটি ভুল সম্পর্ককে।
কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ
কাজে চাপ এবং নানা ধরনের জীবনযাপনের সমস্যায় পড়ে অনেকেই মানসিকচাপে ভুগে থাকেন। সব চাইতে বেশি সমস্যা হয় তখন, যখন কর্মক্ষেত্রের কোনো ব্যাপার নিয়ে মানসিক চাপ নেয়া হয়। ধরুন, কাজ করতে করতে মাথা ঝিম ধরে গিয়েছে, কিংবা চাপের জন্য মনোযোগ দিতে পাড়ছেন না, অথবা কোনো কাজ করতে চাইছেন কিন্তু পাড়ছেন না, আবার কেউ আপনার নামে সমালোচনা করছে অথবা কেউ আপনার বিরুদ্ধে পলিটিক্স খাটাচ্ছে ইত্যাদি।
এইসকল মানসিকচাপ কর্মক্ষমতার ওপরে অনেক বড় প্রভাব ফেলে। কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে কাজের ইচ্ছা, স্পৃহা সবই কমে যায়। এতে করে আপনি নিজেই পড়তে পারেন বিপদে। আপনার কর্মদক্ষতা কমে এলে আপনি অফিসের বসের চোখে হয়ে যেতে পারেন অলস প্রকৃতির কর্মকর্তা। তাই কর্মক্ষেত্রের এইসকল মানসিক চাপ থেকে যতো দূরে থাকা সম্ভব ততোই ভালো।

একটানা কাজের মধ্যে ডুবে না থেকে কিছুক্ষণ রিলাক্স করুন
একটানা কাজ করে চললে মানসিক চাপটা আরও বেশি বেড়ে যাবে যা আপনার জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। যতোই কাজের চাপ থাকুন না কেন নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবে খানিকক্ষণ রিলাক্স করে নিন। মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন। মাত্র ১০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ নিয়ে দেখতে পারেন। অনেকটা মানসিক চাপ কমে যাবে। কিংবা করতে পারেন ৫ মিনিটের মেডিটেশন। তাতেও ভালো ফল পাবেন।
ভিত্তিহীন কথা কানে তোলা বন্ধ করুন
আপনি যেমনই থাকুন না কেন এবং যাই করুন না কেন মানুষ আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করবেই। আপনি যেহেতু জানেন যে কথাগুলো হচ্ছে আপনাকে নিয়ে তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন তাহলে তা আপনি নিজের কানে তুলে কেনো নিজের কর্মস্পৃহা কমিয়ে আনবেন? কথা কানে তুলবেন না। নিজের মতো কাজ করে চলুন। দেখবেন আপনাআপনিই কথা বন্ধ হয়ে যাবে।

চা/কফি পান করুন কাজের ফাঁকে
অনেক বেশি কাজের চাপ হলে তার কারণেই জন্মায় মানসিক চাপ। কমে আসে দেহের সুগার লেভেল। আরও বেশি সমস্যায় পড়ে যান তখন। একটি কাজ করুন। ১ কাপ কফি বা চা পান করে নিন। চা পানের সাথে দু একজন কলিগের সাথে খানিকক্ষণ আড্ডাও দিতে পারেন। এতে করে মানসিক চাপ কমে যাবে এবং আপনার দেহের সুগারের মাত্রাও ঠিক হয়ে যাবে। আবার এই ছোট্ট কাজে কলিগদের সাথেও সুসম্পর্ক হবে।
ভালোবাসেন কাউকে?
যাকে ভালোবাসা যায় তার সব কিছুকেই ভালোবাসা যায়। তার রাগ, তার দুঃখ, তার অভিমান, তার ভালোবাসা সব কিছুকেই। কারণ ভালোবাসার অর্থই একজনকে বিনা শর্তে আপন করে নেয়া। কিন্তু আমরা আমাদের ইগো এবং নিজের মুখের ওপর পড়ে থাকা কঠিন মুখোশের কারণে মুখ ফুটে ভালোবাসার মানুষটিকে অনেক কথাই বলতে পারি না। এই অব্যক্ত কথাগুলোর জন্য ভালোবাসার মানুষটি হয়তো অপেক্ষা করছেন, কিন্তু আমরা বলছি না।
যদি সত্যিই কাউকে ভালোবেসে থাকেন তাহলে সব কিছু বিসর্জন দিয়ে বলে ফেলুন কিছু অব্যক্ত কথা। কারণ হয়তো আপনার দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে আপনার ভালোবাসার মানুষটি এই কথাগুলো না শুনেই হারিয়ে যেতে পারেন আপনার জীবন থেকে। তাই আজই দেরি না করে বলে ফেলুন।

‘আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি’
ভালোবাসার মানুষটিকে হয়তো দিনে অনেকবারই বলা হয় ‘আই লাভ ইউ’। কিন্তু একটিবারও সামনে বসিয়ে চোখে চোখে রেখে বলা হয় না ‘আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি’। মানুষ চাইলেই এই মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা আবেগটি প্রকাশ করে দিতে পারেন না। কিন্তু একটিবার বলেই দেখুন না। নিজেও স্বস্তি পাবেন এবং আপনার ভালোবাসার মানুষটিও অনেক খুশি হবেন।
‘আমি তোমাকে ভীষণ মিস করছি’
কাজের চাপে এবং জীবনের তাগিদের মাঝেও ভালোবাসার মানুষটিকে মনে করেন এমন অনেকেই রয়েছেন। কিন্তু তাকে এই কথাটি বলতে পারার মতো মানুষ রয়েছেন অনেক কম। কিন্তু এই আবেগটি মনের ভেতর লুকিয়ে রাখবেন না। তখনই একটি ফোনকল কিংবা মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দিন আপনি তাকে মিস করছেন প্রচণ্ডভাবে।
‘আমি তোমার পাশেই আছি’
মাঝে মাঝে একটি অনুপ্রেরণার বাক্য একটি ভালোবাসামাখা আশ্বাস অনেক ধরনের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেয়। নিজেকে একা পাওয়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারে একটি মাত্র বাক্য ‘আমি তোমার পাশেই আছি’। আপনি থাকুন আর নাই থাকুন আপনার এই ভালোবাসা ও আবেগমাখা বাক্যটি আপনার সঙ্গীর আত্মবিশ্বাসকে সমৃদ্ধ করে তুলবে।

‘আমি দুঃখিত’
রাগের সময় তো কতো কথাই বলে ফেলা হয় নিজের সঙ্গিনীটিকে কিন্তু তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন কয়জন? নিজের ইগোটাকে সামনে রেখে বলতেই পারেন না ‘আমি দুঃখিত তোমার সাথে খারাপ ব্যবহারের জন্য’। কিন্তু নিজের ভুল বুঝতে পারলে অবশ্যই কথাটি বলে ফেলা উচিৎ।
‘তোমার জন্যই আমার জীবনটা সুন্দর’
হয়তো সঙ্গীকে কখনো বলতে পারেননি এই কথাটা। বলতে পারেন নি আপনার অগোছালো জীবনে আপনার সঙ্গী এসে তা অনেক গোছালো করেছেন। আপনার সব বিপদে আপদে সঙ্গীটি আপনার পাশে ছিল বলেই আপনি নিজের মনে সাহস পেয়েছেন। বলে উঠতে পারেননি ভালোবাসার মানুষটিকে ‘তোমার জন্যই আমার জীবনটা সুন্দর’। কিন্তু আর দেরি না করে একটিবার বলেই ফেলুন তাকে।
মনোবল ও স্বস্তি
নানা কারণেই জীবন চলার পথে আমাদের মনোবল ভেঙে পড়তে পারে। নিজের ইচ্ছাগুলো পূরণ না হওয়া, সব সময় সমালোচনার মাঝে থাকা এবং জীবনে সফলতা না পাওয়ার কারণে যে কারোরই মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে। কিন্তু নিজেকে যদি খুব বেশি বিষণ্ণতার মধ্যে ফেলতে না চান তাহলে অবশ্যই নিজের মনোবল ধরে রাখতে হবে।
যতো কষ্টই হোক না কেন মনোবল ভেঙে পড়তে দেয়া চলবে না। কারণ মনোবল ভেঙে পড়ার অর্থ আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যাওয়া। এবং আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে গেলে আপনি নিজের প্রতি ভরসা হারিয়ে ফেলবেন। এতে করে আপনি হেরে যাবেন কঠিন বাস্তবতার সামনে। জীবনটাকে সুখী করতে চাইলে মনোবল না হারিয়ে নিজেকে শক্ত করে তুলতে হবে। মনকে শক্ত করতে হবে।
নিজেকে বদ্ধ না রেখে অন্যের মতামত গ্রহন করুন
নিজের মন মানসিকতা একটি জায়গায় বন্ধ করে না রেখে অন্যের পরামর্শ নিন। প্রত্যেকেই নিজের জীবনের সাথে যুদ্ধ করছেন এবং করেছেন। তাই নিজের চাইতে অভিজ্ঞ মানুষজনের পরামর্শ নিয়ে কাজ করুন। তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিলে নিজেকে অনেকাংশে মানসিকভাবে স্বাবলম্বী পাবেন। তাই নিজেকে এক জায়গায় আটকে না রেখে মানুষের সাথে মিশুন, তাদের গল্প জানুন।
অতীত মুছে ফেলুন, অতীত নিয়ে বসে থাকবেন না
আপনার কোনো অতীত স্মৃতি আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করে ফেলার জন্য যথেষ্ট। আপনি যদি এই অতীত স্মৃতি নামক দুর্বলতাকে ধরে নিয়ে বসে থাকেন তাহলে নিজের মনোবলকে কখনোই ফিরে পাবেন না। তাই অতীত থেকে নিজেকে বের করে আনুন। দেখবেন মন অনেক ফ্রেশ হয়ে যাবে। যা চলে গিয়েছে তা যেতে দিন। মনকে শক্ত করুন।
একই ভুল বারবার করবেন না ভুল থেকে শিক্ষা নিন
আপনি যদি একই ভুল বারবার করেন আপনার সাথে একই ঘটনা বারবার ঘটতে থাকবে এবং ফলশ্রুতিতে আপনার মনোবল ভেঙে পড়তে থাকবে। তাই ভুল বারবার করবেন না। প্রথম ভুল থেকে শিক্ষা নিন। দেখুন আপনার ভুলটি কোথায়। দ্বিতীয় বার সেই ভুলটি এড়িয়ে চলুন। এতে করে আপনার চিন্তা করার ক্ষমতাও বাড়বে এবং মানসিক শক্তিও বৃদ্ধি পাবে।
নিজের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব রাখবেন না
আপনি যদি নিজের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব রাখেন তাহলে অন্য মানুষ নয় আপনি নিজেই নিজেকে ছোটো করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। আপনি একটি কাজ পারলেন বা বা আপনার একটি সম্পর্ক টিকে থাকলো না কিংবা আপনার সাথে বড় কোনো খারাপ ঘটনা ঘটলো এই সবকিছুর পেছনে কারণ রয়েছে। যে কারণটি আপনি নন। যদি নিজেকে দায়ী ভাবেন তাহলে আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া সুখের স্মৃতি ভাবুন। এবার প্রশ্ন করুন নিজেকে, আপনিই কি দায়ী? দেখবেন মনের সাহস ফিরে আসচে।
মন থেকে ভয় দূর করার চেষ্টা করুন
মনোবল ভেঙে পড়লে, আত্মবিশ্বাস কমে গেলে মনে মধ্যে বাসা বেঁধে থাকে কিছু অযাচিত ভয়। পরবর্তীতে একই বিপদে, যন্ত্রণায় এবং দুর্ঘটনায় পড়ার ভয়। এই ভয় মন থেকে দূর করার চেষ্টা করুন। কারণ, কী হবে না হবে তা ভেবে আপনি নিজের প্রতি যে অবিচার করছেন তার ফলে আপনি নিজেই পিছিয়ে পড়বেন জীবন থেকে। ভয় দূর করে মনে সাহস জুগিয়ে এগিয়ে চুলুন। এই ভয় দূর করতে পারলেই আপনি হবে মানসিক ভাবে শক্তিশালী।
আপনি কি সুখী মানুষ? জেনে নিন কিছু লক্ষণের সাথে মিলিয়ে
সুখী হতে তো সবাই চাই। আর তাই সুখের খোঁজে ছুটে বেড়ায় এদিকে ওদিকে। কিন্তু আসলেই কি আমরা সুখী? যে ব্যক্তি সুখী সেই ব্যক্তিও অনেক সময় বুঝতে পারেন না যে তিনি ভাসছেন সুখের সাগরে। আর তাই অনেক সুখী ব্যক্তিও মনের ভ্রমে ছুটে বেড়ান সুখের পেছনে। কিছু বিশেষ লক্ষণ মিলিয়ে জেনে নেয়া সম্ভব এই সুখ-অসুখের হিসাব। জেনে নিন লক্ষণ গুলো এবং মিলিয়ে নিন নিজের সাথে।
নিশ্চিন্তে ঘুম
একজন সুখী ব্যক্তি ঘুমাতে পারেন নিশ্চিন্তে। খুব সহজেই কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়াই ঘুমিয়ে যেতে পারেন তিনি। বিছানায় শুয়ে নানান চিন্তায় এপাশ ওপাশ করে রাত কাটাতে হয় না সুখী মানুষদের।
ছোট ছোট বিষয় উপভোগ করা
সুখী ব্যক্তিরা জীবনের ছোট ছোট অনেক বিষয় উপভোগ করেন। অনেক ক্ষুদ্র বিষয়ও তাদের চোখ এড়িয়ে যায় না। ঘাসের উপরের একটি শিশির বিন্দু অথবা ভোর বেলা জানালায় উড়ে এসে বসা কোনো পাখিও তাদের মনে আলোড়ন সৃষ্টি করে। পৃথিবীটাকে অনেক সুন্দর মনে হয় তাদের কাছে।
কর্মক্ষেত্রে প্রশান্তি
কর্মক্ষেত্রে প্রশান্তি সুখী হওয়ার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একজন মানুষ দিনের একটি লম্বা সময় কাটিয়ে দেয় কর্মক্ষেত্রে। আর তাই কর্মক্ষেত্রে প্রশান্তি না থাকলে সুখী হওয়া সম্ভব হয় না। নিজের সুখী মানুষরা নিজের পেশার মাঝেও খুঁজে পায় আনন্দ।
ভালোবাসায় বিশ্বাস
সুখী মানুষরা ভালোবাসায় বিশ্বাস করেন। ভালোবাসার সম্পর্কটি তাদের কাছে মিথ্যা মনে হয় না কখনই। সঙ্গীর জন্য ভালোবেসে করা কোনো কাজকে অর্থহীন মনে হয়না তাদের কাছে। কারণ তারা নিজের সাথে জড়িয়ে থাকা সম্পর্কগুলোতেও অনেক সুখী।
জীবনটাকে খুব বেশি কঠিন মনে না করা
বেশিরভাগ মানুষই জীবনটাকে খুব বেশি কঠিন মনে করেন। জীবনটাকে একটি জটিল নিয়মে বেঁধে ফেলে সেই নিয়মের বেড়াজালে নিজেই পেঁচিয়ে যান অধিকাংশ মানুষ। কিন্তু সুখী ব্যক্তিরা এমনটা করেন না। তাদের কাছে জীবনটা অনেক সহজ। নিয়মকানুন মানার চাইতে নিজের মনের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেন তারা।
নিজের জন্য কিছু সময় থাকা
সারাদিন নানান কাজ, ব্যস্ততা, পরিবারকে সময় দেয়ার পরেও সুখী ব্যক্তিদের নিজের জন্য কিছুটা সময় থাকে। আর এই সময়টাতে নিজের শখ পূরণ, নিজের যত্ন এবং নিজের সঙ্গটাকে নিজে উপভোগ করার সময় পান সুখীরা।
পর্নোগ্রাফি

পর্নোগ্রাফি শব্দটা শুনেই আমরা সাধারনত এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। যদিও নিয়মিত, না হলেও কালেভদ্রে পর্ন দেখেন এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। আসলে পর্নোগ্রাফি ব্যাপারটা এতটাই ছড়িয়ে গেছে যে, কেউ যদি বলে সে পর্নের সংস্পর্শে আসেনি তা বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। মোড়ের মোবাইলের দোকান, রাস্তার ওপর সিডির দোকান, বন্ধুদের মোবাইল ফোন থেকে ব্লুটুথ কিংবা ওয়েবে তো আজ চাইবার আগেই পর্ন পাওয়া যায়।
আসুন জেনে নেই পর্ন যেভাবে আমাদেরকে শেষ করে দিচ্ছে-
পর্ন দেখতে সাধারনত সবারই ভালো লাগে, কারণ আমাদের মস্তিষ্ক। পর্ন দেখলে মস্তিষ্কে এক ধরণের আসক্তি তৈরি হয়, যার কারণ, শরীরে নিঃসৃত হয় কিছু হরমোন। এভাবে বছরের পর বছর দেখতে দেখতে আপনার মস্তিষ্কের প্রয়োজন হয় আরও আরও হার্ডকোর পর্ন। আপনার তৃপ্তির লিমিট আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে ধনাত্মক অসীমের দিকে। এতে আপনার মস্তিষ্ক ভিডিওচিত্রের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।
রিয়েল লাইফে তথা বাস্তব জগতে কোন মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের প্রতি আপনার আগ্রহ তেমন থাকবে না। বিয়ে করার পর আর দশজন স্বাভাবিক মানুষের মত আপনার মস্তিষ্ক স্বাভাবিক সহবাসে নাড়া দিবে না। কারণ, আপনার মস্তিষ্কের কোড চেঞ্জ হয়ে গেছে চোখ থেকে অনুভূতি নিতে, শরীর থেকে নয়।
আপনার স্মৃতিশক্তি কমে যেতে থাকবে। সকালে ভাত খেয়েছেন কিনা জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিতে পারবেন না। মনযোগ দেবার ক্ষমতাও হবে ক্ষতিগ্রস্থ। পড়াশোনাসহ স্বাভাবিক পারিবারিক ও সামাজিক জীবনযাপনে যা সুদুরপ্রসারী খারাপ প্রভাব ফেলার জন্য যথেষ্ঠ।
আপনি পুরুষ হলে ED রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
পর্ন আসক্তি একসময় এমন পর্যায়ে পৌছায়, যে পরিবার, ভাইবোন, বাবা-মা বন্ধু সবার থেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে জেনা হেইজদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিওচিত্র। সমাজ, পরিবার থেকে আপনি বিচ্ছিন্ন হতে থাকবেন। এ আসক্তি হেরোইন, মরফিন ইত্যাদির থেকে কোন অংশে কম নয়।
নারীদের জন্য ভালো!
প্রেম বলুন কিংবা ভালোবাসা, এমন স্পর্শকাতর সম্পর্কগুলোতে অবশ্যই চাই বিশেষ চর্চা। বিশেষ করে প্রেম যখন বিয়েতে গড়ায়, তখন তো আরও বেশী। কিন্তু একবার ভাবুন তো, সবকিছু জীবনে ভালো আর নিখুঁত কি ভালোলাগে? দাম্পত্য ও ভালোবাসার ক্ষেত্রেও কিন্তু তাই। আপনি সবসময় সবকিছু ভালো করছেন, পারফেক্ট হচ্ছে সব- এমন চলতে থাকলে কিন্তু খুব সহজেই একঘেয়ে হয়ে যাবে সম্পর্ক। কেউ স্বীকার করুক বা নাই করুক, নারী-পুরুষের সম্পর্কে উত্তেজনা ধরে রাখতে করা চাই কিছু খারাপ কাজও।
কেমন?
নিজের পছন্দের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীরা নিজেদের উৎসর্গ করে ফেলেন। বিশেষ করে কারো স্ত্রী হওয়ার পর। আর এসবের কারণেই সম্পর্ক থেকে হারিয়ে যেতে থাকে আবেদন। যার জন্য এতসব করলেন, তিনিই আর মনযোগ দেন না। তার চোখেও স্ত্রীর আকর্ষণ ক্রমশ কমে যেতে থাকে। আসুন, জেনে নেই সেই খারাপ কাজগুলোর ব্যাপারে যা আপাতদৃষ্টিতে "খারাপ" মনে হলেও আসলে সম্পর্কে উত্তেজনা ধরে রাখতে ও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দারুণ কার্যকর। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে।
১) কখনো ঝগড়া করা ছেড়ে দেবেন না
ঝগড়া তো সব সম্পর্কেই হয়, তাই না? তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে এমন অবস্থা হয় যে প্রচণ্ড অভমানে নারীরা ঝগড়া করা ছেড়ে দেন। এই কাজটি কখনোই করবেন না। ঝগড়া করুন। তবে মিলও করে ফেলুন। ঝগড়া আর অভিমান সম্পর্ক মিষ্টি রাখে।
২) মাঝে মাঝে একলাই ঘুমান
বিয়ে হয়ে যাবার পর তো প্রত্যেকদিন ঘুমান স্বামীর সাথে, তাই না? বেশিরভাগ মেয়েই দেখা যায় স্বামীকে ছাড়া একটা রাতও কল্পনা করতে পারেন না। তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে একলাই ঘুমান। দেখবেন নিজের কাছে অন্য রকম লাগছে। আবার পরে তার কাছে যেতেও ভালো লাগবে।
৩) বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি-আড্ডাও বাদ দেবেন না
বিয়ের পর বেশিরভাগ মেয়েই এই কাজটা করেন। আর তা হলো নিজের ফ্রেন্ড সার্কেল ত্যাগ করা, এই কাজটি ভুলেও করবেন না। একটি মানুষকে নিয়ে আপনার জীবন ঠিক আছে। কিন্তু সেই জীবনের বাইরেও অন্য সম্পর্ক আছে। সেগুলোকে সময় দিন। আপনার স্বামী বা প্রেমিকের জীবনে আড্ডার জন্য স্থান থাকলে আপনার জীবনে কেন নয়?
৪) একলা খেতে যান কখনো-সখনো
এটা খুব জরুরী। সপ্তাহে অন্তত একবার একাই খেতে যান। সাথে থাকতে পারে কোন বান্ধবী। পেটপুরে খান আর খাবার উপভোগ করুন। প্রেমিক বা স্বামী ছাড়াও নিজের সাথেই খাওয়া যায়, এটা অনুভব করুন।
৫) ঈর্ষান্বিত হওয়া ত্যাগ করবেন না
প্রেম কিংবা বিয়ের শুরুতে অন্য নারী আপনার পুরুষটির দিকে তাকালে কী করতেন? নিশ্চয়ই মনে মনে ঈর্ষান্বিত হতেন। আর চেষ্টা করেন নিজেকে তার চোখে আরও একটু বিশেষভাবে উপস্থাপন করতে? এই কাজটি করা কখনো ছাড়বেন না। ভালোবাসায় প্রতিযোগিতা খারাপ জিনিষ নয়।
৬) নিজের প্রতি মনযোগ দেয়া মোটেও খারাপ নয়
নিজেকে যত্ন করারা সময় পান না? যেভাবেই পারুন, এই সম্যতা বের করুন। নিজেকে সাজান, নিজেকে গোছান। নিজের চেহারা শুধু নয়, নিজের ভেতরটাকেও চর্চা করুন। এতে দেখবেন তার চোখেও আপনি হয়ে উঠেছেন অনেক বেশী আকর্ষণীয়।
৭) নিজের ক্যারিয়ারকে অবশ্যই গুরুত্ব দিন
হ্যাঁ, জীবন জরুরী। স্বামী, সংসার, প্রেমিক সবই জরুরী। কিন্তু তার আগে জরুরী নিজের একটা পরিচয়। নিজের একটা পরিচয় অর্জন করবেন, দেখবেন তার চোখেও বাড়ছে আপনার সম্মান।
ভালো স্ত্রী হওয়ার সাতটি উপায়
বিয়ে করার পর আপনি অন্য একটি পরিবারের অংশ হয়ে গিয়েছেন। স্বামী-স্ত্রী ছাড়াও এ পরিবারের রয়েছে আরও অনেক সদস্য। আর এসব মিলে সবার মন যোগানোর কথা চিন্তা করতে গেলে হয়তো আপনার মাথাটাই খারাপ হয়ে যাওয়ার যোগাড়। তবে চিন্তা করবেন না, এ লেখায় থাকছে সহজ কয়েকটি উপায়। বাস্তবে অতি সাধারণ মনে হলেও এসব উপায় হয়ে উঠতে পারে আপনার ভালো স্ত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার অন্যতম পন্থা। এসব বিষয় পালন করলে নিজেকে আকর্ষণীয় ও অন্যদের কাছে অনুকরণীয় একজন যথার্থ স্ত্রী হিসেবে প্রকাশ করা সম্ভব হবে।
১. পরিবারের ঐতিহ্যবাহী রেসিপির সন্ধান করুন
অনেক পরিবারেই থাকতে পারে দীর্ঘদিন থেকে প্রচলিত ঐতিহ্যবাহী কোনো রেসিপি। দেখা যাবে আপনার সঙ্গী ছোটবেলায় তার মা বা দাদির কাছ থেকে এমন খাবার খেয়েছে, যা তার স্মৃতিতে রয়ে গেছে। এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরির পদ্ধতি আয়ত্ব করুন এবং তা রান্না করুন। যদি সম্পূর্ণভাবে সে খাবারের মতো নাও হয়, তার পরও আপনি এ উদ্যোগের প্রশংসা পাবেন। আর এতে স্বামী ও পরিবারের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক অনেক গাঢ় হবে।
স্বামীকে একটি প্রেমপত্র লিখে দেওয়ার ধারণা অনেকের কাছেই হাস্যকর বলে মনে হতে পারে। কিন্তু নিজের মনের কথা লিখে তা প্রকাশ করার মধ্যে যে আনন্দ আছে তার কোনো তুলনা হয় না। আর এর মাধ্যমে আপনাদের হৃদয়ের মিলও অনেক বাড়বে।
৩. নিজেদের যত্ন নিন
বিয়ের পরই যে সবকিছুর শেষ, তেমন কোনো কথা নেই। স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি আপনার নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। এ ছাড়াও নিয়মিত চুলের পরিচর্যা, নখ ও দেহের পরিচর্যার মাধ্যমে শরীর ঠিকঠাক রাখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ ছাড়াও শারীরিক অনুশীলন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
৪. সমর্থন করুন
স্বামীর ভালো কাজে সমর্থন যোগানো উচিত স্ত্রীর। তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ কিংবা মানসিকভাবে স্বস্তিকর বিষয়ে সাহায্য-সহযোগিতা করা যেতে পারে। তার যদি কোনো লুকানো প্রতিভা থাকে তবে তা বিকশিত হতে সাহায্য করুন। এসব বিষয়ে সে যদি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠে তাহলে তা আপনারই সাফল্য হিসেবে পরিগণিত হবে। তার কোনো শখ যদি আপনার নিজের আগ্রহের বিষয় নাও হয়, তার পরও তা হেলাফেলা করার প্রয়োজন নেই। কারণ কোন বিষয়ে তার প্রতিভার বিস্ফুরণ ঘটবে তা কেউ বলতে পারে না।
৫. কাজ ভাগ করে নিন
অতীতের মতো এখন বাড়ির কাজ শুধু নারীরাই করে না। কর্মব্যস্ত জীবনে এখন উভয়কেই নিজের নিজের কাজ করতে হয়। এ কারণে নারীর বা পুরুষের কাজ বলে কোনো কাজ থাকছে না বাসায়। আর এ অবস্থায় আপনার স্বামীকে তার পছন্দমতো কিছু কাজ ঠিক করে দিন নিয়মিত করার জন্য। আপনিও করুন কিছু কাজ। অনেক নারীই বাড়ির সব কাজ একাই করতে চান। একই বিষয়ে পুরুষের করা কাজ তাদের মনমতো না হওয়ায় এ বিপত্তি বাধে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সবার কাজের ধরন একরকম নয়। তাই মনমতো না হলেও তাকে তার মতো কাজ করতে দিন। সব কাজ একা করলে তাতে অন্যের অংশগ্রহণ যেমন থাকে না, তেমন তৈরি হতে পারে দূরত্ব।
৬. খেলাধূলা আর হাসি
বড় মানুষ হলে যে কোনো খেলাধূলা করা যাবে না, এমন কোনো কথা নেই। গুরুগম্ভীর ভাব বাদ দিয়ে হালকা মেজাজে চলুন। মেতে উঠুন খেলা আর হাসিঠাট্টায়। এতে জীবন হয়ে উঠবে আনন্দে পরিপূর্ণ।
৭. সারপ্রাইজ দিন
আপনার স্বামী যে শুধু সারপ্রাইজ দেবে এমন কোনো কথা নেই। তার বদলে আপনি নিজেও তাকে সারপ্রাইজ দিন। কোনো ছুটির দিনকে দারুণভাবে ব্যবহার করে কিংবা বিশেষ কোনো দিনে তাকে মজার উপহার দিয়ে চমকে দিন।
সৌজন্যে : bd24live
মারাত্মক ক্ষতি হয় আপনার সন্তানের
আদরের সন্তান যেন ভালো মানুষ হয় যে জন্য কত কিছুই না করেন বাবা মা। শাসন
আর আদরের মাধ্যমে সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে তৈরি করার স্বপ্নই
দেখে থাকেন প্রতিটি বাবা মা। কিন্তু মাঝে মাঝ আদরের চাইতে শাসনের মাত্রাটা
একটু বেশিই হয়ে যায়। কিছু কিছু অভিভাবক সন্তানকে অতিরিক্ত শাসন করতে গিয়ে
রীতিমতো অতিষ্ট করে তোলেন। ফলে সন্তানের মনের উপর চাপ পড়ে এবং আপনার
সন্তানের ভালো হওয়ার বদলে উল্টো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জেনে নিন কড়া
শাসনে আপনার সন্তানের কী কী ক্ষতি হতে পারে।
মিথ্যায় পারদর্শিতা
কারণে অকারণে বকা ও অতিরিক্ত কড়া শাসনে আপনার সন্তান মিথ্যা বলায়
পারদর্শি হয়ে উঠবে। সত্যি কথা বললে বাবা মা বকা দেবে এই ভয়ে সন্তান ছোট
খাটো নানান ব্যাপারে মিথ্যা বলা শুরু করবে। এভাবে ছোট খাটো মিথ্যা বলতে
বলতে ধীরে ধীরে আপনার সন্তান অনেক বড় বড় মিথ্যা বলায় পারদর্শি হয়ে উঠবে।
নিয়মের বিরুদ্ধে যাওয়ার প্রবণতা
আপনি সব সময়ে যদি আপনার সন্তানকে অতিরিক্ত বাঁধা ধরা নিয়মের মাঝে রাখেন
তাহলে আপনার সন্তানের নিয়মের বিরুদ্ধে যাওয়ার প্রতি আকর্ষন সৃষ্টি হবে। যে
কোনো নিয়ম ভঙ্গ করার মাঝে সে আনন্দও খুঁজে পাবে এবং নিয়ম ভাঙাটাকে সে
চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করবে।
খিটখিটে মেজাজ
অতিরিক্ত কড়া শাসনে যেসব সন্তান বড় হয় তারা সাধারণত খিটখিটে মেজাজের হয়ে
থাকে থাকে। সারাক্ষণ বকা ঝকা ও মার খেলে সন্তান একগুয়ে হয়ে ওঠে এবং এক
সময়ে অনেক কঠিন বকা কিংবা মার দিয়েও শাসন করা যায় না এধরণের ছেলে মেয়েদের।
কারণ শাসন ও বকা তাদের গা সওয়া হয়ে যায়।
আত্মবিশ্বাসের অভাব
খুব বেশি শাসনে বড় হয় যেসব সন্তান তাদের মাঝে আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকে।
বিশেষ করে যেসব অভিভাবক সন্তানের প্রতিটি কাজেই সুনাম না করে উল্টো
সারাক্ষণ ভুল ধরেন সেই সব সন্তানের মাঝে আত্মবিশ্বাস কম থাকে। ফলে জীবনে
চলার পথে এগিয়ে যেতে সমস্যা হয় তাদের।
নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি আকর্ষণ
অতিরিক্ত কড়া শাসনে যারা বড় হয় তাদের নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি আকর্ষণ বেশি
থাকে। নেশার জগতে পা বাড়ানোর প্রবণতাও বেশি থাকে এধরণের পরিবারের
সন্তানদের। নিষিদ্ধ সব কিছুর প্রতিই অতিরিক্ত আকর্ষণের কারণে অধিকাংশ সময়েই
বিপথে যায় এধরণের সন্তানরা।
কর্মক্ষেত্রে প্রেম !
হ্যাঁ, মনের ওপরে জোর চলে না। এটাও ঠিক যে ভেবে চিনতে প্রেম হয় না কিংবা
হতে পারেও না। কিন্তু তাই বলে জীবনে একটু বাস্তববাদী তো হতেই হবে। তাই না?
কর্মক্ষেত্রে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়া, কিংবা প্রেম করে বিয়ে করার
ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। তবে সেই সাথে সেসব নিয়ে হরেক প্রকার ঝামেলাও কিন্তু
হয়েই থাকে। নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই কর্মক্ষেত্রের প্রেম নিয়ে আসে
নানান রকম ঝামেলা। তবে হ্যাঁ, সেগুলোর ধরণ হয় ভিন্ন আর যন্ত্রণাও। তাই
সমাধানও হয় একেকরকম।
আমাদের আজকের ফিচার কর্মক্ষেত্রে পুরুষের প্রেম নিয়ে। হয়তো কাউকে খুব
ভালো লাগছে আপনার, কিংবা কারো সাথে মাত্রই জড়িয়ে গিয়েছেন প্রেমের সম্পর্কে।
কিন্তু যেহেতু সম্পর্কটা তৈরি হয়েছে আপনার কাজের জায়গায়, তাই কিছু ব্যাপার
অবশ্যই ভেবে দেখা প্রয়োজন। কেন? কারণ এগুলো ভেবে না দেখলে বিপদে জড়িয়ে
যাবেন আপনি নিজেই। যত যাই হোক, নিজের ক্যারিয়ারটি নিশ্চয়ই আপনার কাছে
প্রিয়। তাই না?
মেয়েটি আপনার যোগ্য তো?
যেহেতু একই অফিসে কাজ করেন তাই যোগ্যতার পরিমাপ সবার আগে জরুরী। নিজের
জুনিয়র কারো সাথে সম্পর্ক হতেই হবে। কিন্তু কর্পোরেট স্ট্যাটাসে অনেক নিচে
কারো সাথে প্রেম করতে যাবেন না। যেমন আপনি বস হয়ে যদি টেলিফোন অপারেটরের
প্রেমে হাবুডুবু খান, তাহলে সকলের চোখে আপনার ইমেজ নষ্ট হতে সময় লাগবে না।
পরকীয়া একদম নয়
হ্যাঁ, পাশাপাশি কাজ করতে গেলে ভালোবাসা হয়ে যেতেই পারে। ভালোবাসার তো
আর বাঁধাধরা নিয়ম নেই। কিন্তু বিবাহিতা কারো সাথে সম্পর্ক একদম যাওয়া চলবে
না। যদি সত্যিই সিরিয়াস সম্পর্ক হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে দুজনের একজন দ্রুত
কর্মক্ষেত্র বদলে ফেলুন।
ফেঁসে যাচ্ছেন না তো?
অনেক মেয়ের জীবনেই লক্ষ্য থাকে নিজের অফিসের সবচাইতে পয়সাওয়ালা বা যোগ্য
ছেলেটিকে পটিয়ে বিয়ে করে ফেলা। এখানে আসলে ভালোবাসা নয়, নিজের স্বার্থ কাজ
করে। তাই ভালো করে খতিয়ে দেখুন।
দুজনের মাঝে প্রতিযোগিতা হবে কি?
এটা ভেবে দেখাও খুব জরুরী। প্রেম তো করে ফেললেন, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে
যদি প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান, তাহলে কিন্তু সম্পর্ক ভাঙতে দেরি হবে না।
আপনি ব্যবহৃত হচ্ছেন না তো?
এমনও তো হতে পারে যে মেয়েটি কেবল কর্মক্ষেত্রে সময় কাটাচ্ছে আপনার সাথে।
কিংবা আপনার কাছ হতে কাজ শেখার জন্য বা কোন বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য
আপনাকে ব্যবহার করছে। প্রেমিকা যতই আপন হোক, কাজের ক্ষেত্রে মোটেও কোন রকম
অন্যায় ছাড় দেবেন না কিংবা তাঁর কাজ নিজে করে দেবেন না।
প্রিয় লাইফ
সঙ্গীর সাথে ঝগড়া হচ্ছে খুব ?
একটি সম্পর্কে সব সময়েই যে মধুরতা থাকবে তা কিন্তু নয়। সম্পর্কটি
প্রেম-ভালোবাসা কিংবা দাম্পত্য সম্পর্ক যাই হোক না কেন ঝগড়া হতেই পারে।
মাঝে মাঝে সামান্য কিছু কাজেই দুজনের মতের অমিল হলেই বাঁধতে পারে ঝগড়া।
কিছু সময় ছোটোখাটো ঝগড়া হওয়া কিন্তু খুব খারাপ কিছু নয়। কিন্তু এই ঝগড়া
বাড়তে দিলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।
কোনো কোথায় বা কাজে অমিল কিংবা সঙ্গীর কোনো কাজে রেগে গিয়ে ঝগড়া হতেই
থাকলে সম্পর্কে আসবে টানাপোড়ন। তাই খুব ঠাণ্ডা মাথায় সকল বিষয় মিটমাট করে
নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যদি সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখতে চান এবং পুনরায়
সম্পর্কে মধুরতা আনতে চান তবে ঝগড়া বেশি বাড়তে না দিয়ে মিটমাট করে ফেলুন।
আজকের ফিচার সাজানো হয়েছে সম্পর্কের সেই টক-মিষ্টি ঝগড়া নিয়ে।
দুজনেই একসাথে রেগে গিয়ে ঝগড়া করবেন না
খুব ছোটোখাটো ব্যাপার নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়ে বড় আকার ধারণ করার মূল কারণ
হচ্ছে একই সাথে দুজনের রেগে যাওয়া। এই কাজটি শুধুই কথা বাড়ায় এবং ঝগড়া
মিটমাট করা কঠিন হয়ে পড়ে। মাথা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন সঙ্গী
অনেক রেগে গিয়েছেন তবে আপনি মাথা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করুন। আপনি নিজেও
রেগে গেলে ঝগড়া শুধুই বাড়বে, মিটমাট হবে না।
ঝগড়ার মূল কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন
সম্পর্কে ঝগড়াঝাঁটি হতেই পারে। কিন্তু খুব বেশি পরিমাণে ঝগড়াঝাঁটি হওয়া
শুরু করলে এর মূল কারণ খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি। আপনাদের মতের অমিল
হচ্ছে ঠিক কোন জায়গায় তা বের করুন। এরপর এই বিষয় নিয়ে যখন দুজনের মাথা
ঠাণ্ডা থাকবে তখন আলোচনা করে মিটমাট করার চেষ্টা করুন।
একজন আরেকজনের কথা বোঝার চেষ্টা করুন
যদি আপনার সঙ্গী আপনার সাথে ঝগড়া করতেই থাকেন তখন আপনি নিজেও তা না করে
আগে বোঝার চেষ্টা করুন আপনার সঙ্গীর কথা যুক্তিযুক্ত কিনা। যদি সত্যিই
আপনার নিজের কোনো সমস্যা থেকে থাকে তবে আপনার চুপ থাকাই শ্রেয়। এবং পরে
নিজেকে শুধরে নিতে পারেন। আর যদি আপনার কোনো সমস্যা না থাকে তবে সঙ্গীর
মাথা ঠাণ্ডা হলে আপনি তাকে ভালো করে বুঝিয়ে বলুন। আপনি নিজে যদি রেগে গিয়ে
থাকেন তবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে সঙ্গী কি বলতে চাইছে তা শুনুন এবং বোঝার চেষ্টা
করুন।
উল্টোপাল্টা কথা বলবেন না একজন অপরজনকে যৌক্তিক কথা বলুন
ঝগড়ার সময় রেগে গিয়ে কোনো উল্টোপাল্টা কথা বলতে যাবেন না একেবারেই। যে
বিষয় নিয়ে মূলত ঝগড়া হচ্ছে ষে বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার চেষ্টা করুন।
আগে কে কি করেছিলেন তা নিয়ে কথা তুলতে যাবেন না, সঙ্গীর পরিবার নিয়ে
উল্টোপাল্টা কথা বলতে যাবেন না। এতে করে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
কোনো মধ্যস্থতাকারী আনবেন না নিজেদের মধ্যে নিজেরা কথা বলুন
আপনাদের মধ্যে কোনওবাপার নিয়ে কথা কাটাকাটি কিংবা মতের অমিল হলে তা অন্য
কাউকে বলে কোনো মধ্যস্থতাকারী নিজেদের মধ্যে আনতে যাবেন না। আপনাদের
দুপক্ষের কথা তৃতীয়পক্ষের কাছে গেলে আপনার সঙ্গী অপমানিতবোধ করতে পারেন।
এবং এই ধরনের পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে হয়তো অন্য কেউ আপনাদের ক্ষতি করতে
পারে। তাই যা হয়েছে তা নিজেরাই মিটমাট করার চেষ্টা করুন।
অতিরিক্ত রাগের সময় কথা না বলে চুপ থাকুন
অতিরিক্ত রাগ উঠে গেলে মুখ দিয়ে উল্টোপাল্টা অনেক কথাই বলা হয়ে যেতে
পারে। এতে ঝগড়া তো মিটবেই না উল্টো পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ হয়ে যাবে।
তাই দুজনেই যদি রেগে যান তবে কথা না বলে মাথা ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত চুপ
থাকুন। পরে মাথা ঠাণ্ডা হলে দুজনে একসাথে বসে আলোচনা করে বিষয়টি মিটমাট
করতে পারেন।
কানিজ দিয়া
সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে মুহূর্তেই
আমরা সামাজিক জীব। জন্মের পর থেকেই আমরা নানা সম্পর্কের মাঝে বড় হই।
আমাদের বেড়ে ওঠার মাঝে নানা সম্পর্কের মানুষের গুরুত্ব রয়েছে। আমরা পরিবার
পরিজন, আত্মীয় স্বজন এমনকি বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছাড়া একটি দিনও চিন্তা করতে
পারি না, ভালোবাসার মানুষটি পাশে না থাকলে খারাপ লাগে। সম্পর্ক এমনই একটি
জিনিস।
কিন্তু আমরা সম্পর্ক সুস্থ ও সঠিক রাখার জন্য কী কী করি? আমরা অনেকেই
ভাবি না আমাদের কিছু কাজে হয়তো আমাদের অতি আপন মানুষগুলো দূরে সরে যাচ্ছে,
কষ্ট পাচ্ছে, সম্পর্কে দূরত্ব আসছে। আমরা আসলেই অনেক কাজ না ভেবেই করে
থাকি। আজকে চলুন দেখে নেয়া যাক এমনই কিছু কাজ যা আপনার যে কোনো সম্পর্ককে
নষ্ট করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।
রাগের মাথায় আজেবাজে কথা বলা
রাগ মানুষের অনুভূতিগুলোর মধ্যে সব চাইতে ক্ষতিকর অনুভূতি যা সম্পর্কের
জন্য অনেক বেশিই খারাপ। সাধারণত রাগ উঠলে আমরা সাধারণ ভদ্রতা জ্ঞান হারিয়ে
ফেলি এবং রাগের মাথায় এমন অনেক কথা বলি যা সামনের মানুষটির মনে গভীর দাগ
কাটে। আপনি পরবর্তীতে নিজের ভুল বুঝে ক্ষমা চাইলেও তার মনের দাগ দূর হয় না।
রাগের মাথায় বলা এই ধরণের অযথা কথা আপনার জীবনের যে কোনো ধরণের সম্পর্ক
নষ্ট করে দিতে পারে। তাই নিজের রাগটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।
খুব বেশি লোভ করা
লোভ অনেক ধরণের পাপ কাজের জন্ম দেয়। মানুষের মনকে পুরোপুরি কলুষিত করে
দিতে পারে লোভ। এই জিনিসটি আপনার সকল সম্পর্কের জন্যও অনেক খারাপ। একজন
লোভী মানুষ নিজের সম্পর্কগুলোকে কখনোই মূল্যায়ন করতে পারেন না। লোভ লালসা
তাকে অন্ধ করে দেয়। কোনটি ঠিক কাজ কোনটি বেঠিক কাজ তা বোঝার ক্ষমতা মানুষ
হারিয়ে ফেলেন। কাছের মানুষগুলোকে কষ্ট দিতে বাঁধে না একেবারেই। এতে করেই
সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় ধীরে ধীরে।
ঈর্ষা ও হিংসা করা
কারো উন্নতি দেখলে মনের মধ্যে কিছুটা ঈর্ষার জন্ম হতেই পারে। কিন্তু এই
কাজটি যদি আপনি আপনার কাছের কোনো মানুষের সাথে করেন তবে আপনাদের সম্পর্ক
একেবারেই টিকে থাকবে না। তা সে যিনিই হোন না কেন। যদি আপনার নিজের পরিবারের
কাউকে আপনি ঈর্ষা করা শুরু করেন তবে এই ঈর্ষার আঘাতে পুরো পরিবারটিই ভেঙে
পড়তে পারে। নষ্ট হতে পারে আপনার স্বাভাবিক সম্পর্কের গতি।
অতিরিক্ত সন্দেহ করা
ভালোবাসার মানুষটিকে অনেক বেশি সন্দেহ করলে আপনাদের মধ্যে বিশ্বাসের
অভাব। এতে করে বোঝাই যায় আপনি তাকে কতোটা ভালোবাসেন। বিশ্বাস না থাকলে
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা অনেক যন্ত্রণার। এতে করে দুপক্ষই থাকেন অশান্তির
মধ্যে। এই কথাটি অন্যান্য সম্পর্কের জন্যও প্রযোজ্য। একজন অভিভাবকের উচিৎ
তার সন্তানের ওপর বিশ্বাস রাখা এবং তাকে সন্দেহ না করা। যদি কখনো মনে হয় সে
ভুল পথে পা বাড়াচ্ছে প্রথমে তা ভালো করে নিশ্চিত হয়ে নিয়ে তার সাথে কথা
বলুন। তাকে সন্দেহ করেন তা তাকে বুঝিয়ে দেবেন না। এতে হয়তো উল্টো
প্রতিক্রিয়া হবে। সুতরাং সাবধান।
সম্মান না দেয়া
একটি সম্পর্কের মধ্যে সম্মান থাকা সব চাইতে বেশি জরুরি। সম্মান না থাকলে
সেখানে ভালোবাসা, মায়া মমতাও থাকে না। আপনি বড় হয়ে যদি ছোটজনকে সম্মান
করতে না পারেন, সম্মান না দেন তবে সেও আপনাকে সম্মান করবে না। মনে রাখবেন
আপনি অন্যের প্রতি যে মনোভাব দেখাবেন সে তাই আপনাকে ফেরত দেবে। বিশেষ করে
ছোটরা তো বড়দের দেখেই শিখে থাকেন। আপনি সম্মান না করলে সেও আপনাকে সম্মান
করবে না এতে নষ্ট হবে আপনাদের সম্পর্কটি। আপনি যদি আপনার ভালোবাসার
মানুষটিকে সম্মানই না করতে পারলেন তবে আপনাদের মধ্যে ভালোবাসার কমতি রয়েছে।
সব সময় মনে রাখবেন আপনি সম্মান করতে পারলে সামনের মানুষটিও আপনাকে সম্মান
দেবেন।
কানিজ দিয়া
প্রেমের ভুল থেকে মেয়েদের পাওয়া ১০টি "শিক্ষা"
প্রথম প্রেম তো প্রথমই, জীবনের সবচাইতে সুন্দর
অভিজ্ঞতা। এর সাথে কি কোন কিছুর তুলনা চলে? সত্যি বলতে কি, প্রথম প্রেম
মোটেও বিশেষ কিছু নয়। বরং বলা যায় সবচাইতে গুরুত্বহীন। একটা বয়সে সকলেই
প্রেমে পড়তে উদগ্রীব থাকি আর তখনই হুটহাট প্রেমটা হয়ে যায়। এবং সত্যি বলতে
কি, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের প্রথম প্রেমটাই কিন্তু সফল হয় না আর সেটা
খুবই স্বাভাবিক। বরং প্রথম প্রেমটা হয় বেশিরভাগ মানুষের জন্যই একটা বিশেষ
শিক্ষা।
জানতে চান, একজন নারী প্রথম প্রেমের ভুল থেকে কী কী শিখে থাকেন?
১) প্রথম প্রেমেই শারীরিকভাবে বেশি ঘনিষ্ঠ হতে নেই
প্রথম প্রেমের ভুল থেকে মেয়েরা সবার আগে যা শেখে সেটা এই শিক্ষাই। প্রথম প্রেম যেহেতু ব্যর্থ হবার সম্ভাবনাই বেশি থাকে, তাই শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়া হচ্ছে এক্ষেত্রে সবচাইতে বড় ভুল যার জন্য আজীবন পস্তাতে হয়।
প্রথম প্রেমের ভুল থেকে মেয়েরা সবার আগে যা শেখে সেটা এই শিক্ষাই। প্রথম প্রেম যেহেতু ব্যর্থ হবার সম্ভাবনাই বেশি থাকে, তাই শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়া হচ্ছে এক্ষেত্রে সবচাইতে বড় ভুল যার জন্য আজীবন পস্তাতে হয়।
২) বিয়ে করতে হয় তাঁকেই, যে বাচ্চা ভালোবাসে
অবশ্যই তাই। যে ছেলে বাচ্চা ভালোবাসে না, তাঁর সাথ প্রেম করেও লাভ নেই। কেননা সেই প্রেম কখনো বিয়ের দিকে যাবে না। বাচ্চা ভালো না বাসা পুরুষেরা বিয়েতেও আগ্রহী থাকে না।
অবশ্যই তাই। যে ছেলে বাচ্চা ভালোবাসে না, তাঁর সাথ প্রেম করেও লাভ নেই। কেননা সেই প্রেম কখনো বিয়ের দিকে যাবে না। বাচ্চা ভালো না বাসা পুরুষেরা বিয়েতেও আগ্রহী থাকে না।
৩) কেবল দেখতে সুন্দর হলেই ভালো মানুষ হয় না
প্রথম প্রেমে মানুষের চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্যটাই সবচাইতে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। একটি ছেলে কেবল দেখতে সুন্দর, পেশীবহুল শরীর আছে বা সুন্দর পোশাক পরে- এটুকু থাকা মানেই যে সে ভালো ও যোগ্য মানুষ, এই ধারণাটা মেয়েদের প্রথম প্রেমের পরেই ভাঙে।
প্রথম প্রেমে মানুষের চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্যটাই সবচাইতে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। একটি ছেলে কেবল দেখতে সুন্দর, পেশীবহুল শরীর আছে বা সুন্দর পোশাক পরে- এটুকু থাকা মানেই যে সে ভালো ও যোগ্য মানুষ, এই ধারণাটা মেয়েদের প্রথম প্রেমের পরেই ভাঙে।
৪) পুরুষের সবচাইতে বড় সৌন্দর্য তাঁর ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তা
একজন বুদ্ধিমান মানুষ মাত্রই তাঁর নিজস্ব একটি ব্যক্তিত্ব থাকবে। আর ব্যক্তিত্ববান ও রুচিশীল পুরুষ হচ্ছেন আদর্শ প্রেমিক ও স্বামী।
একজন বুদ্ধিমান মানুষ মাত্রই তাঁর নিজস্ব একটি ব্যক্তিত্ব থাকবে। আর ব্যক্তিত্ববান ও রুচিশীল পুরুষ হচ্ছেন আদর্শ প্রেমিক ও স্বামী।
৫) প্রেমিক হিসাবে আসলে কী চান
প্রথম প্রেমটা মানুষের ভুলই হয়ে থাকে। আর এই ভুলটা করেই মেয়েরা বুঝতে পারে যে আসলে কেমন স্বামী বা প্রেমিক চাই তাঁর।
প্রথম প্রেমটা মানুষের ভুলই হয়ে থাকে। আর এই ভুলটা করেই মেয়েরা বুঝতে পারে যে আসলে কেমন স্বামী বা প্রেমিক চাই তাঁর।
৬) জ্ঞানচর্চার অভ্যাস নেই এমন পুরুষ থেকে দূরে থাকাই উত্তম
যে মানুষ পৃথিবীর কোন খবর রাখে না, যে বই পড়ে না কিংবা যার জ্ঞান চর্চার স্বভাব নেই- এমন পুরুষ যে প্রেমিক বা স্বামী হিসাবে অতি জঘন্য, সেটা বুদ্ধিমতী মেয়েরা প্রথম প্রেমের পরেই বুঝে নেয়।
যে মানুষ পৃথিবীর কোন খবর রাখে না, যে বই পড়ে না কিংবা যার জ্ঞান চর্চার স্বভাব নেই- এমন পুরুষ যে প্রেমিক বা স্বামী হিসাবে অতি জঘন্য, সেটা বুদ্ধিমতী মেয়েরা প্রথম প্রেমের পরেই বুঝে নেয়।
৭) বিয়ে তাঁকেই করতে হবে,যিনি আজীবনের সঙ্গিনী চান
বিয়ে কোন ছেলেখেলা নয়। প্রেম প্রেম খেলে বেড়ানো ছেলেরা মূলত চরিত্রহীন হয়। যিনি আসলেই বিয়ে করে সংসার পাততে চান, এমন মানসিকতার পুরুষের সাথেই প্রেম করা উচিত।
বিয়ে কোন ছেলেখেলা নয়। প্রেম প্রেম খেলে বেড়ানো ছেলেরা মূলত চরিত্রহীন হয়। যিনি আসলেই বিয়ে করে সংসার পাততে চান, এমন মানসিকতার পুরুষের সাথেই প্রেম করা উচিত।
৮) মন তাঁকেই দিতে হবে, যে মনকে যত্নে রাখবে
যাকে তাঁকে মন দিলে কি হবে? মন কি এতই সস্তা?
যাকে তাঁকে মন দিলে কি হবে? মন কি এতই সস্তা?
৯) কীভাবে ঝগড়া করতে হবে
আর কিছু হোক বা না হোক, কীভাবে ঝগড়ার সময় কৌশলী হতে হবে সেটা প্রথম প্রেমে মেয়েরা ভালোই শিখে ফেলেন।
আর কিছু হোক বা না হোক, কীভাবে ঝগড়ার সময় কৌশলী হতে হবে সেটা প্রথম প্রেমে মেয়েরা ভালোই শিখে ফেলেন।
১০) ভালো তাঁকেই বাসা উচিত, যিনি ভালবাসতে জানেন
ভালোবাসা একটি সম্পূর্ণ দুই তরফা ব্যাপার। এটা তখনই সুন্দর যখন দুজন মানুষ পরস্পরকে সমান ভালোবাসেন। এক তরফা ভালোবাসা কষ্ট ছাড়া কিছুই দেয় না।
ভালোবাসা একটি সম্পূর্ণ দুই তরফা ব্যাপার। এটা তখনই সুন্দর যখন দুজন মানুষ পরস্পরকে সমান ভালোবাসেন। এক তরফা ভালোবাসা কষ্ট ছাড়া কিছুই দেয় না।
সম্পর্ক ভেঙে ফেলার হুমকি ?
সম্পর্কটা খুব বেশি ভালো যাচ্ছে না কিছুদিন ধরে। তাই
সঙ্গীকে হুমকি দিয়ে ফেলেছেন। বলেছেন যদি সে ঠিক না হয়ে যায় তাহলে তাকে ছেড়ে
চলে যাবেন আপনি। হুমকিটা মন থেকে দেন নি অবশ্য। নিছক ভয় দেখানোর জন্যই
দিয়েছেন। ভাবছেন এতে আপনার প্রতি তাঁর ভালোবাসা বাড়বে, আপনাকে হারানোর ভয়
পাবেন তিনি।
এমন কাজ অনেকেই করে থাকেন। হুমকি দিয়ে ভালোবাসার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার
চেষ্টা করেন কিংবা সঙ্গীর মনে অহেতুক ভয় সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। "চলে
যাবো" বলে তাঁকে হারানোর কষ্ট দিতে চান এই ভেবে যে তাতে মানুষটি আরও
কেয়ারিং হয়ে উঠবে। আসলেই কি এসব হুমকিতে কাজ হয়? নাকি এধরণের হুমকি
প্রতিনিয়ত নষ্ট করছে আপনার সম্পর্কটাকে? জেনে নিন সম্পর্কের ব্যাপারে হুমকি
দিলে সম্পর্কের উপর যেসব প্রভাব পড়তে পারে সে ব্যাপারে।
সম্পর্কের গভীরতা কমে যায়
সঙ্গীকে নিয়মিত সম্পর্ক থাকা না থাকা নিয়ে হুমকি দিয়ে সম্পর্কের গভীরতা
কমে যায় ধীরে ধীরে। ফলে সম্পর্কটা রং হারিয়ে ফেলে। একঘেয়ে অনুভূত হতে থাকে
সঙ্গীর সাথে কাটানো প্রতিটি দিন। দুজনের প্রতি দুজনের ভালোবাসাটাও হারিয়ে
যায় কোথায় যেন। সম্পর্কের ভিতটাকে অনেক বেশি দূর্বল মনে হতে থাকে তখন। ফলে
হুমকি দিয়ে সম্পর্ক ভালো করার বদলে উল্টো খারাপ হতে থাকে।
সঙ্গীর প্রতি বিরক্তি সৃষ্টি হয়
আপনি যদি নিয়মিত আপনার সঙ্গীকে নানান বিষয় নিয়ে সম্পর্ক ভেঙে ফেলার
হুমকি দিতে থাকেন তাহলে আপনার সঙ্গী আপনার উপর বিরক্ত হয়ে যাবেন। আপনার
প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসা একেবারেই কমে যাবে। আপনার এই বিরক্তিকর
আচরনের কারণে আপনি খুব দ্রুত আপনার সঙ্গীর ভালোবাসা হারাবেন এবং আপনাদের
সম্পর্কে দূরত্ব সৃষ্টি হবে।
সম্পর্ক ভাঙার বিষয়টির গুরুত্ব কমে যায়
সম্পর্কে ভেঙে যাওয়া মানে দুটি জোড়া লাগা মন ভেঙে যাওয়া। দুজনের একসাথে
কাটানো আনন্দের মূহূর্তগুলো অতীত হয়ে যাওয়া। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মতো এমন
কষ্টকর একটি বিষয়কেও খুব হালকা মনে হবে যদি আপনি আপনার সঙ্গীকে প্রতিনিয়ত
সম্পর্ক ভেঙে ফেলার হুমকি দিতে থাকেন।
হতাশা বাড়ে
আপনি হয়তো আপনার সঙ্গীকে নিয়মিতই নানান রকমের হুমকি দিচ্ছেন। কিন্তু
আপনার সঙ্গী কোনো কিছুই আমলে নিচ্ছেন না। এমন পরিস্থিতিতে জীবন ও সম্পর্ক
সম্পর্কে আপনার হতাশা দিন দিন শুধু বাড়তেই থাকবে। ফলে সম্পর্ক ভেঙে ফেলার
হুমকি দিয়ে আপনার সঙ্গীর অভ্যাস পরিবর্তনের বদলে নিজেই ক্ষতির শিকার হবেন
আপনি।
নুসরাত শারমিন লিজা
সম্পর্ক এখনি ভেঙ্গে দিন !
একজন ভালো মানসিকতার মানুষ কখনোই চান না তার সম্পর্কটিতে ভাঙন আসুক। যখন
একটি সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়া হয় তখন আসলে কেউই ভাবেন না সম্পর্কটিতে আসতে
পারে ভাঙন। সরে যেতে হতে পারেন পরস্পরের কাছ থেকে। যিনি কিছু আদর্শ নিয়ে
মানুষ হয়েছেন তিনি কখনোই চাইবেন না ছোটোখাটো ব্যাপার নিয়ে সম্পর্কে
টানাপোড়নের সৃষ্টি হোক। বরং চাইবেন কীভাবে সম্পর্কের টানাপোড়ন দূর করা যায়।
কিন্তু শত চেষ্টার পরও সম্পর্কে চলে আসে ভাঙন। না চাইলেও সরে আসতে হয়
পছন্দের মানুষটির কাছ থেকে। ভেঙে ফেলতে হয় তিলে তিলে গড়ে তোলা ভালোবাসার
সম্পর্কটি। কারণ সম্পর্কটি বিষাক্ত হয়ে গিয়েছিল। একটি দমবন্ধ করা সম্পর্কে
থাকার চাইতে একা থাকা অনেক ভালো। কিন্তু কখন বুঝবেন আপনার সম্পর্কটি
বিষাক্ত হয়ে গিয়েছে? কিছু লক্ষণই তা বলে দেবে।
একে অপরকে আর বিশ্বাস করতে পারছেন না
বিশ্বাস হলো ভালোবাসার মূল ভিত্তি। একে অপরের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের
সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হচ্ছে সঙ্গীকে বিশ্বাস করা। কিন্তু যদি আপনি
আপনার সঙ্গীর কর্মকাণ্ডে অথবা আপনার সঙ্গী আপনাকে আগের মতো বিশ্বাস করতে না
পারেন। বেশিরভাগ সময় সন্দেহের চোখে দেখতে থাকেন তবে আপনাদের সম্পর্কটি
থেকে সরে আসাটাই মঙ্গল। কারণ বিশ্বাস না থাকলে সেখানে ভালোবাসা থাকে না। আর
সে সম্পর্কে ভালোবাসা নেই সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা বোকামি।
তার সাথে সম্পর্কের কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছেন না
একটি ভালোবাসার সম্পর্কের শুভ পরিনতি হচ্ছে বিয়ে। সম্পর্কে জড়ানোর সময়
ভবিষ্যতের নানা মুহূর্তের স্বপ্ন নিয়েই মানুষ সম্পর্কে জড়ায়। কিন্তু যদি
আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী সব সময়ই বিয়ে প্রসঙ্গ আসার সাথে সাথেই প্রসঙ্গ
পাল্টে ফেলতে চান। অথবা তিনি সম্পর্কটিকে বিয়ে পর্যন্ত গড়াতে না চান তবে
সেই সম্পর্ক রেখে আসলে কোনোই লাভ নেই। আর সাথে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ না দেখলে
সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসুন।
আপনাদের মধ্যকার আকর্ষণ কমে গিয়েছে
নতুন নতুন প্রেমের সম্পর্কে কাছাকাছি থাকতে চাওয়ার একটা আকাঙ্ক্ষা থাকে।
সেটা শারীরিক ও মানসিক দুভাবেই হয়ে থাকে। এর সাথে থাকে একজন অপরজনের প্রতি
তীব্র আকর্ষণ। কিন্তু দিন যাওয়ার সাথে সাথে সেই আকর্ষণে যদি ভাটা পড়ে যায়
তবে বুঝতে হবে এই সম্পর্ক আপনার জন্য সঠিক নয়। একে অপরকে সত্যিকার অর্থে
ভালোবেসে থাকলে আকর্ষণ চিরকালই থাকবে। এই আকর্ষণবিহীন দূরত্বময় সম্পর্ক
থেকে সরে যাওয়াই ভালো।
আপনাদের কথা বলা মানেই ঝগড়া হওয়া
সম্পর্কে জড়ালে খানিকটা রাগ অভিমান ও ঝগড়া বিবাদ হয়েই থাকে। কিন্তু তার
মানে এই নয় যে আপনারা একে অপরের সাথে কথা বললেই আপনাদের মধ্যে ঝগড়া হবে। এর
থেকে বোঝাই যায় আপনাদের মানসিকতা মিলছে না। বা কোনো কারণে সম্পর্কে এতোটা
তিক্ততা এসে গিয়েছে যে আপনারা ঝগড়া করা ছাড়া সাধারণ কথা বলতে পারছেন না। এই
পরিস্থিতিতে সম্পর্ক আর এগিয়ে না নিয়ে যাওয়াই শ্রেয়।
শান্তির চাইতে অশান্তিতে বেশি ভুগছেন
একজন মানুষ একটি সম্পর্ক গড়ে তোলেন মানসিক শান্তি পাওয়া জন্য। সঙ্গীর
সাথে সব কিছু শেয়ার করে মানসিক চাপ মুক্ত থাকার জন্য। একটু মানসিকভাবে
সাপোর্ট পাওয়ার জন্য। কিন্তু যদি দেখেন আপনার সম্পর্কটি আপনাকে শান্তির
চাইতে অশান্তিতেই বেশি রেখেছে তবে আপনার নিজেরও সম্পর্কের প্রতি বিরক্তির
সৃষ্টি হবে। এ অবস্থায় যদি সম্পর্ক টিকে থাকে তবে তা হবে জোর করে টিকিয়ে
রাখা। এর চাইতে সম্পর্ক থেকে সরে আসাই ভালো।
আপনাদের সম্পর্কে একপক্ষের অনুপস্থিতি
সম্পর্ক দুজনের মাধ্যমে তৈরি হয়। এখানে দুজনের সমান উপস্থিতির প্রয়োজন
রয়েছে। দুজনের সমান প্রচেষ্টায় একটি সম্পর্ক এগিয়ে চলে। কিন্তু যদি আপনি
মনে করেন আপনি আপনার সঙ্গীকে তার চেষ্টার প্রতিদানে কিছু দিতে পারছেন না
অথবা আপনার সঙ্গী আপনার চেষ্টার প্রতিদানে কিছু করছেন না তবে বুঝে নেবেন
আপনাদের সম্পর্কে একপক্ষের উপস্থিতি নেই। এই ধরণের সম্পর্কের কোনো ভবিষ্যৎ
নেই। সুতরাং এই সম্পর্ক না রেখে সরে যাওয়াই মঙ্গল।
প্রেমের সম্পর্কে ছেলেরা যে ভুলগুলো প্রায়ই করে !
অনেকেই মনে করেন যে ছেলেরা প্রেমের সম্পর্কটাকে ছেলেখেলা হিসেবে নিয়ে
থাকেন। হয়তো কিছু কিছু পুরুষ আসলেই প্রেমের সম্পর্কে খারাপ মতলবে জড়িয়ে
থাকেন, কিন্তু তাই বলে পুরো পুরুষ জাতিই তো এমনটা নন। ভুলটি আসলে অন্য
ধরনের হয়ে থাকে। ছেলেরা এমন কিছু কাজ করেন যা মেয়েদের মনে ভুল ধারণার জন্ম
দেয় যে তিনি সম্পর্কটিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছেন না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে
হয়তো ছেলেটি সম্পর্কটির ব্যাপারে সিরিয়াস।
ছেলেদের কিছু ভুল রয়েছে অবশ্যই। একটি সম্পর্ককে গুরুত্ব দিলে সঙ্গিনীকে
গুরুত্ব দিতে হবে, তার সাথে সম্পর্কিত সব কিছুকেই গুরুত্ব দিতে হবে। কিছু
ভুল রয়েছে যা করা যাবে না একেবারেই। এতে করে আপনার সঙ্গিনী বুঝবেন যে আপনি
সত্যিকার অর্থেই সম্পর্কের ব্যাপারে সিরিয়াস।
নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে না পারা
একজন পুরুষকে তার সৌন্দর্য দিয়ে নয় তার ব্যক্তিত্ব দিয়ে বিচার করা হয়ে
থাকে। ব্যক্তিত্ববান পুরুষ সকলের কাছেই বেশ আকর্ষণীয়। কিন্তু সমস্যা হলো
অনেক ছেলেই সম্পর্কে জড়ানোর পর নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে পারেন না। হয়তো
দেখা যায় একেবারে সঙ্গিনীর কথার গোলাম হয়ে গেলেন অথবা এতো বেশি রূঢ় হয়ে যান
যে নিজের চরিত্রিক বৈশিষ্ট্য ঠিকমতো ফুটিয়ে তুলতে পারেন না। এতে করে
মেয়েরা মনে করেন ছেলেটি সম্পর্কের ব্যাপারে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
রূঢ় হয়ে গেলে ভাবেন এতো খুঁচিয়ে কথা বের করতে হয়, কিছু জিজ্ঞেস করা যায় না
এমন হলে কিভাবে চলে। আর উল্টোটা হলে মনে করেন নিজের কোনো ইচ্ছাই প্রকাশ
করেন না, সব সময় সব কিছু মেনে নেয়, এইধরনের ছেলে দিয়ে কি হবে। সুতরাং নিজের
ব্যক্তিত্বটা ঠিকমতো প্রকাশ করার চেষ্টা করুন।
সঙ্গিনীর সকল কাজে খবরদারী করা প্রেমের শুরু থেকে
অনেক ছেলেই রয়েছেন সম্পর্কে জড়ানো মাত্রই নিজের সঙ্গিনীর সকল কাজে এবং
সকল কিছুতে খবরদারী শুরু করেন। এই কাজটি ভুলেও করতে যাবেন না। বিশেষ করে
সম্পর্কের একেবারেই শুরুতে। এতে করে সম্পর্কের শুরু থেকেই আপনার সঙ্গিনী
ভাববেন আপনি তাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। প্রথমে আপনার সঙ্গিনীকে আপনার
সাথে মানিয়ে চলার কিছুটা সময় দিন। তাকে বিশ্বাস করুন। এমনিতেও সঙ্গীর জীবনে
খুব বেশী খবরদারী করা সম্পর্কের যে কোনো সময়ের জন্যই খারাপ। তবে কিছুটা
খোঁজ খবর রেখে বাকিটা বিশ্বাসের ওপর ভরসা করে ছেড়ে দিলে সম্পর্কে গভীরতা
আসে।
সঙ্গিনীকে সময় দিতে না পারা
সম্পর্কে জড়ানোর পর থেকেই যদি আপনি আপনার সঙ্গিনীকে সময় দিতে না চান
কিংবা না পারেন তবে আপনার সম্পর্কে তার ভুল ধারণা জন্মানো স্বাভাবিক। আপনি
যেহেতু তাকে আপনার জীবনের সাথে জড়িয়ে নিয়েছেন তবে আপনার উচিত তাকে তার
প্রাপ্য মূল্য দেয়া। তার সাথে যতোটা সম্ভব সময় কাটানো। নিজের সব কাজ বাদ
দিয়ে সময় দেবেন তা নয়, কিন্তু যতোটা দেয়া উচিৎ তাও না দিতে পারাও ভালো নয়।
সঙ্গিনীকে সময় দিন।
সঙ্গিনীর বন্ধুবান্ধবের সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করা
নিজের সঙ্গিনীর বন্ধুবান্ধব সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করা অনেক বড় একটি
ভুল। হতে পারে আপনি আপনার সঙ্গিনীর বন্ধুবান্ধবকে একেবারেই পছন্দ করেন না
কিংবা তাদের কারো সাথে আপনার সম্পর্ক খারাপ। কিন্তু তাই বলে তাদের সম্পর্কে
নিজের সঙ্গিনীর কাছে বাজে মন্তব্য করে আপনি আপনার সম্পর্কটিকে হুমকির মুখে
ফেলছেন। এবং এতে করে আপনার ব্যক্তিত্বও নষ্ট হচ্ছে। এই ভুল কাজটি থেকে
দূরে থাকুন।
পছন্দ করেন না নারীরা
নারী পুরুষ উভয়েই প্রেম সম্পর্কে বুঝে যাওয়ার পর থেকেই নিজের জীবনসঙ্গীর সম্পর্কে অনেক কিছু ভেবে রাখেন। তার সঙ্গী কেমন হবে, তার মনোমানসিকতা কি ধরণের হতে পারে, তিনি কি করবেন, তার প্রতি ভালোবাসা কিভাবে প্রকাশ করবেন, জীবন কিভাবে চলবে আরও অনেক কিছু। এইসকল জিনিস ভেবে নিয়ে নিজেরা মনে মনে পছন্দের মানুষটির কিছু বৈশিষ্ট্য ভেবে নিয়ে থাকেন। বিশেষ করে মেয়েরা অনেক কিছুই ভাবেন নিজের জীবন সঙ্গী নিয়ে। তার মধ্যকার বিশেষ যে বৈশিষ্ট্য তার পছন্দ তা নিয়ে ভেবে আনন্দিত হয়ে থাকেন এবং কিছু বৈশিষ্ট্য আলাদা করে ধরে রাখেন যা একেবারেই অপছন্দের। মেয়েরা জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ছেলেদের একেবারেই পছন্দ করতে পারেন না। ছেলেদের এই বৈশিষ্ট্যগুলো মেয়েদের কাছে একেবারেই অপছন্দের।
ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ
কোথায় কখন কোন কথাটি বলতে হবে এবং কার সাথে কিভাবে কথা বলতে হবে অথবা নিজের ব্যক্তিত্ব কার কার সামনে ধরে রাখতে হবে এই সকল বিষয় যে পুরুষটি বুঝতে পারেন না তারাই বলতে গেলে ব্যক্তিত্বহীন পুরুষের পর্যায়ে পড়েন। এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেয়েরা এই ধরণের পুরুষ একেবারেই পছন্দ করেন না।
অতিরিক্ত খবরদারী করতে যাওয়া পুরুষ
সব কাজে সব কিছুতে যে পুরুষটি খবরদারী করতে আসেন মেয়েরা তাদেরকে একেবারেই পছন্দ করতে পারেন না। অনেক ব্যাপারে মেয়েরা ছেলেদের অনেক কথাই মেনে নিয়ে থাকেন। কিন্তু তাই বলে প্রত্যেকটি বিষয়ে ধরা বাঁধা কেউই পছন্দ করেন না। এই বাঁধা অসহ্য মনে হয় কিছুদিনের মধ্যেই। নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকলে এই বৈশিষ্ট্যটি বেশি খারাপ নয়। কিন্তু ছেলেরা খবরদারী করতে গেলে সীমার বাইরেই চলে যান। তাই ছেলেদের এই বৈশিষ্ট্য একেবারেই অপছন্দ মেয়েদের।
নিজেকে বড় বলে জাহির করা পুরুষ
যে ছেলেরা অনেক মিষ্টি কথা বলে থাকেন তাদের প্রতি মেয়েদের একটি আলাদা সহানুভূতির সৃষ্টি হয়। এবং সেখান থেকেই ভালোবাসার সূচনা। মিষ্টি কথা পছন্দ করলেও যে ছেলেরা নিজেকে বড় বলে জাহির করেন তাদের মেয়েরা একেবারেই পছন্দ করতে পারেন না। মিষ্টি কথাতেও যদি আপনি নিজেকে বড় করে জাহির করতে চান তবে আপনি অপছন্দের মানুষের তালিকাতেই পড়বেন।
অনেক বেশি সন্দেহপ্রবণ পুরুষ
একজন মানুষকে ভালোবাসলে তার প্রতি বিশ্বাস রাখাটা সম্মান প্রদর্শনের মধ্যে পড়ে। ভালোবাসার মানুষটিকে সব সময় সন্দেহ করা এবং সন্দেহ করে নিয়ে অযথা বিরক্ত করা তাকে অপমান করার সামিল। পুরুষের মধ্যে এই সমস্যাটি অনেক বেশিই দেখা যায়। এখানে যেতে পারবে না, রাতে দেরি করে বাসায় ফিরবে না, ওই বন্ধুটির সাথে কথা বলবে না ইত্যাদি ধরনের কথা সন্দেহ করা প্রকাশ করে। এই ধরণের কথা যে পুরুষেরা বলেন তাদের নারীরা একবারেই সহ্য করতে পারেন না।
প্রিয় লাইফ
প্রিয় লাইফ
" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!







.jpg)































