বিএসসিআই এর ট্রেনিং ।

জীবনে কিছু কিছু দিনের স্মৃতি সত্যিই ভোলা যায়না ।

Firmgate

Badhon

শুভ জন্মদিন

তোমার জীবনের ছোট্ট ছোট্ট সময়গুলোকে আনন্দের রং লাগিয়ে স্বরনীয় করে রাখতে চেষ্টা করছি । যা সেদিন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে, এই আমি তোমাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম । যেইদিন আমি তোমার জায়গায়..আর তুমি আমার জায়গায় থাকবে।

সোনার গাঁও

কোন কোন মানুষ জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে যায় । কোন কোন দিনও সারাজীবন মনে থেকে যায় । সেরকম একটি দিন ছিল যেদিন এই ছবিটা তুলেছিলাম ।

ডেটিংয়ে যাওয়ার পর সঙ্গিনী যখন…


আজকাল ভালোবাসা খুব সস্তা হয়ে গেছে। এ জাতীয় কথা প্রায়ই শোনা যায়। একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে টাইম পাস করা বা সময় কাটানোই এখন কারও কারও কাছে মুখ্য ব্যাপার। অবশ্যই সেটা ভালোবাসার দীর্ঘায়িত সংজ্ঞার মধ্যেও পড়ে না। একজনকে ক্ষণিকের জন্য ভালো লাগার কিছুদিন পরই আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাটা আর যাই হোক, ভালোবাসা নয়। নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের কারণেই আজ এ বিষয়গুলো যেন সাধারণ হয়ে উঠেছে। আজও মানুষ এমন কাউকে খুঁজে বেড়ায়, যাকে নিয়ে ভবিষ্যত জীবনের স্বপ্ন দেখা যায়। তাই একজন সঠিক সঙ্গীকে বেছে নিতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। একটি সম্পর্কে কখন একজন আরেকজনকে শুধু নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছে, তা নিরূপণ করা প্রত্যেকের নিজের হাতে।


তবে এজন্য সচেতন হয়ে পা বাড়াতে হবে। যুক্তিকে আবেগের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে। আমরা নিজেদের কোন ভুল সম্পর্কের জালে জড়িয়ে ফেললাম কিনা, সেটা যদি বুঝতে বেশি দেরি হয়ে যায় তার পরিণতিটা খুব সুখকর হয় না। এ বিষয়ের ওপর অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়ায় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। সেখানে সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনাকে ব্যবহার করছে কিনা, এ নিয়ে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সেরকম ৩টি নিচে তুলে ধরা হলো:


বাইরে গেলে শুধু আপনিই খরচ করেন: হয়তো আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীটি বেশ স্বচ্ছল। কিন্তু, প্রতিবার ডেটিংয়ে যাওয়ার পর খরচের ভারটা শুধু আপনাকেই বহন করতে হয়। সাবধানে পা বাড়ানোর জন্য এটা একটা ভালো ইঙ্গিত। তবে, বিল পরিশোধের সময় যদি দুই জন ভাগাভাগি করে টাকা দেন, তাতে অসুবিধা নেই। আর প্রতিবার ডেটিংয়ে গিয়ে খাওয়ার পর বিল পরিশোধের জন্য নিজে জোর করে পুরো টাকাটা দেয়ার অভ্যাস করবেন না।


আপনাকে তার প্রয়োজন হলেই সাক্ষাৎ পান: আপনার কোন প্রয়োজনে আপনি হয়তো আপনার প্রিয় মানুষটিকে অনুরোধ করেও কাছে পাচ্ছেন না। তার বিশেষ কোন ব্যস্ততা হয়তো নেই। তারপরও ফোন করলে কল রিসিভ করছে না। কিন্তু, আপনি সেটা বেশ বুঝতে পারছেন। যখনই আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কোন আপনাকে প্রয়োজন হলো, সে আপনার সঙ্গে দেখা করলো। সে প্রয়োজনটা যে কোন কিছু হতে পারে। সেটা শুধু তার স্বার্থকেই প্রতিফলিত করবে। কোন একটা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর তরুণ বা তরুণীটি এ বিষয়টাকে অনেক সময়ই এড়িয়ে যান। নিজেকে বোঝান এতোটুকু স্পেস বা জায়গা ছেড়ে দেয়াই তার কর্তব্য। ভুলটা কিন্তু সেখানেই। আবেগ থেকে বেরিয়ে এসে যুক্তি দিয়ে যাচাই করুন।


আপনার ওপর সে আর্থিকভাবে নির্ভরশীল: শুধু আপনি যে ডেটিংয়েই টাকা খরচ করছেন তা নয়, মাঝে-মাঝে তার অন্যান্য বিলও হয়তো পরিশোধ করছেন। মনে রাখবেন সে কিন্তু স্বচ্ছল। বিলগুলো সে নিজেই পরিশোধ করতে পারতো। সতর্ক ঘণ্টাটা মনোযোগ দিয়ে শুনে বোঝার চেষ্টা করুন। সে আপনাকে তার নিজের স্বার্থেই কেবল ব্যবহার করে চলেছে। তাই এ সম্পর্কের ইতি টানাটা আপনারই হাতে।

নারীর প্রভাবমুক্ত হতে অভিনব কৌশল


নারীর প্রভাব মুক্ত হতে পাপুয়া নিউ গিনিতে পালিত হয় এক মজার উৎসব। তারা মনে করে পুরুষের মাঝে নারীর প্রভাব থাকলে সে প্রকৃত পুরুষ হয়ে উঠতে পারে না।


নারী প্রভাব মুক্ত হতে মাতসু সম্প্রদায়ের পুরুষেরা তাদের জিহ্বায় একটা কাঠের পিন বিদ্ধ করে। এরপর তারা নিঃশ্বাস বন্ধ করে বমি করার চেষ্টা করে। বমি করার মাধ্যমে নারীর প্রভাবমুক্ত হতে সক্ষম হন বলে বিশ্বাস করেন এই সম্রদায়ের মানুষ।


এরপরও যদি তাদের বমি না হয় তা হলে তাদের জিহ্বায় বার বার চিকন কাঠের সূচালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। কষ্ট যতোই হোক না কেন, নিজেকে পুরুষ প্রমাণ করতে তাদের কাছে এ আঘাত ফুলের বলেই মনে হয়।

পুরুষরা সৌন্দর্যের পূজারি, নারীরা অর্থবিত্তের


কোনো দম্পতিকে দেখে যদি মনে হয় তারা ‘মেড ফর ইচ আদার’, তবে বুঝতে হবে বিয়ে বা প্রেমের ক্ষেত্রে দুটি আবশ্যিক চাহিদা পূরণে তারা পুরোপুরি সক্ষম হয়েছেন। সে জন্যই সবার চোখে তারা হয়ে উঠতে পেরেছেন আদর্শ দম্পতি। সম্পর্কটি টিকেও গেছে ওই একই কারণে। দুজনের মধ্যে মনের মিল খুঁজে পাওয়া ইত্যাদি তথ্য খোঁজা শুধু গাঁজাখুরি! বহু গবেষণার পর এ বিষয়ে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পেরেছে ‘জার্নাল অব পার্সোন্যালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজি।’


গবেষকদের দাবি, আদর্শ দম্পতি হতে গেলে দুটি বিষয় অবশ্য লক্ষণীয়। পুরুষদের চোখে সঙ্গিনীর দৈহিক সৌন্দর্য আবশ্যিক চাহিদা। তা তিনি যত বড় গুণের অধিকারিণীই হন না কেন। অতি বড় বিদূষীর ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য। উলটো দিকে, মহিলারা সঙ্গীটির দৈহিক সৌন্দর্য নিয়ে তেমন চিন্তিন নন। তাদের দেখার বিষয় হলো, পুরুষটি কতখানি অর্থ উপার্জনে সক্ষম, তার স্টেটাস সিম্বল বা সামাজিক অবস্থান কী- ইত্যাদি।


প্রথম শুনলে মনে হতে পারে, এ আর এমন কী? এ তো সবাই জানে! কিন্তু এই প্রথম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে, নারীর ঝোঁক অর্থ আর প্রতিপত্তির দিকে, পুরুষ যেখানে সৌন্দর্যের পূজারি। কিছুদিন আগ পর্যন্ত এই চিরাচরিত তথ্য খারিজ করে দিয়ে বলা হতো, কোনো প্রেম বা বৈবাহিক সম্পর্কে সাফল্যের ভিত্তি দুজনের মধ্যে সমীকরণের মিল। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এই তথ্য একেবারেই ঠিক নয়।


এ বিষয়ে সাম্প্রতিক গবেষণাটি চালিয়েছেন সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক নর্ম্যান লি এবং অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক অলিভার স্ন্যাগ। এ জন্য তারা সাহায্য নিয়েছেন বিভিন্ন অনলাইন চ্যাটিং সাইট ও স্পিড-ডেটিংয়ের। পরীক্ষার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নেওয়া হয়েছিল এমন সব মেয়েদের, যাদের চেহারা অত্যন্ত সাধারণ। যে সব পুরুষকে বাছা হয়েছিল, তাদেরও সামাজিক অবস্থান তত সুদৃঢ় নয় বা প্রতিপত্তি নেই সে অর্থে। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায়, পুরুষরা সঙ্গিনীদের চেহারা প্রত্যক্ষ করার পরই সম্পর্কে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। নারীরাও, অপর দিকে, একইভাবে সে সব পুরুষকে প্রত্যাখ্যান করেছেন যাদের সামাজিক অবস্থান তত সুদৃঢ় নয়।


অধ্যাপক লি জানিয়েছেন, এই গবেষণায় সাফল্য এসেছে খুব সহজেই, কারণ এ সব পুরুষ ও নারী তাদের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে ফেলেছেন চ্যাটরুমের ওয়ালেই। কাজেই কার কোন দিকে ঝোঁক বেশি, তা সহজেই ধরা সম্ভব হয়েছে। লি জানিয়েছেন, মহিলাদের দেখা গেছে সমাজে খুব উচ্চস্তরের বাসিন্দা না হলেও, মাঝামাঝি স্টেটাস সিম্বল যারা ধরে রাখতে সক্ষম, সে সব পুরুষকেই মহিলারা বেশি পছন্দ করছেন। অপরদিকে, পুরুষদের ঝোঁক সুন্দরী সঙ্গিনীর দিকে। অপরূপা না হলেও, অন্তত মাঝামাঝি চেহারার!


তবে লি যাই বলুন, লিঙ্গবৈষম্যমুক্ত পৃথিবীর জন্য মোটেই আদর্শ নয় এই গবেষণা। কলেজ অব লিবারাল আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের অধ্যাপক কেনরিক দাবি করেছেন, এই গবেষণা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক হলেও, বৈষম্য দূরীকরণের ক্ষেত্রে তা কোনো বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারবে না, বরং লিঙ্গের ভেদাভেদ আরও বাড়িয়ে তুলবে। কেনরিকের মতে, পুরুষ ও নারী আসলে নিজেদের মনের মতো সঙ্গী বা সঙ্গিনী চান। কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের ঝোঁক কোনো বিশেষ দিকেই বেশি, এমনটা ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।

রাজধানীতে দেহ ব্যবসা এবার অনলাইনে


ইন্টারনেট আর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রাজধানীতে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র। ওয়েবসাইট খুলে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম। মাদক বিক্রি ও প্রতারণারও একাধিক অভিযোগ রয়েছে চক্রটির বিরুদ্ধে।


অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেহ ব্যবসা চালাতে ইন্টারনেটে খোলা হয়েছে একাধিক ওয়েবসাইট। সেখানে দেহ পসারিনীদের নগ্ন ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য ও ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে। এসব ওয়েবসাইটের ব্যাপক প্রচারণার জন্য বিভিন্ন ধরনের বাঙালি মেয়েদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফুটেজ ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে।


তবে দেহব্যবসা ছাড়াও এই চক্রটি ইয়াবা, মদ, গাঁজা, হেরোইনসহ বিভিন্ন নেশা সামগ্রীও সরবরাহ করে থাকে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। হাতের নাগালে থাকলেও এই চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। মাদক, বিশেষ করে ইয়াবার টাকা সংগ্রহ করতেই সমাজের অনেক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েরাও এতে জড়িয়ে পড়ছে। সাময়িক আনন্দলাভের জন্য উশৃঙ্খল কিছু মেয়েও এ চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে। 


এছাড়াও, সেবা দেওয়ার নামে প্রতারণা বাণিজ্যও চালিয়ে যাচ্ছে এসব ওয়েবসাইট নির্মানকারী কুচক্রী মহল। সমাজের শিক্ষিত, অর্ধ-শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্ত মেয়েরাও এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে সূত্র। 


এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ইন্টারনেটের বহুল ব্যবহারের সুবিধা নিতে একাধিক ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে যোগাযোগের ঠিকানা দিয়ে রেখেছে দেহব্যবসায়ী চক্রটি। এসব ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ যৌন-উদ্দীপক ভিডিও ক্লিপ্সও ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে। এসব ভিডিওগুলো (এস্কর্ট-১, এস্কর্ট -২, এস্কর্ট-৩, এইচডি, বংপড়ৎঃ-১ ঐউ এমন)  সিরিয়ালে ১০ থেকে ১২ পর্যন্ত দেওয়া রয়েছে। তবে এস্কর্ট শব্দের আর্থিক প্রতিশব্দ ‘সহচর’ বা 'সশস্ত্র সঙ্গী’ হলেও এসব সহচর হচ্ছে মূলত দেহব্যবসায়ী। তবে 'সহচর' দেওয়ার নাম করে চলছে ব্যাপক প্রতারণা। এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন অনেকেই। কিন্তু লজ্জায় কেউ মুখও খুলতে পারছেন না।


এদিকে, রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় “মেঘলা গ্রুপ” নামে একটি চক্র দেহ ব্যবসা, মাদক বিক্রি, প্রতারণাসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোবাইল ফোনেই চলছে তাদের কার্যক্রম। এছাড়াও, রাজধানীর ফার্মগেট এলার্কা “দুই জেনারেশন গার্লস্” নামে একটি দেহ ব্যাবসায়ীদের সংগঠনও চালিয়ে যাচ্ছে গণপ্রতারণা। ফার্মগেটের অল্প-শিক্ষিত এই শ্রেণীর দেহপসারিনীদেরও কার্যক্রম চলছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই।


অনুসন্ধানে আরো দেখা গেছে, যেসব ওয়েবলিংকের মাধ্যমে এই অপরাধী চক্র অপরাধমুলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।


এসব ছাড়াও রয়েছে আরো একাধিক ওয়েবসাইট। এসব ওয়েবসাইটে যোগাযোগের বিভিন্ন ফোন নম্বর, নগ্ন নারীর ছবি এবং নগ্ন ভিডিওসহ প্রতিজনের সময় হিসেবে দর-দামও উল্লেখ রয়েছে। এসব ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।


অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, রাজধানীর মিরপুরে পাঁচ থেকে সাত জন মেয়ের একটি গ্রুপ মেঘলার নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটি প্রতারণা, অর্থ-আত্মসাৎ ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা 'মালদার পার্টি' দেখে ফোনে বিভিন্ন লোকের সঙ্গে কথা চালিয়ে যায়। সম্পর্ক গভীর হলে শারীরিক সম্পর্কসহ অন্যান্য প্রলোভন বিয়ে ও বাসায় নিয়ে আটকে রাথাসহ বিভিন্নভাবে তাদের ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করে থাকে। তাদের নেপথ্যে একটি শক্তিধর হাত জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে। ফার্মগেট এলাকাতেও চলছে একই রকম ঘটনা। প্রতিরাতেই ছিনতাই হচ্ছে পথচারীদের টাকা-পয়সা, মোবাইল ফোন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র সাংবাদিক, সময় টেলিভিশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর ও গবেষক ফেরদৌস আরেফিন বলেন, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটে যৌথভাবে কাজগুলো হচ্ছে। এক্ষেত্রে বেশি হচ্ছে প্রতারণা। ওয়েব এড্রেস এবং তাতে মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া থাকলেও প্রশাসন কোন অ্যাকশন নিচ্ছে না। আমাদের দেশের পুলিশ বা ডিবি স্ব-প্রনোদিত হয়ে কিছু করতে পারে না। তাদের অভিযোগ দিতে হয়। অনেকে প্রতারিত হয়ে লজ্জায় কাউকে কিছু বলতেও নারাজ বলে জানান তিনি।


এ ব্যাপারে  ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এন্টিসাইবার ক্রাইম টিমের সহকারী কমিশনার (সিনিয়র এসি) আসাদুজ্জামান বলেন, আগে বিষয়টি অনেক সীমিত পরিসরে ছিল। এখন তা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। সাইবার ক্রাইম বিশ্বব্যাপী একটি বিষয়। অনেক সময় দেখা যায় যে, দেশের বাইরে বা আমেরিকায় বসে আমাদের দেশের ছবি বা ভিডিও তারা অপলোড করছে। সেক্ষেত্রে কিছু করার নেই। তবে আমাদের সাইবার ক্রাইম টিম কাজ করছে। এ ধরনের আরো বেশ কয়েকটি অভিযোগ এসেছে। আমরা খুঁজে খুঁজে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সূত্র: ওয়েবসাইট

নারীর আকর্ষণীয় ১৭টি দিক!

সৃষ্টির শুরু থেকেই পুরুষের চোখ নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে নারীদের চেষ্টার অন্ত নেই। ভালোলাগা অথবা মন্দ লাগার ব্যাপারটা এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম হলেও কিছু কিছু ব্যপার আছে যেগুলো সবার ক্ষেত্রেই একরকম। পুরুষ কি পছন্দ করে একজন নারীর মধ্যে এটা হয়তো অনেক নারীই জানেন না। বিভিন্ন রিসার্চ আর জরিপে জানা গিয়েছে মজাদার সব তথ্য। আসুন এক নজরে দেখা নেয়া যাক পুরুষরা তার নারী সঙ্গীর মধ্যে কি কি বৈশিষ্ট্য থাকাটা পছন্দ করেন।
  • যে সব নারী সব সময় হাসি খুশি থাকেন তাদের প্রতি পুরুষদের আকর্ষণ সবসময়েই বেশি থাকে।
  • বুদ্ধিমতী নারীদের পছন্দ করেন পুরুষেরা। উপস্থিত বুদ্ধি সম্পন্ন নারীদের প্রতি তারা বেশি দূর্বল।
  • পুরুষরাও প্রশংসা শুনতে পছন্দ করেন। যে সব নারী তাদের সঙ্গীর প্রশংসা করেন তাদেরকে পুরুষরা সবসময়েই বেশি পছন্দ করেন।
  • বড় টানা টানা চোখের মেয়েদেরকে পুরুষরা প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলে।
  • মিষ্টি কন্ঠের ও মিষ্টিভাষী নারীদের প্রতি পুরুষের বাড়তি ভালোলাগা থাকে সবসময়।
  • পুরুষরা নারীসূলভ আচরণ পছন্দ করেন। যে সব নারীরা বেশ কমনীয় স্বভাবের কিন্তু ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, তাদের প্রতি পুরুষরা আকর্ষণ বোধ করেন।
  • পুরুষের বিষন্নতার সময় যে সব নারী সাহস জোগাতে পারেন এবং মন ভালো করে দিতে পারেন তাদের কে পুরুষরা বেশি ভালোবাসেন।
  • যে সব নারী সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করেন তাদের প্রতি পুরুষের ভালোলাগাটা বেশি থাকে।
  • সংস্কৃতিমনা নারীদের পছন্দ করেন পুরুষেরা। গান, নাচ অথবা গিটার বাজাতে জানেন এমন নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষণ বেশি।
  • স্মার্ট ও নিজের প্রতি যত্নশীল নারীদের প্রতি সব পুরুষই আকর্ষণ বোধ করে থাকে।
  • কড়া সুগন্ধি লাগায় এমন নারীদের পছন্দ করেন না পুরুষরা। একটু হাল্কা মিষ্টি সুগন্ধি ব্যবহার করে এমন নারীরাই পুরুষের পছন্দ।
  • সৎ ও দয়ালু নারীদেরকে প্রতি বেশি আকর্ষণ বোধ করেন পুরুষরা।
  • একটু চঞ্চল প্রকৃতির মেয়েরা পুরুষের চোখে বেশি আকর্ষনীয়।
  • রসবোধ আছে এমন নারীর সঙ্গে পুরুষরা বেশি আনন্দ বোধ করেন। সঙ্গীর সাথে হাস্যরসপূর্ণ গাল গল্প করে সময় কাটাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তারা।
  • বেশিরভাগ পুরুষেরই প্রথম পছন্দ লম্বা চুলের নারী।
  • যে সব নারীরা ভালোবাসা প্রকাশ করতে দ্বিধা করেন না তাদেরকে পুরুষরা বেশি ভালবাসেন।
  • ভালো রাঁধুনিদের প্রতি পুরুষের আকর্ষণ সবসময়েই বেশি থাকে।
নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষণ প্রকৃতির একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এক সময়ে রূপ দেখে নারীদের আকর্ষনীয়তা বিচার করা হতো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে। পুরুষের চোখে আকর্ষনীয় নারী হতে এখন অনেক রূপ সজ্জা কিংবা অলংকারের বদলে প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা ও সততার।

" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!