বিএসসিআই এর ট্রেনিং ।

জীবনে কিছু কিছু দিনের স্মৃতি সত্যিই ভোলা যায়না ।

Firmgate

Badhon

শুভ জন্মদিন

তোমার জীবনের ছোট্ট ছোট্ট সময়গুলোকে আনন্দের রং লাগিয়ে স্বরনীয় করে রাখতে চেষ্টা করছি । যা সেদিন তোমাকে মনে করিয়ে দেবে যে, এই আমি তোমাকে কতটা গুরুত্ব দিতাম । যেইদিন আমি তোমার জায়গায়..আর তুমি আমার জায়গায় থাকবে।

সোনার গাঁও

কোন কোন মানুষ জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ন হয়ে যায় । কোন কোন দিনও সারাজীবন মনে থেকে যায় । সেরকম একটি দিন ছিল যেদিন এই ছবিটা তুলেছিলাম ।

দীর্ঘ সময়ের ক্লান্তি কাটাতে


সময়ের সাথে সাথে কাজের ধরণ বদলেছে। পেশাদারিত্বের চাপে দিনের অনেকটা সময় কাজেই ব্যস্ত থাকতে হয়। দীর্ঘ সময় কাজের কারণে ক্লান্ত হয়ে পড়াটাও অবাস্তব কিছু নয়। দ্রুত ও নির্ভুল কাজের জন্য ক্লান্তি বেশ বড় বাধা। কাজে মন দিতে অবসন্নতা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু উপায়:


অফিসে ঢুকে সারাদিনে কি করবেন তা ঠিক করে নিবেন। তারপর ঠিক করুন কাজগুলো কখন করবেন, মানে দিনের প্রথমে নাকি শেষে। এতে করে এই দু’ভাগের মধ্যে সময় বের করতে সুবিধে হবে।


সময় বের করে নিতে পারলে নিজেকে চাঙা করে নিন। এক নাগাড়ে কাজ না করে একটু-আধটু চলাফেরা করুন। ভাল লাগবে। অফিসের চেয়ারে বসে আঙুল, হাতের টুকটাক এক্সারসাইজ। আলসেমি কাটাতে স্ট্রেচিং করেই দেখুন, ক্লান্তি আর কাবু করতে পারবে না।


মাঝেমধ্যে এক কাপ চা-কফিও চলতে পারে। তবে চায়ের সাথে হালকা কিছু খান।


ভারী খাবার খেলে ঘুম আসতে পারে। তাই ভাত, নুডুলস, বিরিয়ানির মতো ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন।


একা ও এক নাগাড়ে কাজ আমাদের একঘেয়ে করে তোলে। একঘেয়ে নিয়ে আসে অবসন্নতা। তাই সহকর্মীদের সাথে টুকটাক আলাপ করতেই পারেন। আলোচনার মধ্যে নিজেদের কাজ, সাম্প্রতিক সিনেমা, বই সবকিছুই থাকতে পারে।


কিছু পছন্দের ম্যাগাজিন, বই রাখতে পারেন ড্রয়ারে। খুব খারাপ লাগলে একবার চোখ বুলিয়ে নিন। হারিয়ে যাওয়া মনযোগটা ঠিকঠিক ফেরত পাবেন।


আজকাল মাল্টিমিডিয়া সেট অথবা ট্যাব, আইপ্যাড যখন নিত্যসঙ্গী। তখন পছন্দনীয় কিছু গান ভরে নিলে মন্দ হয় না। কাজে ঝিম ধরলে গান শুনতে পারেন।


এছাড়াও ক্লান্তি কাটাতে নেট ঘাটতে পারেন। সামাজিক সাইটগুলোতে বন্ধুদের সাথেও সেরে নিতে পারেন আলাপ। এতে করে পুরোনো মুডটা ফিরে আসবে।

বেশি হাসবেন না


নারীদের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে চান? তাহলে বেশি হাসবেন না। কেননা নারীরা বিষণ্ন পুরুষই বেশি পছন্দ করে। কিন্তু পুরুষরা তার বিপরীত। তাদের পছন্দ নারীর হাস্যোজ্জ্বল অভিব্যক্তি। আমেরিকার সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল ইমোশনে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় এ কথা বলা হয়েছে।


এতে পুরুষদের কিছুটা লাজুক ও নারীদের তাচ্ছিল্য করার উপদেশও দেয়া হয়েছে।


কানাডার গবেষকরা আরো জানান, যৌন আবেদনময় পুরুষদের চেয়ে যেসব পুরুষ ভুল করেছেন এবং তা তারা জানে বলে ভাব বা অহং প্রকাশ করেন তাদের সঙ্গেই নারীরা বেশি সুখী হয়।


গবেষণায় কিছু নারী ও পুরুষের ছবি চাওয়া হয় এবং ছবির মানুষের অভিব্যক্তি দেখে যৌন আবেদন সম্পর্কে তাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়।


গবেষণার পরিচালক ইউনিভার্সিটি অব বৃটিশ কলম্বিয়ার মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জেসিকা ট্রেসি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “ছবিতে যেসব পুরুষ হাসছিলেন তারা মোটেও আকর্ষণীয় নন বলে নারীরা মতামত জানান। অন্যদিকে পুরুষদের প্রতিক্রিয়া নারীদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।”


ট্রেসি আরো বলেন, “ছবিতে যে নারীরা হাসছিলেন তারা সবচেয়ে আবেদনময়ী বলে পুরুষরা রায় দেন এবং তারা হাসিকেই নারীর সবচেয়ে আবেদনময়ী অভিব্যক্তি বলে মন্তব্য করেন।”

পুরানো দিনের সেই মানুষগুলো !

পুরানো দিনের সেই মানুষগুলো, যারা আজও আমার সৃতির অনেকটা জুড়ে আছে !


দাড়ানো (পিছনের লাইনে) :
বাম পাশ থেকে-মি.পিপলু, মি.সালাম, মি.মাসুদ, মি.জাকির, মি.শামসুল আলম, মি.নাসির, মি.......
বসা (সামনের লাইনে) :
  বাম পাশ থেকে - মি. শহীদুল্লাহ, মি.ইমরান পারভেজ , মি.নাহিদুল হক মান্না 
 

যেভাবে স্বামীর মন জয় করবেন.!


নানা সময়ে আপনার সংগ্রহ করা টাকা দিয়ে স্বামীকে না জানিয়ে তার জন্য বিভিন্ন রকমের উপহার কিনতে পারেন। যা তার জন্ম দিনে কিংবা আপনাদের বিশেষ দিনে উপহার দিতে পারেন। এতে করে আপনার স্বামী আনন্দিত হবেন এবং আপনিও খুশী হবেন...।


দাম্পত্য জীবনে সুখ সমৃদ্ধির জন্য উভয়ের ইচ্ছা এবং চেষ্টাই যথেষ্ট। এমন কিছু কিছু আচরণ আছে যা স্বামীকে স্ত্রীর কাছে এবং স্ত্রীকে স্বামীর কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে। অনেক সময় দাম্পত্য জীবনের জৌলুষ বাড়াতে নানা ধরনের কৌশলের আশ্রয় নিতে হয়। এই প্রবন্ধটি কেবলমাত্র স্ত্রীদের জন্য যারা তাদের দাম্পত্য জীবনের আকর্ষণীয়তা ধরে রাখতে চান।


স্বামীর জন্য কেনা উপহার :


নানা সময়ে আপনার সংগ্রহ করা টাকা দিয়ে স্বামীকে না জানিয়ে তার জন্য বিভিন্ন রকমের উপহার কিনতে পারেন। যা তার জন্ম দিনে কিংবা আপনাদের বিশেষ দিনে উপহার দিতে পারেন। এতে করে আপনার স্বামী আনন্দিত হবেন এবং আপনিও খুশী হবেন।


স্বামীকে কনডম গিফট করুন:


যৌন জীবন এবং দাম্পত্য জীবনে মাঝে মধ্যে নানা ছন্দের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এই ছন্দময়তার জন্য নানান আচরণগত পরিবর্তন প্রয়োজন। হয় তো আপনার স্বামীই সবসময় কনডম কিনে আনেন। কখনো তিনি এটি কিনতে ভুলেও যেতে পারেন। আপনার স্বামীকে চমক দিন। তার পছন্দসই ব্রান্ডের কনডমটি তাকে গিফট করুন। আপনার স্বামীর আপনার প্রতি আস্থা এবং ভালোবাসা মুহর্তেই আরো বেড়ে যাবে।


তাকে বই দিন:


আপনার স্বামী হয়তো কর্মজীবনের বাইরে বই-এর প্রতি অনুরক্ত। তাহলে তার জন্য এই একটি আকর্ষণীয় উপহার। আপনার স্বামীর পছন্দ আপনার জানা আছে। সময় এবং সুযোগ মিলিয়ে আপনার স্বামীর পছন্দীয় বইটি কিনে আনুন। তাকে রাতে শোবার সময় বইটি পড়তে দিন। দেখবেন তার চেহারায় সেই দীপ্তিটুকু ফুটে উঠেছে যা আপনি খুঁজে চলেছেন।


স্বামীর পছন্দনীয় মেনুটি তৈরি করুন:


আজ বিকেলে আপনার স্বামী কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরলে তাকে আপনি সহজেই আনন্দিত করতে পারেন। আপনি জানেন তিনি আপনার হাতের তৈরি যে কোনো মিষ্টি খাবার খেতে পছন্দ করেন। তৈরি করে রাখুন আপনার স্বামীর পছন্দের মেনুটি। গতকালও যা তিনি খেতে চেয়েছিলেন। তাকে জানাবেন না আজ রাতে তিনি হয়তো চমকে যেতে পারেন। তার প্রিয় মেনুটি তার সামনে হাজির করা মাত্র তিনি আহলাদে ফেটে পড়বেন। সামান্য একটু কৌশল খাটিয়ে দাম্পত্য জীবনের জৌলুষ এভাবে বাড়াতে পারেন সহজেই।


প্রেমের চিঠি লিখুন:


দাম্পত্য জীবনের নানা চড়াই উৎরাই-এর মধ্যেও নিজের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলবেন না। মনে রাখবেন এতো ব্যস্ততার মাঝেও আপনি যদি আপনার স্বামীর জন্য বিশেষ কিছু করতে পারেন তবে তাতে দাম্পত্য জীবনের আকর্ষণ প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যেতে পারে। মাঝে মাঝেই আপনার স্বামীকে চিঠি লিখুন।


যা হয়তো আপনার স্বামীর কাছে অনাকাক্ষিত ব্যাপার। দেখবেন আপনার হাতের লেখা চিঠি পেয়ে আপনার স্বামী শুধু আনন্দিত হবেন না, হবেন উৎফুলস্ন। এভাবে ছোট খাটো সামান্য কিছু আচরণে আপনার স্বামীকে না জানিয়েও দাম্পত্য জীবনকে করতে পারেন আকর্ষণীয় এবং জৌলুষপূর্ণ। এভাবে ভালোবাসা সৃষ্টি করুন এবং ভালো থাকুন।
" কিছু স্বপ্ন আকাশের দূর নীলিমাক ছুয়ে যায়, কিছু স্বপ্ন অজানা দূরদিগন্তে হারায়, কিছু স্বপ্ন সাগরের উত্তাল ঢেউ-এ ভেসে যায়, আর কিছু স্বপ্ন বুকের ঘহিনে কেদে বেড়ায়, তবুও কি স্বপ্ন দেখা থেমে যায় ? " সবার স্বপ্নগুলো সত্যি হোক এই শুভো প্রার্থনা!