প্রথম পাতা |
ফটো স্টুডিও |
আমার প্রতিদিন |
অনুভুতি |
উপদেশ |
স্বাস্থ্য |
তোমাদের ছবি |
শাড়ীতেই নারী |
আজকের বার্ত |
তোমার রুপ |
বাবা তোমায় ছালাম |
কবিতা |
সাহিত্য |
ভালবাসা-ভাল কিছু নয় ।
বন্ধুত্ব প্রায় সময়ই ভালবাসায় রুপান্তরিত হয়, কিন্তু সে ভালবাসা একবার ভেঙ্গে গেলে আর বন্ধুত্বে ফিরে আসা যায়না । যেমন; একদিন দুজন মানুষ জুকারবার্গের দুনিয়ায় শুধু একে অপরের বন্ধু ছিল । তারপর দুজন দুজনের দিকে চোখ পড়ল । সবার স্টাটাস এড়িয়ে শুধু তার স্টাটাস পড়তে শুরু করল। তারপর শুরু হলো চ্যাটিং । দেখা হওয়ার প্রত্যাশা । একদিন দেখা হলো-ফোন নম্বর আদান-প্রদান হলো । তারপর তারা বন্ধু হলো এবং সবার থেকে আলাদা করে ভাবতে শুরু করলো । দুজনের প্রতি অধিকার জন্মাতে শুরু হলো, অতিরিক্ত কেয়ারিং, আলাদা করে দেখা করা, তারপর একদিন ভালবাসা । ধীরে ধীরে অধিকারের মাত্রা আরো বেড়ে গেল, ছোট্ট ছোট্ট অপরাধ বড় আকারে ধরা দিতে লাগল । তারপর একদিন সে ভালবাসা ভেঙ্গে গিয়ে মুখ দেখাদেখি বন্ধ ।
কখনো কখনো ভালবাসা মানুষকে স্বার্থপর করে তোলে । মানুষকে নিজের করে নিতে ভাবতে শেখায়, আমার শব্দটির উপরে গুরুত্ব অনুদাবন করায় । যেমন ধরুন; একঝাক তুরন-তরুনী আর হাসিখুসি জীবন । এর মাঝে একটা ছেলে আলাদা করে একটা মেয়েকে নিয়ে ভাবতে শুরু করল, স্বপ্ন দেখতে শুরু করল, তার ভাললাগাগুলি জানতে চেষ্টা করল, কেয়ার করতে লাগল, দুঃখ শুনতে লাগল, শান্তনা দিতে থাকলো, সাহায্য করতে লাগল, পাশে দাড়াল, সচেতন করল, সময় দিতে লাগলো, বুঝাতে লাগলো এটা করিসনা এটা ভুল-এটা খারাপ, এটা করা তোর উচিত হয়নি, কিংবা এই জামাটায় তোকে বেশ লাগে, একিদন আমার জন্য শাড়ি পরতে পারনা, কিংবা এই মানুষ একিদন তোর জীবনে ক্ষতির কারণ হতে পারে, এই লোকটা সুবিধার নয় ওকে এড়িয়ে চল.....এসব কারণেই মেয়েটি দু সপ্তাহের মধ্যে ছেলেটিকে কলিজার মধ্যে বসিয়ে ফেলে । এবার ছেলেটির পালা.....এই বন্ধু ভালনা, ওর চরিত্রে সমস্যা আছে, ঐ আমাকে খারাপ নজরে দেখে, আজ বন্ধুদের সাথে আড্ডা বাতিল করো-আমরা অন্য কোথাও বসি, মেয়েদের সাথে এত হাসিঠাট্টা কিসের হিরো সাজতে চাও, ঐ মেয়েটার হাত ধরলে কেন কিংবা ওর পাশে বসলে কেন, মেয়েটার প্রতি এত দায়িত্ববান হওয়ার কি দরকার ছিলো?, ঐ ছেলে বন্ধুটা বাদ দাও.......এসব অত্যাচারে ছেলেটি একদিন বাধ্য হয়ে স্বার্থপর হয় । মেয়েটার জন্য একা হয়ে যায়, আর কিছুদিন পর মেয়েটা চলে গিয়ে ছেলেটাকে একা করে দেয় । কিংবা দলের অন্যকারো সাথে আবার নতুন করে অধ্যায় রচনা করতে শুরু করে ।
সবাই ভালবাসার মানুষটিকে অবিশ্বাস করবে এটা একটা কমন ব্যাপার । কারণ যাকে সত্যিকারে ভালবাসা যায়, তাকে হারানোর ভয় সব সময় মনে তারা করে বেড়ায় । আর সবাই চায় বাকীদের কাছ থেকে তাকে আলাদা করে শুধু নিজের জন্য নিয়ে নিতে । এখানে দোষের কিছু নয় । তবে যদি এমন ভাবা হয়, ওর চরিত্রগত সমস্যা আছে, ওকে বাকীদের সাথে মিশতে দেওয়া যাবেনা, এই ধারণা নিয়ে যদি অবিশ্বাস করে সে ভালবাসায় একদিন ফাটল ধরবেই । তাই অনেক সময় দেখা মেয়ে বন্ধুটি ইচ্ছাকরে মানুষের কাছে ছেলেটির দোষ বলে বেড়াচ্ছে, যাতে ওর সাথে কেউ না মিশে, ওকে খারাপ ভেবে সবাই এড়িয়ে চলে, তাহলে ও একমাত্র আমারই থাকবে । হয়ত এই পলিশি কিছুদিন কাজে আসে, তবে যেদিন এই মেয়েবন্ধুটি তার জীবন থেকে চলে যায়-তারপর দেখা যায় ছেলেটি বাকীটা জীবনও ঐ মিথ্যা অপবাদের ভোজা বইতে থাকে-অনেক সময় বাকীটা জীবন একাই রয়ে যায় ।
ভালবাসা মানে স্বাধীন পৃথিবী থেকে কেউ যেন স্বেচ্ছায় আপনাকে ধরে নিয়ে তার নিজেস্ব খাচায় বন্ধী করে রেখে দিল, এখন ইচ্ছামতো মনস্তাত্তিক অত্যাচার করে চলছে, না পারা যায় তাকে ছেড়ে যেতে, না পারা যায় সহ্য করতে । যেমন ধরুন; বন থেকে একটা হরিন হাটতে হাটতে এসে কোন একজনের খাঁচায় ডুকে পড়ল, আর অমনি খাচার মালিক দড়জা বন্ধ করে দিল । এখন খাঁচার মালিক গুরুত্বহীন অবস্থায়. তাকে ফেলে রেখে ইচ্ছামতো আচরন করছে । অতিষ্ট হয়ে হরিনটি একদিন মালিকের কাছে এর কারণ জানতে চাইলে, মালিক বলল “কেন? আমিতো তোমাকেই ভালবাসি, আমার চোখে কি তোমাকে ছাড়া অন্য কিছু কখনো দেখেছো? আমার পুরো পৃথিবীটাই কি তুমিময় নয়?”
যেকোন সম্পর্কে একদিন না একদিন ফাটল ধরবেই, আমাদের উচিত দুজন নিভৃত্তে বসে আলোচনা করে ভুলবোঝাবুঝিগুলো সমাধান করা । যদি একান্তই সমাধান করা সম্ভব না হয়, তাহলে উচিত সম্পর্কটা শেষ করে দেওয়া । কিন্তু আমরা কখনো কখনো সম্পর্কটাকে শেষ না করে মানুষটাকেই শেষ করে দেই ।
রাগ
রাগ মানুষকে ধ্বংস করে দেয় । তাই যতটা সম্ভব রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে চেষ্টা করুন । কারণ রাগই সব ধরনের অশান্তির মুল । প্রতিনিয়তই রাগ করার প্রবনতার কারনে সবার সাথে আপনার সম্পর্ক ধীরে ধীরে খারাপ হতে পারে । তাই রাগকে বসে আনার চেষ্টা করুন, নয়ত আপনি যখন রেগে থাকেন, তখন কথা বলা বন্ধ করুন, কারণ স্বাভাবিকভাবে মানুষ যখন রাগ করে তখন তার মাঝে কোন নমনীয়তা কাজ করেনা, তখন এমন কিছু বলে ফেলতে পারেন, যা অন্যের কষ্টের কারণ হতে পারে ।
কাউকে রাগ করে কিছু বললে বা দুঃখ দিলে তার মনে একটা আচড় পরে যায় । কিছুক্ষন পর হয়ত আপনি তাকে সরি বা ক্ষমা চেয়ে সব মিটিয়ে নিলেন, কিন্তু তার সেই আচড়ে যাওয়া ক্ষতটা ঠিক করতে পারবেন না । আর মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশী ভয়ংকর হয় ।
ধরুন, আপনি রাগ করে আপনার প্রিয় মানুষটাকে খুব কষ্ট দিলেন । আপনার রাগ কমে গেলে, অনুনয়-বিনয় করে হাত-পা ধরে ক্ষমা চেয়ে নিলেন । আপনি হয়ত সেটা অল্পদিনেই ভুলে গেলেন, কারণ নিজের অপরাধ কেউ বেশী দিন মনে রাখেনা । কিন্তু আপনার প্রিয় মানুষটার মনে যে ক্ষতটা তৈরি হয়েছে সেটাতো আপনি বাইরে থেকে দেখতে পাচ্ছেন না, সেটা কি করে ঠিক করবেন? আপনাকে নিয়ে তার মনে যে নতুন করে ভাবনা তৈরি হচ্ছে, সেটা? বাকীটা জীবন আপনার সাথে কাটানো যাবে কিনা সেই সন্দেহটা কি করে ঠিক করবেন?
আপনি হয়ত বিশ্বাস করবেন না, আপনি যখন প্রিয় মানুষটাকে প্রথমবার কষ্ট দেন, সে ‘অনিচ্ছাকৃত ভেবে’ আপনাকে ক্ষমা করে দেয় । যখন একই ঘটনা দ্বিতীয়বার হয়, তখনও সে আপনাকে ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু চিন্তা করতে থাকে কিভাবে আপনাকে ঠিক করা যায়। কিন্তু যখন তৃতীয়বার ঘটে, সে ভেতরে ভেতরে তৈরি হতে থাকে, কিভাবে আপনাকে ছাড়া বেঁচে থাকা যায় । যেমনটা বাইরে যাওয়ার আগে আপনি আপনার জামা-কাপড়গুলো গুছিয়ে রাখেন । আর সে সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন । সে ভাবতে শেখে মানুষের কিছু অভ্যাস কখনো বদলায়না, তাই প্রতিদিন আঘাত পাওয়ার চেয়ে, নিজের ভুল গুলো শুদরে নেওয়াই বরং ভাল । আর তখন থেকেই আপনার প্রিয় মানুষটি ভেতরে ভেতরে দুরে সরে যেতে থাকে, হয়ত আপনি বাইরে থেকে বুঝতেও পারেন না । তাই রাগ কমাতে চেষ্টা করুন । কাছের মানুষগুলোর সাথে ভাল ব্যবহার করুন । সম্পর্কের যত্ন নিতে শিখুন ।
ভালবাসা পাপ নয়, ভালবেসে অস্বীকার করাটা পাপ ।
ভালবাসা পাপ নয়, ভালবেসে অস্বীকার করাটা পাপ । ভালবাসা অপরাধ নয়, ভালবেসে ভুলে যাওয়াটা অপরাধ । ভালবাসা দোষ নয়, ভালবেসে প্রতারণা করাটা দোষ ।
আপনি কি জানেন ভদ্র, সৎ, বাবা মায়ের বাধ্যগত ছেলেরা কিন্তু সুন্দরী বউ পায়না । সুন্দরী মেয়েরা এদের প্রেমে পরেনা আর পরাও উচিত নয় । কারন এরাই বাবা-মায়ের চাপে ভালাবাসা অস্বীকার করে, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ভূলে যায়, ক্যারিয়ারের জন্য প্রতারণা করে। আর যারা অভদ্র, অসৎ, বাবা মায়ের অবাধ্য ছেলে, তারাই সুন্দরী বউ পায় । কারণ সুন্দরী মেয়েরা এদের প্রেমে পরে এই ভেবে যে ওরা যদি একবার কারো প্রেমে পরে, তার জন্য বাকি সব ছেড়ে দিতে পারে । কখনও কোন কিছুর বিনিময়ে ওরা ভালবাসাকে অস্বীকার করেনা, ভুলে যায়না, ওরা ভালবাসার চেয়ে ক্যারিয়ারকে বেশি গুরুত্ব দেয়না, তাই ক্যারিয়ারের মিথ্যা দোহাই দিয়ে প্রতারণাও করেনা ।
তাছাড়া কোন মেয়েই চায়না, বিয়ের পর তার সংসার সম্পর্কে তার শাশুড়ি/পরিবারের অন্যরা অতিরিক্ত নজরদারি করুক, মিনিমাম স্বাধীনতাটুকু থেকে বঞ্চিত করুক । সবাই চায় তার একটা আলাদা সংসার হবে, নিজের একটা পৃথিবী থাকবে, তার আর স্বামীর মাঝে বৈধ/অবৈধ দেয়াল থাকবেনা, হারিয়ে যাওয়ায় থাকবেনা কোন সময় জ্ঞান কিংবা সংকোচ আর বাধা বিপত্তি, নিজেকে ভালবাসার মানুষটির সামনে প্রকাশ করায় না থাকবে কোন লজ্জা, কিংবা শালীনতার মিথ্যা দেয়াল, না থাকবে কোন ফিসফাস কোন কানাঘুষো, দরজা খোলা রাখা বন্ধ রাখা নেই কোন পরোয়া, নিজের পৃথিবীতে শুধু দুটো মানুষের স্পর্শ, শুধু দুটো মানুষের নিশ্বাস, শুধু দুটো দেহের কর্দমাক্ত ঘামের গন্ধ, থাকবেনা কোন পিছুটান, শুধু দুটো মানুষকে ঘিরে হারিয়ে যাওয়া সকাল, দুপুর ও পড়ন্ত বিকেল, আর সোনালী সন্ধ্যা । তাই বেশিভাগ মেয়েই যৌথ পরিবারের চেয়ে স্বামীকে নিয়ে আলাদা থাকাতে বেশি পছন্দ করে । তাই বলে সবাই যে শশুড/শাশুড়িকে ভুলে কিংবা বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয় তা নয় । যাক ওই প্রসংঙ্গ আর একদিন বলব ।
আজকাল ছোট্ট একটা গবেষণা করে দেখা গেছে, যে সকল মেয়েরা বিয়ের আগে হাফ ডজন প্রেম করেছে, জীবন সম্পর্কে কোন আগ্রহ নেই, প্রেম-ভালবাসা সম্পর্কে চরম অনীহা এসে গেছে তারা বিয়ের পরে যৌথ পরিবার বা একক পরিবারে বসবাসের ক্ষেত্রে কোন মতামত নেই । আর যে সকল মেয়েরা ভদ্র, সৎ, প্রেম-ভালবাসায় এখনও জড়ায়নি তারা একক পরিবারে বসবাস করতে বেশী আগ্রহী । তাদের ক্ষেত্র বেশিভাগকে দেখা যায় বিয়ের পরে স্বামীর সাথে প্রেম করতে । সংসারে একটা প্রেমের হাওয়া ও একটা রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি করে নেয় । আর এক্ষেত্রে ভদ্র হাবাগোবা ছেলেদের চেয়ে দুষ্ট, চালাক আর স্পষ্টভাষী ছেলেদেরকে মেয়েরা বেশি গুরুত্ব দেয় । কারণ এই সব কাজগুলো মা-বাবার ভদ্র হাবাগোবা ছেলেদের দিয়ে সম্ভব নয় ।
যেমন: সপ্তাহে অন্তত একদিন অফিস পালানো, মাসের বেতন থেকে ফুসকা আর চটপটির জন্য আলাদা কিছু টাকা তুলে রাখা, প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার সময় কিছু নিয়ে আসা, সন্ধ্যা বেলায় বাইরে খেয়ে আসা, হাসতে হাসতে সিড়ি দিয়ে ওঠার সময় বউয়ের কোমর জরিয়ে ধরা, দরজার কাছে কিংবা সিড়ির গোরায় দাঁড়িয়ে ঠোট দুটো ছুয়ে দেওয়া, একই কম্বলের নীচে জড়াজড়ি করে মেগাসিরিয়াল দেখা, রান্না ঘরে বউকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরে বলবে আমি কি তোমাকে সাহায্য করবো?, শাড়ী পরে বেলকুনীতে বসে একই মগে কফি খাওয়া, মাঝে মাঝে 'এইচবিও' দেখা, কফির মতো স্নান শেয়ার করা, রিমোট নিয়ে হাতাহাতি করা, মিথ্যা জ্বরের ভান ধরে সেবা নেওয়া, মা-বাবার দেওয়া নাম রেখে অন্য নামে ডাকা, হাতে ব্যাথা খাইয়ে দেওয়া, আর........
।
এই কাজগুলো যৌথ পরিবারে সম্ভব নয়, তাই ভাল রোমান্টিক মেয়েদের ভদ্র, হাবাগোবা, মুখোশ পরা ছেলেদের চেয়ে দুষ্ট, স্পষ্টভাষী, বদ ছেলেদের অগ্রধীকার ভিত্তিতে পছন্দ করা উচিত, যাদের ভালবেসে আপনি এই কাজগুলো সহজে করতে পারবেন ।
আর এই কাজগুলো কতটা জরুরি তা আর আজকাল কার মেয়ে হিসেবে আপনাকে বোঝাতে হবেনা আশাকরি । আজকালকার আধুনিক জীবনে
"প্রাইভেট কোম্পানির জব হারানোর টেনশন এর চেয়েও বেশি টেনশন করতে হয়, স্বামী/প্রেমিক হারানো নিয়ে ।"
প্রাইভেট কোম্পানির জবের যতটা সিকিউরিটি আছে, ততটা সিকিউরিটিও নেই, আধুনিক যুগের স্বামীদের/প্রেমিকদের দিয়ে । তবে সবটা বাইরে থেকে দেখা যায় না, কিছুটা হারিয়ে যায় ভেতরে ভেতরে, চীরতরে ।
প্রাইভেট কোম্পানির জব যেমন প্রতি মূহুর্তে আপনার কাজ, যোগ্যতা আর সম্পর্ক দিয়ে টিকিয়ে রাখতে হয়, তাঁর চেয়েও বেশি ভালবাসা, রুপ আর শরীরের মোহ দিয়ে আজকালকার আধুনিক যুগের স্বামী/প্রেমিককে আটকে রাখতে হয়, আপনি স্বীকার করেন আর না করেন । আর যদি না করেন, তাহলে বুঝবো আপনি হারানো আর পাওয়াটাই ভাল করে বুঝছেন না হয়ত । আবার অনেক সময় নিজের বাসার পোলাও মাংসের চেয়ে পাশের বাসার ভাবীর/অন্য মেয়েদের কচু তরকারিও বেশি মজা লাগে । তাহলে বুঝবেন উপরের কাজগুলো আপনার মাঝে মিসিং, আপনাকে আরো রোমান্টিক, আধুনিক, ছলনাময়ী হতে হবে, কিংবা আপনার সঙ্গীকে ভালবাসার ভূতে ধরেছে। ধৈর্য ধরে কদিন অপেক্ষা করুন, একদিন নিজের ভুল বুঝে টাক খেয়ে ফিরে আসবে ।
ইতিকথার পরের কথা -
(জীবন ভাল মন্দ মিলিয়ে কাটবে । কিন্তু মন্দটা যখন ভালকে ছাড়িয়ে যায় তখন বেঁচে থাকতে কষ্ট হয়, তবে অসম্ভব নয় । তবে আমাদের শরীরের কোন অঙ্গে যখন পচন ধরে, কোন ঔষধে সারার সম্ভাবনা নেই, তখন আমরা যেমন ঐ অঙ্গটা কেটে বাদ দিয়ে দেই, তেমনি মাঝে মাঝে আমাদের ভূল সম্পর্কগুলো কেটে বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত । তাতে অন্তত আপনার জীবনটা বেঁচে যেতে পারে । তবে বাদ দেওয়া যদি সম্ভব না হয় তাহলে নিজেকে পালটে নিন কিংবা মানিয়ে নিন তার চাওয়া পাওয়ার সাথে । কারণ কোন সম্পর্কই ভেঙ্গে দেওয়া সমাধান, যতক্ষণ তার মাঝে খারাপটা ভালটাকে ছাড়িয়ে না যায় । তবে চোখের রোগ সব পুরুষের মাঝে আছে কমবেশি, যখন সেই রোগের জীবাণু গুলি চোখ থেকে মন পর্যন্ত পৌছে যায় তখন ঐমনে ধারণ করা অন্য সম্পর্কগুলিকেও রোগাক্রান্ত করে দেয়। তখন আর সে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায়না । তবে চোখের রোগ থাকা ভাল, নিজের মাঝে রোমান্টিকতাকে বাচিয়ে রাখার জন্য এটা দরকার । তবে কামনা করি এর জীবাণুগুলি যেন মন পর্যন্ত না পৌছায় । এব্যাপারে দুজনকেই সযাগ থাকতে হবে । শুভ রাত্রি ।)
" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!











