বিএসসিআই এর ট্রেনিং ।

জীবনে কিছু কিছু দিনের স্মৃতি সত্যিই ভোলা যায়না ।

Firmgate

Badhon

শুভ জন্মদিন

তোমার জীবনের ছোট্ট ছোট্ট সময়গুলোকে আনন্দের রং লাগিয়ে স্বরনীয় করে রাখতে চেষ্টা করছি । যা সেদিন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে, এই আমি তোমাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম । যেইদিন আমি তোমার জায়গায়..আর তুমি আমার জায়গায় থাকবে।

সোনার গাঁও

কোন কোন মানুষ জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে যায় । কোন কোন দিনও সারাজীবন মনে থেকে যায় । সেরকম একটি দিন ছিল যেদিন এই ছবিটা তুলেছিলাম ।

Showing posts with label Comments. Show all posts
Showing posts with label Comments. Show all posts

যৌনতা




যদি বিছানায় যৌনতার সময়ে আমাদের গায়ে কাপড় না - থাকে,
 তাহলে কেন পর্দায় সেই চরিত্রে অভিনয়ের সময়ে গায়ে কাপড় রাখতে হবে ?
- পাওলি


একটি তরুনীর কুমারিত্বের বিসর্জন !

মাত্র ২ সপ্তাহ হলো নতুন বাসায় উঠেছে অর্নব। নিচতলায় এক রুমের একটি ছোট্ট বাসা। পড়ালেখা একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএতে। নতুন বাসার উত্তর দিকের জানালাটি খোলাই হয়না বলা চলে। গরমের দুপরে ঠান্ডা বাতাসের আশায় হঠাৎ করে আজ জানালাটা খুলে প্রথমে চমকিত হয়ে উঠলো। পাশে লাগোয়া বিল্ডিংটার নিচতলার ব্যালকনিতে ভেজাচুলে রুমাল দেয়া মাথায় ভেজা কাপড় নেড়ে দিচ্ছে ১৫/১৬ বছর বয়সী সুন্দরী তরুনী। প্রথম ধাক্কাটা সামলে নিজেকে দ্রুত জানালা থেকে সড়িয়ে নিয়ে আসতে আসতেই মেয়েটির অসাধারন হাসিটা চোখে লাগলো তার।

এরপর মাসটি দ্রুতই যাচ্ছিল সেমিষ্টারের

পরীক্ষার ব্যস্ততায়। জানালাটি একপ্রকার বন্ধ থাকায় মেয়েটির কথা ভুলতে বসেছিলো বলা চলে। একদিন রাত আনুমানিক ১১.৩০ টা। কারেন্ট চলে যাওয়ায় অন্ধকারের বসে নিরবতাকে অনুভবের চেষ্টা করছিলো অর্নব। কিন্তু নিরবতাকে আঘাত করলো ভেসে আসা হালকা আওয়াজে মিষ্টি মেয়েলী কন্ঠে গানের সুর………… বাহির বলে দূরে থাকুক , ভেতর বলে আসুক না……….
জানালাটি খুলে দিলো অর্নব। এবার একটু ভালো করে শুনা যাচ্ছে গানের আওয়াজ। বিদ্যুৎ আসার আগে পর্যন্ত ঝিরিঝিরি বাতাস আর মিষ্টি গানের সুর উপভোগ করছিলো সে।

২.
বদলে যেতে থাকলে প্রেক্ষাপট। বাবা মার ডাকে মেয়েটির নাম জানা গেলো, মেয়েটি রিমি। আজই প্রথম ওদের মাঝে কথা হলো। পাশাপাশি বাসা সত্ত্বেও কখনো রাস্তায়, কখনো ব্যালকনিতে বেশ কয়েকবার চোখাচোখি ছাড়া কথা বলা হয়ে উঠেনি। পরিচয়ের সুবাদে জানতে পারলো রিমি ঢাকার একটি অভিজাত এলাকায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে। নিজেদের বাড়ী , দুই ভাইবোনের মাঝে সেই বড়। বাবা মার আদরের মেয়ে। বাবা সারাদিন অফিসের কাজে বাহিরে আর মা থাকেন ছোটভাইর স্কুল এবং পরিবারে কাজ সামলাতে ব্যস্ত।

ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে অর্নব আর রিমির মাঝে। দিনে রাতে তাদের অনেক সময় কাটে জানালা আর ব্যালকনিতে বসে কথা বলে। রিমি মাঝে মাঝেই বাসার রান্না করা নুডুলস, গরুর গোশত, চটপটি, পিঠা ইত্যাদি পাছ করে দেয় অর্নরের রুমে।অর্নবের নিষেধ সত্বেও রিমির এ এক কঠিন পাগলালি। অর্নব যতক্ষন রুমে থাকে ততক্ষন আর তার জানালা বন্ধ হয় না।

৩.
দেখতে দেখতে বিজয় দিবস চলে আসলো। আজ আজ রিমি আর অর্ণব ঘুরতে বের হবে। পরিচয়ের পর এটাই ওদের প্রথম একসাথে ঘুরতে বের হওয়া। স্কুলে অল্প কিছুটা সময় থেকে রিমি আসবে লেকের ব্রীজের কাছে। অর্ণব সময়ের আধাঘন্টা আগেই এসে দাড়িয়ে ছিলো। ঠিক ৯.০০ টায় এসে হাজির রিমি। সবুজ শাড়ী আর লাল ব্লাউজ, সবুজের মাঝে লালবৃত্তের টিপে অপরূপ মেয়েটির দিকে তাকিয়ে স্বপ্নের রাজ্যে বিচরণ করছিলো অর্নব। কাছে এসে চিমটি কাটলে ধ্যান ভাঙ্গলো অর্ণবের। মন দেয়া নেয়ার মাঝে কেটে গেলো ওদের ২ ঘন্টা সময়।

ঘুরে গেলো সময় । আসলো নতুন বর্ষ। হ্যাপি নিউ ইয়ার। নতুন বর্ষের প্রথম বিকেলটা আজ লেকের পাড়ে ঘুরে কাটানো প্লান করলো ওরা। রিমির কোচিং এর বাহিরেই অপেক্ষা করছিলো অর্ণব। কোচিং শেষ করে দুজনে মিলে পরন্ত বিকেলটা উপভোগ করতে চলে গেলো লেকের পাড়ে। আরো অনেক যুগল লেকপাড়ের নির্মল স্থানকে বেছে নিয়েছে নিরাপদ প্রেমলীলা কেন্দ্র হিসেবে। এটা যেন এক প্রেমকানন। হাটতে হাটতে নিরিবিলি একটি স্থানে গিয়ে বসলো ওরা। হাসি ঠাট্টা আর ভালবাসার মাঝে কেটে গেলো বিকেলটি। রিমির 
কোমল হাতটি নিয়ে খেলা করছে অর্ণব।
অর্ণবঃ তোমাকে হ্যাপি নিউ ইয়ারের একটি উপহার দেবো?
রিমিঃ জিনিসটা কি?
অর্ণবঃ ধরা যায়না , ছোঁয়া যায়না কিন্তু অনুভব করা যায়।
রিমিঃ নির্দ্বিধায় গ্রহন করবো।

অর্ণব রিমির হাতটি তুলে মুখের কাছে নিয়ে হাতের পিঠে চুপু একে দিলো। কেঁপে উঠলো রিমি। মুখ তুলে ওর দিকে তাকিয়ে হাসি দিতেই অর্ণব রিমিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতে দেখলো । লজ্জায় লাল হয়ে মুচকি হাসি দিয়ে বললোঃ এই তোমার উপহার?
ঃ হুম, ধরা, ছোয়া যায়না এমন উপহার।
ঃ আজ আর উপহার ফেরত দিলাম না । আরেকদিন সুদ সহ উপহার ফেরত দিবো। সেদিনের অপেক্ষায় থেকো।

৪.

ইতিমধ্যে রিমির মায়ের সাথে পরিচয়ে সুবাদে ওর পরিবারের সাথে অর্নবের ঘনিষ্টতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওদের সম্পর্কের কথা জানতে পেরেছেন তিনি। প্রথমে রিমিকে নিষেধ করলেও পরে অর্ণবকে ডেকে পাঠিয়ে ছিলেন। ছেলে হিসেবে সে একেবারে খারাপ না। অর্নবের মা র কথা, তোমার পরিবারকে রাজী করাও রিমির বাবা চাচাকে রাজী করানো দায়িত্ব আমার।

অর্ণব রিমির সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেলো। রিমির মা অর্ণেবের জন্য পাঁচতলার সিঙ্গেল রুমটা খালি করে দেয়ার কথা বলেছিলেন কিন্তু অর্নব রাজী হয়নি। পরের মাসে রিমির পরিবার নিচতলা থেকে ৪ তলায় উঠলো। অর্ণবও বাসা চেঞ্জ করে এক বাসা পরে পাঁচতলার মেসে গিয়ে উঠলো।সামনের খোলা জায়গাটায় দাড়ালে রিমিদের ছাদ অল্প কিছুটা দূরে। কিছুটা ছেদ পড়লো তাদের মাঝে কিন্তু তা সাময়িকের জন্য। এখন ওদের কথা হয় ফোনে। যতক্ষন মোবাইলে টাকা থাকে ততক্ষন আর ছাদ থেকে ছাদে।

৫.

মার্চের এক পরন্ত বিকেলে ভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরছিলো অর্ণব। মোবইলের স্ক্রীনে ভেসে উঠলো রিমির নাম্বার। রিসিভ করতেই জানতে চাইলো , কোথায় আছে সে? উত্তর দিতেই বাসায় ফিরে দ্রুত ওর বাসায় যাওয়ার জন্য বললো। কারণ………….?ঃ সারপ্রাইজ আছে।

বাসায় ফিরেই কাপড় চেঞ্জ করে রিমির বাসায় যেতে সন্ধ্যা হয়ে গেলো। এরমাঝে আরো দুইবার ফোন দিয়ে ফেলেছে মেয়েটি। কলিং বেল বাজতেই দরজা খুলে দাড়ালো সে। একদম সিম্পল বাসার ড্রেসে অন্যরকম লাগছে ওকে। অর্ণব দাড়িয়েই থাকলো। রিমির কথায় সম্ভিত ফিরে পেলো সে।
ঃ কি দেখছো হা করে? ভেতরে এসো।
ঃ না, তোমাকে আজ একটু অন্যরকম লাগছে । তাই দেখছিলাম।

বাসা পুরো ফাঁকা। অর্ণবকে গেষ্ট রুমে বসিয়ে রেখে কিচেনে গেলে রিমি। ঠিক ৩ মিনিট পর ফিরে আসলো নাস্তার ট্রলি নিয়ে। চা নাস্তা রেডিই ছিলো গুছিয়ে আনতে যতটুকু সময় লাগলো।
ঃ বাসায় কেউ নেই। আঙ্কেল, আন্টি, তোমার ভাই?
ঃ না, সবাই গিয়েছে ঢাকার বাহিরে একটি অনুষ্ঠানে শুধু আমি ছাড়া। কোচিং থাকায় আমার যাওয়া হয়নি।
ঃ আমাকে তলব করা হলো কেন?
ঃ উপহার ফিরিয়ে দিতে।
ঃ উপহার , কিসের উপহার?
ঃ বছরের প্রথম দিন যে উপহার দিয়েছিলে। ধরা যায় না, ছোয়া যায় না।

নাস্তা টেবিলে সাজিয়ে রেখে রিমি এসে অর্ণবের গা ঘেসে বসলো। ওর শরীরের স্পর্শে অর্ণবের দেহে বিদ্যুৎ খেলে গেলো। নাস্তার ফাঁকে কথা হচ্ছিল আর ভালবাসার অতল সাগরে ভেসে বেড়াচ্ছিল দুজনে।
রিমি তখন অর্ণবের বাহুডোরে। মোমের মতো গলে যাচ্ছিল মেয়েটি। ফ্যানের বাতাসে ওর চুলগুলো এসে ভিন্ন অনুভুতি তৈরী করছিলো। দুটি ঠোঁট স্পর্শ করলো পরস্পরকে। আবিস্কার করলো একই অস্তিত্ব। উভয়েই ভেসে বেড়াচ্ছিল নতুন স্বর্গে । ধীরে ধীরে উভয়েই মেতে উঠলো তরুন তরুনীর আদিম খেলায়। আদিম এ খেলায় দুটি দেহের কুমারত্ব ও কুমারিত্বের বিসর্জন দিলো দুটি দেহ।

আদিম খেলা শেষে দুজনেই ওয়াশরুম থেকে গোসল সেড়ে আসলো। ভেজা চুলে প্রথম দেখা অসাধারণ মেয়েটিকে অনেকদিন পর আবারো ভেজা চুলে দেখে প্রথম দেখার অনুভুতিটাই ফিরে এলো অর্ণবের কাছে।


শেষকথাঃ

এরকমই বাস্তবতা। প্রতিদিন এভাবেই অসংখ্য দেহের কুমারত্ব ও কুমারীত্ব বিসর্জিত হচ্ছে অকাতরে, পারিবারিক উদাসীনতা, সহজলভ্য মিডিয়া প্রভাব আর নৈতিক সামাজিক অবক্ষয়ের ফলে। আসলে কি তা রোধ করা যাচ্ছে ?

মেয়েদের যৌনাঙ্গে রডও ঢোকাতে পারে


ভারত এখন তরুণ তেজপাল নিয়ে ব্যস্ত। তরুণ তেজপাল তেহেলকার সম্পাদক, নামি-দামি বুদ্ধিজীবী। তার তেহেলকা হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে খুব সরব। যেহেতু আমি মৌলবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘকাল সংগ্রাম করছি, তেহেলকার এই ভূমিকাকে শুরু থেকেই স্বাগত জানিয়েছি। মাঝে মাঝে তেহেলকায় খুঁজেছি মুসলিম মৌলবাদের বিরুদ্ধে একই রকম বলিষ্ঠ লেখা, খুঁজেছি ক্রিশ্চান মৌলবাদের বিরুদ্ধে লেখা। হয়তো কখনো কখনো কিছু লেখা হয়, তবে খুব বলিষ্ঠ নয়। বেশির ভাগ সময় মুসলিমদের পক্ষ নিতে গিয়ে ইসলামের গুণগানও গেয়ে ফেলে। এটিই দুর্ভাগ্যবশত ভারতীয় সেকুলার বা বামপন্থি নরমপন্থিদের সমস্যা। তারা সব ধর্মের সব মৌলবাদের বিরুদ্ধে ঠিক একইভাবে দাঁড়ান না। কোনো এক মৌলবাদী গোষ্ঠীর অন্যায় দেখলে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন, আবার আরেক মৌলবাদী গোষ্ঠীর অন্যায় দেখেও দেখছেন না ভাব দেখান।

তেহেলকা এদিকে গোয়ায় থিংক ফেস্ট করেছে। জমকালো অনুষ্ঠান। দেশ-বিদেশের নামি সব লোক, এমনকি হলিউডের বিখ্যাত সব অভিনেতাও এসেছেন আমন্ত্রিত হয়ে। আমার এক ফরাসি বন্ধুও দেখলাম থিংক ফেস্টে আমন্ত্রিত। অবশ্য খুব অবাক হয়েছিলাম তালেবান নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেখে। আমরা কি ইতোমধ্যে জানি না তালেবানরা কি চায়, তাদের মত এবং মতলব? তালেবান নেতাকে তার মতপ্রকাশের জন্য কি ভারতের সবচেয়ে প্রগতিশীল মঞ্চটি দেওয়া দরকার ছিল? গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, নারীর অধিকারের বিরুদ্ধে, মানবতার বিরুদ্ধে, সারা পৃথিবীকে দারুল ইসলাম বা ইসলামের জগৎ বানানোর জেহাদি শপথ নেওয়া তালেবান নেতার বক্তব্য প্রচার খুব কি জরুরি ছিল তেহেলকার? সভ্য, শিক্ষিত, হিন্দুত্ববিরোধী বুদ্ধিজীবীদের আদর পেয়ে তালেবান নেতা নিশ্চয়ই মহাখুশি। থিংক ফেস্টে তালেবান নেতা অতিথি হিসেবে আসার পর মনে হলো, সমাজের সবরকম বিশ্বাসের লোককে মতপ্রকাশের সুযোগ দেওয়ার শুদ্ধ বৃহত্তর গণতন্ত্রের চর্চা করছে তেহেলকা। কিন্তু মনে খচখচ করা পুরনো প্রশ্নটি আবার করলাম, তাহলে কি তেহেলকা সেই দিকভ্রান্ত বাম বুদ্ধিজীবীদের মতো, যারা হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন, কিন্তু মুসলিম মৌলবাদকে নানা ছলছুতোয় সমর্থন করেন?

ইউরোপীয় সংসদ থেকে মানবাধিকারের ওপর সপ্তাহ খানেকের একটা কনফারেন্স শেষ করে দিল্লি ফিরেই শুনি তেহেলকার সম্পাদক তরুণ তেজপাল তেহেলকারই এক তরুণী সাংবাদিককে যৌন নিগ্রহ করেছে, খবরটি শুনে হতবাক বনেছিলাম। এই দিল্লিতে খুব বেশি দিন হয়নি একটি ঘৃণ্য ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিরাট বিক্ষোভ হয়েছে। সারা পৃথিবীর মানুষ সমর্থন জানিয়েছে ভারতীয়দের বিক্ষোভকে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে তেহেলকার ভূমিকাও ছিল বড়। আর এরই সম্পাদক কিনা সহকর্মী, তাও আবার কন্যার বান্ধবী, তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। তরুণ তেজপাল অসম্ভব সব কাজ করেছেন সাংবাদিক হিসেবে। আবার বইও লিখেছেন, পুরস্কারও পেয়েছেন। এত বড় মানুষ হয়েও মেয়েদের যৌনবস্তু হিসেবে দেখছেন। মুখে বলছেন একরকম, লিখছেন একরকম, আর কাজ করছেন আরেক রকম! এর নামই তো হিপোক্রেসি! যারা অন্য লোকের হিপোক্রেসির নিন্দা করে, তারা নিজেরাই আজ হিপোক্রেট।

তরুণ তেজপালের সঙ্গে আমার আলাপ নেই। ২০০৭-০৮ সালে আমি যখন ভারত সরকার দ্বারা গৃহবন্দী, আমার যখন সবচেয়ে বড় দুঃসময়, আমাকে গৃহবন্দী করার বিরুদ্ধে লেখক অরুন্ধতী রায়ের উদ্যোগে বুদ্ধিজীবীদের যে প্রতিবাদ সভা হয়েছিল দিল্লির প্রেসক্লাবে, সেই সভায় যোগ দেওয়া বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে একজন ছিলেন তরুণ তেজপাল। কিন্তু তাই বলে তরুণ তেজপালের ধর্ষণকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখব, তা কখনোই নয়। অতটা স্বার্থান্ধ আমি কোনো দিনই নই। তবে এ কথা ঠিক যে, সেকুলার তেজপালকে আমি শ্রদ্ধা করি। কিন্তু যৌনহেনস্থাকারী তেজপালকে, সত্যি বলতে কী ঘৃণা করি। তরুণী সাংবাদিকটির তরুণ তেজপালের আর তত্ত্বাবধায়ক সম্পাদক সোমা চৌধুরীর যে ই-মেইলগুলো প্রচার হয়েছে, তা থেকেই ঘটনাগুলো সব স্পষ্ট এখন। ওগুলো পড়লেই দোষ কার, নির্দোষ কে, সব আমরা খুব সহজেই অনুমান করতে পারি। তরুণ তেজপাল নিজেই বলেছেন, তিনি অন্যায় করেছেন। ক্ষমা চেয়েছেন। এমনকি ছয় মাসের ছুটি-শাস্তিও নিয়েছেন নিজে। শেষ পর্যন্ত মিডিয়ায় খবরটা এলে থানা-পুলিশ হলো। তা না হলে এভাবেই হয়তো তেহেলকার তত্ত্বাবধায়ক সোমা চৌধুরী আর সম্পাদকীয় বিভাগের প্রধান তরুণ তেজপাল কিছু সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে পুরো ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে দিতেন। এরকম নিশ্চয়ই আরও অনেক কোম্পানিতে ঘটে। মেয়েরা ধর্ষণের বিনিময়ে চাকরি বাঁচায়। প্রতিবাদ করলে চাকরি চলে যায়। নয়তো চাকরি ছেড়ে দিয়ে পথে বসতে হয়। কাস্টিং কাউচের সমস্যা সারা ভারতে ভীষণ। যাদের প্রতিবাদ করার কথা এসবের বিরুদ্ধে, তারাই যদি একই চরিত্রের হয়, ধর্ষক হয়, তবে কারা আর সমাজ বদলাবে! তরুণ তেজপাল তার কন্যার বান্ধবীকে ধর্ষণ করতে গিয়ে বলেছিলেন, এটিই সবচেয়ে সহজ পন্থা যদি তার চাকরিটি সে বাঁচাতে চায়। কী ভয়ঙ্কর হুমকি! মৌলবাদীদের চরিত্র নষ্ট হলে, রাজনীতিকদের চরিত্র নষ্ট হলে সমাজ নষ্ট হয় না, কিন্তু বুদ্ধিজীবীদের চরিত্র নষ্ট হলে সমাজ নষ্ট হয়। বুদ্ধিজীবীরাই তো অন্যায়ের, অসত্যের, অত্যাচারের, অবিচারের প্রতিবাদ করে সমাজকে শুদ্ধ করে, বাঁচায়, প্রগতির পথে নিয়ে যায়। কিন্তু নিজেরাই অন্যায় করলে কোন অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ করবে?

তরুণ তেজপাল মেয়েদের যৌনবস্তু হিসেবে দেখেন। বুদ্ধিজীবী-মুখোশের আড়ালে তিনি তার ধর্ষকের মুখটা আড়াল করে রেখেছিলেন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছি নারীবাদী মুখোশের আড়ালে এতকালের নারীবিরোধী মুখটা যখন বেরিয়ে এসেছে। অন্য ধর্ষকদের বিরুদ্ধে তারা ভীষণ সরব, কিন্তু তেজপালের ধর্ষণের ঘটনায় খুব কায়দা করে ইনিয়ে-বিনিয়ে তাকে সমর্থন করেছেন। নিজের চোখ-কানকে বিশ্বাস করা যায় না। সোমা চৌধুরী নিজেকে বারবারই নারীবাদী হিসেবে পরিচয় দেন। কিন্তু ধর্ষিতা সাংবাদিকটির পক্ষে তিনি কিন্তু মূলত কিছুই করেননি, বরং ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। কেন ও দ্বিতীয়বার লিফটে চড়ল, যেন লিফটে চড়েছে বলেই ও দ্বিতীয়বার ধর্ষণের মুখে পড়েছে, যেন লিফটে চড়েছে, কারণ আগের দিনের যৌনতায় ওর সায় ছিল। শুধু সোমা চৌধুরী নন, তার মতো অনেকেই গলার স্বর পাল্টে ফেলেছেন, ধর্ষণ আর ধর্ষকদের বিরুদ্ধে তারা আগে যেমন গর্জে উঠতেন, তেমন আর উঠছেন না। অশিক্ষিত আর গরিবরা ধর্ষণ করলে সেই ধর্ষণকে 'জঘন্য অপরাধ' বলা হয় আর শিক্ষিত বুদ্ধিজীবীরা ধর্ষণ করলে তাকে বলা হয়, 'মিসকনডাক্ট'। ভারতবর্ষ বিভক্ত জাত-ধর্মে ততটা নয়, যতটা শ্রেণীতে। আমার শ্রেণীর লোক, সুতরাং তাকে আমি সমর্থন করব, সে যত অন্যায়ই করুক না কেন। অনেকের মধ্যে এরকম শ্রেণী সমর্থন দেখেছি। কোনো একটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হলে বিভিন্ন রাজনীতির লোকরা অন্যায়ের পক্ষে অথবা বিপক্ষে সটান দাঁড়িয়ে যান। মিথ্যের প্রয়োজন হলে অবলীলায় মিথ্যে বলেন। সৎ, নিরপেক্ষ বলতে প্রায় কিছুই নেই। আসারাম নামের এক ধর্মগুরু ধর্ষণ করছে অল্প বয়সী মেয়েদের, খবরটা প্রচার হওয়ার পর আসারামের ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে দেখি, একটি রাজনৈতিক দল বলছে, আসারাম কস্মিনকালেও ধর্ষণ করেনি, আবার আরেকটি দল বলছে, আলবৎ করেছে। তেজপালের ধর্ষণের বেলায়, আসারামের পাশে দাঁড়ানো দল বলছে, তেজপাল দোষী, আবার যে দলটি আসারামকে দোষ দিয়েছে, সেই দল বলছে, তেজপাল দোষী নয়, দোষী ধর্ষিতা মেয়েটিই। আর আমি যদি আসারাম আর তেজপালের দুজনের অন্যায়ের বিরুদ্ধেই একই রকম তীব্রকণ্ঠে প্রতিবাদ করি, আমি খুব একা হয়ে পড়ি। আমার পাশে শেষ পর্যন্ত কেউ থাকে না। সবাই আমাকে ক্ষণকালের জন্য বন্ধু মনে করলেও শেষে গিয়ে আমার নাম শত্রুর খাতায় লেখে। এই সমাজে কোনো দলের হয়ে কথা না বললে একা হয়ে যেতে হয়। একা হয়ে যাওয়ার আমার অভ্যেস আছে। চিরকালই আমি একা। যখন থেকে বৈষম্যের বিরুদ্ধে একা প্রতিবাদ করতে শুরু করেছি, তখন থেকেই। আমার আর কিসের ভয়! তেজপালের বিচার যদি সঠিক না হয়, তবে যেসব কোম্পানির উঁচু পদে বসে থাকা শত শত পুরুষ ঊধ্র্বতন বা চাকরিদাতা হওয়ার সুবাদে অবাধে ধর্ষণ করে যাচ্ছে তরুণী সহকর্মীদের, তা মহাউৎসাহে, তা মহাআনন্দে, মহাবিজয়ের সঙ্গে করে তো যাবেই, এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে। কাস্টিং কাউচ জমকালো হবে আরও। তরুণ তেজপাল নিশ্চয়ই স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি যে, ভারতবর্ষে তার পাশে দাঁড়ানোর লোকের কোনো অভাব নেই। যৌন অপরাধ করার পরও তার সমর্থক আর অনুরাগীর সংখ্যা কিছুমাত্র কমেনি। পুরুষ বলেই অবশ্য কমেনি। ধর্ষণের সঙ্গে পৌরুষের একটা নিবিড় সম্পর্ক আছে। ধর্ষণ আইনের চোখে হয়তো অপরাধ, নারীবিরোধী সমাজের চোখে এখনো এটি অপরাধ নয়, এটি এখনো পুরুষের অধিকার। সে কারণেই তেজপালের বিরুদ্ধে সমাজের বড় নেতারা, বড় রাজনৈতিক দল, নারীবাদী বা মানবাধিকার গোষ্ঠী একযোগে প্রতিবাদী হচ্ছে না। তেজপাল বড় সাংবাদিক, বড় বুদ্ধিজীবীথ এসব বলে বলে তার যৌন নির্যাতনের অপরাধকে একটু ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখার জন্য যেন একরকম আহ্বান জানানো হচ্ছে। কিন্তু কথা হলো, যে লোকেরা বিনা অনুমতিতে কোনো মেয়ের যৌনাঙ্গে আঙ্গুল ঢোকাতে পারে, তারা কিন্তু কোনো এক দিন জোর খাটিয়ে মেয়েদের যৌনাঙ্গে লোহার রডও ঢোকাতে পারে। কাকে বিশ্বাস করবে মেয়েরা?

ধর্ষণের বিরুদ্ধে ধর্ষিতাকে দোষ দেওয়ার প্রবণতা এখনো যায়নি। এখনো ধর্ষিতা মেয়েটিকেই প্রশ্ন করা হচ্ছে, লিফটে একবার তেজপাল দ্বারা যৌন হেনস্থার শিকার হওয়ার পরও কেন ও তেজপালের সঙ্গেই দ্বিতীয়বার লিফটে চড়ল! এর কারণ তো খুব সহজ, মেয়েটা তার চাকরি বাঁচাতে চেয়েছে। ধর্ষিতা হয়ে নয়, ধর্ষিতা না হয়ে চাকরি বাঁচানোর চেষ্টা করছে। ধর্ষণের জন্য কোনো ধর্ষকের লিফটের দরকার হয় না। ধর্ষকরা সহজে ধরা পড়বে নাথ এমন যে কোনো জায়গায় ধর্ষণ করে। যদি দ্বিতীয়বার মেয়েটি না চড়ত লিফটে, তাহলে কি তাকে দোষ দেওয়া হতো না? ঠিকই হতো, যারা তাকে আজ দোষ দিচ্ছে লিফটে চড়ার জন্য, তারাই বলত কী ব্যাপার তেহেলকার সম্পাদক তোমাকে যৌন হেনস্থা করার পরও তুমি তেহেলকায় দিব্যি চাকরি করে যাচ্ছ, নিশ্চয়ই তোমার সায় ছিল ওই যৌন হেনস্থায়।

তেজপাল বেশ স্পষ্ট করেই তার ই-মেইলে লিখেছেন, মেয়েটির অসম্মতিতেই মেয়েটির যৌনাঙ্গে তিনি আঙ্গুল ঢুকিয়েছেন। ই-মেইল প্রচারিত হওয়ার পরও মেয়েটিকে দোষী বানানো হচ্ছে। সমাজ, সত্যি বলতে কী, ভীষণরকম নারীবিদ্বেষী। এই সমাজে সব শ্রেণীর পুরুষই সব শ্রেণীর মেয়ের যৌনাঙ্গে যা ইচ্ছে তাই ঢুকিয়ে বিকৃত আনন্দ পায়, মেয়েদের এতে সায় আছে কী নেই, তা অনেকেই মনে করে না, দেখা সবার আগে প্রয়োজন। দিল্লি বাসের অসভ্য অশিক্ষিত সেই ধর্ষকদের সঙ্গে দিল্লির সভ্য-শিক্ষিত তরুণ তেজপালের পার্থক্য খুব বেশি নেই। ওদের মতো তরুণ তেজপালও মেয়েদের যৌনবস্তু হিসেবে মনে করেন। ঘৃণা করতে হলে দিল্লি বাসের ধর্ষকদের চেয়ে তরুণ তেজপালকেই বেশি করা উচিত। কারণ তিনি জেনে-বুঝে অপরাধটি করেছেন। দিল্লি বাসের ধর্ষকরা নারীবাদের ওপর কোনো বই পড়েনি। নারীরা যে মানুষ, নারীরা যে যৌনবস্তু নয়, এটি তাদের কেউ শেখায়নি। কিন্তু তরুণ তেজপাল সব জেনেও নারী-পুরুষের বৈষম্য যে কোনো সভ্য সমাজে থাকা উচিত নয়, পুরুষের যে অধিকার নেই, নারীর বিনা অনুমতিতে নারীকে স্পর্শ করার, তা বুঝেও জোর করে এক নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে চেয়েছেন। তরুণ তেজপাল নিশ্চিতই এক জ্ঞানপাপী।

এখনকার অফিস-আদালতে তথাকথিত সভ্য-শিক্ষিত ভদ্রলোকরা মেয়ে-সহকর্মীদের যৌন হেনস্থা করে চলেছে, এ সবাই জানে, এ থেকে মেয়েদের বাঁচানোর জন্যও তেজপালের শাস্তি জরুরি। তেজপালের মতো অগুনতি যৌন হেনস্থাকারীর টনক নড়বে। বুঝবে, এত নিশ্চিন্তে হেনস্থা চালিয়ে যাওয়া যাবে না, ধরা পড়লে সর্বনাশ। অবশ্য আমরা সবাই জানি যে শাস্তি বা মৃত্যুদণ্ড দিয়ে কখনো কোনো অপরাধকে কমানো যায়নি সমাজে। আসলে তরুণ তেজপাল যে চোখে মেয়েদের যৌনবস্তু হিসেবে দেখেন, পুরুষের সেই দেখার চোখটা যতদিন পাকাপাকিভাবে বন্ধ না হয় বা অন্ধ না হয়, ধর্ষণ, যৌন হেনস্থা ইত্যাদি কমবে না।

আমার আত্দজীবনীতে লিখেছিলাম, বাংলাদেশের বয়স্ক এক নামি লেখক আমাকে ছলে-কৌশলে দূরের এক শহরে নিয়ে গিয়ে এক ঘরে ঘুমোবার ব্যবস্থা করেছিলেন। লেখকটি আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন, এই আশঙ্কায় সারা রাত আমি ঘুমোতে পারিনি। এই ঘটনা লেখার পর লোকে ওই লেখককে দোষ না দিয়ে আমাকে দিয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের এক বড় লেখকের যৌন হেনস্থা করার খবর যেদিন বলি, ওখানেও একই অবস্থা হয়েছিল। লোকে যৌন হেনস্থাকারী লেখককে দোষ না দিয়ে আমাকে দোষ দিয়েছিল। ওদের ছি ছি না করে আমাকে ছি ছি করেছিল। যেন ওরা কেউ নন, অন্যায়টা বা অপরাধটা আমি করেছি। জানি সাধারণ লোকেরা বড় লেখক-বুদ্ধিজীবীদের দেবতা বলে মনে করে। তাদের পক্ষে যে কোনো দুঃসময়ে দাঁড়ায়। আমি নিজে কিন্তু বানের জলে ভেসে আসা মেয়ে নই, বা এঙ্-ওয়াই-জেড নই। দেশ-বিদেশের অনেক পুরস্কার পাওয়া জনপ্রিয় লেখক, কিন্তু যত বড় লেখকই আমি হই না কেন, আমি মেয়ে, আমি মেয়ে বলেই কেউ আমার পাশে দাঁড়ায়নি। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বেশির ভাগ লোকই বিশ্বাস করে, যৌন হেনস্থা করার অধিকার পুরুষের আছে, এবং পুরুষের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করার অধিকার কোনো মেয়ের নেই, বিশেষ করে সে পুরুষ যদি নামি-দামি কোনো পুরুষ হয়। সমাজটা আসলে শুধু পুরুষের নয়, সমাজটা নারীবিদ্বেষী, নারীবিরোধী পুরুষের। 

বাংলাদেশ প্রতিদিনি।

পেনড্রাইভ খুললেন তো আপনার পিসি লক হয়ে যাবে, আবার লাগলেন তো আনলক হয়ে যাবে।


কখনো কি জ্যামস বন্ড হতে চেয়েছিলেন? আপনি আপনার পিসি কে শুধু একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনার পিসিকে লক করতে পারবেন। Predator একটি ফ্রি উইন্ডোজ প্রোগ্রাম যা আপনার ইউএসবি ড্রাইভটি রিমোভ দিয়ে দিলেই আপনার পিসি লক লেগে যাবে। কম্পিউটার কে আনলক করতে হলে আপনাকে আবার পেনড্রাইভটি ইনসার্ট করতে হবে। এটা আপনি ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন। কেউ ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ছাড়া পিসিতে প্রবেশ করতে চাইলে Access Denied মেসেজ দেখাবে। তো শুরু করা যাক, নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরন করুন:

পদক্ষেপ:
Predator সফ্টওয়্যারটি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন।

পদক্ষেপ:
সফ্টওয়্যারটি লন্চ করার পর ইউএসবি ড্রাইভটি প্রবেশ করান। কোনভাবেই আপনার কোন ডাটা ডিলিট হবে না। তাই আপনার ড্রাইভটি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন। প্রবেশ করানোর সময় পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য একটি ডায়ালগ বক্স দেখাবে। OK তে ক্লিক করুন।

পদক্ষেপ:
Preferences উইন্ডোতে কিছু কী সেট করে রাখুন।  প্রথমেই New password ফিল্ডে একটি নতুন ও ইউনিক পাসওয়ার্ড প্রবেশ করান। ইউএসবি ড্রাইভটি হারিয়ে ফেললে এর মাধ্যমে পিসিটি আনলক করতে পারবেন। আপনি চাইলে Always Required বক্সটি চেক দিয়ে রাখতে পারেন । এক্ষেত্রে প্রতিবার আপনার কাছে পাসওয়ার্ড চাবে। সর্বশেষ, ফ্ল্যাস ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন। এটি হয়ে গেলে Create key তে ক্লিক করুন। তারপর OK চাপুন।

পদক্ষেপ:
প্রিডেটর এক্সিড করে দেবে। হয়ে গেলে প্রোগ্রাম রিস্টার্ট দেয়ার জন্য প্রিডেটর আইকনে ক্লিক করুন । কিছু সময় পরে তা সবুজ বর্ন ধারন করবে। তার মানে প্রোগ্রাম চলছে। প্রতি ৩০ সেকেন্ডে প্রোগ্রামটি চেক করবে আপনি ড্রাইভটি প্রবেশ করিয়েছেন কিনা। না করালে অটো লক হয়ে যাবে।

নারীদের মধ্যে অনেকে নিজেকে প্র্যাগনেন্ট ভেবে আনন্দে শিহরিত হয়


১. স্বপ্ন পূরণ
 
এমন সব স্বপ্ন আছে, নতুন জীবনের পথে যখন কেউ উদ্বিগ্ন থাকে কিংবা জীবন নিয়ে অনিরাপদ বোধ করে তখন সেসব স্বপ্ন ঘটেও যেতে পারে। যেমন নতুন কোন শহরে ঢুকে পড়া কিংবা কোন নতুন চাকরি শুরু করার মধ্য দিয়ে ঘটে যেতে পারে নিজের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন।আবার এমন অনেকে আছেন যাদের স্বপ্ন হারিয়ে গেছে। কিন্তু তার মানে কিন্তু স্বপ্ন হারিয়ে যায়নি। হয়ত ওই মানুষটি সম্পর্কে আপনার উপলব্ধিটাই এখনো ঠিক হয়ে উঠেনি।

২. সন্তান সম্ভবা হওয়ার স্বপ্ন
 
কেউ কেউ তো এমন আছেনই যারা স্বপ্নে নিজেকে প্র্যাগনেন্ট ভেবে আনন্দে শিহরিত হয় উঠছেন। সাধারণত নারীদের মধ্যে অনেকে সন্তান সম্ভবা হতে আগ্রহী। অনেকে এমন আছেন যারা ইতিমধ্যে সন্তান সম্ভবা। তাদেরও কিন্তু একটা স্বপ্ন আছে। তাদের এ স্বপ্নটা পুরোপুরি মনস্তাত্ত্বিক। একজন নারী এমনই স্বপ্ন দেখেন যেমন কোন একজন তার মনের সব ভাবনা নিয়ে বিছানায় গেল, আর তখন সেই নারী গর্ভবতী হওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের আনন্দময় স্বপ্ন পূরণ করে নিচ্ছেন।


 ৩. স্বপ্নে ব্যর্থতা কিংবা অপ্রস্তুত বোধ করা
 
কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়ত আপনি নিজেকে অপ্রস্তুত মনে করছেন। যেমন স্বপ্নে আপনি ফাইনাল পরীক্ষা নিচ্ছেন বা দিচ্ছেন, হাজার হাজার মানুষের সামনে বক্তৃতা দিচ্ছেন কিংবা বিশাল কোন মঞ্চে বা পথে আপনার প্রথম আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে। এধরনের স্বপ্নপূরণের গুরুতর মুহূর্তগুলোতে হয়ত আপনি পুরোপুরি তৈরি ভাবছেন না নিজেকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এধরনের স্বপ্ন দেখার মানে, আসলে আপনি জীবনে আপনার নিজের পারফরমেন্সেরই বিচার করছেন। একইসাথে আপনি কিছুটা ভয়ও পাচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা জানান, এমন স্বপ্নগুলো মূলত বাস্তব জীবনে পারফর্ম করার জন্য প্রস্তুত হতে আপনার প্রতিজ্ঞা, আপনার সংকল্পকে উস্কে দিতে সাহায্য করে।

৪. নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাওয়া গাড়ি চালানো
 
বেশিরভাগ চালকের স্বপ্ন থাকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা তার গাড়িটির দক্ষতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করার। আসলে এধরনের স্বপ্ন সহজেই দুর্ঘটনায় পড়তে যাচ্ছেন বলে আপনার উৎকণ্ঠা আর উত্তেজনারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষত যদি আপনি আগেই কখনো কোন দুর্ঘটনায় পড়ে থাকেন তাহলে তো কথাই নাই। এ উত্তেজনা অনেকগুণ বেড়ে যাবে। এর মানে আপনি ভাবছেন নিজের জীবনে আপনি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছেন। কিংবা আপনি আপনার প্রত্যাশার পথে ঠিকঠাক এগিয়ে যেতে পারছেন না।

৫. স্বপ্নে উড়াল
 
আবার এমন সব স্বপ্নও আছে মানুষ দেখে। মানুষ স্বপ্ন দেখে সে উড়ছে, আর উড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, উড়ার বিষয়টি ঘটে আপনার যৌন অভিলাষের সাথে সাথে। আপনি উড়ছেন অনেক উঁচুতে আকাশে, গর্বে বুক ফুলে আপনি উড়ছেন। মানে যখনই আপনি উড়ার চেষ্টা করছেন, আবার পড়ে যাচ্ছেন অর্থাৎ আপনার অপর্যাপ্ত বা বিপুল যৌন আবেগ অনুভূতিতে কম্পন তুলছেন তখন কিন্তু আপনার যৌন জীবন নিয়ে আপনি বেশ সুখি। শুধু তাই নয় আপনি গর্বিতও বটে।
কিংবা এই উড়ার অন্য অর্থও হতে পারে। মানে আপনি কোন কঠিন পরিস্থিতিতে কিংবা আপনার সচেতন জীবনে কোন ভারি দায়িত্ব পালন নিয়ে উপরে ওঠার প্রত্যাশা এবং স্বপ্ন আপনাকে উদ্দীপ্ত করছে।

 
৬. ঈশ্বর এবং অশুভের স্বপ্ন
 
এটা এমন একটা স্বপ্ন, যেটাকে বলা হয় ঈশ্বর বনাম অশুভ আত্মা কিংবা শুভ বনাম অশুভের স্বপ্ন। ঈশ্বর সম্পর্কে স্বপ্ন দেখাকে মনে করা হয় শুভ স্বপ্ন। এতে হয়ত ইতিবাচক কিছুর আবির্ভাব কিংবা আত্মিক জাগরণেরও ইঙ্গিত ঘটতে পারে। ঈশ্বর সম্পর্কে স্বপ্ন আবার অন্যরকমও হতে পারে। যেমন আপনি কারো সাথে খারাপ আচরণ করেছেন, কিংবা কোন বাজে বা অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ করলেন। এরপর আপনি ঈশ্বর সম্পর্কে অশুভ এবং সতর্কতামূলক স্বপ্ন দেখলেন। সত্যিকার অর্থে এধরনের স্বপ্ন আপনার চৈতন্যকে আঘাত করবে। আপনাকে অনুভূতিকে নাড়া দেবে। এরপর আপনি বুঝে যেতে পারবেন, এ স্বপ্ন আপনাকে সাবধান করছে।
অপরদিকে অশুভ স্বপ্ন কোন নেতিবাচক বিষয় বা ঘটনার ইঙ্গিত দেয়, কিংবা কোন আসন্ন ঘটনার মারাত্মক সংকেত হতে পারে অশুভ স্বপ্ন।

৭. আবেদনময় বা অশ্লীল স্বপ্ন
 
কোন কোন স্বপ্নে আপনি উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারেন। এটাকে অনেকে বলেন হট কিংবা অশ্লীল স্বপ্ন। আপনি বেশ আবেগী কিংবা ভাল যৌন আবেদন আছে আপনার, এবং আপনি দীর্ঘ সময় নিয়ে সে আবেগ ও আবেদন প্রকাশও করতে পারেন। কারো সাথে সম্পর্কিত থাকলে তো কথাই নেই। নিজের পার্টনারের চেয়ে অন্যকারো সাথেই আপনি হট আর গরম মশলাদার স্বপ্নে চরম উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যদি তাই হয়, তার মানে যৌনতা আপনার চাহিদা পুরোপুরি পূর্ণ করতে পারছে না। তারা মনে করেন, এরজন্য আপনার পার্টনারের সাথে সম্পর্ককে পুনরায় শক্তিশালী এবং তেজোদীপ্ত করা জরুরি।
কোন অচেনা কিংবা বহু অতীতের কারো সাথে স্বপ্নে আপনি যৌন সম্পর্ক করছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এর মানে পার্টনারের সাথে আরো ঘনিষ্ট হতে চান আপনি।

৮. স্বপ্নে টাকা পয়সা পাওয়া বা হারানো
 
অর্থের স্বপ্নও আপনার সম্পদকে প্রতিকী কিংবা ইঙ্গিতময় করে তুলতে পারে। আপনি টাকা লেনদেনের স্বপ্ন দেখেন। তার মানে হতে পারে, আপনি জীবনে পরিবর্তনের আশা করছেন। এগিয়ে যেতে চান। আপনি স্বপ্ন দেখছেন টাকা হারিয়ে ফেলেছেন। এর অর্থ হতে পারে আপনি কিছু একটা ঘটতে পারে বলে শঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। অথচ আপনি মোটেও এর জন্য প্রস্তুত নন।
আবার হয়ত আপনি স্বপ্নে টাকা পয়সা পাচ্ছেন। স্বপ্নবিশারদরা মনে করেন, এর মানে আপনি খুব কাছাকাছি সময়ে কিছু একটা পাওয়ার আশা করছেন। হয়ত সেটা পেয়েও যেতে পারেন।



৯. ফ্লাইট, ট্রেন কিংবা বাস মিস করার স্বপ্ন
 
স্বপ্নে কখনো কখনো এমন হয়, আপনি খুব ক্রিটিক্যাল মুহূর্তে স্বপ্নে ট্রেন, ফ্লাইট কিংবা বাস মিস করছেন। এ অবস্থায় আপনি মারাত্মক উত্তেজিত হয়ে পড়ছেন। এতে আপনি চাকরিতে, স্কুলে-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অন্যকোথাও যেতে পারছেন না। আপনি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। এর মানে হতে পারে আপনি কোন কিছুতে সংযোগ ঘটাতে পারছেন না। সুযোগ হারিয়ে আপনি ক্ষুব্ধ এবং দু:খবোধ করছেন। কিংবা এর মানে জীবন যাপনের ধরনে কিছু একটা জরুরি হতে পারে।

১০. স্বপ্নে মাকড়সা
 
অনেকে সবসময় পোকামাকড় কীট পতঙ্গ স্বপ্ন দেখেন। পোকামাকড় দেখে আপনি ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যেমন মাকড়সা দেখে অনেক মানুষই ঘুমে ভয় পেয়ে উঠেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন মাকড়সা দেখার মানে, স্বপ্নচারী মানুষটি হয়ত অন্য কারো উদ্দেশ্য সাধনে পরিচালিত হচ্ছেন। কিংবা তিনি অন্যকোন পরিস্থিতিকে বা কোন ব্যক্তিকে নিজের উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহার করছেন।

৯০০ মহিলার ওপর সমীক্ষা


 বয়স যখন তিরিশের ঘরে এবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে তখন তাঁরা কম বয়সের তুলনায় সেক্স বেশি উপভোগ করেন। কারণ, তাঁদের মনে আশঙ্কা থাকে যৌনজীবন শেষ হওয়ার। এমনটাই জানা যাচ্ছে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা থেকে। 


সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, মহিলাদের বয়স যখন তিরিশের ঘরে lএবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে তখন তাঁদের যৌনক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকে । আর সেই কারণেই তাঁদের মনে ভয় আসতে থাকে। তখনই তাঁরা সেক্স বেশি করতে থাকেন। তাঁরা এই বয়সে সেক্স নিয়ে অনেক কল্পনা করতে থাকেন। আর সেই কারনেই জন্ম নেয় ‘কাউগার’ সিমটম- একজন মহিলা তখন তাঁর থেকে কমবয়সী সহযোগীর খোঁজ করেন। প্রায় ৯০০ জন মহিলার ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসছে হেলথ জার্ণাল।


নিজের ভার্জিনিটি রক্ষা করা কতটা জরুরী ?

 
 সতীত্ব, বিভিন্ন দেশ এবং ধর্মে খুব স্পর্শকাতর একটি বিষয়। আর আমাদের এই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে মূলত সতীত্ব বা ভার্জিনিটির ব্যাপারটা মেয়েদের ক্ষেত্রেই বেশী দেখা হয়। তবে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক, উদার বা রক্ষণশীল মনোভাবের মানুষ হোক, নিজের সতীত্ব নিয়ে মানুষের কিছুটা চিন্তা বা দুশ্চিন্তা থাকেই। কোনও সম্পর্কে জড়ানোর সময়ে অথবা বিয়ের আগে এই ব্যাপারে মনটা বেশী খচখচ করতে থাকে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মাঝে একই রকমের চিন্তাভাবনা দেখা যায়।

মানসী, ২৪ বছর বয়সী একটি মেয়ে যার কিছুদিন পরেই বিয়ে। স্বভাবতই মাথায় চলছে হাজারো রকমের মিশ্র চিন্তা। একদিকে যেমন বিবাহিত জীবন শুরু করার জন্য যে উন্মুখ, তেমনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত নিজের সতীত্ব নিয়ে। হবু স্বামী যদি জানতে পারে যে সে সতী নয়, তবে তার মনোভাব কেমন হবে? সে নিজেই যদি তাকে বলে দেয় তাহলে কি ব্যাপারটা ভালো হবে? নাকি তার উচিত এই ব্যাপারটা চেপে যাওয়া? ব্যাপারটা লুকানোর কোনও পথ আছে কী?


এসব দুশ্চিন্তার ক্ষেত্রে মানসির সঙ্গী আরও হাজারো নারী। যদিও তাদের অভিজ্ঞতা একেক ক্ষেত্রে একেক রকম।

দিল্লীর এক সাংবাদিক, কল্পনা শর্মা নিজের বর্তমান প্রেমিকের সাথে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করেন এ ব্যাপারটা নিয়ে। এর পরে অবনতি তো দূরের কথা, বরং উন্নতি ঘটে তাদের সম্পর্কে। “আমার প্রেমিক নিজেও ভার্জিন ছিলো না এবং সে এ ব্যাপারে আমাকে জানিয়ে দেয় সম্পর্কের প্রথম পর্যায়েই। এ থেকে আমি সাহস পাই তার সাথে আমার নিজের অতীত সম্পর্কে কথা বলতে। আর এ ব্যাপারে তার কোনও সমস্যা ছিলো না। আমি মনে করি, যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমার অতীত তোমার বর্তমানকে ক্ষতিগ্রস্ত না করছে ততক্ষন এতে কোনও সমস্যা নেই।”

২৬ বছর বয়সী চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট রাহুল রাস্তোগি মনে করেন, নিজের ভার্জিনিটির ব্যাপারে নিজের সঙ্গীকে জানানোর সিদ্ধান্তটি একজন মানুষের একান্তই নিজস্ব একটি ব্যাপার এবং তার এই সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করা উচিত। “আমি যদি বিবাহিত জীবনের শুরুতে আবিষ্কার করি আমার সঙ্গী ভার্জিন নয় তাহলে আমি তাকে ভালোভাবেই নেব, কারণ আমাদের দুজনের মাঝে অন্তত একজন বেশ অভিজ্ঞ হবে। ”

উজ্জ্বল শর্মা এ ব্যাপারে সামাজিক চলের দিকে দৃষ্টি দিতে বলেন। “এখনকার সময়টাই এমন, যে আমি আশা করি না আমার সঙ্গীর সতীত্ব অটুট থাকবে, কারণ প্রেম ছাড়াও সতীত্ব হারানোটাই এখন একটা ট্রেন্ড।”
 
 নিজের অতীতকে ভুলে গিয়ে ফ্রেশ একটা ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাটাই এখন মূলমন্ত্র হয়ে উঠছে অনেক আধুনিক দম্পতির কাছে। প্রেমিক-প্রেমিকারা মানসিকভাবে যথেষ্ট পরিপক্ক, অতীত নিয়ে টানাটানি করে তারা ভবিষ্যতকে নষ্ট করতে চায় না। “নিজের সঙ্গীর সাথে কেউ যখন নতুন জীবনের যাত্রা শুরু করে, তখন বর্তমান আর ভবিষ্যৎ নিয়েই চিন্তা করা উচিত,” বলেন আরশি উপল। “ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আপনার ওপরে। আমি নিজের স্ত্রীকে তার অতীত কর্মের জন্য ছেড়ে যাবো না, কিন্তু আমি এটা নিশ্চিত করবো যে সে আমার সাথে সারাজীবন বিশ্বস্ত থাকবে,” বলেন দিল্লীর ট্যাটু আরটিস্ট লোকেশ ভার্মা।

মনের সম্পর্কের সাথে সাথে শারীরিক সম্পর্কের ঝোঁকটাও চলে আসে, আর এখন সময়টাই এমন যে এই ইচ্ছাপূরণের বাসনা মানুষ দমিয়ে রাখার চেষ্টাও করে না। আর আধুনিক মানুষ নিজের সঙ্গীর পূর্ববর্তী প্রেম নিয়েও ঝগড়াঝাঁটিতে যেতে চায় না। কিন্তু এ সময়েও অনেক মানুষ আছে যারা ভালোবাসা এবং দাম্পত্যে কমিটমেন্টের চাইতে বড় করে দেখেন সঙ্গীর সতীত্বকে এবং তার জন্য সম্পর্কে চিড় ধরে যাবার আশঙ্কা দেখা দেয়। কিন্তু সতীত্বের চাইতে কি আপনার সঙ্গীকে একজন মানুষ হিসেবে গ্রহণ করাটা বড় করা নয়? বিবাহিত জীবনকে গ্রহণ করুন একটা নতুন যাত্রা হিসেবে আর সঙ্গীর অতীতের চাইতে আপনার সাথে তার ভবিষ্যতকেই গুরুত্ব দিন।

সবিনয়ে জানতে চাই: অশ্লীলতা আসলে কী?

 

একটি এডাল্ট ওয়েব সাইটের শিরোনামে লেখা আছে ‘এ পর্যন্ত ৩০০ মিলিয়ন লোক সাইটটি ভিজিট করেছে। এবং ৩০০ মিলিয়ন পিপল কান্ট বি রং’। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা অনেকেই এডাল্ট ওয়েব সাইটকে ভুল বলছি, কিন্তু পৃথিবীব্যাপী মিলিয়ন মিলিয়ন লোক এগুলো ভিজিট করছে। তাহলে কোন বাস্তবতাটার ভিত্তি বেশি শক্ত? আমি কিভাবে এতগুলো লোকের আগ্রহকে ভুল বলব?

সবচেয়ে বড় কথা হল, যৌনতা একটি বাস্তবতা। এমন তো নয় যে যৌনতা মানব সমাজে এক্সিস্ট করে না। শুধু যৌনতাই বা কেন, অশ্লীলতা বলছি যাকে সেটিও সমাজে এক্সিস্ট করে। কারণ সেটি একটি রস। মানুষ নানা ধরনের রসে আগ্রহী, বীর রস, করুন রস, হাস্য রস এবং এরকম অনেকগুলোর একটি হল আদি রস। মানুস সব রসই কোন না কোনভাবে আস্বাদন করতে চায়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এ বিষয়টিকে যত অবদমন করা যাবে তত সমাজের উদার সহনশীলতা ততই কমতে থাকবে। আপনি কতটা উদার তা বোঝা যাবে কতটা জায়গা আপনি ছেড়ে দিতে পারছেন তার উপর।


ধরা যাক, আজকে সকল ধরনের অশ্লীলতা, পর্ণ ইত্যাদি বন্ধ করে দিলাম। তাহলে ঐ হাজার হাজার আগ্রহী তরুণ তরুণী কোথায় যাবে? তারা কি তাদের আগ্রহ অবদমিত করবে? আমি বলতে চাই, তারা দেখতে শিখুক। নগ্নতার সৌন্দর্য দেখতে দেখতে তাদের মধ্যে এক ধরনের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হতে পারে। তারা সৌন্দর্য দেখতে শিখবে। ফলে সে (পুরুষদের ক্ষেত্রে) নারী দেখা মাত্রই নির্বিচারে হামলে পড়বে না, সকল নারীকে ‘শয়তানের আধার’ মনে করবে না। কোনো নারী তার শরীরের সুন্দর অংশ দেখা যায় এমন পোষাক পড়লেই তাকে ধর্ষণ করা কর্তব্য জ্ঞান করবে না। নারীকে নয়, নারীর দিকে ছুটে যেতে চাওয়া তার দূরন্ত চোখকেই সে অপরাধী ভাবতে শিখবে।

একটু অন্যভাবে বলি, ইওরোপে বা পশ্চিমে একটি ছেলের আর একটি মেয়ের হাত ধরাধরি করে হাঁটার দৃশ্যই সবচেয়ে স্বাভাবিক দৃশ্য, এমনকি কোনো কোনো দেশে প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার দৃশ্যও অত্যন্ত স্বাভাবিক ও মনোরম। বরং একটি মেয়ে আরেকটি মেয়ের অথবা একটি ছেলে আরেকটি ছেলের হাত ধরে বা গলাগলি ধরে হাঁটার দৃশ্য অস্বাভাবিক এবং ভিন্ন অর্থ প্রকাশক। অথচ আমাদের দেশে একটি মেয়ে আরেকটি মেয়ের এবং একটি ছেলে আরেকটি ছেলের হাত ধরতে শেখে, কারণ একটি মেয়ের আরেকটি ছেলের সহজ ও স্বাভাবিক ভঙ্গিতে হাত ধরা আমাদের সমাজের চোখে খারাপ।


 অথচ নারী-পুরুষ সম্পর্ক সহজ ও স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্য নিয়েই আজ থেকে অনেক বছর আগে আমাদের সমাজেই রচিত হয়েছিল কামসূত্র। যা ইওরোপীয় বা পশ্চিমারা এখান থেকে আমদানী করে নিয়ে গেছে সাদরে। আর আমরা সেটা দূর দূর করে তাড়িয়েছি। ‘অশ্লীল’ বলেছি, ‘কেবলমাত্র প্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ করে রেখেছি। ফলে সমাজে অবদমন সৃষ্টি হয়েছে, ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো আমরা নিষিদ্ধ করেছি বলেই একটি ছেলে আর একটি মেয়ে পরষ্পরকে ভালবেসে চোরের মতো আচরণ করতে থাকে। বাবা-মার কাছে লুকানোর নিরন্তর চেষ্টা করতে থাকে। পালিয়ে বিয়ে করে। ধরা পড়লে ছেলেটির শাস্তি যাই হোক মেয়েটির মাথায় কলঙ্কের আকাশ ভেঙে পড়ে, তার আর কোথাও গ্রহণযোগ্যতা থাকে না, মেয়ের পরিবার একঘরে হয়ে পড়ে।

অশ্লীলতার সাথে নারী-পুরুষ সম্পর্ক টেনে আনছি, কারণ একটির সাথে আরেকটি সম্পর্ক রয়েছে। প্রেম কেবলই প্রেম নয়, প্রেমের সাথে কাম অত্যন্ত সঙ্গতিপূর্ণ। আর কাম সৌন্দর্যের উপাসক। অবশ্যই দৈহিক সৌন্দর্য। যাকে আমরা প্রায়শই ‘অশ্লীল’, ‘প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য’ ইত্যাদি নানা আখ্যা দিয়ে থাকি।

প্রকৃতপক্ষে অশ্লীলতার কোন সংজ্ঞা নেই। এটি অত্যন্ত আপেক্ষিক বিষয়। যে ছবি এক স্থানে অত্যন্ত মনোরম, সেই ছবিটিই অন্যস্থানে অত্যন্ত অশ্লীল হতে পারে। কাজেই অশ্লীল বলে কোন অ্যাবসল্যুট ধারণা নেই। অনেকেই সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘যা মনকে কলুষিত করে তাই অশ্লীল’। আপনিই বলুন কোনটি আপনার মনকে কলুষিত করে।
 
আমরা প্রায়ই যৌনতাকে অশ্লীলতার সাথে গুলিয়ে ফেলি। আমাদের ভেতরে সাধারণ অর্থে ‘যৌনতা নিষিদ্ধ’ এমন একটি চেতনা গভীর-প্রোথিত। এ কারণেই দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বইতেও মানুষের প্রজননতন্ত্র বোঝাতে গিয়ে গরু দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে (অবশ্য এটি এখনও সেভাবেই আছে কি না আমার জানা নেই)।

কামসূত্রে কামের ৬৪টি কলা বা আসনের বিবরণ আছে। কিন্তু অনেকেই আমাকে বলেছে সেগুলো নাকি বিকৃত যৌনাচার। আমার কাছে মনে হয়েছে রীতিমতো শিল্প। যাদের কাছে বিকৃত মনে হয়েছে তারা যৌনতা মানেই মনে করেন কেবলই নারীর উপর পুরুষের উপগত হওয়া। যৌনতার আরো ধরন, কামের নানা প্রকাশ যে রয়েছে তা তারা জানেনই না। 

স্বাধীনবাংলা24 ডট কম/০৩.১২.২০১৩ /হিমু নীল

যুগের সাথে কি বদলেছে নারীর পরচর্চার মানসিকতা?

নারীরা কি সবসময়েই নারীদের বন্ধু? নাকি এই আধুনিক যুগেও নারীরাই অবমাননা করছে নারীদের? একটি গবেষণায় দেখা যায় অধিকাংশ নারীই একে অপরের নামে পরচর্চা করে থাকেন, তা সে কর্মক্ষেত্র বা স্কুল-কলেজে যেখানেই হোক না কেন। এমনকি কোথাও বেড়াতে গেলেও নারীদের পরচর্চা থেমে থাকে না। এ যেন নারীদের নিজেদের ভেতরের একধরণের প্রতিযোগিতা। একজন অপরজনকে কিভাবে নিচে নামানো যায়, কি করে হেয় প্রতিপন্ন করা যায় তা নিয়ে তারা চিন্তিত। অনেক ভালো এবং গভীর সম্পর্কও ভেঙে ফেলতে পারে এই পরচর্চা। কিন্তু এ নিয়ে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই কারো। নিজের মতো করে কথা বানিয়ে, বাজে মন্তব্য করে, অপরকে ছোট করার কাজে মত্ত সবাই। একে অপরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত প্রায় পুরো নারী জাতি।
সম্প্রতি ম্যাক-ম্যাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা তাদের গবেষণায় নারী জাতিকে "ভয়ানক" প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাদের গবেষণায় দেখা গিয়েছে নারীরা একজন অপরজন সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করার একটি সুযোগও ফেলতে চান না। গবেষণার জন্য তারা দুজন ছাত্রীকে তাদের ল্যাবরেটরীতে ডেকে নিয়ে বসতে বলেন। তাদের পরীক্ষা শুরু হয় যখন তৃতীয় একজন ছাত্রী আসেন। প্রথমে তৃতীয় ছাত্রীটি একটি সাধারণ টি-শার্ট ও জিন্স পরিধান করে আসেন। তখন প্রথম ছাত্রী দুজন তৃতীয় ছাত্রীর দিকে সামান্য নজর দিয়ে নিজেদের মধ্যে গল্পে মগ্ন থাকেন। পরবর্তীতে তৃতীয় ছাত্রীটিই যখন সেজেগুজে একটি লো-কাট টপস ও শর্ট স্কারট পরিহিতাবস্থায় আসেন তখন তারা নিজেরদের গল্প থামিয়ে অনেকক্ষণ তার দিকে রাগত চোখে তাকিয়ে থাকে। এবং তৃতীয় জন চলে যাওয়ার পর তাকে নিয়ে নিজেদের মধ্যে বাজে মন্তব্য করতে থাকেন। ব্যাপারটা ঠিক এরকম যে তারা দুজন তৃতীয় জনকে তার সাজগোজ ও পোশাকের জন্য নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে নিলেন এক মুহূর্তেই। স্বভাবতই প্রায় সকল নারী পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনেক কিছু করে থাকেন। যখন তারা দেখেন অপর একজন নারী তার থেকে বেশি আকর্ষণীয় তখন তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে নিয়ে তাকে কি করে হেয় করা যায় তা চিন্তা করতে থাকেন ফলশ্রুতিতে বাজে মন্তব্য করেন।
এই ধরণের ঘটনা প্রায় সব জায়গাতেই ঘটে থাকে। স্কুল-কলেজ, ইউনিভার্সিটি ও কর্মক্ষেত্রে পোশাকআশাক ও সাজগোজের ভিত্তিতে নারীরা নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন করেন। সকলেই পত্রিকায় বা ম্যাগাজিনে ফ্যাশনেবল পোশাক পরিহিতা মডেল দেখতে অভ্যস্ত হলেও নিজের পাশে ওই একই ধরণের পোশাক পরিহিতা নারী দেখে ভ্রু কুঁচকে ফেলেন এবং বাজে মন্তব্য করতে পিছপা হন না তাকে না জেনেই।
তাহলে কি এটা বলাটা খুব ভুল হবে যে পরিহিত পোশাক দিয়ে একজনকে বিচার করে অনায়েসেই তার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করা, একজন অপরজনকে শুধুমাত্র বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবাপন্ন নারীরা আসলেই ভয়ানক প্রজাতি? কিন্তু আধুনিক সময়ে এ ধরণের মনোভাব কি আসলেই নারীদের শোভা পায়? তাহলে বলতে হবে এই আধুনিক যুগেও নারীরা এখনও নিজেদের চিন্তা ভাবনাকে পুরোপুরি আধুনিক করতে পারেনি!

বোকা মেয়ের ডায়রি- ধর্ষক যখন নিজেরই পিতা!

বেশিদিন আগের কথা নয়, ইরানে এক ব্যক্তি নিজের পালক কন্যাকে বিয়ে করেছিলেন বলে ছি ছি রব উঠেছিল পৃথিবী জুড়ে। যারা সংবাদটি পড়েছেন তাদের মাঝে গা শিউরে ওঠার অনুভব হয়নি একথা কেউ স্বীকার করতে পারবেন না। একজন মমতাবান পিতা হতে শুরু করে একজন কন্যা পর্যন্ত, সকলেই শিউরে উঠেছিলেন। শিউরে ওঠার মতন ঘটনা অবশ্যই। পিতা তো পিতাই, পিতৃ স্নেহে লালন করার পর একজন মানুষ কীভাবে একটি বালিকাকে দিয়ে নিজের যৌন ক্ষুধা মেটায়... কীভাবে পারে... অনেক চিন্তা করেও ব্যাপারটা বুঝে উঠতে পারিনি আমি। রাতের পর রাত তখন ঘুমাতে পারতাম না। একটি ছোট্ট মেয়ের কথা মনে হতো, পিচ্চি একটা এই টুকুন মেয়ে, যাকে রেপ করে যাচ্ছে নিজেরই পিতা। 

কিন্তু আজকে যা দেখলাম... আমি দুর্বল মানুষ নই, কিন্তু স্বীকার করতে বিন্দুমাত্র লজ্জা নেই যে আমার অন্তরাত্মা হিম হয়ে গিয়েছে সংবাদটি পড়ে। গত বৃহস্পতিবারের সংবাদ, ভারতের টাইমস ওফ ইনডিয়া সহ বেশিরভাগ প্রথম সারির পত্রিকায় এসেছে। দেখানো হয়েছে ভারতীয় টিভি চ্যানেল গুলোতেও। অনেকের ফেসবুকেই নানান রকম লিঙ্ক দেখতে পাচ্ছিলাম, এক পর্যায়ে যখন পড়তে গেলাম মনে হলো কেউ আমার মুখে কষে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিয়েছে। সংবাদটি কোন দেশের সেটি জরুরী না, কোন দেশে ঘটেছে সেটাও জরুরী না। তার চাইতে অনেক বেশি জরুরী এটাই যে সংবাদটি কি ভীষণ ভয়াবহ! পিতা তো পিতাই, দেশ-কাল-জীবনের সীমানা পেরিয়ে পিতা। সেই পিতা কি করে নিজের সন্তানকে ধর্ষণ করে? 

হ্যাঁ, নিজের কন্যাকে ধর্ষণ করে চলেছে এক ভারতীয় পিতা। না, পালক কিংবা সৎ পিতা নয়। নিজের আপন পিতা, আপন জন্মদাতা। তাও একবার দুবার নয়, একটানা ১১ বছর যাবত ক্রমাগত ধর্ষণ করে চলছে ৫০ বছর বয়সী এই পিতা তার নিজের কন্যাকে। (এই জানোয়ারকে আসলে পিতা বলা যায় কি?) মেয়েটির যখন ১৫ বছর বয়স তখন থেকে শুরু হয় এই পৈশাচিক ঘটনা, এবং পুলিশ ও মানবাধিকার কর্মীরা তাকে উদ্ধার করার আগ পর্যন্ত চলতে থাকে টানা ১১ বছর যাবত। শুধু তাই নয়, ৮ বছর বয়সী একটি সন্তানও আছে কন্যার ঘরে এই পৈশাচিক লোকটার। এবং এই পিশাচ নিজের আপন কন্যাকে বিয়ে করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

এমন নয় যে লোকটার স্ত্রী বা মেয়েটার মা নেই। তিনিও জীবিত আছেন ও একই সাথে থাকেন। কিন্তু দুই অসহায় নারী কিছুতেই ঠেকাতে পারেনি এই দানব লোকটাকে। কিছু করতে গেলেই বীভৎস মারধোর ও নির্যাতন তো আছেই, পাশাপাশি আছে না খাইয়ে বন্দী করে রাখার মত পাশবিক নির্যাতন। ১৫ বছর বয়সে যে পাশবিকতার শুরু হয়, তার ফল সরূপ ১৮ বছর বয়সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে মেয়েটি। তখন স্বামী হওয়ার ভুয়া পরিচয় দিয়ে একটি হাসপাতালে তার সন্তান প্রসব করানো হয়... 

কাহিনী আরও অনেক লম্বা। লিখতে গেলে বিশাল মহাকাব্য লেখা যায়। ১১ বছরের পাশবিক নির্যাতন ও যন্ত্রনার ভয়াবহ বিবরণ দেয়া যায়। কিন্তু সত্যি বলি, আমার মতন ক্ষুদ্র মানুষের ক্ষমতা নেই এর বর্ণনা দিতে পারি। আমার কলমে এত শক্তি নেই যে এই ব্যাপারটির ভয়াবহতার বর্ণনা দিতে পারি। 

একজন বাবা... যাদের কাজ সন্তানকে বুকে আগলে রক্ষা করা। সে কি করে পারে এমন করতে? কি করে পারে নিজের কন্যার দেহকে নগ্ন করে প্রতিদিন ধর্ষণ করতে, তার ঘরে সন্তান জন্ম দিতে? কীভাবে? তাও টানা ১১ বছর? এই দীর্ঘ সময়ে একবারের জন্যেও কি লোকটা বিবেকের তাড়না বা দংশন অনুভব করেনি? নিজের শরীরের অংশ দিয়ে যে সন্তানকে জন্ম দিয়েছে, কি করে একটা মানুষ পারে তাকে ধর্ষণ করতে? কীভাবে? 

মানুষ হিসাবে আমি লজ্জিত হই প্রতিদিন। কারো কন্যা হিসাবে ভয়ে শিউরে উঠি। আর বিধাতার সামনে প্রশ্ন একটাই বারবার- নারীর কি শরীরটাই সব হে বিধাতা? নারীর কি শরীরটাই একমাত্র পরিচয়? তার কি আর কোন পরিচয় নেই? আর কোনই কি অস্তিত্ব নেই?

কেন যেন মাঝে মাঝেই মনে হয়, খুব ভালো হয়েছে বিধাতা আমাকে একটি কন্যা দেন নি। খুব ভালো হয়েছে... এই অন্ধকার অধর্ম দিয়ে ঠাসা পৃথিবীতে আমি একজন কন্যাকে আনতে চাইনা কেবল দুঃখ ভোগ করার জন্য।

(আমি তুচ্ছ অসহায় মানুষ। কিছু করার অক্ষমতায় যখন নিজের প্রতি ঘেন্না জন্মায়, মাথা হেঁট হয়ে যায়- তখন মনে যা আসে দু কলম লিখে ফেলি। পাঠকের ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি কাম্য)

বোকা মেয়ের ডায়রি

সুখি হওয়া যায় কিসে? পারিবারিক বিয়ে নাকি প্রেমের বিয়ে ?

বিয়ে হলো সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দুটি বিপরীত লিঙ্গের মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়। বিয়ের মাধ্যমে নারী ও পুরুষ তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু করে। আর তাই বিয়ে যুগ যুগ ধরে মঙ্গলজনক ও ঐতিহ্যবাহী বন্ধন হিসেবে মনে করা হয়।

পারিবারিক ও প্রেমের দু’ভাবে বিয়ে হয়ে থাকে। অচেনা অজানা মানুষ নাকি পূর্ব পরিচিত ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে ঘর বাঁধলে সুখী হওয়া যায়? এ নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্ক।

অনেকে মনে করে বাবা-মা বা অভিভাবকের মনোনীত পাত্র-পাত্রী বিয়ে করলে তাদের আশীর্বাদে সুখী হওয়া যায়। আবার অনেকে মনে করেন নিজেদের পছন্দে বিয়ে করলে দাম্পত্য সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো থাকে।

পারিবারিক বিয়ে

শুধু বর-কনে নয়, দুই পারিবারের সদস্যদের সম্মতি ও অংশগ্রহণে আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে যে বিয়ে হয়ে থাকে সেটা পিারিবারিক বিয়ে হিসেবে পরিচিত। এই বিয়েতে আনুষ্ঠানিক আচার-আচরণের সমন্বয় ঘটে থাকে। বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবার মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে এই বিয়ে হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই অচেনা, অজানা মানুষের দুটি মানুষ একসঙ্গে সংসার গড়ে তোলে।

পারিবারিক বিয়েতে বর-কনের আবেগ ভালোবাসা অনেকটা দূরে থাকে। দুজনের পূর্বপরিচয় না থাকায় নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া হতে সময় লাগে। তবে বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ধীরে ধীরে সম্পর্ক মজবুত হতে থাকে। আবার নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হলে তা অভিবাবকদের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান হয়ে যায়। পারিবারিক বিয়েতে ছেলেদের অর্থনৈতিক অবস্থা আর মেয়েদের বংশমর্যাদাকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। বর্তমানে পারিবারিকভাবে বিয়েতে বৈবাহিক জীবন অনেকটা সুখী হয়।

485558_10151406434290841_96270475_n 











প্রেমের বিয়ে

সাধারণত ভালোবাসার বিয়ে হয় সবার অলক্ষ্যে বা অপত্যাশিতভাবে গোপনে। নির্দিষ্ট সময় প্রেমের ভালোবাসার পর দুজনের মধ্যে মিলন ঘটাতে প্রেমিক যুগল বিয়ে করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেমের বিয়েতে আবেগ কাজ করে সবচেয়ে বেশি।

যখন নির্দিষ্ট সময় ভালোবাসার পর পারিবারিকভাবে বিয়ে করতে সমস্যা হয় কেবলমাত্র তখনই প্রেমিক যুগল একা একা বিয়ে করে। যখন কেউ তার মনের মানুষকে খুঁজে পায় কিছুদিন প্রেম করার পর তারা তাদের অভিবাবকের সরণাপন্ন হয়। অভিবাবকেরা যখন বিয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তখন কেবল দুজনের ভালোবাসা সার্থক ও পরিপূর্ণ করে তুলতে একা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।

প্রেমের বিয়েতে নিজেদের মধ্যে পূর্ব জানাশোনা থাকায় বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক গড়তে সমস্যা হয় না। আবার ভালোবাসার বিয়ের খারাপ দিকও রয়েছে। প্রেমের বিয়েতে সাধারণত পারিবারিক সংযোগ কম থাকায় নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা কোনো কারণে সমস্যা হলে তা সমাধান করার কেউ থাকে না। ফলে ধীরে ধীরে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি এক সময় সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আজও বুঝিনা ভার্সিটি লাইফ এর মজা।



আমার নিজের একটা বন্ধু-মহল আর তৈরি হয়নি । ভার্সিটির শুরুটা আমার ভালো লাগেনি। ২০১২ এর স্প্রিং এ অ্যাডমিশন নেয়ার পর ক্লাস এ গিয়ে বুঝলাম নিজেদের সাথে মিশে যাচ্ছে । বিশেষ করে ছেলে এবং মেয়েরা। আমি নতুন কোথাউ গেলে বরাবরই একটু খুব কম কথা বলি। তবে কোথাউ মিশে যেতে পারলে আমার এইসব সমস্যা থাকেনা। তবে সেটার জন্য আমার অনেক সময় দরকার হয়। আমি ১ বছর আগে সেই সময় টুকু পাইনি। মোটামুটি সমবয়সী মানুষ গুলা থেকে ভালো রকমের ব্যবহার এর অভাবে আমি ক্লাস এ যেতে চাইতাম না। 

তখন ভর্তি হলাম কোচিং এ। ২য় বার ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার, মজার ব্যাপার হলো আমি পরীক্ষা টা আর দিতে পারিনি। একটা ভুলের কারনে আমি অ্যাডমিট কার্ড নিতে পারিনি। এর পর ব্যাক করলাম আমার সেই EWU তে। মাঝে দিয়ে EWU এর একটা ছেলের সাথেই সুন্দর করে প্রনয় এর সম্পর্ক গড়ে উঠে। সেটা এক বিশাল কাহিনী। সেটা অন্য একদিন বলবো। তো যাই হোক, এই বছর ভার্সিটি তে ব্যাক করার পর দেখি মোটামুটি ক্লাসমেট গুলা ভালোই পেয়েছি। সবাই মিশুক প্রকৃতির। তবুও যেটা হয়, ওর সাথে থাকতাম ক্লাস শেষ হবার পর। এর ফলে আমার সাথে খুব ভালো বন্ধুত্ব কারো সাথে হয়ে উঠেনি। ওরা নিজেরা সেম ব্যাচের। আমি একটু পুরাতন পচা ছাত্রী।

যখন ওর সাথে আমার ব্রেক-আপ হয় তখন একদম একা হয়ে পড়ি। এখনও আমার ভার্সিটিতে ভালো বন্ধু-বান্ধব নাই। সেই যে বললাম, কোথাউ মিশতে গেলে আমার একটু সময় দরকার হয়, কিন্তু সেটা আজও হয়নি। সেই সুযোগ টাও পাইনি।

আমাকে অনেকে বলে তুমি তো কারো সাথে কথা-ই বলো না, আমার প্রশ্ন আমাকে কতটুকু বলার সুযোগ দিয়েছো ? আমি তোমাদের মতো হতে পাড়ি না, আমি এমনই। তবে তোমাদের মনে হয়তো কখনো আসে না যে আমার মতো মানুষ থাকতে পারে। যাই হোক এটা আমার একটা সমস্যা, তোমাদের না।

দেখতে দেখতে ভার্সিটির আইডি কার্ড এর বয়স ২ হয়ে এলো কিন্তু আমি ১ বছর মানে ৩ সেমিস্টার শেষ করার পথে। তবুও আজও বুঝিনা ভার্সিটি লাইফ এর মজা।

আমার কাছে মজা লাগেনা কারন কি আমার সেখানে ফ্রেন্ড নাই সেই জন্য?

যারা বলে ভার্সিটি লাইফ অনেক মজার তাদের কথা শুনতে বিরক্ত লাগে। ভার্সিটি মানে অনেক গুলা পচা আমার কাছে ভার্সিটি মানেই ক্লাস করা, পচা পচা অনেক বড় বড় লেকচার, অ্যাসাইন্মেন্ট, ল্যাব রিপোর্ট , পরীক্ষা আর ক্লাস আর ক্লাস অনেক অনেক বিরক্তিকর।

জান্নাত মিম /ফেইসবুক

পরকিয়া প্রেমের রোমান্স

rongdhonu007_1290097676_1-prova.jpg 
এ বিষয়ের ইতিবাচক দিক নিয়েই পরকিয়া প্রেমের রোমান্স জগতের কথা। আজকের সমাজে নানাবিধ সমস্যার ভীরে বিবাহ বহির্ভুত সেক্স একটি গুরুত্বপুর্ন সমস্যা। যে ছেলেটার হোমওয়ার্ক নিয়ে ভাবার কথা সে, ভাবছে তার না পাওয়া বান্ধবীটিকে নিয়ে। যে মেয়েটার জীবন গড়ার জন্য কাজ করার কথা, সে জড়িয়ে যাচ্ছে অযাচিত স্ক্যণ্ডালে। আবার যে পুরুষ কিংবা নারীটির সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সে পড়ে থাকছে পরকিয়া নামক নিষিদ্ধ রোমান্সের জগতে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে এসবের পেছনে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্কটি।

একটা গ্রাম্য প্রবাদ আছে ” পেট আর চেট (শিশ্ন) এর জন্যই দুনিয়ার যত কাজকারবার।” কিন্তু আমরা পেটের কথা ভুলে অধিকাংশ সময় ব্যয় করছি চেটের পেছনে। একটু কি ভাবনার বিষয় নয়? আমাদের সমাজে বিভিন্ন নিয়ম-কানুনের দ্বারা বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ককে অবৈধ করা হয়ছে। এটি শুধুই সামান্য একটি ছোটখাট অপরাধ নয়, রীতিমত জঘন্য একটি পাপ। এমন কাজে কারো জড়িয়ে পরাকে তার জীবনের চরম অধপতন হিসেবে গন্য করা হয়। তদোপরি আছে ধর্মের বাধা ও নরকবাসের ভয়। এতকিছু দিয়ে এহেন অবৈধ কাজটিকে থামিয়ে রাখা যাচ্ছে কি? কে কি বলবেন জানি না, কিন্তু এটা অস্বীকার করার উপায় নাই যে, সমাজের একটা বিরাট অংশ এ কাজে এখনো জড়িত আছে। পেপার পত্রিকায় আসা খবর, কিংবা মোবাইলে স্ক্যন্ডালগুলোকে রেফারেন্স ধরলেও সংখ্যাটা কম না। আর অপ্রকাশিত ও না জানা ঘটনাগুলোর কথা না হয় বাদই দেয়া গেলো।

যে বয়সে একটা ছেলের স্কুলের পড়া আর হোমওয়ার্ক নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকার কথা, তাকে আমর দেখতে পাই পাড়ার চায়ের স্টলে কোন মেয়ের অপেক্ষায় বসে আছে। এক সময় জড়িয়ে যাচ্ছে ইভটিজিং নামক অপরাধে। এই ছেলেটি যার জন্য বসে আছে, সেই মেয়েটিকে যদি তার সাথে মিলিয়ে দেয়া যায়, দেয়া যায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ, তাহলে ছেলেটি কয়বার, কতদিন স্টলে আর পাড়ায় আড্ডায় জড়াবে? জড়াবে কি ইভটিজিং-এর মত সামাজিক অপরাধে? ধর্ষনের ক্ষেত্রেও কি এই কথাটা প্রয়োগ করা যায় না?

সেক্সকে এমন ফ্রি করে দিলে সতীত্বের প্রশ্নটা চলে আসে। সতীত্ব কি শারীরিক? না কি মানসিক? মানসিক না হলে ধর্ষিতাকে অসতী আখ্যা দেয়াটাও যুক্তিযুক্ত নয় কি? আবার, সতীত্ব যদি মানসিক ব্যপার হয়, তাহলেও প্রশ্ন থেকে যায়। সমাজে এমন কোন নারী কিংবা পুরুষ কি পাওয়া যাবে যারা জীবনে একবারো স্বপ্নদোষ নামক ব্যধিতে আক্রান্ত হননি? স্বপ্নদোষের সঙ্গমে কেউ কি তার বিবাহিত স্বামী কিংবা স্ত্রীর সাথেই মিলিত হন? স্বপ্নদোষে সতীত্ব নষ্ট না হলে মানসিক সতীত্বের ধারনা কতটুকু গ্রহনযোগ্য?

এবার আসা যাক বিভিন্ন বিধি নিষধের ব্যপারগুলোতে। বিভিন্ন ধর্ম ও শাস্ত্রে বিবাহ বহির্ভুত শারীরিক সম্পর্ককে মারাত্নক একটি পাপ বলে গন্য করা হয়েছে। কোন কোন ধর্মে এর শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে, তদোপরি নরকবাস তো আছেই। অন্যদিকে রাষ্ট্র এমন কাজকে অসামাজিক হিসেবে গন্য করেছে, শাস্তির বিধানও রেখেছে। কথা হলো এমন বিধি নিষেধ ও শাস্তির ভয় কি আদতেই মানুষকে এহেন অবৈধ কর্ম থেকে বিরত রাখতে পারছে? পারছে যে না তার ভুরি ভুরি উদাহরন আমাদের সমাজে বিদ্যমান। মানুষ যদি এসব নিয়ম বিধান না’ই মানে অথবা মানতে না পারে তাহলে এমন বিধি ঘাড়ে চাপিয়ে রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু? এতে বরং অপরাধবোধে ভোগার মাধ্যমে মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুকিই বাড়ছে দিন দিন।

দেশের অধিকাংশ পরিবারই তো পরকিয়া সমস্যায় জড়িত। বিশেষ করে, প্রবাসী স্বামীর স্ত্রীদের প্রায় ৯০% পরকিয়ায় জড়িত। ধরাপরা পরিবারগুলো কি খুব শান্তিতে আছে? স্বামী বিদেশে থাকায় শশুরবাড়ির লোকজন স্ত্রীটিকে তেমন কিছু বলতেও পারেনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্ত্রী থাকেন বাবার বাড়িতে, অনেক পরিবারে বাবারা বাড়ির লোকেরা শারীরিক সম্পর্কের জন্য সাহায্যও করে থাকে। এমনও ঘটনা আছে যে, বাবা-মা নিজে মেয়েটিকে এমন সঙ্গমের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বেচারা স্বামীর কানে এসব কথা গেলেও, স্ত্রীর কথাই বিশ্বাস করে, কিন্তু ভোগে অন্তর্দহনে।
" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!