বিএসসিআই এর ট্রেনিং ।

জীবনে কিছু কিছু দিনের স্মৃতি সত্যিই ভোলা যায়না ।

Firmgate

Badhon

শুভ জন্মদিন

তোমার জীবনের ছোট্ট ছোট্ট সময়গুলোকে আনন্দের রং লাগিয়ে স্বরনীয় করে রাখতে চেষ্টা করছি । যা সেদিন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে, এই আমি তোমাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম । যেইদিন আমি তোমার জায়গায়..আর তুমি আমার জায়গায় থাকবে।

সোনার গাঁও

কোন কোন মানুষ জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে যায় । কোন কোন দিনও সারাজীবন মনে থেকে যায় । সেরকম একটি দিন ছিল যেদিন এই ছবিটা তুলেছিলাম ।

তরতাজা সারাদিন


প্রায় প্রতিদিনই একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠেন। ঠিক। কিন্তু উঠেই শুরু করে দেন ছোটা… সময়ে পাশ কাটিয়ে আও খানিকটা এগিয়ে যাওয়া নিরন্তর প্রচেষ্টা। যাতে বাড়ি এবং অফিসের কাজগুলো সময় মতো করে ফেলতে পারেন। কিন্তু দিন যত এগোতে থাকে আপনার শরীর অসহযোগিতা করতে শুরু করে! ক্লান্ত লাগে, ফলে কথায় কথায় বিরক্ত হয়ে যান। যে কাজটা শেষ করবেন বলে ভেবেছিলেন সেটাও হয়ে ওঠে না। কিন্তু এই সব কিছুই হতে পারে। যদি সকালের শুরুটা ঠিক হয়।


সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস জল


প্রায় সাত-আট ঘন্টা জল না খেয়ে থাকার ফলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস জল খান। সব থেকে ভালো হয় এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জলে এক চা-চামচ মধু আর একটা লেবুর রস মিশিয়ে খান। টক্সিন ফ্লাশ আউট হওয়ার পাশাপাশি শরীরও ঝরঝরে থাকে।


নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠুন


রোজ অ্যালার্ম সেট করে ঘুমোতে যান। কিন্তু অ্যালার্ম বাজলেই তা বন্ধ করে আরও খানিকটা গড়িয়ে নেন। আর এখানেই হয়ে যায় সমস্যা। মাইন্ড সেটটা পাল্টান। অ্যালার্ম তখনই দিন যখন একবারে উঠতে পারবেন। এতে সারাদিন অনেক বেশি ফ্রেশ লাগবে।


কালার থেরাপি


উজ্জ্বল রঙ আপনাকে চনমনে রাখে। তাই ঘরের আপহোলস্ট্রিতে উজ্জ্বল রঙের ছোঁয়া রাখুন যাতে ঘুম থেকে উঠেই চোখ পড়ে মন ভালো করা সেই সব রং।


রোদ পোহানো


রোদ আমাদের শরীরের বায়োলজিকাল ক্লককে সজাগ করে তোলে। এ ছাড়াও শরীর চনমনে রাখার জন্যেও সূর্যের আলোর কোনও জুড়ি নেই। তাই সকালের চা-টা বারান্দা বসে, নিদেন পক্ষে জানলার পাশে বসে খান। দেখবেন বেশ ফুরফুরে লাগবে।


এক্সারসাইজ শরীর, মন এবং দিন চনমনে ও তরতাজা রাখতে হলে ঘুম থেকে উঠে অন্তত ১৫ মিনিট ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ ইজ আ মাস্ট। যোগা করতে পারলে অথবা জিমে ওয়র্কআউট করতে পারলে আরও ভালো হয়। আর কিছুই করতে ভালো না লাগলে ঘরের মধ্যেই খানিকটা হেঁটে নিন। শরীর তরতাজা থাকলে তবেই সারা দিন অন্যান্য কাজ করার এনার্জি পাবেন।

মিথ্যা


কথায় বলে, গল্পের গরু গাছে চড়ে! আর লাগামছাড়া মিথ্যেয় ভরপুর গল্পের বাইরেও যখন গরুরা গাছে অনবরত চড়ে, তখন নিখাদ চলতি ভাষায় ‘চাপা’ বলি সেটিকে আমরা। কিন্তু সেই চাপা যখন, ‘মাঝে-সাঝে’ থেকে 'প্রায়শই' আর 'প্রায়শই' থেকে 'সব সময়' হয়ে যায়, তখন ভ্রু-যুগল কুঁচকে ভেবে ফেলতে হয়- ব্যাপারটি আর মজা নেই। জটিল, জন্ডিস কেস আছে এমন মিথ্যাচারণের পিছনে!


এখন প্রশ্ন হল, কে বলে আপনার চারপাশে সব সময় এমন ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যে? হতে পারে সে ছোটবেলার বন্ধু, হতে পারে সদ্য আলাপ হওয়া বান্ধবী কিম্বা আপনার নিত্যদিনের দেখা পাওয়া কোনো চোখের বালি অথবা আপনার আড্ডাজোনের কোনো একটি বন্ধুর মাঝেই অনেকসময় লুকিয়ে থাকে সেই মিথ্যাভাষীটি! কখনও অজান্তে, কখনও বা জেনেই! ভেবে দেখেছেন কি, সেই ব্যক্তিটির এমন মিথ্যা বলার প্রয়োজন পড়ে কেন?


মনোবিদরা জানাচ্ছেন, 'মিথ্যা বলার অভ্যেসটা গড়ে ওঠে ছোটবেলা থেকেই। ছোট বাচ্চারা অনেক সময়ই দুষ্টুমি লুকানোর জন্যে মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু সে যদি ছোটবেলাতেই এই অভ্যাস ত্যাগ করতে না পারে, তাহলে সে বড় হয়ে এমন পার্সোন্যালিটির মানুষ হয়ে ওঠে যার মিথ্যা বলতে কোনো সঙ্কোচ হয় না। যদিও মিথ্যাচারণ সব মানুষই কম বেশি করে থাকেন প্রয়োজনে, কিন্তু উঠতে-বসতে যখন মিথ্যা বেরোয়, তখন বুঝে ফেলতে হবে সেটি সামান্য মিথ্যা নয়, এক অবসেশনের পর্যায়ে চলে গেছে সেটা'। কী করে বুঝবেন যে মিথ্যে বলছেন আপনার চারপাশের কোনো এক মানুষ? জানতে চাইতেই এক এক করে বলে গেলেন মনোবিদ।


১. যার সঙ্গে কথা বলছেন তার চোখের দিকে তাকিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করুন। তিনি যদি চোখ সরিয়ে নেন বা নিচের দিকে তাকিয়ে থাকেন, তাহলে বুঝবেন তিনি মিথ্যে বলছেন। এটা একটা মিথ্যা বলার লক্ষণ।


২. যার সঙ্গে কথা বলছেন তার কথা বলার ধরনের দিকে খেয়াল করুন। যদি তিনি সাধারণভাবে কথা বলে যান কোনও বিরতি ছাড়া এবং মাঝে মাঝে 'আম, উম' এই ধরনের শব্দ করেন, তাহলে সেটাও একটা মিথ্যা বলার লক্ষণ।


৩. মিথ্যা বলার সময় মানুষ হাত গুটাতে পারে অথবা পায়ে ঘষা দিয়ে হাঁটতে পারে অথবা অস্বস্তি অনুভব করতে পারে। এটার কারণ সে নার্ভাস এবং তার সাধারন আচার-ব্যবহার পরিবর্তন করতে চাইছে।


৪. মুখের ভাবের পরিবর্তন মিথ্যা বলার আরেকটি লক্ষণ। লক্ষ্য করুন, মিথ্যা বলার সময়ে ব্যক্তিটির চোখের ভুরু উপরের দিকে উঠছে কিনা! স্বাভাবিকভাবেই তার ভুরু নড়াচড়া করবে বেশি অথবা তিনি হাসবেন এমন একটা সময়ে যখন হাসার কোনও কারণ নেই।


৫. একইভাবে মিথ্যা বলার সময় মানুষের শারীরিক নড়াচড়া বেড়ে যায়। শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, হার্ট বিট বেড়ে যাওয়া, নাড়ির স্পন্দন বেড়ে যাওয়া মিথ্যা বলার লক্ষণ। এই ছোটখাটো কয়েকটা ব্যাপার খুঁটিয়ে দেখে এটা না-হয় বোঝা গেল যে, কে মিথ্যা বলছেন আর কে নয়! তারপর? বন্ধুটি যদি আপনার প্রিয় হয়, তবে তাকে একটু সাহায্য করুন অভ্যেস পাল্টাতে। কাজটা এমন কিছু শক্ত নয়। আপনি শুধু একটু সমস্যাটার গভীরে যান। 'মিথ্যা কথা বলার ব্যাপারটা অনেকটাই মানসিক। আর যে কোনও মানসিক সমস্যা দূর করতে হলে আগে অন্য মানুষটির প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হয়', বলছেন অভিরুচি। সেই সঙ্গে বলছেন, মিথ্যা ছাড়ানোর কয়েকটি পদ্ধতি কেমন হতে পারে!


বন্ধুটির মিথ্যা বলার প্রবণতাটিকে, অন্য কোনো গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরুন তার সামনে। দেখুন সে নিজের প্রবলেমটি বুঝতে পারছে কি না! এমন ইম্পালসিভ লায়ার-রা অনেক সময়ই না-বুঝেই বলে থাকে মিথ্যে কথা।


দ্বিতীয়ত, কথায় কথায় জেনে নিন, এমন কোনও ঘটনার কথা যা তার জীবনে ভীষণভাবে প্রভাব ফেলেছে, সম্ভবত তার অজান্তে মিথ্যা বলার পেছনেও! গহন সেই ক্ষতকে সারানোর চেষ্টা করুন। এরই পাশাপাশি, বন্ধুকে বোঝান যে মিথ্যা বলে কীভাবে অন্যদের কাছে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে তিনি! এসবেও যদি কাজ না-হয়, হয় সরে আসতে পারেন আপনি, নয় তো বন্ধুকে নিয়ে যেতে পারেন মনোবিদের চেম্বারে। শুধু মিথ্যাটাকে প্রশ্রয় না-দিলেই হলো! সূত্র: ওয়েবসাইট।

ডেটিংয়ে যাওয়ার পর সঙ্গিনী যখন…


আজকাল ভালোবাসা খুব সস্তা হয়ে গেছে। এ জাতীয় কথা প্রায়ই শোনা যায়। একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে টাইম পাস করা বা সময় কাটানোই এখন কারও কারও কাছে মুখ্য ব্যাপার। অবশ্যই সেটা ভালোবাসার দীর্ঘায়িত সংজ্ঞার মধ্যেও পড়ে না। একজনকে ক্ষণিকের জন্য ভালো লাগার কিছুদিন পরই আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাটা আর যাই হোক, ভালোবাসা নয়। নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের কারণেই আজ এ বিষয়গুলো যেন সাধারণ হয়ে উঠেছে। আজও মানুষ এমন কাউকে খুঁজে বেড়ায়, যাকে নিয়ে ভবিষ্যত জীবনের স্বপ্ন দেখা যায়। তাই একজন সঠিক সঙ্গীকে বেছে নিতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। একটি সম্পর্কে কখন একজন আরেকজনকে শুধু নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছে, তা নিরূপণ করা প্রত্যেকের নিজের হাতে।


তবে এজন্য সচেতন হয়ে পা বাড়াতে হবে। যুক্তিকে আবেগের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে হবে। আমরা নিজেদের কোন ভুল সম্পর্কের জালে জড়িয়ে ফেললাম কিনা, সেটা যদি বুঝতে বেশি দেরি হয়ে যায় তার পরিণতিটা খুব সুখকর হয় না। এ বিষয়ের ওপর অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়ায় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। সেখানে সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনাকে ব্যবহার করছে কিনা, এ নিয়ে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সেরকম ৩টি নিচে তুলে ধরা হলো:


বাইরে গেলে শুধু আপনিই খরচ করেন: হয়তো আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীটি বেশ স্বচ্ছল। কিন্তু, প্রতিবার ডেটিংয়ে যাওয়ার পর খরচের ভারটা শুধু আপনাকেই বহন করতে হয়। সাবধানে পা বাড়ানোর জন্য এটা একটা ভালো ইঙ্গিত। তবে, বিল পরিশোধের সময় যদি দুই জন ভাগাভাগি করে টাকা দেন, তাতে অসুবিধা নেই। আর প্রতিবার ডেটিংয়ে গিয়ে খাওয়ার পর বিল পরিশোধের জন্য নিজে জোর করে পুরো টাকাটা দেয়ার অভ্যাস করবেন না।


আপনাকে তার প্রয়োজন হলেই সাক্ষাৎ পান: আপনার কোন প্রয়োজনে আপনি হয়তো আপনার প্রিয় মানুষটিকে অনুরোধ করেও কাছে পাচ্ছেন না। তার বিশেষ কোন ব্যস্ততা হয়তো নেই। তারপরও ফোন করলে কল রিসিভ করছে না। কিন্তু, আপনি সেটা বেশ বুঝতে পারছেন। যখনই আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কোন আপনাকে প্রয়োজন হলো, সে আপনার সঙ্গে দেখা করলো। সে প্রয়োজনটা যে কোন কিছু হতে পারে। সেটা শুধু তার স্বার্থকেই প্রতিফলিত করবে। কোন একটা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর তরুণ বা তরুণীটি এ বিষয়টাকে অনেক সময়ই এড়িয়ে যান। নিজেকে বোঝান এতোটুকু স্পেস বা জায়গা ছেড়ে দেয়াই তার কর্তব্য। ভুলটা কিন্তু সেখানেই। আবেগ থেকে বেরিয়ে এসে যুক্তি দিয়ে যাচাই করুন।


আপনার ওপর সে আর্থিকভাবে নির্ভরশীল: শুধু আপনি যে ডেটিংয়েই টাকা খরচ করছেন তা নয়, মাঝে-মাঝে তার অন্যান্য বিলও হয়তো পরিশোধ করছেন। মনে রাখবেন সে কিন্তু স্বচ্ছল। বিলগুলো সে নিজেই পরিশোধ করতে পারতো। সতর্ক ঘণ্টাটা মনোযোগ দিয়ে শুনে বোঝার চেষ্টা করুন। সে আপনাকে তার নিজের স্বার্থেই কেবল ব্যবহার করে চলেছে। তাই এ সম্পর্কের ইতি টানাটা আপনারই হাতে।

নারীর প্রভাবমুক্ত হতে অভিনব কৌশল


নারীর প্রভাব মুক্ত হতে পাপুয়া নিউ গিনিতে পালিত হয় এক মজার উৎসব। তারা মনে করে পুরুষের মাঝে নারীর প্রভাব থাকলে সে প্রকৃত পুরুষ হয়ে উঠতে পারে না।


নারী প্রভাব মুক্ত হতে মাতসু সম্প্রদায়ের পুরুষেরা তাদের জিহ্বায় একটা কাঠের পিন বিদ্ধ করে। এরপর তারা নিঃশ্বাস বন্ধ করে বমি করার চেষ্টা করে। বমি করার মাধ্যমে নারীর প্রভাবমুক্ত হতে সক্ষম হন বলে বিশ্বাস করেন এই সম্রদায়ের মানুষ।


এরপরও যদি তাদের বমি না হয় তা হলে তাদের জিহ্বায় বার বার চিকন কাঠের সূচালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। কষ্ট যতোই হোক না কেন, নিজেকে পুরুষ প্রমাণ করতে তাদের কাছে এ আঘাত ফুলের বলেই মনে হয়।

পুরুষরা সৌন্দর্যের পূজারি, নারীরা অর্থবিত্তের


কোনো দম্পতিকে দেখে যদি মনে হয় তারা ‘মেড ফর ইচ আদার’, তবে বুঝতে হবে বিয়ে বা প্রেমের ক্ষেত্রে দুটি আবশ্যিক চাহিদা পূরণে তারা পুরোপুরি সক্ষম হয়েছেন। সে জন্যই সবার চোখে তারা হয়ে উঠতে পেরেছেন আদর্শ দম্পতি। সম্পর্কটি টিকেও গেছে ওই একই কারণে। দুজনের মধ্যে মনের মিল খুঁজে পাওয়া ইত্যাদি তথ্য খোঁজা শুধু গাঁজাখুরি! বহু গবেষণার পর এ বিষয়ে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পেরেছে ‘জার্নাল অব পার্সোন্যালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজি।’


গবেষকদের দাবি, আদর্শ দম্পতি হতে গেলে দুটি বিষয় অবশ্য লক্ষণীয়। পুরুষদের চোখে সঙ্গিনীর দৈহিক সৌন্দর্য আবশ্যিক চাহিদা। তা তিনি যত বড় গুণের অধিকারিণীই হন না কেন। অতি বড় বিদূষীর ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য। উলটো দিকে, মহিলারা সঙ্গীটির দৈহিক সৌন্দর্য নিয়ে তেমন চিন্তিন নন। তাদের দেখার বিষয় হলো, পুরুষটি কতখানি অর্থ উপার্জনে সক্ষম, তার স্টেটাস সিম্বল বা সামাজিক অবস্থান কী- ইত্যাদি।


প্রথম শুনলে মনে হতে পারে, এ আর এমন কী? এ তো সবাই জানে! কিন্তু এই প্রথম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে, নারীর ঝোঁক অর্থ আর প্রতিপত্তির দিকে, পুরুষ যেখানে সৌন্দর্যের পূজারি। কিছুদিন আগ পর্যন্ত এই চিরাচরিত তথ্য খারিজ করে দিয়ে বলা হতো, কোনো প্রেম বা বৈবাহিক সম্পর্কে সাফল্যের ভিত্তি দুজনের মধ্যে সমীকরণের মিল। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এই তথ্য একেবারেই ঠিক নয়।


এ বিষয়ে সাম্প্রতিক গবেষণাটি চালিয়েছেন সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক নর্ম্যান লি এবং অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক অলিভার স্ন্যাগ। এ জন্য তারা সাহায্য নিয়েছেন বিভিন্ন অনলাইন চ্যাটিং সাইট ও স্পিড-ডেটিংয়ের। পরীক্ষার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবেই বেছে নেওয়া হয়েছিল এমন সব মেয়েদের, যাদের চেহারা অত্যন্ত সাধারণ। যে সব পুরুষকে বাছা হয়েছিল, তাদেরও সামাজিক অবস্থান তত সুদৃঢ় নয় বা প্রতিপত্তি নেই সে অর্থে। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায়, পুরুষরা সঙ্গিনীদের চেহারা প্রত্যক্ষ করার পরই সম্পর্কে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। নারীরাও, অপর দিকে, একইভাবে সে সব পুরুষকে প্রত্যাখ্যান করেছেন যাদের সামাজিক অবস্থান তত সুদৃঢ় নয়।


অধ্যাপক লি জানিয়েছেন, এই গবেষণায় সাফল্য এসেছে খুব সহজেই, কারণ এ সব পুরুষ ও নারী তাদের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে ফেলেছেন চ্যাটরুমের ওয়ালেই। কাজেই কার কোন দিকে ঝোঁক বেশি, তা সহজেই ধরা সম্ভব হয়েছে। লি জানিয়েছেন, মহিলাদের দেখা গেছে সমাজে খুব উচ্চস্তরের বাসিন্দা না হলেও, মাঝামাঝি স্টেটাস সিম্বল যারা ধরে রাখতে সক্ষম, সে সব পুরুষকেই মহিলারা বেশি পছন্দ করছেন। অপরদিকে, পুরুষদের ঝোঁক সুন্দরী সঙ্গিনীর দিকে। অপরূপা না হলেও, অন্তত মাঝামাঝি চেহারার!


তবে লি যাই বলুন, লিঙ্গবৈষম্যমুক্ত পৃথিবীর জন্য মোটেই আদর্শ নয় এই গবেষণা। কলেজ অব লিবারাল আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের অধ্যাপক কেনরিক দাবি করেছেন, এই গবেষণা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক হলেও, বৈষম্য দূরীকরণের ক্ষেত্রে তা কোনো বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারবে না, বরং লিঙ্গের ভেদাভেদ আরও বাড়িয়ে তুলবে। কেনরিকের মতে, পুরুষ ও নারী আসলে নিজেদের মনের মতো সঙ্গী বা সঙ্গিনী চান। কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের ঝোঁক কোনো বিশেষ দিকেই বেশি, এমনটা ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।
" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!