প্রথম পাতা |
ফটো স্টুডিও |
আমার প্রতিদিন |
অনুভুতি |
উপদেশ |
স্বাস্থ্য |
তোমাদের ছবি |
শাড়ীতেই নারী |
আজকের বার্ত |
তোমার রুপ |
বাবা তোমায় ছালাম |
কবিতা |
সাহিত্য |
Valobashar Koto rokomer ??
†cÖ‡gi aiY-†cÖg KZ
cÖKvi ??
HKg‡Zi
†cÖg t
g‡bi m‡½ hw` gb wg‡k hvq, †Pv‡Li m‡½ †PvL,
e¨vm n‡q †Mj †cÖg-HKg‡Zi †cÖg| AZGe †bB †Kvb mgm¨v| LvI `vI dwZ© K‡iv| msm`
feb, ej`v Mv‡W©b, cvewjK jvB‡eªqxi wPcvq gy‡L-gyL, ey‡K-eyK, †`n g‡b A‰_ myL|
A_ev N›Uvi ci N›Uv gyLvgywL Ajm e‡m _vKv| wP‡bev`v‡gi †Lvmv Qviv‡Z Qviv‡Z
†Pv‡Li Zvivq AvKvk †`Lv| hZw`b AvK©lb Av‡Q, Zzwg Av‡Qv-Avwg AvwQ, AvK©lb
dziv‡jB wØgZ, †f‡½ hvq HKgZ| Zvici `yw`‡K `yRbvi `ywU c_|
Av‡cvmnxb
†cÖg t
cÖ_gZ, Avwg †Zvgv‡K PvB, wØZxqZ, Avwg †Zvgv‡K
PvB, †kl ch©š— Avwg †Zvgv‡K........| †Zvgvi Rb¨ Avwg †dwÝ Lv‡ev, †cw_wWªb
†b‡ev, ZeyI †Zvgv‡K PvB| †Zvgv‡K bv †c‡j AvwgI bvB| Mv‡Qi Wv‡j QvM‡ji `wo †e‡a
A_ev wmwjs d¨v‡bi mv‡_ kvwo †e‡a Sz‡j coe| Av‡cvmnxb †cÖg Ggwb Kov, Ggwb
†ec‡ivqv| Rxe‡b †Kvbw`b evW e¨vs‡K i³ †`qwb GK‡dvUvI| A_P ivZ †R‡M i³ A¶‡i
wPwV †jLv, nv‡Z †eW Pvwj‡q †cÖwgKvi bvg †jLv|
AmvsweavwbK
†cÖg t
wejwK¬Ub G‡K e‡j‡Qb AmvsweavwbK m¤úK©, A_©¨vr
ciKxqv †cÖg| †h †cÖg weavb m¤§Z bq| PZzi evIqvjx n‡q A‡b¨i †gŠPvK †_‡K Pzwcmv‡i
gay LvIqv| A‡bKUv Gikv`xq ÷vBj| ciKxqv †cÖg, wbKwlZ †ng, KvgMÜ bvB ZvB| Ggb
†hb- Mwb wgqvi wb‡Ri Rwg bvB ZvB †m A‡b¨i Rwg Pvl K‡i| Ii g‡Z-ciwKqv nj
Sv‡gjvnxb wb®‹›UK fvjevmv, dmj n‡jB nj-Rwgi gvwjKvbvi ejvB bvB|
‰¯^ivPvix
†cÖg t
Zzwg ïay Avgvi, †KejB Avgvi| †cÖwgKvi Ici G
ai‡bi gvwjKvbv `vex KivB n‡jv ‰¯^ivPvix †cÖg| Avgv‡K †Zvgvi fvjevm‡ZB n‡e| bv
n‡j Avwg †Zvgvi gy‡L GwmW Qzi‡ev, cÖ‡qvR‡b iv¯—v †_‡K Zz‡j......| Gai‡bi ûgwK
avgwKi gva¨‡g Re`w¯— fvjevmv Av`vqB n‡jv G RvZxq †cÖ‡gi ˆewkó| Zzwg hw` Kvj
†_‡K wmMv‡iU bv Qv‡ov †Zv........ | †cÖwg‡Ki cÖwZ hLb ZLb Gai‡bi digvb ev
Aa¨v‡`k Rvwi KivI ‰¯^ivPvix †cª‡gi ch©vqfy³|
GK`jxq
†cÖg t
GK`jxq †cÖg n‡jv A‡bKUv Iqvb mvB‡WW jvf ev
GKZidv †cÖg| †ekxi fvM †¶‡ÎB G †cÖg
AcÖKvwkZ| g‡bi K_vwU g‡bi g‡a¨ ¸g‡o g‡i| mvn‡mi Afve, jvÂbvi f‡q hw` cv‡Q †jv‡K
wKQz e‡j| AZGe....mviv¶b D`vm D`vm fve| †cÖwgKvi cv‡qi k‡ã eyK aidi K‡i| KÉ ï‡b
Pg‡K IVv, Zvici wewb`ª iRbx, mv`v KvM‡R KweZvi RÄvj, ej‡ev ? wKš‘........
wKfv‡e ewj ? hw` †m fyj †ev‡S ? BZ¨vw` me g‡bvweKvi | nUvr GKw`b cvwL D‡i hvq,
i‡q hvq Zvi cvjK| GKeyK `xN©k¦vm, mvivRxeb nv-ûZvk|
myweavev`x
†cÖgt
Gavivi †cÖwgK-‡cÖwgKviv a‡iv Z³v, gv‡iv †c‡iK
Z‡Ë¡ wek¦vmx | †Lvjv gvV ev cv‡K©i wbR©bZvi †P‡q Pvqbv †i‡¯—vivi Av‡jv-Avavix‡Z
wKsev †eWi“‡gi Dò wbweo cwi‡ekB G‡`i †ekx cQ›`| Giv bM` †jb‡`‡b Af¨¯—| †`‡e Avi
†b‡e, wgj‡e, †gjv‡e........| myweavev`x ivRbxwZKi‡`i `je`j Gi g‡Zv G †kªbxi
†cÖwgK-‡cÖwgKviv Avevi Nb Nb m½x cvëvq| Avm‡j †cÖg nq, G‡`i gyj j¶¨ n‡jv evwo,
Mvwo, e¨vsK-e¨v‡jÝ ev ivRKb¨vmn ivRZ¡| ivRbxwZKi‡`i wbe©vPbx e¨‡qi gZ Giv
†cÖwgKvi †cQ‡b cÖPzi mgq I A_© Bb‡f÷ K‡i Ges c‡i Zv my`-Avm‡j Dmyj K‡i|
--------
স্বামী-স্ত্রীর মিলনের যতো সুফল
ঢাকা: স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক শারীরিক মিলন৷ আবার এটি শারীরিক প্রয়োজনীয়তার এক প্রকার বহিঃপ্রকাশও বটে। কিন্তু আমাদের সমাজে যৌন শিক্ষার সম্যক জ্ঞানের অভাবে অনেক কিছুই অনেকের জানা নেই। এ কারণে এই আলট্রামডার্ন ক্যারিয়ারমুখী জীবনে আপনি হয়তো সঙ্গীর কথা বেমালুম ভুলেই গেছেন। রাতদিন শুধু ক্যারিয়ার আর ক্যারিয়ার। এভাবে সঙ্গীকে দীর্ঘ অবহেলার কারণে বিষয়টি সংসারে নানা অশান্তি এমনকি বিচ্ছেদও ডেকে আনতে পারে। আসক্তি জন্মাতে পারে মাদকে, অপকর্মে কিংবা অন্য কোনো অপরাধে। এ তো গেলো শারীরিক মিলন নিয়মিত না করার সামান্য কুফল, এর চেয়ে ভয়াবহ পরিণতিও আসতে পারে। আসুন জেনে নেয়া যাক, শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর যৌন মিলনের আর কি কি গুণ আছে সেসব সম্পর্কে।
ভালো ব্যায়াম
স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক মিলনে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালোভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি ৩০ মিনিট ব্যয় করলে আপনার ৮৫ ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে ৭৫ মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে বা আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও সুদৃঢ় হয়৷
জীবনকাল বাড়ে
স্বামী স্ত্রীর নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিনবার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনাও কমিয়ে দেয়৷
ব্যাথা থেকে মুক্তি
বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে, স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিঃসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷
পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কমে
যেসব স্ত্রীদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় নারীদের (সবার নয়) খুব বেশী ব্যাথা হয়ে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে নারীদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷
মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি
স্বামী স্ত্রীর মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সব থেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷
ভালোবাসা বাড়ে শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারিতা ভীষণ জরুরি৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷
কর্ম ক্ষমতা বাড়ে
স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
ভালো ঘুম হয়
শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে উপকার পাবেন৷
আত্মবিশ্বাস বাড়ে
স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির মনে চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতরকার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি, তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷
ওজন কমে
স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয়, তার ফলে ব্যক্তির ওজন কমে৷ নিয়মিতভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা হ্রাস পায়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷ অনেকে লাখো টাকা ব্যয় করেন ওজন কমানোর পেছনে। এ ক্ষেত্রে তারা উপকার পাবেন।
সৌন্দর্য্য বাড়ে
স্বামী স্ত্রীর শারীরিক মিলনকালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপর৷ এতে সৌন্দর্য্যর রক্তিমচ্ছটা ছড়িয়ে পড়ে। আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে বিশেষ আভা আর কমনীয়তা আনে৷ শারীরিক মিলন কালে নারীদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷
শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার স্পা চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷
এছাড়াও
স্বামীদের প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কমে, হাঁপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি, যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷ কারণ জ্বরও এক ধরণের উত্তেজনা। উত্তেজনায় (ফেভার) উত্তেজনা প্রশমন করে। যেমনটা বিষে বিষ কাটে।
আশা করি বিবাহিত দম্পতিরা আজকের প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য থেকে উপকৃত হবেন। সামনে অন্য কোনো প্রসঙ্গ নিয়ে আবার হাজির হবো। আপনাদের সবার জীবন সুখী সমৃদ্ধ হোক। ভাল থাকুন।
Beautiful Ramadan Picture
A Kashmiri Muslim father and son wash themselves at a fountain in the
compound of Jamia Masjidor grand mosque before offering afternoon
prayers on the first day of the Muslim holy month of Ramadan in
Srinagar, India August 2
What a beautiful Pic
A defected Yemeni soldier who joined sides with anti-regime protesters reads the Koran as he sits on an armoured vehicle near the entrance to Taghyeer Square in Sanaa August 2. After six months of mass protests seeking to end president Ali Abdullah Saleh's 33-year rule, demonstrators vow to continue their sit-in at Taghyeer square through the Muslim fasting month of Ramadan until their demands are met.
What a beautiful Pic
A defected Yemeni soldier who joined sides with anti-regime protesters reads the Koran as he sits on an armoured vehicle near the entrance to Taghyeer Square in Sanaa August 2. After six months of mass protests seeking to end president Ali Abdullah Saleh's 33-year rule, demonstrators vow to continue their sit-in at Taghyeer square through the Muslim fasting month of Ramadan until their demands are met.

A Kashmiri Muslim takes a nap at the Jamia Masjid (central mosque) in Srinagar on Aug. 2.

A man reads the Koran on the first day of Ramadan while taking shelter from rain on a sidewalk in Lahore August 2
A Nepalese Muslim boy prays on the second day of the holy fasting month Ramadan at a mosque in Katmandu, Nepal August 2.
A Palestinian boy plays with fireworks to celebrate the beginning of the Muslim holy fasting month of Ramadan in the town of Rafah, southern Gaza Strip, on July 31.
A rebel fighter prays before breaking the fast at the front line near the Libyan town of Zlitan on the first day of Ramadan
An Afghan man makes sweets in a shop in Kabul on the eve of the start of the Islamic holy month of Ramadan on July 31.
Indian Muslims offer prayers before breaking their fast at Mecca Masjid in Hyderabad,
on Aug. 2.
Chinese Hui Muslim girls read the Koran, Islam's holy book, at the Niujie Mosque as they wait for their fast on the first day of the Muslim holy month of Ramadan in Beijing August 1
Chinese Hui Muslim boys waits in front of food as they wait to break their fast on the first day of the Muslim holy month of Ramadan in Beijing, August 1
Indian Muslims offer prayers prior to breaking their fast on the first day of the holy fasting month of Ramadan at Mecca Masjid in Hyderabad on August 2.
Libyan men pray at the end of the first day of fasting for Islam's holy month of Ramadan in Benghazi on Aug. 1.
Men distribute food after the first day of fasting at a mosque in Karachi, Pakistan, on Aug. 2
Men, women, and children observing Ramadan break their first day of fasting on a bridge in downtown Istanbul, Turkey on Aug. 1.
Muslim woman attend mass prayer session Tarawih, which marks the beginning of the holy fasting month of Ramadan, at Al Akbar mosque in Surabaya
Muslim women attend mass prayer session “Tarawih”, which marks the beginning of the holy fasting month of Ramadan, at Al Akbar mosque in Surabaya, East Java July 31, 2011.
Muslims break their fast at the Jama Masjid mosque in New Delhi, India on Aug. 2.
Muslims break their fast on the first day of Ramadan in Lahore, Pakistan, on Aug. 2.
Pakistani Muslims pray at the Dervesh Mosque in Peshawar on Aug. 1.
Palestinian boys read the Quran at the al-Omari mosque in Gaza City on Aug. 1.
Indonesian Muslim women pray on the first night of Ramadan on July 31 in Jakarta.
Students pray during the first day of the holy month of Ramadan at the
Al-Mukmin Islamic boarding school in Solo, Indonesia's Central Java
province, August 1.
কেমন বয়সের মেয়ে বিয়ে করা উচিৎ
ইতিপূর্বে একাধিকবার পুরুষের পাত্রী নির্বাচন এবং শারীরিক সমস্যা নিয়ে লিখেছি। এখনও আমাদের সমাজে অনেক ক্ষেত্রে ধারণা করা হয়ে থাকে পুরুষের আবার বিয়ের বয়স কিসের। পুরুষ মাত্রেই যে কোন বয়সের একটি মেয়েকে ঘরে তুলতে পারে কিন্তু বিষয়টির সামাজিক প্রেক্ষাপটের চেয়ে শারীরিক বিশ্লেষণ বেশী গুরুত্ব দেয়া উচিত। এই মুহূর্তে বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রীর বয়স নিয়ে লেখার কোন ইচ্ছেই ছিলো না। পুরুষের অন্য একটি বিষয় লিখবো ভেবেছিলাম। কারণ আমার এক পুরুষ রোগীর দীর্ঘদিন পর পিতা হবার চিকিৎসার পেক্ষাপট নিয়ে লিখতে চেয়েছিলাম। এ বিষয়টি পরে লেখা যাবে। যাহোক যা বলছিলাম, দু’তিন, দিন আগে আমার চেম্বারে একটা মেয়ে আসে। উজ্জ্বল শ্যামলা।
শরীরের গড়ন হালকা। মেয়ে বললে ভুল হবে, কিশোরী বলাই ভালো। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাড়ী। সোনারগাঁও বললে, আমি নানা কারণে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ি। তার একটি কারণ হচ্ছে আমার লেখনীর শিক্ষাগুরু প্রখ্যাত সাংবাদিক লেখক ও কলামিষ্ট জনাব শফিকুল কবির এর বাড়ী এই সোনারগাঁওয়ে। যাই হোক, সোনারগাওয়ের সেই মেয়েটি বললেন, আমি ফর্সা হতে চাই ডাক্তার সাহেব। আমি বললাম তুমিতো অনেক সুন্দর এবং তোমার গায়ের রং যথেষ্ট ভালো। মিয়েটিকে আশ্বস্ত করতে বললাম, আমার মেয়ের গায়ের রং ও তোমার মত। তাছাড়া ত্বক ফর্সা করার কোন চিকিৎসা নেই।
আজকাল কিছু কিছু বিউটি পার্লারের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে তরুণী-মহিলারা ছুটছেন তক ফর্সা করতে। আসলে ত্বক ফর্সা করার কোন ব্যবস্থা চিকিৎসা শাস্ত্রে নেই। বহুবার বলেছি আমি আমেরিকা ও সিঙ্গাপুরের দু’টি বিখ্যাত হাসপাতালে স্কিন, লেজার ও কসমেটিক সার্জারির ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় কখনও ত্বক ফর্সা করা সম্ভব এমন কথা শুনিনি। কখনও কেউ বললেনি ত্বক ফর্সা করা যায়। তবে আজকাল লেজার টেকনোলজির সুবাধে ত্বক ব্রাইট করা যায়, ফর্সা করা যায় না। মুখের ব্রাউন স্পট, পিগমেন্ট, তিল, মোল, আঁচিল, অবাঞ্ছিত লোম দূর করা যায়। ত্বক ফর্সা করার কোন লেজার ও চিকিৎসা এখনও বের হয়নি।
তবে তথাকথিত হুয়াইটিনিয সিস্টেমের নামে মুখের ত্বক পুড়িয়েং দিয়ে ফর্সা করার মারাত্মক ক্ষতিকর উপায় নিয়ে দু’একটি বিউটি পার্লার প্রচার করে থাকে। এসব অবৈজ্ঞানিক মারাত্মক ক্ষতিকর হুয়াইটিং সিস্টেম নিয়ে আর একদিন বিস্তারিত লিখবো।
সোনারগাঁও এর ঐ মেয়েটির কাছে জানতে চাইলাম- তুমি কেন ত্বক ফর্সা করতে চাইছো। প্রথমে মেয়েটি সংকোচ বোধ করলেও সে জানালো আমার বিয়ে হয়েছে একমাস। স্বামী আমেরিকা প্রবাসী। বর্তমানে দেশে আছে। স্বামী চায় আরও ফর্সা ত্বক। এরপর জানতে চাই তোমার স্বামী কোথায়। মেয়েটি বললো ও আমার সঙ্গেই এসেছে। ধারণা ছিলো অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ১৪/১৫ বছরের মেয়েটির স্বামীর বয়স ২০/২২-এর বেশী হবে না। ওমা বয়সে ৩৮/৪০ এর কম হবে না। প্রথম মিনিট খানেক ভীষণ রাগ হয়েছিলো। যাহোক, রোগীদের ওপর রাগ করার কোন অধিকার ডাক্তারের নেই। স্বাভাবিক হয়ে জানাতে চাইলাম আপনার নতুন বিবাহিত জীবন কেমন কাটছে। এরপর বেশখানিকটা সময় নিয়ে কথা হলো। ত্বক ফর্সা করার ভুল ধারণা ভেঙ্গে দিয়ে কিশোরী মেয়েটিকে বাইরে যেতে বললাম। এর পর মধ্যবয়স্ক যুবকের কাছে জানতে চাই কেন আপনার অর্ধেকের চেয়ে কম বয়সের একটি মেয়েকে বিয়ে করেছেন। যুবকটি কোন সদুত্তোর দিতে পারলেন না। এই যুবকটি ঢাকার একটি নামকরা কলেজ এবং একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। যুবকটি জানালেন এখনই তাদের ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা হচ্ছে। বললেন ডাক্তার সাহেব শরীর ঠিক রাখতে কোন ওষুধ দেয়া যাবে কিনা। আমি দু’একটি মামুলি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করতে দিয়ে আর একদিন আসতে বলি।
আজ থেকে ১০ বছর পরের একটি দৃশ্যের কথা চিন্তা করুন। যখন সোনারগাওয়ের কিশোরী মেয়েটির বয়স হবে ২৫/পরিপূর্ণ এক যুবতী। আর যুবকটির বয়স হবে ৪৮/৫০ এ বয়সে নিশ্চয়ই দু’জনের চাওয়া-পাওয়ার ক্ষেত্রে থাকবে অনেক ব্যবধান। এখানে আজকের কিশোরীটির চিরায়ত বাঙালী চরিত্রের রূপায়ণ অর্থাৎ সব কিছু নিরবে মেনে নিয়ে বয়স্ক স্বামীর ঘর করা অথবা পরিবারের সকলের অমতে ভিন্ন চিন্তা করাই কিন্তু আমাদের মত রক্ষণশীল সমাজে সব সময় ছাড়া উপায় নেই। কাজটি করতে পারে না অথবা করে না। যাহোক, আমাদের দেশে এখনও আইন বলবৎ আছে মেয়েদের ১৮ বছরের নীচে এবং পুরুষের ২১ বছরের কম বয়স বিয়ে করা উচিত নয়।
বয়সের পার্থক্য কেমন হবে তা অবশ্য আইনে বলা নেই। তবুও একজন নগন্য সেক্সোলজিষ্ট হিসেবে আমার নিজস্ব অ্যাসেসমেন্ট হচ্ছে বিয়ের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বয়সের ব্যবধান বেশী থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। এছাড়া কোন অবস্থাতেই মেয়েদের ১৮ বছরের নীচে বিয়ে দেয়া উচিত নয়। সম্ভব হলে মেয়েদের নূন্যতম বিয়ের বয়স ২০ বছর নির্ধারন করা উচিৎ। বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়েদের একই বয়সী না হলে বয়সের ব্যবধান সর্বোচ্চ ৫/৭ বছরের মধ্যে থাকা ভালো। তবে যে কোন মেয়ে তার পরিপূর্ণ বয়সে যে কোন বয়সের পুরুষদের বিয়ে করার আইনগত অধিকার রাখেন। এটা নিশ্চয়ই তার নিজস্ব ব্যাপার। তবে অপরিণত মেয়েদের ক্ষেত্রে স্বামীর বয়স নির্ধারণ করার দায়িত্ব অবশ্যই অভিভাবক বা পিতা-মাতার। শারীরিক ও মানসিক সমস্যা এড়াতে অবশ্যই স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কম হওয়া উচিত। পাশাপাশি যদি কেউ বেশী বয়সে বিয়ে করতে চান তাদের অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। এতে ভবিষ্যতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সৃষ্ট নানা সমস্যা এড়ানো যায়।
" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!


































