বিএসসিআই এর ট্রেনিং ।

জীবনে কিছু কিছু দিনের স্মৃতি সত্যিই ভোলা যায়না ।

Firmgate

Badhon

শুভ জন্মদিন

তোমার জীবনের ছোট্ট ছোট্ট সময়গুলোকে আনন্দের রং লাগিয়ে স্বরনীয় করে রাখতে চেষ্টা করছি । যা সেদিন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে, এই আমি তোমাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম । যেইদিন আমি তোমার জায়গায়..আর তুমি আমার জায়গায় থাকবে।

সোনার গাঁও

কোন কোন মানুষ জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে যায় । কোন কোন দিনও সারাজীবন মনে থেকে যায় । সেরকম একটি দিন ছিল যেদিন এই ছবিটা তুলেছিলাম ।

স্তনে ব্যথা কিংবা চাকার অনুভূতিঃ কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?

স্তনে ব্যথা কিংবা শক্ত কোন পিন্ড অনুভব করার সমস্যাটির মুখোমুখি যে কোন মেয়েই জীবনের কোনো না কোনো সময় হয়েছে। সদ্য কৈশোর পার করা মেয়েটি তার স্তনের বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তন দেখে রীতিমত অবাক হয়, সেই সাথে স্তনে চাকা বা ব্যথার অনুভূতি তাকে ব্রেস্ট ক্যান্সার হবার শংকায় শংকিত করে তোলে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে ব্যথার বিষয়টি ডাক্তাররা বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখেন, কারণ স্তনের কোন পিন্ড যদি প্রাথমিক পর্যায়েই ব্যথা করে তার মানে সেটি ক্যান্সার বা টিউমারে রূপ নেবার সম্ভাবনা খুব কম। স্তন ক্যান্সারে শুরুর দিকে একেবারেই ব্যথাহীন থাকে। তাছাড়াও যাদের বয়স তুলনামূলকভাবে কম (৩০ এর নিচে) তাদেরও ক্যান্সার হবার ঝুঁকি কম থাকে। 

যেহেতু আমাদের দেশে নারীরা তাদের স্তনে কোনো সমস্যা হলে সেটি প্রকাশ করতে লজ্জা পান, তাই ঠিক কখন বা কি ধরণের সমস্যায় ডাক্তারের কাছে যেতে হবে সেই ব্যাপারটি জানা থাকা অত্যন্ত জরুরী। ফলে কাজটি যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমনি আপনার অকারণ ভয় আর ঝুঁকির হারও কমে যায়।

স্তনে অস্বাভাবিকতা দেখার আগে চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার স্তনের স্বাভাবিক অবস্থা বা ঝুঁকিহীন সমস্যাগুলো কী কী হতে পারে-

  • -প্রথমত বয়ঃসন্ধির পর থেকেই মেয়েদের স্তন একটি ছোট ও অপরটি বড় থাকতে পারে। আকারের খুব বেশি অসামঞ্জস্য বা দৃষ্টিকটু পার্থক্য না থাকলে এ নিয়ে ভাবিত হবার কিছু নেই। তবে লক্ষ্য করুন দুই স্তনের একই জায়গাগুলোতে ঘনত্ব সমান কী না! হাত দিয়ে অনুভব করলে দেখবেন আপনার স্তনের উপরের ও বাইরের দিকের অংশ একটু শক্ত ও দড়ি পাকানো বলে মনে হয়; কারণ এই এলাকা থেকেই স্তনগ্রন্থির শুরু। এর থেকে যত নিচের দিকে নামতে থাকবেন চর্বির কারণে তত নরম অনুভূত হবে।
  • -এছাড়াও প্রতি মাসে মাসিকের ঠিক আগে আগে বা মাসিকের সময় স্তনে ব্যথা বা পিন্ড অনুভূত হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু লক্ষ্য রাখুন ব্যথা বা পিন্ডটি সেই মাসের মাসিকের পর বা পরবর্তি মাসিক পর্যন্ত থাকে কী না। যদি না থাকে তবে সেটা নিয়েও চিন্তিত হবার কোন কারণ নেই।

তাহলে কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?

  • -প্রথমেই দেখবেন স্তনে অনুভূত হওয়া চাকাটি কি একেবারেই নতুন কী না, এর আগের কোনো মাসিকের সময় এর অস্তিত্ব টের পাননি এমন হয়েছিল কী না।
  • -নতুন অনুভূত অস্বাভাবিক-অস্বস্তিকর পিন্ডটি যদি পরবর্তী মাসিক পর্যন্ত থেকে যায় বা তুলনামূলকভাবে বড় হয় তবে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান।
  • -স্তনের শক্ত পিন্ডটির বৃদ্ধির হার লক্ষ্য করুন; যদি কয়েকদিনের মধ্যে খুব দ্রুত বড় হতে থাকে এবং ব্যথা না থাকে তাহলে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
  • -যদি দেখেন পিন্ডটি নড়ছে অর্থাৎ অনুভব করার সময় হাত থেকে পালিয়ে যেতে চাইছে এবং তার নির্দিষ্ট জায়গা থেকে বেশ দূরে চলে যাচ্ছে, তবে সেটা আপনার স্তনগ্রন্থির পরিবর্তন নির্দেশ করে, এমন পরিবর্তনে অনেক ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।  
  • -স্তনের ত্বকে কোন ধরণের পরিবর্তন হলে, যেমনঃ ত্বক বেশি লাল হয়ে গেলে, কোঁচকানো বা বলিরেখার মত দাগ সৃষ্টি হলে, ত্বকে টোল খেয়ে গেলে কিংবা পাউরুটির শক্ত অংশের মত শক্ত হলে দেরি না করেই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
  • -স্তনের বোঁটার বেশ কিছু পরিবর্তনেও সচেতন হতে হবে, উদাহরণস্বরূপ বলা যায়- স্তনের বোঁটা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভেতরে ঢুকে গেলে কিংবা বোঁটা থেকে কোন ক্ষরণ নিঃসৃত হতে পারে। স্তন থেকে ক্ষরিত রস পানির মতো বা হলুদ, বাদামী, লালচে বিভিন্ন রঙেরও হতে পারে। এছাড়াও স্তনে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমনে হঠাৎ করে প্রচন্ড ব্যথা ও পুঁজ হতে পারে, এই সময়ে ডাক্তারের ছুরির নিচে গিয়ে পুঁজের বিনাশ ঘটানোটা হবে বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত।
বর্তমান সময়ে স্তন ক্যান্সারে মৃত্যুর হার অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে এই হার অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব। নারীরা একটু সচেতন হলেই এই ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা অসম্ভব কিছু নয়।

প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট চুম্বন কমাবে অতিরিক্ত ওজন!

চুম্বনকে সবসময়েই ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। তবে চুম্বনকে এখন শুধুমাত্র ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবেই নয় বরং ওজন কমানোর একটি পদ্ধতিও বলা যেতে পারে। অবাক হচ্ছেন?
অবাক হলেও সত্যি যে প্রতি এক মিনিট চুম্বনে ২-৫ ক্যালোরি পর্যন্ত পোড়ানো সম্ভব যা ঘন্টায় দুই মাইল হাঁটার সমান! এক পাউন্ড কমাতে ৩৫০০ ক্যালরি পোড়াতে হয়। অর্থাৎ প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট এক টানা চুম্বনে বছরে ৫ পাউন্ড বা তার বেশি ওজন কমিয়ে ফেলা সম্ভব।

চুম্বনের মাধ্যমে ওজন কমাতে ব্যায়ামের মত বিরক্তিকরও লাগে না। অর্থাৎ এটি ক্যালোরি পোড়ানোর একটি সহজ ও উপভোগ্য মাধ্যম। এছাড়াও গাঢ় চুম্বনে মেটাবলিসমের গতি ত্বরান্বিত হয় যা ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ গভীর গাঢ় চুম্বন হতে পারে ব্যায়ামের বিকল্প ।
চুম্বনের সময় হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায় যা ক্যালোরি পোড়াতে সহায়ক। এছাড়াও নিয়মিত চুম্বনে মুখের মাংসপেশীর সুগঠিত হয়, এবং মুখের বলিরেখা এড়াতে সহায়তা করে। চুম্বনের সময়ে মুখের প্রায় সবগুলো মাংসবেশী সচল হয় এবং এই প্রক্রিয়ার সাথে অ্যাড্রেনালিন যুক্ত হয়ে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসরণ করে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুত ক্যালোরি পোড়ায়।
চুম্বনের মাধ্যমে কিভাবে বেশি ক্যালোরি পোড়ে দেখে নেয়া যাক।

গাঢ় চুম্বন

চুম্বনে কতটুকু ক্যালোরি পুড়বে তা নির্ভর করে তা কতটুকু গাঢ় তার উপরে। হালকা চুম্বনে কম ক্যালোরি পোড়ে। অনেক সময় ধরে করা গাঢ় চুম্বনের মাধ্যমে বেশি ক্যালোরি পোড়ানো যায়।

দাঁড়িয়ে চুম্বন

দাঁড়িয়ে চুম্বনে সবচেয়ে বেশি ক্যালোরি ক্ষয় হয়। গবেষণায় দেখা গেছে অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় যারা দাঁড়িয়ে চুম্বন করে অভ্যস্ত তাদের ওজন তুলনামূলক ভাবে অন্যদের চাইতে দ্রুত কমে।

গভীর নিঃশ্বাস নিন

বড় করে নিঃশ্বাস নিলেও অনেকটা ক্যালোরি পোড়ে। চুম্বনের সময় এমনিতেও শ্বাসপ্রশ্বাস বেশি নেয়া হয়। এসময় বুক ভরে বড় বড় নিঃশ্বাস নিলে স্বাভাবিকের চাইতে বেশি ক্যালোরি ক্ষয় করা সম্ভব।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে ৫ ধরনের পুরুষদের এড়িয়ে চলা উচিত!

কেমন পুরুষ পছন্দ করা উচিত তা নিয়ে অনেক নারীই দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। বিয়ে করার জন্য জীবন সঙ্গী খোঁজা ব্যাপারটা যেন তাদের কাছে অনেকটা অগ্নি পরীক্ষার মত কঠিন। কারণ যে মানুষটির সাথে সারা জীবনের জন্য নিজেকে বেঁধে ফেলছেন সেই মানুষটি ভালো না হলে তো ভোগান্তিতেই কেটে যাবে জীবনটা। আসুন জেনে নেয়া যাক কোন ৫ ধরনের পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাটাই নারীদের জন্য বুদ্ধিমতির কাজ!

ব্যক্তিত্বহীন

নারীরা সব সময়েই ব্যক্তিত্ববান পুরুষদেরকে পছন্দ করে। যে সব পুরুষরা খুবই গায়ে পরা স্বভাবের কিংবা স্ত্রীর বা প্রেমিকার পেছনে পেছনে ঘোরে সারাক্ষণ, তাদের প্রতি খুব সহজেই আগ্রহ চলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কথা-বার্তা, কাজ-কর্মে ব্যক্তিত্বের ছাপ নেই যে সব পুরুষদের তাদেরকে এড়িয়ে চলুন। কারণ এ ধরণের পুরুষদের সাথে সংসার জীবন বেশ একঘেয়ে লাগে। সবচাইতে বড় কথা একটি দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে তিনি কখনোই আপনার পাশে এসে দাঁড়াবার সাহস করে উঠতে পারবেন না।

শিশু সুলভ

অনেক পুরুষই শিশুসুলভ আচরণ সম্পন্ন হয়। আচার আচরণ, কাজ কর্মে কিংবা দ্বায়িত্ব নেয়ার ক্ষেত্রে অনেক পুরুষই প্রাপ্ত বয়ষ্কদের মত আচরণ করতে পারেন না। নারীরা পুরো জীবন কাটানোর জন্য একজন দ্বায়িত্বশীল পুরুষের সঙ্গ কামনা করে, সেই পুরুষের কাছে নিরাপত্তা ও সংসার চায়। তাই শিশু সূলভ আচরনের পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাই ভালো।

অতিরিক্ত মা ঘেঁষা

মায়ের প্রতি খুব বেশি নির্ভরশীল পুরুষরা সংসার করার যোগ্য নয়। কারণ তাঁরা সব ব্যাপারেই মায়ের কাছে অনুমতি নেয় এবং স্বামী স্ত্রীর ব্যক্তিগত ব্যাপারেও মায়ের মতামত ছাড়া কোনো কিছু করে না। নিজেদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হলেও তাঁরা মায়ের কাছে সব কিছু বলে দেয়। এছাড়াও শুধু মাত্র মায়ের কথায় চলার কারণে ভালো মন্দ বিচারের ক্ষমতা থাকে না এধরণের পুরুষদের। তাই অতিরিক্ত মা ঘেঁষা পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাই ভালো।

প্রযুক্তি পাগল

আপনি বিয়ে করেছেন সংসার করা জন্য। কিন্তু বিয়ের পরে যদি দেখেন যে আপনার স্বামী আপনার বদলে তার স্মার্ট ফোন আর ল্যাপটপ নিয়েই সারাদিন সময় কাটিয়ে দিচ্ছে তাহলে সংসারে অশান্তি হওয়াটাই স্বাভাবিক। সংসারের বদলে মোবাইল কিংবা ফেসবুকে বেশি সময় দিলে দুজনের মনোমালিন্য হবেই।তাই এধরণের সমস্যায় পড়তে না চাইলে অতিরিক্ত প্রযুক্তির নেশাগ্রস্ত পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

অসামাজিক

ভুল করেও অসামাজিক পুরুষদেরকে পছন্দ করা উচিত না। অসামাজিক পুরুষরা আপনাকে আপনার পরিবার, আত্মীয় ও বন্ধুদের থেকে অনেক দূরে সরিয়ে নেবেন। এধরণের পুরুষরা তাদের প্রেমিকা কিংবা স্ত্রীর সাথে হিংসুটে ধরনের আচরণ করে এবং সমাজের থেকে তাঁকে আলাদা করে দেয়ার চেষ্টা করে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা আড্ডায় তাদেরকে নিয়ে গেলে বেশ লজ্জার সম্মুখীন হতে হয়। তাছাড়া এ ধরণের পুরুষের সাথে সম্পর্কে জড়ালে ধীরে ধীরে আপনাকেও সবাই এড়িয়ে চলা শুরু করবে। তাই অসামাজিক পুরুষদের সাথে সম্পর্কে জড়ানো থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

যে ৬টি ভুল নষ্ট করতে পারে আপনার প্রথম ডেটের রোমান্টিকতা

আপনি যদি কারো সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানোর ব্যাপারে আগ্রহী হন তখনি ডেটের কথা চিন্তা করেন। ডেটে গেলে একজন আরেকজনকে সামনাসামনি দেখে ভালোভাবে বোঝার সুযোগ পাওয়া যায়। যে ব্যাপারগুলো ফোনে কথা বলার মাধ্যমে বোঝা যায় না সেগুলো বোঝা যায়। কিন্তু একটি কথা মনে রাখবেন, প্রথম ইম্প্রেশন জমানোর সুযোগ একটিবারই পাওয়া যায়। এবং প্রথম ডেটে আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ লক্ষণীয়। কিন্তু এই প্রথম দিনটিতেই অনেকে ঘাবড়ে যেয়ে ভুল করে ফেলেন। যে ভুলগুলো পরবর্তীতে আপনার সুন্দর সম্পর্কটি নষ্ট করে দেয়।

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী

প্রেমিক/প্রেমিকা হিসেবে সবাই আত্মবিশ্বাসী একজন ছেলে/মেয়েকে পেতে চান। কিন্তু মনে রাখবেন অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো না। প্রথম ডেটে নিজেকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হিসেবে উপস্থাপন আপনাকে অপর মানুষটির কাছে দাম্ভিক ও অহংকারী হিসেবে পরিচিতি দিতে পারে। অতিরিক্ত কিছু করতে যাবেন না। আপনি নিজে যেরকম ও যে ভাবে ফোনে কথা বলতেন ঠিক সেভাবেই কথা বলার চেষ্টা করুন।

পোশাক-আশাকে উদাসীনতা

অনেকে মনে করতে পারেন যে আমাকে ভালবাসবে সে আমার মনকে ভালবাসবে আমার পোশাককে নয়। কিন্তু মনে রাখবেন অপর মানুষটি এখনো আপনাকে ভালোমতো জানেন না সে এখন আপনি ডেটটিকে কতোটুকু গুরুত্ব দিচ্ছেন সে বিষয়ের উপর লক্ষ্য করে সিধান্ত নেবেন। তিনি অবশ্যই চাইবেন আপনি ডেটে ভালো ও স্মার্ট পোশাক পরে আসুন যাতে মনে হয় আপনি তাকে গুরুত্ব সহকারে নেন। আপনি যদি নিজেকে সেভাবে তার সামনে উপস্থাপন না করতে পারেন তাহলে আপনার ইম্প্রেশন খারাপ হবে। আর আমরা যেভাবেই বলি না কেন এখনো অনেকে ‘প্রথমে দর্শনধারী,পরে গুন বিচারী’ নীতিতে বিশ্বাসী।

অন্য দিকে অথবা অন্য কারো দিকে তাকানো

এই ভুলটি অনেক মারাত্মক একটি ভুল। আপনি একজনের সাথে ডেটে গিয়েছেন। গিয়ে যদি তার দায়সারা ভাবে কথা বলেন ও কথা বলার মাঝে অন্য দিকে কিংবা অন্য কারো দিকে তাকিয়ে থাকেন তাহলে আপনার সঙ্গীটি সাথে সাথেই নিজেকে আপনার কাছে গুরুত্বহীন মনে করতে পারেন। এই ভুলটি এরিয়ে চলার চেষ্টা করবেন যদি আপনি সম্পর্কে যেতে চান।

ফোনের পেছনে সময় নষ্ট করা

বলতে পারেন আপনার পড়ালেখা আছে, অফিস আছে, বিজনেস আছে ফোন আসতেই পারে। কিন্তু চিন্তা করে দেখুন পুরো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ১/২ ঘণ্টা সময় বের করে আপনি আপনার পছন্দের মানুষটির সাথে সময় কাটাতে গিয়ে ফোনের পেছনে সময় দিলে সেটা কি ডেটের রোমান্টিকটাকে নষ্ট করবে না? নিতান্তই যদি ফোন ধরতে হয় তাহলে সেটা যেন খুবই অল্প সময়ের জন্য হয়।

পুরনো সম্পর্ক নিয়ে কথা বলা

কারো সাথে প্রথম ডেটে গিয়ে ভুলেও নিজের পুরনো প্রেমিক/প্রেমিকার কথা তুলবেন না। আপনার পুরনো সম্পর্ক থাকতেই পারে কিংবা আপনি এখনো আপনার পুরনো প্রেমিক/প্রেমিকার কথা মনে করেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি নতুন কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানোর প্রথম দিনেই আপনার পুরনো প্রেমিক/প্রেমিকা কেমন ছিল, কী কী করত এই সব নিয়ে কথা বলবেন। এতে আপনার সঙ্গীর আপনার উপর বিরূপ ধারনা হবে।

অশালীন কথা বলা

ডেটে গিয়ে পরিবেশ সহজ করার জন্য আপনি হাসিখুশি থাকতে পারেন। কিছু সাধারণ জোকস বলেও সঙ্গীকে হাসাতে পারেন। জোকসের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখুন। এছাড়া কাউকে দেখে অশালীন মন্তব্য ও কোন রেস্টুরেন্টে গেলে ওয়েটারদের সাথে অশালীন ভাষা প্রয়োগ যেমন আপনার ডেট থেকে রোমান্টিকটা নষ্ট করে তেমনি অপর মানুষটির মনে আপনার জন্য নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি হয়।

সতীত্বঃ আশীর্বাদ না অভিশাপ?

সতীত্ব, বিভিন্ন দেশ এবং ধর্মে খুব স্পর্শকাতর একটি বিষয়। আর আমাদের এই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে মূলত সতীত্ব বা ভার্জিনিটির ব্যাপারটা মেয়েদের ক্ষেত্রেই বেশী দেখা হয়। তবে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক, উদার বা রক্ষণশীল মনোভাবের মানুষ হোক, নিজের সতীত্ব নিয়ে মানুষের কিছুটা চিন্তা বা দুশ্চিন্তা থাকেই। কোনও সম্পর্কে জড়ানোর সময়ে অথবা বিয়ের আগে এই ব্যাপারে মনটা বেশী খচখচ করতে থাকে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মাঝে একই রকমের চিন্তাভাবনা দেখা যায়। 


মানসী, ২৪ বছর বয়সী একটি মেয়ে যার কিছুদিন পরেই বিয়ে। স্বভাবতই মাথায় চলছে হাজারো রকমের মিশ্র চিন্তা। একদিকে যেমন বিবাহিত জীবন শুরু করার জন্য যে উন্মুখ, তেমনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত নিজের সতীত্ব নিয়ে। হবু স্বামী যদি জানতে পারে যে সে সতী নয়, তবে তার মনোভাব কেমন হবে? সে নিজেই যদি তাকে বলে দেয় তাহলে কি ব্যাপারটা ভালো হবে? নাকি তার উচিত এই ব্যাপারটা চেপে যাওয়া? ব্যাপারটা লুকানোর কোনও পথ আছে কী?

এসব দুশ্চিন্তার ক্ষেত্রে মানসির সঙ্গী আরও হাজারো নারী। যদিও তাদের অভিজ্ঞতা একেক ক্ষেত্রে একেক রকম।

দিল্লীর এক সাংবাদিক, কল্পনা শর্মা নিজের বর্তমান প্রেমিকের সাথে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করেন এ ব্যাপারটা নিয়ে। এর পরে অবনতি তো দূরের কথা, বরং উন্নতি ঘটে তাদের সম্পর্কে। “আমার প্রেমিক নিজেও ভার্জিন ছিলো না এবং সে এ ব্যাপারে আমাকে জানিয়ে দেয় সম্পর্কের প্রথম পর্যায়েই। এ থেকে আমি সাহস পাই তার সাথে আমার নিজের অতীত সম্পর্কে কথা বলতে। আর এ ব্যাপারে তার কোনও সমস্যা ছিলো না। আমি মনে করি, যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমার অতীত তোমার বর্তমানকে ক্ষতিগ্রস্ত না করছে ততক্ষন এতে কোনও সমস্যা নেই।”

২৬ বছর বয়সী চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট রাহুল রাস্তোগি মনে করেন, নিজের ভার্জিনিটির ব্যাপারে নিজের সঙ্গীকে জানানোর সিদ্ধান্তটি একজন মানুষের একান্তই নিজস্ব একটি ব্যাপার এবং তার এই সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করা উচিত। “আমি যদি বিবাহিত জীবনের শুরুতে আবিষ্কার করি আমার সঙ্গী ভার্জিন নয় তাহলে আমি তাকে ভালোভাবেই নেব, কারণ আমাদের দুজনের মাঝে অন্তত একজন বেশ অভিজ্ঞ হবে। ”

উজ্জ্বল শর্মা এ ব্যাপারে সামাজিক চলের দিকে দৃষ্টি দিতে বলেন। “এখনকার সময়টাই এমন, যে আমি আশা করি না আমার সঙ্গীর সতীত্ব অটুট থাকবে, কারণ প্রেম ছাড়াও সতীত্ব হারানোটাই এখন একটা ট্রেন্ড।”

নিজের অতীতকে ভুলে গিয়ে ফ্রেশ একটা ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাটাই এখন মূলমন্ত্র হয়ে উঠছে অনেক আধুনিক দম্পতির কাছে। প্রেমিক-প্রেমিকারা মানসিকভাবে যথেষ্ট পরিপক্ক, অতীত নিয়ে টানাটানি করে তারা ভবিষ্যতকে নষ্ট করতে চায় না। “নিজের সঙ্গীর সাথে কেউ যখন নতুন জীবনের যাত্রা শুরু করে, তখন বর্তমান আর ভবিষ্যৎ নিয়েই চিন্তা করা উচিত,” বলেন আরশি উপল। “ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আপনার ওপরে। আমি নিজের স্ত্রীকে তার অতীত কর্মের জন্য ছেড়ে যাবো না, কিন্তু আমি এটা নিশ্চিত করবো যে সে আমার সাথে সারাজীবন বিশ্বস্ত থাকবে,” বলেন দিল্লীর ট্যাটু আরটিস্ট লোকেশ ভার্মা।

মনের সম্পর্কের সাথে সাথে শারীরিক সম্পর্কের ঝোঁকটাও চলে আসে, আর এখন সময়টাই এমন যে এই ইচ্ছাপূরণের বাসনা মানুষ দমিয়ে রাখার চেষ্টাও করে না। আর আধুনিক মানুষ নিজের সঙ্গীর পূর্ববর্তী প্রেম নিয়েও ঝগড়াঝাঁটিতে যেতে চায় না। কিন্তু এ সময়েও অনেক মানুষ আছে যারা ভালোবাসা এবং দাম্পত্যে কমিটমেন্টের চাইতে বড় করে দেখেন সঙ্গীর সতীত্বকে এবং তার জন্য সম্পর্কে চিড় ধরে যাবার আশঙ্কা দেখা দেয়। কিন্তু সতীত্বের চাইতে কি আপনার সঙ্গীকে একজন মানুষ হিসেবে গ্রহণ করাটা বড় করা নয়? বিবাহিত জীবনকে গ্রহণ করুন একটা নতুন যাত্রা হিসেবে আর সঙ্গীর অতীতের চাইতে আপনার সাথে তার ভবিষ্যতকেই গুরুত্ব দিন। 

টাইমস অফ ইনডিয়া হতে অনূদিত

" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!